শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:৪৩

যাত্রী দুর্ভোগ, ৮ ঘণ্টা পর ট্রেন চলা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক ও কুমিল্লা প্রতিনিধি

যাত্রী দুর্ভোগ, ৮ ঘণ্টা পর ট্রেন চলা শুরু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার কারণে প্রায় আট ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম-সিলেট রুটে ট্রেন চলা শুরু হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণে কুমিল্লা রেল স্টেশনে আটকা পড়ে জালালাবাদ ও সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেন। এতে দুর্ভোগে পড়েন কয়েকশ যাত্রী।

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত বগিগুলো সরিয়ে মূল লাইন মেরামত করে সকাল সোয়া ১০টার দিকে ট্রেন চলাচলের উপযোগী করা হয়। বেলা পৌনে ১১টায় আবার ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

দুর্ঘটনার ফলে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ও সিলেটের পথে বেশ কয়েকটি ট্রেনের যাত্রা বিলম্বিত হয়েছে। ঢাকাগামী সুবর্ণ এক্সপ্রেস সকাল ৭টায় নির্ধারিত সময়ে চট্টগ্রাম ছেড়ে গেলেও রাস্তায় আটকে থাকে দীর্ঘ সময়। চট্টগ্রাম থেকে অন্যান্য ট্রেনের সময়সূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়। কুমিল্লা রেল স্টেশনে আটকা পড়েন কয়েকশ যাত্রী। ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র তৈয়বুর রহমান সোহেল বলেন, ট্রেন দুর্ঘটনার কারণে কুমিল্লা রেল স্টেশনে আটকা পড়ে অনেক যাত্রী। ট্রেন না পেয়ে অনেক যাত্রী স্টেশন ছেড়ে চলে গেছেন। আবার আগাম টিকিট কাটা বেশকিছু যাত্রী পরবর্তী ট্রেনগুলোর জন্য অপেক্ষা করছেন। কুমিল্লার রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সফিকুর রহমান ভূঁইয়া জানান, নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি লাকসামে আটকা পড়ে। চট্টগ্রাম থেকে সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেন যথা সময়ে ছেড়ে এলেও সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে কুমিল্লা রেল স্টেশনে আটকা পড়ে। নির্দিষ্ট সময় থেকে প্রায় আধা ঘণ্টা বিলম্বে ট্রেনটি কুমিল্লা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। চট্টগ্রাম থেকে সিলেট অভিমুখী জালালাবাদ ট্রেনটি রাত ৩টা ৪৪ মিনিটে কুমিল্লায় পৌঁছালেও দুপুর ১টার পর ছেড়ে যায়। চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে বেলা ১১টায় কুমিল্লায় পৌঁছার কথা ছিল। ময়মনসিংহ অভিমুখী বিজয় এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম থেকে নির্দিষ্ট সময়ে ছেড়ে কুমিল্লা হয়ে গন্তব্যে যাত্রা করে।


আপনার মন্তব্য