শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:১৪

ইন্টারভিউ → রুনা খান

প্রথম ছবিতে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্তি নিশ্চয়ই খুব আনন্দের

প্রথম ছবিতে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্তি নিশ্চয়ই খুব আনন্দের

অভিনেত্রী রুনা খান। দীর্ঘ এই পথচলায় একই সঙ্গে অভিনয় করেছেন মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে। ‘হালদা’ ছবিতে শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রাভিনেত্রী হিসেবে পাচ্ছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর সঙ্গে সমসাময়িক কাজ ও বর্তমান ব্যস্ততা নিয়ে কথা বলেছেন-   পান্থ আফজাল

 

কেমন আছেন? জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন। কেমন লাগছে?

জি, ভালো আছি। আর হালদা মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম ছবি আমার। প্রথম ছবিতেই জাতীয় পুরস্কার পাওয়া, ছোট অভিনেত্রী হিসেবে খুবই আনন্দের। তবে মজার বিষয় হচ্ছে, একই দিনে আমার দুটি ছবি মুক্তি পেয়েছিল-‘হালদা’ ও ‘ছিটিকিনি’; ডিসেম্বরের ১ তারিখে। আমি তো বলব, জাতীয় পুরস্কার পাওয়া আমার অভিনয় জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। এ জন্য তৌকীর ভাইসহ হালদা টিমের সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।

 

অনেকেই ভেবেছিল ‘ছিটকিনি’তে অভিনয়ের জন্য পুরস্কার পাবেন...

আসলে ‘হালদা’ ও ‘ছিটকিনি’র জন্য আবেদন একই সঙ্গে জমা দেওয়া হয়েছিল। হালদায় পার্শ্বচরিত্র আর ছিটকিনিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলাম। এই ছবি দুটির মধ্যে ভেবেছিলাম অনেক কম্পিটিশন হবে। এরপর সৌদ ভাইয়ের ‘গহীন বালুচর’ ছবিতে তো সুবর্ণা আপা দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন! তবে, কাছের অনেক মানুষ ভেবেছিল সাজেদুল আউয়াল পরিচালিত ছিটকিনির জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাব। আমি কিন্তু দুটি ছবির কোনোটার জন্যই তেমন করে প্রত্যাশা করিনি। দুটোতেই কম্পিটিশন অনেক বেশি স্ট্রং ছিল।

 

সুবর্ণা মুস্তাফার সঙ্গে যৌথভাবে পুরস্কৃত হলেন। এমন কখনো ভেবেছিলেন?

আমি তো সুবর্ণা আপার অন্ধ ভক্ত। তার সঙ্গে যৌথভাবে পুরস্কার পাওয়ায় খুবই সম্মানিত ও আনন্দিত। এটি খুবই বিস্ময় ও স্বপ্নের মতো লাগছে। একই সঙ্গে জাতীয় চলচ্চিত্রের মতো এমন বড় স্বীকৃতি পাবÑতা কখনো ভাবিনি।

 

জাতীয় চলচ্চিত্র নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেকেই আঙ্গুল তুলেছে জুড়ি বোর্ডের প্রতি যে, যোগ্য ব্যক্তি সম্মানিত হয়নি। মোশাররফ করিম ও ফজলুর রহমান বাবুকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়েছে। ভারতীয় একজনকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়গুলো নিয়ে আপনার অভিমত কী?

ব্যক্তিগতভাবে আমি জুড়ি বোর্ডের কাউকে চিনি না। দুই দিন ধরে অনেক পত্রিকা ও সামাজিক মাধ্যমে দেখলাম। অনেকেই আলোচনা-সমালোচনা করছেন। পরিচালক-প্রযোজক কাকে, কোন ক্যাটাগরির জন্য আবেদন করেছেন সেটাও জরুরি। পত্রিকায় দেখলাম, ভারতীয় একজনকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে ছবির নির্মাতা-প্রযোজকদের ভুল তথ্যে। ছবিটির নির্মাতা-প্রযোজক এ বিষয়টির জন্য দুঃখ প্রকাশও করেছেন। জুড়ি বোর্ড অবশ্য মো. কালাম নামটা মুসলমান হওয়ার কারণে বুঝতে পারেননি। তবে, মোশাররফ ভাই আর বাবু ভাইয়ের বিষয়টি দুঃখজনক। মোশাররফ ভাই-চঞ্চল ভাই বা বাবু ভাইয়ের সঙ্গে অনেক কাজ করেছি। প্রথম জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন মোশাররফ ভাই, সেটাও আবার কৌতুক অভিনেতা হিসেবে! জানা মতে, বোর্ডের দোষ নেই, যারা আবেদন জমা দিয়েছে তাদের ভুল।

 

‘সাপলুডু’ ছবিতে সালমা চরিত্রে আপনার উপস্থিতি সবারই নজর কেড়েছে...

‘সাপলুড’ুর নির্মাতা দোদুল ভাইয়ের সঙ্গে প্রায় ১২ বছর ধরে কাজ করি। ছবিতে প্রধান চরিত্র রয়েছে ৪ থেকে ৫টি। দোদুল ভাই বললেন একটি অতিথি চরিত্রে অভিনয় করার। যেটি গল্পের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সালমা চরিত্রের উপস্থিতি কিন্তু মাত্র ৫ মিনিটের। চরিত্রটি করলাম। এরপর তো বিস্ময়ের পালা। এত কম সময়ের চরিত্র দিয়ে এত সাড়া পাব তা কখনো ভাবিনি! এটা আসলেই অবিশ্বাস্য!

 

বিভিন্ন চরিত্রে আপনার অভিনয়ের বৈচিত্র্যতা চোখে পড়ে। চরিত্র চিত্রণ নিয়ে অভিমত কী?

আমি একেবারেই ডিরেক্টরস অরিয়েন্টেড আর্টিস্ট। নির্মাতা যেভাবে চরিত্র দেখতে চান, সেভাবেই করার চেষ্টা করি।  আমার কাছে চরিত্র বিশ্বাসযোগ্য করাটাই বিশাল ব্যাপার।

 

‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস’ নিয়ে দর্শক সাড়া কেমন? 

মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের ‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস’ নিয়ে দর্শক সাড়া খুবই ভালো। এখন তো টিভি নাটক তেমন করে দেখেই না, সে হিসেবে ফ্যামিলি  ক্রাইসিস নিয়ে সবখানেই আলোচনা হচ্ছে।


আপনার মন্তব্য