Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১০ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ আগস্ট, ২০১৮ ২২:৫৩

সহিংসতাকারীদের বিচার হবেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

সহিংসতাকারীদের বিচার হবেই

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় যারা সহিংসতা করেছিল তাদের বিচার হবেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাসী। কিন্তু সহিংসতা উসকে দেওয়া ও অন্যের ক্ষতি করা বাকস্বাধীনতা নয়। এর জবাবদিহিতা ও বিচার থাকতে হবে, না হলে বার বার একই কাণ্ড ঘটতেই থাকবে। তাই, যারা গত কয়েকদিন সহিংসতায় অংশ নিয়েছে, তাদের বিচার হবেই। বুধবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে এক স্ট্যাটাসে জয় এসব কথা বলেন। ফেসবুক স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো— ‘নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এখন শেষ। এই আন্দোলনের শুরুর দিকেই আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার সব দাবি মেনে নেয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ নির্দেশনা দেন ও শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেন ঘরে ফেরার, কারণ তাদের আন্দোলন সফল হয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত, সরকার সব দাবি মেনে নিলেও বিএনপিসহ ১/১১-এর কুশীলব, কিছু চিহ্নিত সুশীল সমাজের এই আন্দোলনের দিকে কুনজর পড়ে। তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যমূলকভাবে উসকে দিতে থাকেন আন্দোলন চালিয়ে যেতে। ক্রমশই আন্দোলনটি সহিংসতার দিকে যেতে থাকে। প্রাইভেট গাড়ি ভাঙা হয়, পোড়ানো হয় বাস এমনকি মোটরসাইকেলও জ্বালানো হয়। পর্দার পেছনে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাতে থাকে বিরোধী দলগুলো। তাদের উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের সহিংসতার দিকে ঠেলে দেওয়া। পুলিশের ওপর আঘাত আসে, আক্রমণ করা হয় বর্ডার-গার্ড কে-ও।’  জয় আরও লিখেছেন, ‘আমরা সবাই অভিনেত্রী নওশাবার ভিডিওটি দেখেছি, যেটি উনি নিজেই ভুয়া হিসেবে মিডিয়ার কাছে স্বীকার করেছেন। শহিদুল আলম শুধু এমন গুজবই ছড়াননি, ছড়িয়েছেন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কাছে। ’৭১-এর রাজাকারদের মতনই এখনো নিজ স্বার্থে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার মতন অনেক মানুষই আছেন।’  তিনি বলেন, ‘আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাসী। কিন্তু সহিংসতা উসকে দেওয়া ও অন্যের ক্ষতি করা বাকস্বাধীনতা নয়। এর জবাবদিহিতা ও বিচার থাকতে হবে, না হলে বার বার একই কাণ্ড ঘটতেই থাকবে। তাই, যারা গত কয়েকদিন সহিংসতায় অংশ নিয়েছে, তাদের বিচার হবেই। আমাদের মনে আছে ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাসের কথা, যখন ১০০-এর অধিক নিরীহ মানুষ প্রাণ হারান ও হাজার হাজার মানুষ আহত হন। জনগণের স্বার্থেই অরাজকতা ও সহিংসতার জবাব দিতে হয়।’


আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর