শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২৩ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ মে, ২০২১ ২৩:২৯

আম ও সবজি রপ্তানি

কৃষকের পাশে দাঁড়াতে হবে

Google News

বাংলাদেশে যত আমের চাষ হয় তার বেশির ভাগই রাজশাহী অঞ্চলে। এলাকার অনেক চাষির কাছে ধান নয়, আমই প্রধান ফসল। চাষিরা বাগানে উৎপাদিত আম বিক্রি করে কেবল সারা বছর সংসারের চাহিদাই মেটান না, পরের বছর আম চাষের পুঁজিও তাঁদের সঞ্চয় করে রাখতে হয়। এ মৌসুমে বালাইমুক্ত আম উৎপাদনে রাজশাহীর চেয়ে সাতক্ষীরা এগিয়ে। করোনা পরিস্থিতির কারণে এক বছর বন্ধ থাকার পর আবারও দেশের গন্ডি পেরিয়ে ইউরোপে যাচ্ছে সাতক্ষীরার আম। বিদেশে আম পাঠাতে পেরে বেশ খুশি স্থানীয় আম চাষিরা। দুই বছর আগের চেয়ে দ্বিগুণ আম এবার বিদেশের বাজারে যাবে বলে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। আমের স্বাদ ও মান ভালো হওয়ায় রপ্তানি বাড়ছে সাতক্ষীরার আমের। ২০১৪ সাল থেকে সাতক্ষীরার আম রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপের ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ইতালি ও পর্তুগালে। এবার ৫০০ মেট্রিক টন আম বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা আছে। জেলায় এবার ৫ হাজারের বেশি বাগানে আম চাষ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪০ হাজার মেট্রিক টন। ৫০০ হেক্টর জমিতে গোপালভোগ ও গোবিন্দভোগ আম চাষ হয়েছে। অন্যদিকে খুলনার ডুমুরিয়ায় উৎপাদিত নিরাপদ সবজি পটোল, কচুর লতি, পেঁপে ও কাঁচকলা রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপের বাজারে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহযোগিতায় স্থানীয় ভিলেজ মার্কেট থেকে চাষিদের উৎপাদিত সবজি কিনে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশে পাঠাচ্ছে। ন্যায্যমূল্যে সবজি বিক্রি করতে পেরে খুশি চাষিরাও। বিগত কয়েক বছর ধরে ধান ও চিংড়িতে লোকসান হওয়ায় চাষিরা সবজি চাষের দিকে ঝুঁকেছেন। রবি মৌসুমে এখানে ৩ হাজার ৭৫০ হেক্টর, খরিপ মৌসুমে ১ হাজার ৮৫০, বর্ষাকালে ২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়। কিন্তু অনেক সময় উৎপাদিত সবজির দাম না পেয়ে কৃষক হতাশ হয়ে পড়তেন। কৃষকের পাশে থাকলে রপ্তানি বাড়বে।