শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:২৭
আপডেট : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:৩৮
প্রিন্ট করুন printer

অন্তত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকা উচিৎ

আনিসুর রহমান মিঠু

অন্তত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকা উচিৎ
আনিসুর রহমান মিঠু

স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন ধাপ হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ। মানুষ সেখানে স্থানীয় ভাবে জনপ্রিয়, সৎ, আঞ্চলিকতা, আত্মীয়তা ইত্যাদি বিবেচনা করে ভোট দিয়ে প্রতিনিধি বানাতে পছন্দ করে।

ইউনিয়ন পরিষদের ভোট মানে গ্রামাঞ্চলে প্রাণের সঞ্চার, উৎসবমুখরতা, রাত জেগে চায়ের আড্ডা। ইউনিয়নের অনেক বাসিন্দা আছেন, যারা ইউনিয়নটাকেই পৃথিবী ভাবেন। মামলায় পড়লে কিংবা মামলা করতে তারা জীবনে দুই-চার বার শহরে আসেন, আর মরার আগে একবার হাসপাতালে যাবার জন্য শহরে আসেন। 

এই সহজ সরল মানুষদের ভোটদানের ক্ষমতা খর্ব হলে তারা অনেক ব্যাথিত হন। তারা কতটা তুচ্ছ এবং অসহায় তা বুঝতে পারেন। 

তারা চায় তাদের ভোটে চেয়ারম্যান মেম্বার হবে এবং তাদের কথামতো এরা চলবে। তাদের উপর খবরদারী করা চেয়ারম্যান মেম্বার তারা চান না।

দলীয় মনোনয়ন চালু হওয়ায় সে ক্ষেত্রটি সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। দলের উচ্চ পর্যায় থেকে বেশি ভাগ এলাকাতেই নিম্ন মানের নেতা পছন্দ করে, মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয়রা কোনঠাসা হয়ে পড়ছে দিনের পর দিন। দলীয় প্রতীকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান সাহেবেরা কেউ কেউ, তার এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে নিজেকে জাহির করছে।

চেয়ারম্যান সাহেবদের অপকর্মের ভাগ কিছুটা হলেও দলের জনপ্রিয়তা বিনষ্টে ভূমিকা রাখছে  তারা নির্বাচিত হওয়ার পর আরো বেশি অ-জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

চেয়ারম্যান সাহেবদের অনেকেরই এখন বড় চাকার গড়ি আছে! ঢাকায় বাড়ি আছে। থানায় বেস কদর আছে। 

তাদের দাপটে ভদ্রলোকরা সেচ্ছায় এলাকা ছেড়ে শহরে গিয়ে ভাড়া বাসায় থাকছে। রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

বৈধ ব্যবসার পাশা পাশী, অবৈধ ব্যবসাও কে কিভাবে করবে, সে বিষয়েও কোন কোন চেয়ারম্যান পরামর্শ দিয়ে থাকেন বলে শুনা যায়!

ইউনিয়ন পর্যায়ে দলীয় প্রতীক বরাদ্দ এমনকি দলীয়ভাবে কাউকে সমর্থন দেয়াটিও আমার অপছন্দ।

অনেক উপজেলায় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মনোনয়ন দিতে গিয়েও মাননীয় মহোদয়রা বাণিজ্য করেন! এমন কথা শুনা যায়, তাদের এতো টাকা কেন দরকার?  কয়শো বছর বাঁচবেন তিনারা? কার জন্য এত টাকা জমিয়ে যাচ্ছেন তারা?

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

বিডি-প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৩:২৯
প্রিন্ট করুন printer

জাজ মাল্টিমিডিয়া নিয়ে আসছে আরেক নতুন মুখ

অনলাইন ডেস্ক

জাজ মাল্টিমিডিয়া নিয়ে আসছে আরেক নতুন মুখ
নতুন মুখের সঙ্গে জাজের এগ্রিমেন্ট সাইন

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে জাজ মাল্টিমিডিয়া নতুন মুখ হিসেবে মাহিয়া মাহি, ফারিয়া ও পূজা-কে উপহার দিয়েছে এবং ইন্ডাস্ট্রিতে তাদের শক্ত অবস্থান তৈরিতেও যথাযথভাবে সাহায্য করেছে। যার দরুন তারা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও কাজের সুযোগ তৈরি করতে পেরেছে।

আমরা মনে করি, বর্তমান ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা বিবেচনা করে আরো 'তিনজন' নতুন নায়িকা প্রয়োজন। যারা নিজেদের যোগ্যতা ও গুণে জাজের হাত ধরে মাহি, ফারিয়া বা পূজার মতো শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে। বর্তমানে ইন্ডাস্ট্রিতে যতো নায়িকা আছে, তাদের মধ্যে ডিস্ট্রিবিউশন মাত্র দু’জনের উপর আস্থা রাখতে পারে। কিন্তু, আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে অন্তত পাঁচজন আস্থা সম্পন্ন নায়িকা প্রয়োজন।

চলচ্চিত্রের স্বার্থে এবং এই প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে, গতকাল জাজ মাল্টিমিডিয়া একজন 'নতুন মুখ'-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। এ বছর জাজ এই 'নতুন মুখ'-কে সঙ্গে নিয়ে ৩টি চলচ্চিত্র নির্মাণ করবে। চলচ্চিত্রের নাম, নায়ক ও পরিচালক ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং যথা সময়ে প্রকাশ করা হবে।

আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, বিশেষ করে আরবান দর্শকদের কাছে চলচ্চিত্রে এই 'নতুন মুখ' ভালো লাগবে। কারণ, এইরকম শিক্ষিত, মার্জিত, পরিশ্রমী ও ট্যালেন্ট মুখ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বেশি বেশি দরকার। করোনা পরিস্থিতি শিথিল হলে, এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আমাদের এই 'নতুন মুখ' সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দেব।

জাজের সাথে এগ্রিমেন্টে সাইন করা অবস্থায় একটি ছবি দিলাম। দেখেন চিনতে পারেন কি-না? আর চিনে থাকলে এই পোস্টটি শেয়ার করুন এবং এই পোস্টের কমেন্ট বক্সে নাম বলুন। শেয়ার না করে যদি কমেন্টে নাম সঠিক হয়, তা-কিন্তু সঠিক হিসেবে গণ্য করা হবে না। শেয়ার এবং কমেন্ট একসাথে করতে হবে। উত্তর দেয়ার শেষ সময় আগামী ৪ মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

সঠিক উত্তর দাতাদের জন্য থাকছে, ১ম পুরস্কার (১জন) ১০,০০০ টাকা, ২য় পুরস্কার (১জন) ৭,৫০০ টাকা ও ৩য় পুরস্কার (১জন) ৫,০০০ টাকা। এছাড়াও, প্রথম ১০ জন সঠিক উত্তরদাতা-কে 'নায়িকা পরিচিতি' গালা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হবে। যদি সঠিক উত্তরদাতা একাধিক হয়, তাহলে জাজ মাল্টিমিডিয়ার ফেসবুক পেইজ থেকে লাইভ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে লটারির মধ্য দিয়ে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

(জাজ মাল্টিমিডিয়ার ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:১৮
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:১৯
প্রিন্ট করুন printer

সেই আজ আমার গত ১০ দিনেও আসেনি...

ইফতেখায়রুল ইসলাম

সেই আজ আমার গত ১০ দিনেও আসেনি...
ইফতেখায়রুল ইসলাম

এক সময় ১০০ মিটার স্প্রিন্টার, লং জাম্পার ও হাই জাম্পার ছিলাম। দশম শ্রেণি পর্যন্ত এই ক্ষেত্রগুলোতে অনেক পুরস্কারও বগলদাবা করেছিলাম। পরে এই এ্যাথলেটিক্সের সুদিন না দেখে মনে হয়েছে সরে আসাই উত্তম! সরেও এসেছি। 

দৌড়ের সাথে আমার এক গভীর সম্পর্ক ছিল, এখন আর দৌড়ানোর সুযোগ হয় না এবং ইচ্ছেও হয় না। গত কয়েক বছরে হঠাৎ করেই দেখলাম অনেকগুলো রানিং গ্রুপ তৈরি হয়েছে। বিশেষ ওই গ্রুপের রানাররা নিয়মিত দৌড়ে বেড়ায়! খুব সকালে উঠেই শুরু হয় তাঁদের এই চমৎকার দৌড় যুদ্ধ। দারুণ একটি চর্চা, অনেক নেগেটিভিটির ভিড়ে শরীর নিয়ে মানুষের এই বিশেষ মনোযোগ আমাকে ভীষণ বিমোহিত করে। বিভিন্ন এলাকায় অঞ্চলভিত্তিক এরকম গ্রুপ তৈরি হয়ে গেলে আগামী প্রজন্মের জন্য এটি একটি সুস্থ ও সুন্দর দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে। শারীরিক সুস্থতা যে মানসিক সুস্থতার বড় নিয়ামক সেটি তো আজকাল প্রায় ভুলতেই বসেছি আমরা!

নিজের বিস্মৃতির অতল তলে হারিয়ে যাওয়া দৌড়বিদকে জাগিয়ে তুলতে নতুন কেডস কিনলাম, মনে করলাম আজ থেকেই শুরু হবে দৌড়! সেই আজ আমার গত ১০ দিনেও আসেনি। সকালে মোবাইলে সময় দেখতে যেয়েই মনে হয়, আরেকটু ঘুমিয়ে নেই, উঠেই দেখি দাফতরিক সময় শুরু হওয়ার পথে। তাই দৌড় আর দেয়া হয় না! ছোটবেলায় কেউ জেদ ধরিয়ে দিলে কিছু অর্জন করার জন্য প্রচেষ্টা থাকতো, এখন কেউ জেদও ধরায় না তাই মন থেকে জোরও আসে না। 

হয়তো এক সময় শুরু করে দেব, যখন শুরু করবো তখন তা নিয়মে পরিণত করে ফেলবো। যথাযথ নিয়মের চর্চায় বন্দী হোক মানব জীবন।
শুভ রাত্রি

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক : এডিসি মিডিয়া অ্যান্ড পিআর


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:২১
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৩:১৩
প্রিন্ট করুন printer

তার মতো এমন অকুতোভয় যোদ্ধা আর কে আছে?

শওগাত আলী সাগর

তার মতো এমন অকুতোভয় যোদ্ধা আর কে আছে?
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ

আর্থিকখাতের অনাচার, দুরাচার নিয়ে কথা বলার মানুষ এমনিতেই কম। হাতে গোনা যে কয়েকজন আছেন, তাদের অনেকেই আবার স্পষ্টভাবে নিজের ভাবনাগুলো বলেন না বা বলতে পারেন না। খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ এই জায়গাটায় ব্যতিক্রমী এক ব্যতিক্রম।

ঋণখেলাপীদের বিরুদ্ধে, ব্যাংকিং খাতের সুশাসনের পক্ষে, শেয়ারবাজারের কারসাজির বিরুদ্ধে তার মতো এমন অকুতোভয় যোদ্ধা আর কে আছে? অর্থপাচারের বিরুদ্ধে এমন অসম সাহসিকতায় আর কে কথা বলেছে?

সন্ধ্যা থেকেই (টরন্টো সময়) ফেসবুকের নিউজ ফিডে তার ছবি ভেসে বেড়াচ্ছে। কতোজন তাকে নিয়ে কতো কিছু বলছেন। ফেসবুকের নিউজ ফিডে কান পাতলে স্পষ্ট শোনা যায়, মানুষগুলো স্বজন হারানোর বেদনায় কি কষ্টটাই না চেপে রেখেছে।

খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ এমন সময় চলে গেলেন, যখন কীনা বাংলাদেশের আর্থিকখাতসহ সামগ্রিক সুশাসনের পক্ষে উচ্চস্বরে কথা বলার মানুষের সংখ্যাই কমে যাচ্ছে। আপনাকে শ্রদ্ধা খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক : প্রকাশক ও সম্পাদক, নতুন দেশ ডটকম।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৫:২৬
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:২৩
প্রিন্ট করুন printer

নাসির ও তার স্ত্রীর জন্য ভালোবাসা ও দোয়া পাঠাচ্ছি: শবনম ফারিয়া

অনলাইন ডেস্ক

নাসির ও তার স্ত্রীর জন্য ভালোবাসা ও দোয়া পাঠাচ্ছি: শবনম ফারিয়া
শবনম ফারিয়া (বামে) ও নাসিরের বিয়ের ছবি (ডানে)

জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার নাসির হোসেন সম্প্রতি বিয়ে করেছেন। নাসির হোসেন ও তার সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন আলোচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। এতে তিনি লিখেছেন:

যখন বাইরের পৃথিবী তোমাকে টেনে নিচে নামাতে চায়, তখন তোমার ভেতরের শক্তিটার উপর ভরসা রাখো।
নাসির হোসেন ও তার সদ্য বিবাহিত স্ত্রীর জন্য ভালোবাসা ও দোয়া পাঠাচ্ছি...
আর দয়া করে মনে রাখবেন, বিয়ে আল্লাহ ঠিক করেছেন, বিয়ে আল্লাহর দেয়া নিয়ামত...
আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেছেন, ''এবং তাঁর নিদর্শন হল তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সঙ্গীকে সৃষ্টি করেছেন; যাতে তোমরা তাদের মধ্যে প্রশান্তি খুঁজে পাও; এবং তিনি তোমাদের মধ্যে স্নেহ ও করুণা স্থাপন করেছেন।
ধন্যবাদ।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৩:০১
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৫:২৯
প্রিন্ট করুন printer

‘ঘুমের চাইতে নামাজ উত্তম’

জুনাইদ আহমেদ পলক

‘ঘুমের চাইতে নামাজ উত্তম’
জুনাইদ আহমেদ পলক (ফাইল ছবি)

নামাজ ফরজ ইবাদাত। আল্লাহ তাআলা প্রতিদিন সব মুসলমানের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে ফরজ করেছেন। এ নামাজ পরকালের মুক্তি লাভের অন্যতম মাধ্যম।

কারণ পরকালে সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব গ্রহণ করা হবে। যে ব্যক্তি নামাজের হিসাব সুন্দরভাবে দিতে পারবে, তার পরবর্তী হিসাব সহজ হয়ে যাবে। আবার নামাজ দুনিয়ায় সব ধরনের অশ্লীল ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখে।

শুধু তাই নয়, নামাজের মাধ্যমে নামাজি ব্যক্তি অনেক শারীরিক উপকার লাভ করে।

যার কিছু তুলে ধরা হল-
দাঁড়ানো: মানুষ যখন নামাজে দাঁড়ায়; তখন সব চোখ সিজদার স্থানে স্থির থাকে। ফলে মানুষের একাগ্রতা ও মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।

রুকু: নামাজি ব্যক্তি যখন রুকু করে এবং রুকু থেকে ওঠে সোজা হয়ে দাঁড়ায় তখন মানুষের কোমর ও হাঁটুর ভারসাম্য রক্ষা হয়। রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। ফলে কোমর ও হাটু ব্যাথা উপশম হয়।

সিজদা: নামাজে যখন সিজদা করা হয় তখন নামাজি ব্যক্তির মস্তিস্কে দ্রুত রক্ত প্রবাহিত হয়। ফলে তার স্মৃতি শক্তি বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। আবার সিজদা থেকে ওঠে যখন দুই সিজদার মাঝখানে বসে এতে তার পায়ের উরু ও হাঁ টু সংকোচন এবং প্রসরণ ঘটে। এতে করে মানুষের হাঁটু ও কোমরের ব্যথা উপশম হয়।

ওঠা-বসা: নামাজের সময় নামাজি ব্যক্তিকে দাঁড়ানো, রুকুতে যাওয়া, রুকু থেকে ওঠে সোজা হয়ে স্থির দাঁড়ানো, আবার সিজদায় যাওয়া, সিজদা থেকে ওঠে স্থিরভাবে বসা, আবার সিজদা দিয়ে দাঁড়ানো বা বসা। এসবই মানুষের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যায়াম। এতে মানুষের শারীরিক বহুবিদ উপকার সাধিত হয়।

মানসিকতার পরিবর্তন: নামাজের মাধ্যমে মানুষের মন ও মানসিকতায় অসাধারণ পরিবর্তন আসে। গোনাহ, ভয়, নীচুতা, হতাশা, অস্থিরতা, পেরেশানি ইত্যাদি দূরভীত হয়। ফলে বিশুদ্ধ মন নিয়ে সব কাজে সম্পৃক্ত হওয়া যায়।

দেহের কাঠামোগত উন্নতি: নামাজ মানুষের দেহের কাঠামোগত ভারসাম্যতা বজায় রাখে। ফলে স্থুলতা ও বিকলঙ্গতা হার কমে যায়। মানুষ যখন নামাজে নড়াচড়া করে তখন অঙ্গগুলো স্থানভেদে সংবর্ধিত, সংকুচিত হয়ে বিশেষ কাজ করে থাকে। অঙ্গ ও জোড়াগুলোর বর্ধন ও উন্নতি এবং শক্তি বৃদ্ধি পায়।

পরিচ্ছন্ন রাখে: নামাজের জন্য মানুষকে প্রতিদিন পাঁচবার অজু করতে হয়। আর এতে মানুষের ত্বক পরিষ্কার থাকে। ওজুর সময় মানুষের দেহের মূল্যবান অংশগুলো পরিষ্কার হয় যা দ্বারা বিভিন্ন প্রকার জীবানু হতে মানুষ সুরক্ষিত থাকে।

চেহারার লাবণ্যতা বৃদ্ধি: নামাজের জন্য মানুষ যতবার অজু করে, ততবারই মানুষের মুখমণ্ডল ম্যাসেস হয়ে থাকে। যাতে মুখমণ্ডলে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। ফলে মানুষের চেহারার লাবণ্যতা বৃদ্ধি পায়, মুখের বলিরেখা ও মুখের দাগ কমে যায়। 

বিশেষ করে…নামাজ মানুষের মানসিক, স্নায়ুবিক, মনস্তাত্ত্বিক, অস্থিরতা, হতাশা-দুশ্চিন্তা, হার্ট অ্যাটাক, হাড়ের জোড়ার ব্যাথা, ইউরিক এসিড থেকে সৃষ্ট রোগ, পাকস্থলীর আলসার, প্যারালাইসিস, ডায়াবেটিস মেলিটাস,  চোখ এবং গলা ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধে সহায়ক। 

হার্টের রোগীদের প্রতিদিন বাধ্যতামূলকভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা উচিত,নামাজ মানুষকে সব সময় সতেজ রাখে, অলসতা এবং অবসাদগ্রস্ততাকে শরীরে বাড়তে দেয় না।পৃথিবীর অন্যান্য ধর্মের মধ্যে নামাজের মতো এমন সামগ্রিক ইবাদত আর নেই। নামাজির জন্য এটা একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য যে, এটি একান্তই সামগ্রিক ব্যায়াম। যার প্রভাব মানুষের সব অঙ্গগুলোতে পড়ে এবং মানুষের প্রতিটি অঙ্গ নড়াচড়ার ফলে শক্তি সৃষ্টি হয় এবং সুস্বাস্থ্য অটুট থাকে।
পরিশেষে...নামাজের উপকারিতায় আল্লাহ তাআলা বলেন,
‘নিশ্চয় নামাজ অশ্লীল ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখে।’
শুধু তাই নয়, নামাজ মানুষের শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক পবিত্রতা সাধনের অনন্য হাতিয়ার।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সময়মতো নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন।

নামাজ আদায়ের মাধ্যমে শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক উপকারিতা লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর