শিরোনাম
প্রকাশ: ১৮:১৬, সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ কোনও আকস্মিক সংঘাত নয়; বরং মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান গঠন বা আকার পরিবর্তনে দীর্ঘমেয়াদি ইসরায়েলি পরিকল্পনার অংশ বলে মন্তব্য করেছেন কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হামাদ বিন জাসিম আল থানি।

আল-জাজিরার ‘আল-মুকাবালা’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই যুদ্ধের মাধ্যমে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক কাঠামো পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং এর প্রভাব কয়েক দশক ধরে থাকবে।

তার মতে, এই সংঘাতের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে তৈরি হওয়া সংকট। একই সঙ্গে তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর তথাকথিত ‘বৃহত্তর ইসরায়েল’ পরিকল্পনা নিয়ে সতর্ক করেন এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য একটি যৌথ প্রতিরক্ষা জোট গঠনের আহ্বান জানান।

‘নেতানিয়াহুর বিভ্রমে’ যুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প
শেখ হামাদ দাবি করেন, ইসরায়েলের কট্টরপন্থী গোষ্ঠী বহুদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে টানার চেষ্টা করে আসছিল। তার অভিযোগ, নেতানিয়াহু ১৯৯০-এর দশকে বিল ক্লিনটন প্রশাসনের সময় থেকেই তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ বাধানোর চেষ্টা করেছেন।

তিনি বলেন, আগের মার্কিন প্রশাসনগুলো পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে যেতে দ্বিধাগ্রস্ত থাকলেও এবার নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনকে ‘একটি বিভ্রম’ দেখাতে সক্ষম হয়েছেন। তার ভাষায়, “তিনি ট্রাম্প তথা যুক্তরাষ্ট্রকে বোঝাতে পেরেছিলেন যে, যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হবে এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের সরকার ভেঙে পড়বে।”

শেখ হামাদ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তিনির্ভর নীতিরও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “আমেরিকার প্রকৃত শক্তি সবসময় বলপ্রয়োগ এড়িয়ে যাওয়ার সক্ষমতায় ছিল, শক্তি প্রয়োগে নয়।”

তার মতে, যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত সব পক্ষকেই আবার আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে এনেছে। তিনি দাবি করেন, চলতি বছরের শুরুতে ওমানের মধ্যস্থতায় জেনেভায় চলা আলোচনাকে আরও দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হলে এই বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব ছিল।

এখন সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হরমুজ প্রণালী
ইরানের কৌশল বিশ্লেষণ করতে গিয়ে শেখ হামাদ বলেন, শুরুতে সামরিক হামলা সামাল দেওয়ার পর তেহরান বুঝতে পারে যে, হরমুজ প্রণালীকে কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। এরপর থেকেই তারা সমঝোতার বিষয়ে ধীর অবস্থান নেয়।

তিনি বলেন, “এই যুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক ফলাফল হলো হরমুজ প্রণালীকে অস্ত্রে পরিণত করা।” তার মতে, ইরান এখন এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে কার্যত নিজেদের সার্বভৌম অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির চেয়েও বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।

শেখ হামাদ অভিযোগ করেন, ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি ও শিল্প স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে, যদিও এসব দেশ শুরু থেকেই যুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল। এর ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের রাজনৈতিক প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভৌগোলিক বাস্তবতার কারণে উপসাগরীয় দেশগুলোর ইরানের সঙ্গে সহাবস্থান করতেই হবে। এজন্য তেহরানের সঙ্গে সম্মিলিত ও খোলামেলা সংলাপের আহ্বান জানান তিনি।

‘গালফ ন্যাটো’ গঠনের আহ্বান
সাক্ষাৎকারে শেখ হামাদ বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের সবচেয়ে বড় হুমকি ইরান, ইসরায়েল বা বিদেশি সামরিক ঘাঁটি নয়; বরং অঞ্চলটির অভ্যন্তরীণ বিভক্তি।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি ‘গালফ ন্যাটো’ ধরনের একটি যৌথ রাজনৈতিক ও সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব দেন। তার মতে, সৌদি আরবকে কেন্দ্র করে কয়েকটি সমমনা উপসাগরীয় দেশ নিয়ে এই জোট শুরু করা যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো দীর্ঘদিন ধরে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করলেও এখন ওয়াশিংটনের কৌশলগত মনোযোগ এশিয়া ও চীন মোকাবিলার দিকে সরে যাচ্ছে। ফলে উপসাগরীয় দেশগুলোকে ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

এক্ষেত্রে তুরস্ক, পাকিস্তান এবং মিসরের মতো আঞ্চলিক শক্তির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার পরামর্শ দেন তিনি।

গাজা যুদ্ধ ও ফিলিস্তিন প্রশ্ন
গাজা পরিস্থিতি নিয়ে শেখ হামাদ বলেন, বেসামরিক মানুষ হত্যা সব পক্ষের জন্যই নিন্দনীয়। তবে তিনি গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে ‘নৈতিক ও রাজনৈতিক বিপর্যয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েল গাজা খালি করে ফিলিস্তিনিদের অঞ্চল ছাড়তে বাধ্য করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। তার দাবি, ফিলিস্তিনিদের গাজা ছাড়তে অর্থের প্রস্তাবও দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর পশ্চিমা বিশ্বেও ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সহানুভূতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

শেখ হামাদ স্পষ্টভাবে বলেন, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ছাড়া হামাসকে নিরস্ত্র করার আলোচনা গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে তিনি সৌদি আরবের সেই অবস্থানের প্রশংসা করেন, যেখানে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নিশ্চয়তা ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে।

সিরিয়া ও পুরোনো কূটনৈতিক তথ্য প্রকাশ
সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনে স্বস্তি প্রকাশ করেন শেখ হামাদ। তিনি জানান, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের শুরুতেই তিনি আসাদকে জনগণের কথা শোনার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

সাক্ষাৎকারে একটি পুরোনো কূটনৈতিক তথ্যও প্রকাশ করেন তিনি। শেখ হামাদ জানান, ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে কাতারের নেতৃত্ব তাকে তেহরানে পাঠিয়েছিল বিল ক্লিনটন প্রশাসনের একটি বার্তা পৌঁছে দিতে। সেই বার্তায় ইরানকে তাদের প্রাথমিক পারমাণবিক কর্মসূচি রাশিয়ার হাতে তুলে দেওয়া অথবা আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণে আনার দাবি জানানো হয়েছিল। সূত্র: আল-জাজিরা

বিডি প্রতিদিন/একেএ
 

এই বিভাগের আরও খবর
পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি
পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?
সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান
সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান
বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা
ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর
ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক
মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক
দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার
দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার
হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার
হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার
সর্বশেষ খবর
বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন: বিডা চেয়ারম্যান

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত
বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?
কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?

৩৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু
ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা
পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি
পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল
বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প
বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’
‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু
রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী
কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪
যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ
অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ
কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ
গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান
সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে
যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা
মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়
ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়

৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক
পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়
কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী
অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে
যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে ভুলে রেখে যাওয়া পাকিস্তানি শিশুকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা

দেশগ্রাম