শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৩ জুন, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ জুন, ২০২১ ২৩:৩৫

টিকা এখন অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

টিকা এখন অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে
Google News

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, ‘টিকা নিয়ে সুখবর পাব কিন্তু কবে পাব তা বলতে পারছি না। পৃথিবীর ধনী সাতটি দেশ (জি-৭) ১০০ কোটি টিকা দেবে বলে আমাদের জানিয়েছে। খালি শুনছি দেবে শুধু আশ্বাস দিচ্ছে। আমি বলি মুলা দেখাচ্ছে সবাই।’ তিনি বলেন, ‘অনেকে বলে যে দেব কিন্তু কেউ দেয় না। আবার দেওয়ার সময় জিজ্ঞাসা করে যে অমুক জিনিসে আমাকে সমর্থন দেবেন কি না। এখন দেখা যাচ্ছে একে একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।’ গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্র সফর করে আসা পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সবাই এখন ভ্যাকসিন ব্যবসায়ী। সবাই আমাদের কাছে বিক্রি করার জন্য আসছে। একটা মজার কাহিনি বলি। আমেরিকার অনেক ব্যক্তিবিশেষ আমাদের জানিয়েছেন যে অমুক লোক অনেক টিকা দিতে পারবেন। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে আমেরিকার লোক আমাদের জানিয়েছেন তারা রাশিয়ান টিকার ডিলারশিপ পেয়েছেন কিন্তু রাশিয়া সরকার আমাদের জানিয়েছে তাদের কোনো ডিলারই নেই। আসলেই ভ্যাকসিন একটা মজার জিনিস। এখন সাংবাদিক, সাহিত্যিক, গায়ক, ব্যবসায়ী সবাই ভ্যাকসিন ব্যবসায়ী।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সমাধান হবে যখন আমরা নিজেরাই টিকা তৈরি করব। নিজেরা টিকা তৈরি করলে আর অন্যের দিকে চেয়ে থাকতে হবে না।’

আমি অভ্যন্তরীণ রাজনীতির মাঝে পড়ে গেছি : পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সঙ্গে তুচ্ছ একটি ঘটনা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে বলে দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। পরিকল্পনামন্ত্রীর সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব নেই জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মান্নান আমার বন্ধু। তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক অটুট রয়েছে। ঘটনাটি হলো আমরা কানেকটিভিটি চাই। কিন্তু ঢাকা-সিলেট রেলপথ অত্যন্ত পুরনো, রদ্দি মার্কা। সরকার একে ব্রডগেজ করতে পরিকল্পনা নিয়েছে। কিন্তু রেলমন্ত্রী বলেছেন এতে অনেক খরচ হবে। কারণ সিলেটে শেষ প্রান্ত, সেখানে ডিপো করতে হবে। এ নিয়ে সুনামগঞ্জের পাঁচ সংসদ সদস্য আমার সঙ্গে দেখা করেন, এ রেললাইনটি ছাতক পর্যন্ত নিয়ে যেতে রেলমন্ত্রীকে অনুরোধ করতে চিঠি দেন। ডিপোটি সেখানে প্রতিস্থাপন করলে খরচ কম হবে। আমি এ বিষয়ে সরলমনে রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিই। কিন্তু আমি তো সুনামগঞ্জের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি সম্পর্কে জানি না। চিঠিটা দেওয়ার আগে মান্নানের সঙ্গে কথা বলা উচিত ছিল। মান্নান বলেছে তাকে তো আমি ফোন করে তাদের আসার কথা বলতে পারতাম। এটি না করেই ডিও লেটার পাঠিয়ে দিলাম।

এর মধ্যে আমি যুক্তরাষ্ট্র চলে গেছি। তার পরই এ নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে। ওর সঙ্গে দেখা হলে আমি এ নিয়ে আলাপ করব।’

এই বিভাগের আরও খবর