শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:০৬, বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬ আপডেট: ১৪:১৯, বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬

খেলাপি ঋণের ১ লাখ কোটি টাকার সুদ মওকুফের সুযোগ দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
খেলাপি ঋণের ১ লাখ কোটি টাকার সুদ মওকুফের সুযোগ দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

২০২৪ সাল থেকে বিশেষ পুনঃতফসিল নীতির আওতায় নিয়মিত করা অধিকাংশ ঋণ আবারও খেলাপিতে পরিণত হওয়ায় ঋণগ্রহীতাদের জন্য বড় ধরনের সুদ মওকুফের সুযোগ চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত সোমবার জারি করা এক সার্কুলারে, ব্যাংকগুলোকে ঋণ গ্রাহকদের চার্জড (আরোপিত) ও আনচার্জড (অনারোপিত) উভয় ধরনের সুদ মওকুফের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সুদ মওকুফের আগে তহবিল খরচ আদায় নিশ্চিত করার যে বাধ্যবাধকতা ছিল, তা শিথিল করা হলো।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর স্থগিত সুদ হিসাবে খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার আনচার্জড সুদ জমেছিল। মন্দ ঋণ চিরতরে মুছে ফেলে ব্যাংকের ব্যালেন্স শিট সাফসুতরো করতে এবং খেলাপিদের খেলাপি তকমা থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নতুন কৌশল নিয়ে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত যারা বিশেষ পুনঃতফসিল সুবিধা পেয়েছেন, তারাও এই সুদ মওকুফের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হবেন।

নতুন সার্কুলারের আওতায়, খেলাপিরা কেবল ঋণের আসল টাকা পরিশোধ করে এককালীন নিষ্পত্তি করার সুযোগ পাবেন; যার অর্থ, তাদের কোনো সুদ দিতে হবে না।

ব্যাংকগুলো যদি স্থগিত সুদ হিসাব থেকে ১ লাখ কোটি টাকার অনারোপিত সুদ মওকুফ করে, তবে মোট খেলাপি ঋণের হার ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত রেকর্ড করা ৩০.৬০ শতাংশ থেকে কমে ২৫ শতাংশে নেমে আসবে।

স্থগিত সুদ হিসাব হলো ব্যাংকগুলোর একটি সাময়িক হিসাব বা হোল্ডিং অ্যাকাউন্ট, যা পাওনা কিন্তু এখনো অর্জিত আয় হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি—এমন সুদ নথিভুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

যখন কোনো ঋণগ্রহীতা নির্ধারিত সময়ের পর পেমেন্ট দেওয়া বন্ধ করে দেন, তখন সেই ঋণটি নন-পারফর্মিং লোন (এনপিএল) বা খেলাপি ঋণ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। ব্যাংককে তখন এই ঋণের অনাদায়ী সুদকে লাভ হিসেবে দেখানো বন্ধ করতে হয়। লাভ-ক্ষতির হিসাবে নেওয়ার পরিবর্তে ব্যাংক তখন এই অনাদায়ী সুদ একটি 'স্থগিত সুদ হিসাবে' জমা রাখে।

এই সার্কুলার জারির আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান—ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন, যেখানে ব্যাংকের ব্যালেন্স শিটে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমাতে আসল ও সুদ মওকুফ—উভয় বিকল্প নিয়ে আলোচনা হয়।

পলিসি কমিটির অনুমোদনে পুনঃতফসিল করা অধিকাংশ ঋণ আবারও খেলাপি হয়ে পড়েছে—এই যুক্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই বিকল্পগুলো তুলে ধরেছিল বলে বেশ কয়েকজন শীর্ষ নির্বাহী দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে জানিয়েছেন।

তবে ব্যাংকগুলো আসল বা প্রিন্সিপাল ঋণ মওকুফের বিরোধিতা করেছে, কারণ এটি ব্যাংক কোম্পানি আইনের পরিপন্থী। কিন্তু সাসপেন্স অ্যাকাউন্টে থাকা সুদ মওকুফের বিকল্পটি তারা মেনে নিয়েছে, যেহেতু এগুলো ব্যাংকের আয়ে যোগ করা হয়নি।

একজন নির্বাহী বলেন, আরোপিত সুদ মওকুফের বিষয়টি কেস-বাই-কেস বিবেচনা করা হবে, কারণ এটি করা হলে ২০২৬ সালে ব্যাংকগুলোর আয় সরাসরি কমে যাবে।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চাপের কারণে খেলাপি ঋণ কমাতে মরিয়া হয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নতুন বিকল্প নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক খুব শিগগিরই একটি নতুন ঋণ কর্মসূচির জন্য আইএমএফের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে, এবং এর আগেই যেকোনো উপায়ে খেলাপি ঋণের হার কমিয়ে আনতে চাইছে।

২০২৫ সালের শেষে খেলাপি ঋণ, পুনঃতফসিল করা ঋণ ও অবলোপন করা (রাইট-অফ) ঋণসহ—দেশের মোট ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০.৮৭ লাখ কোটি টাকা, যা ব্যাংকিং খাতের মোট ঋণের ৬০ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী বলেন, "আমি মনে করি, বাংলাদেশ ব্যাংক অত্যন্ত অনৈতিক একটি কাজ করছে। আমানতকারীদের টাকা ক্ষমা করার অধিকার কারও নেই। সুদ মওকুফ করার এই ব্যাংকগুলো কে? এই টাকার আসল মালিক তো আমানতকারীরা। তারা তো এই ঋণ মাফ করেননি, তবুও ব্যাংকগুলোকে সুদ মওকুফের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এটিকে কীভাবে যৌক্তিক বলা যায়?"

তিনি বলেন, এর ফলে খেলাপিরা আরও বেশি উৎসাহিত হবে। "আমরা ঋণখেলাপিদের একের পর এক সুবিধা দিয়েই যাচ্ছি, কিন্তু তাতে কোনো উন্নতি হয়নি।"

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর মুহাম্মদ এ (রুমি) আলী বলেন, "ব্যাংকগুলো যদি ইতোমধ্যে আয় হিসেবে বুক করা সুদ মওকুফ করে, তবে আগামী বছরগুলোতে তাদের এই ক্ষতি মেনে নিতে হবে। এর প্রভাব কতটা পড়বে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট ঋণ হিসাবগুলোর আকারের ওপর। বড় বড় মন্দ ঋণের ক্ষেত্রে যদি বিপুল পরিমাণ সুদ মওকুফ করা হয়, তবে ব্যাংকগুলোর আয় এবং মূলধন পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।"

তিনি আরও বলেন, "এই নীতি ব্যাংকের সক্ষমতা ও স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত তা আমানতকারীদেরও প্রভাবিত করবে।"

তিনি এই পদক্ষেপের কর ব্যবস্থার ওপর প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেন। অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো ইতোমধ্যে সুদ আয়ের ওপর ট্যাক্স দিয়ে দিয়েছে, যা পরে হয়তো তাদের মওকুফ করতে হতে পারে। "এই ধরনের মওকুফের জন্য ব্যাংকগুলো কোনো কর সুবিধা বা সমন্বয় পাবে কিনা তা এখনো অস্পষ্ট। এই ক্ষমা করা সুদে করের বিষয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু, যা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।"

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যত তাদের পূর্বানুমতি ছাড়াই সুদ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ব্যাংকগুলোর ওপর ছেড়ে দিয়েছে। এটি নমনীয়তা দিলেও ঝুঁকি বাড়ায়, বিশেষ করে আর্থিকভাবে দুর্বল ব্যাংকগুলোর জন্য।

"আমানতকারীদের জন্য নিশ্চিতভাবেই ঝুঁকি রয়েছে, বিশেষ করে যেসব ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা ইতিমধ্যে নাজুক। এই ধরনের ব্যাংকগুলোকে যদি আরও বেশি আয় রাইট-অফ করতে হয় এবং বড় লোকসান দেখাতে হয়, তবে তাদের আর্থিক ভিত্তি আরও দুর্বল হয়ে পড়বে," বলেন তিনি।

রুমি আলী বড় খেলাপিদের ক্রমাগত ছাড় দেওয়ার নীতিরও সমালোচনা করেন। তিনি যুক্তি দেন, তাদের অনেকেরই বিপুল সম্পদ রয়েছে, যা ব্যাংক ঋণ আদায়ের জন্য বিক্রি করা যেতে পারে। তাদেরকে আরও ছাড় দেওয়ার আগে ঋণের টাকায় দেশে ও বিদেশে গড়ে তোলা সম্পদ খুঁজে বের করে আইনি প্রক্রিয়ায় আনা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ব্যাংকের মুনাফায় সুদ মওকুফের প্রভাব কেমন হবে : বেসরকারি একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের এক শীর্ষ নির্বাহী জানান, নতুন সার্কুলারে সাসপেন্স অ্যাকাউন্টে রাখা সুদ মওকুফের নিয়ম শিথিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো একমত হয়েছে যে এই স্থগিত সুদগুলো ব্যাংকের প্রকৃত আয় হিসেবে গণ্য হয় না, কারণ এগুলো আদায় করা হয়নি।

যদি স্থগিত সুদের বিপরীতে ইতোমধ্যে প্রভিশন রাখা হয়ে থাকে, তবে মওকুফের ফলে মূলত প্রভিশন সমন্বয় হবে এবং মুনাফায় তেমন বড় প্রভাব পড়বে না। তবে যদি কোনো প্রভিশন না থাকে ও সুদটি আগে আয় হিসেবে দেখানো হয়ে থাকে, তবে এই মওকুফ ব্যাংকের মুনাফা কমিয়ে দেবে, তিনি বলেন।

অতীতে কেন ব্যাংকগুলোকে এই সুদ মওকুফের অনুমতি দেওয়া হয়নি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঋণগ্রহীতারা ঋণ পরিশোধ করুক আর না করুক, ব্যাংকগুলোকে আমানতকারীদের ফান্ডের খরচ ঠিকই দিতে হয়। তাই অতিরিক্ত সুদ মওকুফ ব্যাংকের মুনাফায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তা সত্ত্বেও, এককালীন নিষ্পত্তির মাধ্যমে এই এমাউন্টগুলো সরিয়ে ফেলা হলে সার্বিক শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ কমে আসতে পারে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, বারবার ঋণ পুনঃতফসিল করা কেবল সমস্যাটিকে এড়িয়ে যাওয়া, সমাধান নয়।

তাঁর মতে, এই নীতির প্রাথমিক সুবিধা হলো জমে থাকা সুদ মওকুফের সম্ভাবনা, যা সংকটাপন্ন ঋণগ্রহীতাদের ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে যাওয়া এবং ব্যাংকগুলোর জন্য তাদের অনাদায়ী ঋণের অন্তত কিছু অংশ উদ্ধার করা সহজ করে তুলবে।

তবে তিনি উল্লেখ করেন, ব্যাংকিং খাতের সমস্যার টেকসই সমাধানের জন্য আরও ব্যাপক কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন, বিশেষ করে একটি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি (এএমসি) গঠন এবং সংকটাপন্ন সম্পদ ও দীর্ঘমেয়াদি খেলাপিদের মোকাবিলার জন্য আরও কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করা। তিনি বলেন, অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলো ব্যাংক থেকে ছাড়কৃত মূল্যে সংকটাপন্ন সম্পদ কিনে নিতে পারে, যা ব্যাংকগুলোকে তাদের ব্যালেন্স শিট পরিষ্কার করতে এবং আর্থিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করবে।

পুনঃতফসিল ব্যবস্থা কেন ব্যর্থ হচ্ছে : বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য দেখায়, ব্যাংকগুলো ২০২৪ এবং ২০২৫ এ দুই বছরেই ২.৫৬ লাখ কোটি টাকারও বেশি ঋণ পুনঃতফসিল করেছে, যার ৪০ শতাংশই আবার খেলাপি হয়ে গেছে।

অপর একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের একজন শীর্ষ নির্বাহী বলেন, এর কারণ হলো খেলাপি কোম্পানিগুলোর যেসব মূল সমস্যা, তার সমাধান করা হয়নি। ওই খেলাপি কোম্পানিগুলোর বেশিরভাগই চলার মতো অবস্থায় ছিল না—কারণ তাদের ঋণ-ইকুইটি অনুপাত ১০০ শতাংশ ছাড়িয়ে গিয়েছিল, যার অর্থ তাদের কোনো মূলধন ছিল না। এই অবস্থায়, পুঁজি জোগান বা সম্পদ বিক্রি তাদের বাঁচাতে পারত, কিন্তু তাদের আরও ঋণ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়– যা দায়ের বোঝা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

নিজ ব্যাংকের একটি উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, তারা পলিসি কমিটির অনুমোদন অনুযায়ী একটি পুনঃতফসিলের কেসও মেনে চলেননি। "বরং আমরা গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধের জন্য সম্পদ বিক্রি করতে, আরও ঋণের সুবিধার জন্য সম্পদ বন্ধক রাখতে এবং ব্যবসার পরিধি ছোট করতে বাধ্য করেছি, যা তাদের টিকে থাকতে সাহায্য করেছে।"

তিনি বলেন, এসব কঠোর পদক্ষেপের কারণে ওই কোম্পানিগুলো গ্রেস পিরিয়ড না নিয়েও সর্বোচ্চ ৮ বছরের জন্য ঋণ পুনঃতফসিল করার পর এখনো ঋণ পরিশোধ করে যাচ্ছে।

তিনি জানান, পলিসি কমিটি ২ বছরের গ্রেস পিরিয়ড অনুমোদন করে। এটা তাদের কিস্তির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, ফলে তারা আর ঋণ পরিশোধ চালিয়ে যেতে পারেনি এবং শেষ পর্যন্ত আবারও খেলাপি হয়ে পড়ে।

সৌজন্যে টিবিএস

এই বিভাগের আরও খবর
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
ব্যাংক হলিডে : দেশের পুঁজিবাজারেও বন্ধ লেনদেন
ব্যাংক হলিডে : দেশের পুঁজিবাজারেও বন্ধ লেনদেন
দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?
আজ ব্যাংক হলিডে, বন্ধ থাকবে লেনদেন
আজ ব্যাংক হলিডে, বন্ধ থাকবে লেনদেন
চাকা ঘুরছে না ৫৫০ কারখানায়
চাকা ঘুরছে না ৫৫০ কারখানায়
সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বহাল, নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই
সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বহাল, নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন
বাজেটের সুফল ব্যাহত করতে পারে কঠোর মুদ্রানীতি: ডিসিসিআই
বাজেটের সুফল ব্যাহত করতে পারে কঠোর মুদ্রানীতি: ডিসিসিআই
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ বহাল
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ বহাল
জুনের ২৯ দিনে প্রবাসী আয় এলাে ২৬৯ কোটি ডলার
জুনের ২৯ দিনে প্রবাসী আয় এলাে ২৬৯ কোটি ডলার
পুঁজিবাজারে লেনদেন ১৬০০ কোটি টাকা ছাড়াল
পুঁজিবাজারে লেনদেন ১৬০০ কোটি টাকা ছাড়াল
ঋণের লক্ষ্য ক‌মিয়ে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা
ঋণের লক্ষ্য ক‌মিয়ে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা
সর্বশেষ খবর
চাঁদপুরে লাইসেন্স ছাড়াই গবাদিপশুর ভিটামিন প্রস্তুত, জরিমানা
চাঁদপুরে লাইসেন্স ছাড়াই গবাদিপশুর ভিটামিন প্রস্তুত, জরিমানা

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

তালায় বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলছাত্র নিহত, আহত বাবা
তালায় বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলছাত্র নিহত, আহত বাবা

২২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

সালমান এফ রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ২৩ জুলাই
সালমান এফ রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ২৩ জুলাই

২ মিনিট আগে | জাতীয়

৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের ঢাবি স্টেশন
৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের ঢাবি স্টেশন

৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

গুজব ও অপতথ্য রুখতে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রচারের বিকল্প নেই: রেল প্রতিমন্ত্রী
গুজব ও অপতথ্য রুখতে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রচারের বিকল্প নেই: রেল প্রতিমন্ত্রী

১০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

টানা চার ম্যাচে ‌‘ক্লিন শিট’, বিশ্বমঞ্চে স্বাগতিক মেক্সিকোর রাজকীয় পথচলা
টানা চার ম্যাচে ‌‘ক্লিন শিট’, বিশ্বমঞ্চে স্বাগতিক মেক্সিকোর রাজকীয় পথচলা

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আম পাঠাল বাংলাদেশ

২৩ মিনিট আগে | জাতীয়

মেক্সিকোর জয়ের পর উল্লাসে প্রাণ গেল দুজনের
মেক্সিকোর জয়ের পর উল্লাসে প্রাণ গেল দুজনের

২৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চাঁদপুরে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ
চাঁদপুরে ৫ কোটি টাকার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রোবটদের কাজ শেখাতে তৈরি হলো ‘রোবট পার্ক’ স্কুল
রোবটদের কাজ শেখাতে তৈরি হলো ‘রোবট পার্ক’ স্কুল

৩৩ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হারলেও আত্মবিশ্বাসী সিমন্স
জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হারলেও আত্মবিশ্বাসী সিমন্স

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জিম্বাবুয়ের উদ্দেশে দেশ ছাড়লেন লিটন
জিম্বাবুয়ের উদ্দেশে দেশ ছাড়লেন লিটন

৩৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের দুই দিন পর নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের দুই দিন পর নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আগামী দিনে আরও নিরাপদ রাজশাহী মহানগর গড়ে উঠবে : ভূমিমন্ত্রী
আগামী দিনে আরও নিরাপদ রাজশাহী মহানগর গড়ে উঠবে : ভূমিমন্ত্রী

৩৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রেজাল্ট খারাপ করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতাও চেক করতে পারবে : শিক্ষামন্ত্রী
রেজাল্ট খারাপ করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতাও চেক করতে পারবে : শিক্ষামন্ত্রী

৩৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাশিয়া চাপে পড়লেও পুতিন অনড়
রাশিয়া চাপে পড়লেও পুতিন অনড়

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৪০ বছরের সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে ভারী যান চলাচল বন্ধ
১৪০ বছরের সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে ভারী যান চলাচল বন্ধ

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন কঙ্গোর
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন কঙ্গোর

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু
ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ তরুণের মৃত্যু

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপে ৪০ বছরের খরা কাটল, মেক্সিকোর রাস্তায় বাঁধভাঙা উল্লাস
বিশ্বকাপে ৪০ বছরের খরা কাটল, মেক্সিকোর রাস্তায় বাঁধভাঙা উল্লাস

৫০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সাবেক আইজিপি বেনজীরের দুর্নীতির মামলায় আরও ৬ জনের সাক্ষ্য
সাবেক আইজিপি বেনজীরের দুর্নীতির মামলায় আরও ৬ জনের সাক্ষ্য

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

শহীদ রবিউল করিমের দশম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
শহীদ রবিউল করিমের দশম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মাদারীপুরে কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ
মাদারীপুরে কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

৫৩ মিনিট আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি কার্যকরের আহ্বান চীনের
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি কার্যকরের আহ্বান চীনের

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ কারবারি আটক
টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ কারবারি আটক

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

৫৬ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন
আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ সদস্যের অ্যাডহক বার কাউন্সিল গঠন, চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল
১৫ সদস্যের অ্যাডহক বার কাউন্সিল গঠন, চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বজুড়ে ফের চালু হচ্ছে অ্যানথ্রোপিকের শক্তিশালী এআই
বিশ্বজুড়ে ফের চালু হচ্ছে অ্যানথ্রোপিকের শক্তিশালী এআই

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

টেক্সটাইল, গবেষণা ও কারিগরি শিক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী
টেক্সটাইল, গবেষণা ও কারিগরি শিক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের জার্সিতে খেলবেন হেনরিকস
অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে পর্তুগালের জার্সিতে খেলবেন হেনরিকস

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্সের দাপটে সুইডেনের জালে দুই গোল
ফ্রান্সের দাপটে সুইডেনের জালে দুই গোল

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত
ভারতীয় ভিসা আবেদনে স্লট বরাদ্দে নতুন সিদ্ধান্ত

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেষ ষোলোর আগে ব্রাজিলের জন্য বড় দুঃসংবাদ
শেষ ষোলোর আগে ব্রাজিলের জন্য বড় দুঃসংবাদ

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এ কোন মহাবিপদে ব্রাজিল! শেষ ষোলোয় এবার নরওয়ে
এ কোন মহাবিপদে ব্রাজিল! শেষ ষোলোয় এবার নরওয়ে

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে ব্রাজিলের মুখোমুখি নরওয়ে
বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে ব্রাজিলের মুখোমুখি নরওয়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব
ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানো ইসরায়েলকে আর এক পয়সাও নয় : রাশিদা তালিব

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!
আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে কেপ ভার্দে!

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হালান্ডের জাদুতে শেষ ষোলোতে নরওয়ে
হালান্ডের জাদুতে শেষ ষোলোতে নরওয়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সত্যিই কি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী?
সত্যিই কি ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রাজিলের সামনে ঘোর বিপদ
ব্রাজিলের সামনে ঘোর বিপদ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের
পানি বন্ধ করলেই ‘হাত কেটে ফেলব’, ভারতকে কড়া বার্তা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সত্যিই কি ইরানের কৌশল বুঝে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক মন্তব্য জেডি ভ্যান্সের
সত্যিই কি ইরানের কৌশল বুঝে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র? বিস্ফোরক মন্তব্য জেডি ভ্যান্সের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসিকে বিশেষ উপহার দিতে চান কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট
মেসিকে বিশেষ উপহার দিতে চান কেপ ভার্দে প্রেসিডেন্ট

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোনালদো-মদ্রিচদের ম্যাচের টিকিটের মূল্য ২৬ লাখ টাকা
রোনালদো-মদ্রিচদের ম্যাচের টিকিটের মূল্য ২৬ লাখ টাকা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন
নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে
৯০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি যোগ দিচ্ছেন খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট
হরমুজে যৌথভাবে শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান: রিপোর্ট

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফাঁদে ফেলতে অভিনব প্রলোভন, নিঃস্ব হাজার হাজার তরুণ-তরুণী!
ফাঁদে ফেলতে অভিনব প্রলোভন, নিঃস্ব হাজার হাজার তরুণ-তরুণী!

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫৯ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস
১৫৯ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস

১৯ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কারণ দর্শানোর নির্দেশ
সংসদে অনুপস্থিত এমপিদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কারণ দর্শানোর নির্দেশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাজা অপ্রতুল, অবশ্যই আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর
সাজা অপ্রতুল, অবশ্যই আপিল করবো: চিফ প্রসিকিউটর

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বামীর পরিচিত থেকে বাসায় যাতায়াত, সুগারবিহীন চা পান করতেন খুনি
স্বামীর পরিচিত থেকে বাসায় যাতায়াত, সুগারবিহীন চা পান করতেন খুনি

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা
জাপানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত উদযাপন, মুখ খুললেন ব্রাজিলের কুনহা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে
মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানে বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা
ইরানে বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি
নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অতি চালাকের গলায় দড়ি
অতি চালাকের গলায় দড়ি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজ থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর
আজ থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশাসনে বড় পরিসরে আসছে সরকারের প্রথম পদোন্নতি
প্রশাসনে বড় পরিসরে আসছে সরকারের প্রথম পদোন্নতি

পেছনের পৃষ্ঠা

বঙ্গোপসাগরে টুনার খনি
বঙ্গোপসাগরে টুনার খনি

পেছনের পৃষ্ঠা

কেপ ভার্দের ১০ নম্বর জার্সিতে লিওনেল মেসি
কেপ ভার্দের ১০ নম্বর জার্সিতে লিওনেল মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জামায়াতের তুরস্ক কানেকশন এবং একাত্তরের পাপ
জামায়াতের তুরস্ক কানেকশন এবং একাত্তরের পাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

শাশুড়ি হত্যার ১৯ বছর পর স্ত্রীকেও হত্যা করল ঘাতক
শাশুড়ি হত্যার ১৯ বছর পর স্ত্রীকেও হত্যা করল ঘাতক

পেছনের পৃষ্ঠা

গাছহীন ঢাকায় শ্বাসের কষ্ট
গাছহীন ঢাকায় শ্বাসের কষ্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন দুদক
অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তে স্বাধীন দুদক

প্রথম পৃষ্ঠা

ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড
ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

কোনো বাধা না থাকায় বেড়েছে ধর্ষণ মামলা
কোনো বাধা না থাকায় বেড়েছে ধর্ষণ মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

জার্সিকাণ্ডে বিব্রত পুলিশ, এসআইকে শোকজ
জার্সিকাণ্ডে বিব্রত পুলিশ, এসআইকে শোকজ

পেছনের পৃষ্ঠা

আইআরজিসির দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা
আইআরজিসির দুই সদস্যকে গুলি করে হত্যা

পূর্ব-পশ্চিম

দুই দিনে সোনার দাম কমল ভরিতে ৬৫৯০ টাকা
দুই দিনে সোনার দাম কমল ভরিতে ৬৫৯০ টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

জাবিতে গোপনে ছাত্রীর ভিডিও ধারণের অভিযোগে গ্রেপ্তার বহিরাগত যুবক
জাবিতে গোপনে ছাত্রীর ভিডিও ধারণের অভিযোগে গ্রেপ্তার বহিরাগত যুবক

নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাতারে বৈঠক করবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাতারে বৈঠক করবে না ইরান

পেছনের পৃষ্ঠা

মাদ্রাসা শিক্ষাকে প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না
মাদ্রাসা শিক্ষাকে প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না

নগর জীবন

জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস
জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় অপপ্রচারের শিকার রূপগঞ্জের ইউএনও
চাঁদা না দেওয়ায় অপপ্রচারের শিকার রূপগঞ্জের ইউএনও

নগর জীবন

গৃহবধূ ও দুই সন্তান ৯ দিন ধরে নিখোঁজ
গৃহবধূ ও দুই সন্তান ৯ দিন ধরে নিখোঁজ

নগর জীবন

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর সরোয়ার হোসেন

নগর জীবন

খামেনির জানাজায় অংশ নেবেন স্পিকার
খামেনির জানাজায় অংশ নেবেন স্পিকার

নগর জীবন

কর্ণফুলীতে লাইটার জাহাজডুবি, ১২ নাবিক উদ্ধার
কর্ণফুলীতে লাইটার জাহাজডুবি, ১২ নাবিক উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে : প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে : প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

কঠোর মুদ্রানীতি বাজেটের সুফল ব্যাহত করতে পারে
কঠোর মুদ্রানীতি বাজেটের সুফল ব্যাহত করতে পারে

নগর জীবন

রোটারি ক্লাব অব ঢাকা ফোর্ট
রোটারি ক্লাব অব ঢাকা ফোর্ট

নগর জীবন

ভ্যাপসা গরমে স্বস্তির বৃষ্টি
ভ্যাপসা গরমে স্বস্তির বৃষ্টি

নগর জীবন

বাবা হত্যায় ছেলের যাবজ্জীবন
বাবা হত্যায় ছেলের যাবজ্জীবন

দেশগ্রাম

দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে
দেশের ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় মুস্তাফা মনোয়ার
বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় মুস্তাফা মনোয়ার

নগর জীবন