১১ অক্টোবর, ২০২১ ১৭:০৬

পাহাড়ে ষষ্ঠী উৎসব

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি

পাহাড়ে ষষ্ঠী উৎসব

ঢাকে পড়েছে কাঠি। বেজে উঠেছে শঙ্খ। ঘণ্টা আর কাঁসর ঝনঝন শব্দ। উলুধ্বনিতে মুখরিত পাহাড়। উৎসবের সাজে মন্ডপে মন্ডপে নেমেছে ভক্তদের ঢল। ধূপ-আগরবাতির গন্ধ মোহিত করে তুলেছে আঙিনা। বর্ণিল সাজসজ্জা, হইচই আর ধুমধামের যেন শেষ নেই। ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে রাঙমাটিতে শুরু হয়েছে পাঁচদিন ব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসব।

মহা ষষ্ঠী পূজাতে সোমবার সকাল থেকে মন্ডপে ভিড় জমান সনাতন ধর্মলম্বীর ভক্ত অনুরাগীরা। পার্বত্যাঞ্চলে শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু মাত্র হিন্দু ধর্মলম্বীরা নয়, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ও পালন করে থাকে। তাই এবার দুর্গোৎসবে যোগ হয়েছে ভিন্নমাত্র। ত্রিপুরা নারী-পুরুষরা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে মেতেছে নানা আচার অনুষ্ঠানে। নাচের তাল আর গানের সুরে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পরেছে পাহাড় জুড়ে।  

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এবার রাঙামাটির জেলার ৪১টি পুজা মন্ডপে পালিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব।  

রাঙামাটি গীতাশ্রম মন্দিরের পুরোহিত পুলক চক্রবর্তী বলেন, সাধারণত আশ্বিন মাসের শুক্ল পক্ষের ষষ্ঠ থেকে দশম দিন পর্যন্ত শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এই পাঁচটি দিন যথাক্রমে দুর্গাষষ্ঠী, মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী, মহানবমী ও বিজয়াদশমী নামে পরিচিত। আশ্বিন মাসের শুক্ল পক্ষটিকে বলা হয় দেবীপক্ষ। দেবীপক্ষের সূচনার অমাবস্যাটির নাম মহালয়া। এরপর দেবীপক্ষের শেষ দিনটি হল কোজাগরী পূর্ণিমা। এদিন হিন্দু দেবী লক্ষ্মীর পূজা করা হয়। 

রাঙামাটি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, স্বপন কান্তি মহাজন জানান, রাঙামাটির পূজা মন্ডপে দর্শনার্থীরা যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পড়ে আসেন তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। 

অন্যদিকে, পুজা মন্ডপগুলোতে পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাতে কঠোর অবস্থানে আছে বলে জানান রাঙামাটি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মারুফ আহমেদ। 

বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির 

সর্বশেষ খবর