শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ অক্টোবর, ২০১৯ ২৩:৩৪

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা

ডিআইজি প্রিজনস বজলুর রশীদ কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক

ডিআইজি প্রিজনস বজলুর রশীদ কারাগারে

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় কারা অধিদফতরের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজনস) বজলুর রশীদকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। গতকাল ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আল-মামুন আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দিন আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, জামালপুরের নারকেলি এলাকার নিশিন্দা গ্রামের বাসিন্দা মৃত বশির উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে মো. বজলুর রশীদ অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ তিন কোটি আট লাখ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন করেছে। এ অপরাধে আসামি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় অপরাধ করেছে। মামলাটি তদন্তের পর্যায়ে আছে। আসামি জামিনে মুক্ত থাকলে তদন্তে বিঘ্ন ঘটাতে পারে এবং পলাতক হতে পারে। তাই আসামিকে কারাগারে আটক রাখা হোক। 

এর আগে রবিবারই বজলুরের বিরুদ্ধে কমিশনের সম্মিলিত ঢাকা জেলা কার্যালয়-১ এ দুদকের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে অসাধু উপায়ে অর্থ উপার্জনের অভিযোগে মামলা করেন। এর আগে রাজধানীর সেগুনবাগিচার কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামিকে গ্রেফতার দেখানো হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী রোডে একটি হাউজিংয়ের স্বপ্ন নিলয় প্রকল্পের দুই হাজার ৯৮১ বর্গফুট আয়তনের একটি অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন বজলুর রশীদ। এর দাম হিসেবে পরিশোধ করা তিন কোটি ৮ লাখ টাকার কোনো বৈধ উৎস তিনি প্রদর্শন করতে পারেননি। এমনকি অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়সংক্রান্ত কোনো তথ্যও তার আয়কর নথিতে প্রদর্শন করেননি। ফলে তার এই পরিশোধিত তিন কোটি ৮ লাখ টাকা জ্ঞাতআয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। এর আগে ২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল অ্যাপার্টমেন্ট কেনার জন্য হাউজিং এস্টেটের সঙ্গে বজলুর চুক্তি করেছিলেন। এরপর ২০১৮ সালের ৭ জুন পর্যন্ত ৫৪ হাজার টাকা ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মাধ্যমে চেকে পরিশোধ করেন। আর বাকি তিন কোটি ৭ লাখ ৪৬ হাজার টাকা নগদে পরিশোধ করেন। জানা গেছে, কারা ক্যাডারের ১৯৯৩ ব্যাচের কর্মকর্তা বজলুর রশীদ এখন ঢাকায় কারা সদর দফতরে দায়িত্ব পালন করছেন। ডিআইজি হিসেবে এর আগে সর্বশেষ রাজশাহীতে ছিলেন। জেল সুপার পদে বরগুনায় কর্মজীবন শুরু করে সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়া, কক্সবাজার ও খাগড়াছড়ি এবং জ্যেষ্ঠ জেল সুপার হিসেবে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে কর্মরত ছিলেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর