শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ জুলাই, ২০২১ ২৩:০৩

উপবৃত্তির টাকা

প্রতারকের শাস্তি নিশ্চিত করুন

Google News

সারা দেশে প্রায় ৪ হাজার শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা তুলে নিয়েছে সংঘবদ্ধ একটি প্রতারক চক্র। এরা প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্পের কর্মকর্তা, কখনো ‘নগদ’-এর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে গোপন পিন নম্বর এবং ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) জেনে টাকা তুলে নিয়েছে। ২ এপ্রিল রাজধানীর বনানী থানায় মোবাইল ব্যাংকিং নগদ-এর মামলার পর তদন্তে নেমে চক্রের ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ওই চক্রের ১৪৩টি মোবাইল ফোন নম্বর শনাক্ত হয়েছে। মামলাটির তদন্ত করছে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রইম বিভাগ। এর আগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা হাতানোর ঘটনায় নড়েচড়ে বসে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে করণীয় ঠিক করতে ২৫ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি যৌথ সভা হয়। উপবৃত্তির টাকা যাতে খেয়ানত না হয় সেজন্য মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা নিয়েছে শিক্ষা প্রশাসন। পদ্ধতিটি অপেক্ষাকৃত সহজ। এতে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের শিক্ষা অফিসে গিয়ে ধরনা দিতে হবে না; বাড়িতে বসেই তারা উপবৃত্তির টাকা পেয়ে যাবেন। কিন্তু প্রশাসন যদি চলে ডালে ডালে, প্রতারক চক্র চলে পাতায় পাতায়। জানা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা পুলিশের তদন্ত চলমান আছে। গ্রামের হতদরিদ্র অভিভাবকদের আর্থিক সাশ্রয়ের জন্য উপবৃত্তির এ টাকা দেওয়া হয়; যাতে তারা সন্তানের শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারেন। অথচ প্রতারক চক্র অন্যায়ভাবে উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে তাদের সমস্যায় ফেলছে। আমাদের ধারণা, প্রতারকরা বাইরের কেউ নয়। উপজেলারই বাসিন্দা, যারা শিক্ষা অফিস ও নগদ সম্পর্কে খোঁজখবর রাখে। শিক্ষা অফিস ও নগদ-এর পক্ষ থেকে অভিভাবকদের সচেতন করে দেওয়া প্রয়োজন যেন তারা কোনো অবস্থায় কাউকে পিন নম্বর না দেন। প্রতারকদের খুঁজে বের করে আইনের হাতে সোপর্দ করতে হবে।