শিরোনাম
সোমবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৩ ০০:০০ টা

শীতে কাবু মানুষ

গরিবদের পাশে দাঁড়াতে হবে

শীতে কাবু এখন সারা দেশের মানুষ। দেশের ১৮ জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ। কুয়াশার কারণে সূর্যের দেখা পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। যা শীতের দাপট বাড়াতে ইন্ধন জোগাচ্ছে। বেপরোয়া শীত জনস্বাস্থ্যের জন্যও হুমকি সৃষ্টি করছে। এ বছরের শীত মৌসুমে সাড়ে ৩ লাখ রোগী এযাবৎ হাসপাতালের শরণাপন্ন হয়েছে শীতজনিত রোগে। অনেকের ধারণা, এ বছর শীত কিছুটা দেরিতে হাজির হলেও কয়েক বছরের মধ্যে এবার তার তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, গতকাল থেকে সূর্যের মুখ তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যাওয়ায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও ১০ বা ১১ জানুয়ারি থেকে তা কমতে পারে। সে সময় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ঠেকতে পারে। দেশের সবচেয়ে শীতপ্রবণ এলাকা এখন চুয়াডাঙ্গা। শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে চুয়াডাঙ্গায় টানা তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে বেশ কয়েক দিন ধরে। সঙ্গে ঘন কুয়াশা। দিনে সূর্র্যের দেখা মিলছে ক্ষীণভাবে, তাতে নেই কোনো উত্তাপ। ফলে দুর্ভোগে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষ। শনিবার সকাল ৯টায় জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে জেলাজুড়ে। এতে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে আসছে না সাধারণ মানুষ। ঠাকুরগাঁওয়ে রাতে শীতের সঙ্গে কুয়াশা আর দিনের অর্ধেকটা সময় দেখা নেই সূর্যের। কুয়াশার সঙ্গে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। ফলে বিপাকে পড়েছে বেশির ভাগ খেটে খাওয়া মানুষ। টানা কয়েক দিনের হিমেল বাতাসে জবুথবু হয়ে পড়েছে উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের জনজীবন। সেই সঙ্গে শীতজনিত বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে। তীব্র শীতে শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। হাসপাতালে বেড়েছে এসব রোগী। রোগীদের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে কোনো কোনো হাসপাতাল। অন্যদিকে বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে চিন্তিত কৃষক। কেউ কেউ পলিথিন দিয়ে ঢেকে বীজতলা বাঁচানোর চেষ্টায় মরিয়া। শীত মোকাবিলায় প্রতি বছর ধনীদের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিশেষত কম্বল বিতরণ করা হলেও এ বছর এর পরিমাণ কম। শীতবস্ত্র বিতরণে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় হতে হবে।

এই রকম আরও টপিক

সর্বশেষ খবর