শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৯ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৯ মে, ২০২১ ০০:১০

ভয়ংকর মাদক এলএসডি

সন্তানদের প্রতি আরও দায়িত্বশীল হতে হবে

Google News

মাদকের সর্বশেষ সংযোজন ভয়ংকর এলএসডির (লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইইথ্যালামাইড) সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। যুক্তরাষ্ট্রের অনলাইন ফার্মাসিউটিক্যাল এনসাইক্লোপিডিয়া ড্রাগস ডটকমের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, লাইসারজিক অ্যাসিড থেকে তৈরি করা হয় এলএসডি। এ ড্রাগ মস্তিষ্কে এমন এক প্রভাব সৃষ্টি করে যা সম্মোহন সাহায্য করে। ফলে যারা এ ড্রাগ ব্যবহার করে তারা বিভিন্ন রকম রং ও আকৃতির জিনিস দেখে, যার অস্তিত্ব পৃথিবীতে নেই। এ ছাড়া এ ড্রাগ মানব মস্তিষ্কের এমন সব স্নায়ুর কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় যা অনেক সময় অতীত স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। এমনকি এ ড্রাগ মানুষকে তার জন্মকালীন স্মৃতিও মনে করাতে সক্ষম। নেদারল্যান্ডস ও সুইডেন থেকে দেশে নিয়ে আসা এ মাদক ছড়িয়ে পড়েছে উচ্চবিত্তের মধ্যে। শুরু হয়েছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। হালে এ মাদক ছড়িয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মাঝে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেবনকারীর মধ্যে নিজেকে অথবা অন্যকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করার প্রবণতা প্রবল হয়ে ওঠে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ ভয়ংকর এ মাদকের সন্ধান পেয়েছে। গলায় দা চালিয়ে আত্মহত্যা করা হাফিজুর নিজেও এ মাদকে আসক্ত ছিলেন। দেশে এলএসডি উদ্ধারের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এলএসডি উদ্ধার ঘটল। পুলিশসূত্রে জানা গেছে, ১৫ মে রাত পৌনে ৮টার দিকে ঢামেকের সামনে ডাব বিক্রেতার কাছ থেকে দা নিয়ে নিজের গলা নিজেই কাটতে থাকেন হাফিজুর। তার পরিচয় জানার পর এ অস্বাভাবিক মৃত্যুর কারণ খুঁজতে নেমে ঢাকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্রকে গ্রেফতার করে ডিবি। এরপর তাদের জিজ্ঞাসাবাদে ভয়ংকর এলএসডির বিষয়ে তথ্য পায় পুলিশ। তারা ফেসবুক গ্রুপ খুলে কৌশলে মাদকের প্রচারণা ও বিক্রি করেন। উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানরা এক ধরনের অবহেলায় বড় হন। এরপর নানা

কারণে ভয়ংকর এ নেশায় ডুব দেন। সন্তানদের প্রতি পরিবার সদস্যদের আরও দায়িত্ববান হতে হবে।