শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০২১ আপডেট:

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
প্রিন্ট ভার্সন
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

কোনো দেশেরই এক দিনে স্বাধীনতা আসে না। আমরা পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীন হয়েছি, পাকিস্তানকে পরাজিত করে মুক্ত হয়েছি। কিন্তু সত্যিকার অর্থে আমাদের মুক্তি আসেনি, স্বাধীনতাও আসেনি। স্বাধীনতা বিরাট জিনিস। পৃথিবীর কোন দেশ পরিপূর্ণ স্বাধীন তা গবেষণা করে দেখতে হবে। তবে ভালো থাকি, বুক ভরে শ্বাস নিতে পারি, কথা বলতে পারি, মানবিক গুণে সমৃদ্ধ হই, মানুষের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ থেকে বিরত থাকি এমন একটা বসবাসযোগ্য সমাজ হলেই আমরা খুশি। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাও পুরোপুরি অর্জন করতে পারিনি। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আমাদের সংকীর্ণতা কাটেনি। কত মীমাংসিত ঘটনাকে টেনেটুনে প্রশ্নবিদ্ধ করছি। জাতির পিতাকে নিয়ে এখনো কতজন নাখোশ, পিতাকে পিতা বলেই স্বীকার করে না, করতে চায়ও না। হায়! পিতৃপরিচয়হীন অধম সন্তান! আমরা কী যে করছি তাই-ই জানি না। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পরিচয় বিশুদ্ধ পিতৃপরিচয়। সেটাই যদি কারও না থাকে তাহলে গর্ব করার থাকে কী? কিছুই না। আমরা তাও বুঝি না, বুঝতে চাইও না। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় শুধু বঙ্গবন্ধু নন, অনেকেরই ভূমিকা আছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা একেবারে সূর্যের মতো জ্বলজ্বলে উজ্জ্বল। এ নিয়ে বিতর্ক মানে নিজের অস্তিত্বের প্রতি সন্দেহ প্রকাশ। ঠিক জানি না কবে আমরা এ সত্য উপলব্ধি করতে পারব। স্বাধীনতা অর্জনের মুক্তিযুদ্ধটা একটা পর্ব। আমাদের যুদ্ধ শত্রুর হাত থেকে মুক্তির যুদ্ধ। শুধু পাকিস্তানি হানাদারদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছি আমরা, দুর্নীতি-স্বজনপ্রীতি-অব্যবস্থা-কালো আইনকানুনের হাত থেকে মুক্তি পাইনি। সে মুক্তি কত দূর জানি না। স্বাধীনতার কল্যাণে দেশের কিছু মানুষ ফুলেফেঁপে উঠেছে, উঠছে। কিন্তু পাকিস্তানি বৈষম্য থেকে এখনকার বৈষম্যের চেহারা আরও প্রকট। যখন পাকিস্তান ছিল তখন পাকিস্তানের সম্পত্তির শতকরা ৯০ ভাগের মালিক ছিল ২২ পরিবার, আজ বাংলাদেশের ৮০-৯০ ভাগ সম্পদের মালিক হয়ে বসে আছে ২২ হাজার বা তারও কিছু বেশি পরিবার। যেজন্য স্বাধীনতা যেজন্য মুক্তিযুদ্ধ তার কানাকড়িও আমরা অর্জন করতে পারিনি। কিছু রাস্তাঘাট-দালানকোঠা অবশ্যই হয়েছে। কিন্তু এতে মানুষের মনুষ্যত্ব বৃদ্ধি পায়নি, বৃদ্ধি পায়নি আপামর জনসাধারণের স্বচ্ছন্দ। গ্রামের যত্রতত্র টিনের ঘরের জায়গায় ইটের ঘর উঠেছে, যেমনটা আইয়ুব আমলে ছনের ঘরের জায়গায় বিডি চেয়ারম্যান-মেম্বারদের বাড়িতে টিনের ঘর উঠেছিল। যে ঘরের ওপর সূর্যের আলো পড়লে চিকচিক করে জ্বলে উঠত। দূর থেকে বোঝা যেত ওইটা কোনো বিডি মেম্বারের অথবা চেয়ারম্যানের বাড়ি। এখনো চেয়ারম্যান আছে, কিন্তু তাদের সে ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি নেই। একসময় যে ছোট্ট চায়ের অথবা পানের দোকান কিংবা অন্যের খেত-খামারে শ্রম দিত তার মধ্যে কেউ কেউ বিদেশে গিয়ে ভাগ্য ফিরিয়েছে। কেউ কেউ আবার বিদেশে লোক পাঠানোর নামে শত শত হাজার হাজার মানুষের টাকা খেয়ে কপাল ফাটিয়েছে। আগে গ্রামে-গঞ্জে শিক্ষকদের সম্মান ছিল, যারা বড়সড় চাকরি-বাকরি করত তাদের সম্মান ছিল। এখন ওসবের কোনো বালাই নেই। একটা অন্য ধরনের সমাজব্যবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন সাবেক রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর বাবা স্পিকার আবদুল হামিদ চৌধুরীর গাড়ি ছিল। এখন আবু সাঈদ চৌধুরীর বাড়ির পাশের তোতাদেরও ঝকঝকে তকতকে গাড়ি আছে। এটা দোষের নয়, কিন্তু উপলব্ধির অভাবে, যোগ্যতার অভাবে একটা উলটপালট অবস্থা। তাই যখন আমাদের সম্পদ কম ছিল তখন যে স্বস্তি ছিল এখন তার বিন্দুবিসর্গও নেই। সবার মধ্যে কেমন যেন অপ্রাপ্তির হতাশা। অথচ কমবেশি সবার কাছে অর্থবিত্ত আছে। প্রতিদিন দালানকোঠা হচ্ছে, কিন্তু মুখে হাসি নেই। মনে হয় বিবর্তনের সময় এমনটাই হয়। সবকিছু থাকার পরও সর্বত্র কেমন যেন হতাশা, নাই নাই নাই। সমাজে এমন একটা ‘নাই নাই নাই’ ভাব। ব্যবসায়ীদের মধ্যে যেমন ব্যবসা করতে নেমেই দু-এক দিনে কোটি টাকার মালিক হয়ে যাওয়ার আশা, কোটি না হাজার কোটির। রাজনীতিতে আরও দুরবস্থা। রাজনীতিতে প্রকৃত রাজনীতিকের কোনো স্থান নেই। ব্যবসায়ীরা রাজনীতিতে এসে জেঁকে বসেছেন। টাকা-পয়সা ছিটিয়ে সংসদ সদস্য হয়ে কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল বিদেশে সাজা খাটছেন- এ কি আশা করা যায়? যায় না। বাংলাদেশটা ইদানীং দুই ধারায় ভাগ হয়ে গেছে। এক. আওয়ামী লীগ দুই. বিএনপি। আওয়ামী লীগ গর্ব করে স্বাধীনতার পক্ষের দল। কিন্তু গত ১৫-২০ বছরে এমন স্বাধীনতাবিরোধী নেই যারা ডালপালা হিসেবে আওয়ামী লীগে জায়গা না পেয়েছে। কি বিচিত্র ব্যাপার! বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রধান হোতারা তাঁর কন্যার নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার সদস্য হয়েছেন। জাসদের যে গণবাহিনী বঙ্গবন্ধু সরকারের পতন ঘটাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মনসুর আলীর বাড়ি ঘেরাও করেছিল সেই অভিযানের অন্যতম নেতা হাসানুল হক ইনু বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রিসভায় দাপটে মন্ত্রিত্ব করেছেন। কী করে যেন যারাই বঙ্গবন্ধুর বিরোধী ছিল, স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশের বারোটা বাজিয়েছে ইদানীং তারা বড় দাপটে আছে। স্বাধীনতার সূর্যসন্তানরা বড় মূল্যহীন। তাদের ছাইচাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে কথাগুলো কোনোমতেই পাশ কাটিয়ে যেতে পারছি না, তাই বললাম।

দেশের স্বাধীনতার যেমন সুবর্ণজয়ন্তী তেমনি দেশের পিতার জন্মশতবর্ষপূর্তি- এ এক মহা আনন্দের ও গৌরবের ক্ষণ। এমন তালমিল সব সময় সব দেশের ক্ষেত্রে হয় না। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তীতে অবশ্যই আশা করি মীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে আর কাদা ছোড়াছুড়ি হবে না। জিয়াউর রহমান বীরউত্তম মোটেই জাতির পিতা নন, তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি একজন বীরউত্তম। এ বীরউত্তম খেতাব দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সরকার। ভুল করে নয়, দয়া করে নয়, যথার্থই খেতাব পাওয়ার যোগ্য ছিলেন তাই দিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা থাকলে জিয়াউর রহমানকে বীরউত্তম খেতাব দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করাই পাপ। সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও তাজউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে ঐতিহাসিক প্রবাসী মুজিবনগর সরকার বীরউত্তম জিয়াউর রহমানের নামে যে ‘জেড’ ব্রিগেড করেছিল তা যথার্থ ছিল। স্বাধীনতাযুদ্ধের শুরুতে জিয়াউর রহমান কোনো হত্যা বা গণহত্যা করেননি। গণহত্যা বা হত্যা যেটাই হোক হয়ে থাকলে তা করতে হতো বেঙ্গল রেজিমেন্টকে। কিন্তু জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে অষ্টম বেঙ্গল রেজিমেন্ট কোনো গণহত্যা করেনি, কোনো হত্যা করেনি। এমনকি তারা একটি পাখিও মারেনি এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বেঙ্গল রেজিমেন্টের মধ্যে অষ্টম বেঙ্গলের সবচাইতে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা। সেনা-বিমান-নৌ-বিডিআর-পুলিশ কেউ কোনোখানে সবাই একসঙ্গে যোগদান করেনি। অষ্টম বেঙ্গল আর দ্বিতীয় বেঙ্গল এ দুটি পুরোপুরিভাবে অখ- অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেছিল। তাই জিয়াউর রহমানকে রাজনৈতিকভাবে ছোট করার জন্য যুদ্ধের শুরুতে মানুষ মেরেছে, গণহত্যা করেছে এসব বলা মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা মুক্তিযুদ্ধকে কলঙ্কিত করা। রাজনৈতিক ত্রুটি-বিচ্যুতি যাই-ই থাকুক জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিষ্কলঙ্ক, নিষ্কলুষ এতে কোনো সন্দেহ নেই।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী, সেই সঙ্গে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত হচ্ছে। কোনটার কী করা হচ্ছে খুব একটা বোঝার উপায় নেই। জাতির পিতার জন্মশতবর্ষে একের পর এক বিদেশি অতিথি আসছেন এটা খুব আনন্দের কথা, গর্বের কথা। কিন্তু দেশের মানুষের যতটা সম্পৃক্ততা আশা করা হয়েছিল ততটা সম্পৃক্ততা দেখছি না। স্বতঃস্ফূর্ততা কেমন যেন নেই বললেই চলে। কিছু দিন আগে টাঙ্গাইলের নেতা ফজলুর রহমান খান ফারুক মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে একুশে পদক পেয়েছেন। কী করে পেয়েছেন তার বিন্দুবিসর্গও জানি না। ফজলুর রহমান খান ফারুক একজন সমাজকর্মী হিসেবে, জননেতা হিসেবে, একজন আওয়ামী লীগার হিসেবে আওয়ামী লীগের অথবা আওয়ামী লীগ সরকারের যে কোনো পদক পেতেই পারেন। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নয়। বিশেষ করে সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তো নয়ই। মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে শেষ দিন পর্যন্ত তিনি কোনো অস্ত্র ছুঁয়ে দেখেননি। শুনেছি, সাটিয়াচরা যুদ্ধে তিনি অংশ নিয়েছিলেন এজন্য পেয়েছেন। তিনি সাটিয়াচরা ডিফেন্সে ২ এপ্রিল ’৭১ সন্ধ্যাবেলায় একবার গিয়েছিলেন। ফরিদপুরের এক হাওয়ালদার তাকে সেখান থেকে চলে যেতে অনুরোধ করেছিলেন। বলেছিলেন, ‘আপনার ট্রেনিং নেই, এখানে থেকে কী করবেন?’ খুব সম্ভবত জামুর্কি-পাকুল্যার ছানা মিয়াও তার সঙ্গে ছিলেন। তারা চলে গিয়েছিলেন। আর সেই হাওয়ালদার কয়েক ঘণ্টা পরই হানাদারদের মেশিনগানের গুলিতে প্রাণ হারান, শহীদ হন। তিনি পেলেন না, একুশে পদক পেলেন ফজলুর রহমান খান ফারুক! জামুর্কি-পাকুল্যার জুমারত আলী দেওয়ান সাটিয়াচরা যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন তাকে দেওয়া হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের নেতা হিসেবে যদি দেওয়া হয়, সংগঠক হিসেবে যদি দেওয়া হয় তাহলে সবার আগে আসে জননেতা আবদুল মান্নানের নাম, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে বদিউজ্জামান খান এমপি ও লতিফ সিদ্দিকীর নাম, যদি সিভিল প্রশাসনের নেতৃত্বের জন্য দেওয়া হয় তাহলে শামসুর রহমান খান শাজাহানের নাম আসে অনেক আগে। কারণ তিনি ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল জোনাল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ছিলেন। তুরা রওশনআরা প্রশিক্ষণ শিবিরে ফজলুর রহমান খান ফারুক রাজনৈতিক বক্তৃতা করতেন। সে তো এমএনএ হুমায়ুন খালিদও করতেন। সেখানে হাতেম আলী তালুকদার ছিলেন। কিন্তু তাদের কাউকে না দিয়ে কেন ফজলুর রহমান খান ফারুক মুক্তিযুদ্ধের ওপর একুশে পদক পেলেন, মাহাত্ম্য বুঝলাম না। আওয়ামী লীগের কাউকে পদক দিতে হবে তাহলে মন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাককেও তো দেওয়া যেত। তিনি তো প্রত্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা। ১১ ডিসেম্বর হানাদারমুক্ত টাঙ্গাইল থানায় পতাকা তুলেছিলেন। সতীনের ছেলে হিসেবে আমাকে মুছে ফেলার জন্য এসব করে লাভের চাইতে ক্ষতিই বেশি হচ্ছে, সত্যের অপলাপ হচ্ছে। ফজলুর রহমান খান ফারুক কিন্তু বঙ্গবন্ধুর হাতে অস্ত্র জমা দেননি, অস্ত্র দিয়েছিলাম আমি। গত ৮ মার্চ জনাব ফজলুর রহমান খান ফারুকের পদক প্রাপ্তিতে এক সংবর্ধনা ছিল। কেন যেন এখন কোনো সভা-সমাবেশে সাধারণ মানুষ খুব একটা দেখি না, সে সভায়ও দেখা যায়নি। তবে প্রতিটি উপজেলা থেকে ব্যাপক নেতা-কর্মী ফজলুর রহমান খান ফারুককে সংবর্ধনা জানিয়েছেন। সেখানে মাননীয় মন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাকও ছিলেন। অথচ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ১৭ মার্চ সেই একই মাঠে পালন করা হয়েছে। সেখানে নেতা ফজলুর রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের ১০ ভাগের ১ ভাগও নেতা-কর্মী ছিলেন না। ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দিনে আওয়ামী লীগ ও সরকার কী করবে তা তারাই জানে। সেদিনও তেমন জনসম্পৃক্ততা হবে বলে মনে হয় না। বিদেশি মেহমানরা অবশ্যই আসবেন, আসছেন। কিন্তু দেশের মানুষের মধ্যে সাড়া জাগানোয় সরকার ও আওয়ামী লীগ অনেক ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হচ্ছে। যদিও ইদানীং সবাই বাস্তবতার বাইরে। অনেকেই সত্য শুনতে চায় না, সত্য দেখতেও চায় না। এই না দেখার ভান ভবিষ্যতে বুমেরাং হতে পারে। সেজন্য বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সরকার এবং আওয়ামী লীগকে আরেকটু চোখ-কান খুলে অগ্রসর হওয়ার সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাচ্ছি। মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে অসম্ভব টানাটানি। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদেরই বর্তমানে অসহায় করে তোলা হয়েছে। আগে তো কোনো কথাই ছিল না। চেঁচামেচি করে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতার ব্যবস্থা করে আওয়ামী লীগ ছেড়েছিলাম। বোন আমাকে যথেষ্ট ভালোবাসেন, কিন্তু কেন যেন মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা দাবি করায় বড় বেশি গালাগাল করেছিলেন। মাত্র ২০০০ টাকা ভাতা চাওয়ায় যেসব গালি শুনেছি আজ তো আমার বোনই সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ২০,০০০ হাজার টাকা ভাতার ব্যবস্থা করেছেন। এখন কী বলতে পারি? সাধারণত ভাইয়েরা বোনদের শক্ত কথা বলতে পারে না, বলেও না। আমি তো আমার ছোট তিন বোনের পিতার মতো ভাই ছিলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে মায়ের মতো বোন ভাবি। তাই কীই-বা বলতে পারি? তবু এটা বলব, ১০-১২ বছর যাবৎ যারা ভাতা পান সেসব মুক্তিযোদ্ধাকেও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য জামুকা থেকে চিঠি দেওয়া হচ্ছে, এটা আইনত শুদ্ধ নয়। এটা মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদেরও অপমান অসম্মান। আমি অনুরোধ করব, আবেদন করব শুধু নতুন তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য যাচাই-বাছাই করুন, কাউকে বাদ দেওয়ার জন্য নয়। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যারা তালিকাভুক্ত আছে তাদের দলের পরিচয় বের করার চেষ্টা করা উচিত নয়। যখন মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে তখন স্বাধীনতার পক্ষে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোনো দল ছিল না। আমরা সবাই বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। মুক্তিযোদ্ধারা কেউ বঙ্গবন্ধু ছাড়া অন্য কারও নয়। বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশ আর বাংলাদেশই বঙ্গবন্ধু, এটা আমার অন্তরাত্মার অনুভূতি।

 

লেখক : রাজনীতিক।

www.ksjleague.com

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্প
ভূমিকম্প
যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার
মতভেদ ও শিষ্টাচার
মতভেদ ও শিষ্টাচার
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
গ্যাসসংকট
গ্যাসসংকট
পবিত্র আশুরা
পবিত্র আশুরা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
মাদকাসক্তি রুখতে হবে
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
প্রবাসে ঘাম দেশে স্বপ্ন
জলবায়ু ঝুঁকি
জলবায়ু ঝুঁকি
সাংবাদিককে মারধর
সাংবাদিককে মারধর
সর্বশেষ খবর
ঘানাকে হারিয়ে নকআউটে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া
ঘানাকে হারিয়ে নকআউটে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০
বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্পের আঘাত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৩০

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা কেইন
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা কেইন

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘বসনিয়া কোথায় জানি না, জানতেও চাই না’: মার্কিন নারী সাংবাদিকের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়
‘বসনিয়া কোথায় জানি না, জানতেও চাই না’: মার্কিন নারী সাংবাদিকের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়

৩০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে রোনালদোকে তার মায়ের আবেগঘন বার্তা
কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে রোনালদোকে তার মায়ের আবেগঘন বার্তা

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য ইংল্যান্ড-পানামা ম্যাচ
প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য ইংল্যান্ড-পানামা ম্যাচ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঘানার বিপক্ষে লিড নিয়ে বিরতিতে ক্রোয়েশিয়া
ঘানার বিপক্ষে লিড নিয়ে বিরতিতে ক্রোয়েশিয়া

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার ‘ডেটিং অ্যাপ’ বিতর্কে জ্যাকি, রাকুলের সঙ্গে সংসার কি তবে ভাঙছে
এবার ‘ডেটিং অ্যাপ’ বিতর্কে জ্যাকি, রাকুলের সঙ্গে সংসার কি তবে ভাঙছে

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রাত ৩টায় মুখোমুখি ইংল্যান্ড-পানামা ও ক্রোয়েশিয়া-ঘানা
রাত ৩টায় মুখোমুখি ইংল্যান্ড-পানামা ও ক্রোয়েশিয়া-ঘানা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সেরা দল খেললেও ফ্রান্সের কাছে হারতাম: হলান্ড
সেরা দল খেললেও ফ্রান্সের কাছে হারতাম: হলান্ড

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দূরপাল্লার বাসে তল্লাশি, যাত্রাবাড়ীতে ৮ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪
দূরপাল্লার বাসে তল্লাশি, যাত্রাবাড়ীতে ৮ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!
৫২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত ‘গ্যালাক্সি’ ছেড়ে নতুন ঠিকানায় সালমান খান!

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে যা বললেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৮টি বিশ্বকাপ কভার করা ৯১ বছর বয়সী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মান জানালেন স্কালোনি
১৮টি বিশ্বকাপ কভার করা ৯১ বছর বয়সী সাংবাদিককে বিশেষ সম্মান জানালেন স্কালোনি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আদাবরে গণপিটুনির শিকার আটক যুবকের মৃত্যু
আদাবরে গণপিটুনির শিকার আটক যুবকের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ
সব কাজে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের আগ্রহ

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত
বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?
কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু
ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা
পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি
পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল
বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প
বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে
যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের
মেসি-ইয়ামাল বিতর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য সুয়ারেজের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?
আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান
ভারতের জন্য তালিকাচ্যুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবার গড়ে তুলবে চীনা প্রতিষ্ঠান

১৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা
হাসনাত আবদুল্লাহ : সাদা সাদা, কালা কালা

নগর জীবন

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা, চালক আটক

দেশগ্রাম