শিরোনাম
প্রকাশ : ২৬ মে, ২০১৯ ১২:১২

লাইব্রেরিতে বাংলাদেশ নিয়ে কোনো বই নেই কেন?

শওগাত আলী সাগর

লাইব্রেরিতে বাংলাদেশ নিয়ে কোনো বই নেই কেন?
শওগাত আলী সাগর

ক্লিফক্রেস্ট লাইব্রেরির ভেতরে একটা টেবিল সাজিয়ে রাখা হয়েছে নানা রকমের কিছু বই দিয়ে। বড় করে একটা সআনি লাগানো আছে, তাতে ইংরেজিতে লেখা ‘Asian Heritage Month’, টেবিলে সাজানো এশিয়ার বিভিন্ন দেশের উপর বই। খুব কৌতূহল নিয়ে বাংলাদেশকে নিয়ে কোনো বই আছে কী না খুঁজলাম। না নেই। নেপাল, শ্রীলঙ্কা নিয়ে বই সেখানে শোভা পেলেও বাংলাদেশকে নিয়ে কোনো বই নেই।

মনটা স্বভাবতই খারাপ হলো। টরন্টো পাবলিক লাইব্রেরি মে মাসকে এশিয়ান হেরিটেজ মানথ হিসেবে পালন করছে। বিভিন্ন ব্রাঞ্চ এশিয়ার সাহিত্যকে তুলে ধরছে কানাডার পাঠকদের কাছে। কোনো কোনো ব্রাঞ্চে বিশেষ বিশেষ লেখকদের আমন্ত্রণ জানিয়ে বক্তৃতার আয়োজন করা হয়েছে। এশিয়া নিয়ে, এশিয়ান অরিজিনের লেখকদের বইয়ের তালিকাও প্রকাশ করেছে টরন্টো পাবলিক লাইব্রেরি। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত লেখক আরিফ আনোয়ারের ‘দ্যা স্টর্ম’ বইটি স্থান পেয়েছে সেই তালিকায়। 

কিন্তু লাইব্রেরিতে বাংলাদেশ নিয়ে কোনো বই নেই কেন? প্রশ্ন করতেই লাইব্রেরির কর্মকর্তা জানালেন- এটা আসলে নেইবারহুড লাইব্রেরি। এই নেইবারহুডের পপুলেশনের ভিত্তিতেই আসলে বইয়ের কালেকশন সাজানো হয়। ক্লিফক্রেস্টে পপুলেশনের হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন থেকে আসা অভিবাসীরাই ম্যাজুরিটি। 

কিন্তু এথনিসিটির বিবেচনায় তো বাংলাভাষীরা এই এলাকায় বেশি?
লাইব্রেরী কর্মকর্তা স্বীকার করলেন না। তিনি বললেন, আমরা আসলে সেনসাসকেই ফলো করি। 
এথনসিটি বিবেচনায় ক্লিফক্রেস্টে ম্যাজুরিটি তাহলে কারা?
যে সব এলাকায় বাংলাভাষী মানুষের সংখ্যা বেশি, সেই এলাকার লাইব্রেরিগুলোতে কি বাংলাদেশ নিয়ে বইও ডেস্কে সাজিয়ে রাখা হয়েছে? কে জানে? এশিয়ান হেরিটেজ মাস নিয়ে আমাদের নিজেদের কোনো আগ্রহ ছিল বা আছে কি? কে জানে?

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম


আপনার মন্তব্য