শিরোনাম
প্রকাশ: ১৮:১৬, সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ইরান যুদ্ধকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন নেতানিয়াহু: কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ কোনও আকস্মিক সংঘাত নয়; বরং মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান গঠন বা আকার পরিবর্তনে দীর্ঘমেয়াদি ইসরায়েলি পরিকল্পনার অংশ বলে মন্তব্য করেছেন কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হামাদ বিন জাসিম আল থানি।

আল-জাজিরার ‘আল-মুকাবালা’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই যুদ্ধের মাধ্যমে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক কাঠামো পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং এর প্রভাব কয়েক দশক ধরে থাকবে।

তার মতে, এই সংঘাতের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে তৈরি হওয়া সংকট। একই সঙ্গে তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর তথাকথিত ‘বৃহত্তর ইসরায়েল’ পরিকল্পনা নিয়ে সতর্ক করেন এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য একটি যৌথ প্রতিরক্ষা জোট গঠনের আহ্বান জানান।

‘নেতানিয়াহুর বিভ্রমে’ যুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প
শেখ হামাদ দাবি করেন, ইসরায়েলের কট্টরপন্থী গোষ্ঠী বহুদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে টানার চেষ্টা করে আসছিল। তার অভিযোগ, নেতানিয়াহু ১৯৯০-এর দশকে বিল ক্লিনটন প্রশাসনের সময় থেকেই তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ বাধানোর চেষ্টা করেছেন।

তিনি বলেন, আগের মার্কিন প্রশাসনগুলো পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে যেতে দ্বিধাগ্রস্ত থাকলেও এবার নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনকে ‘একটি বিভ্রম’ দেখাতে সক্ষম হয়েছেন। তার ভাষায়, “তিনি ট্রাম্প তথা যুক্তরাষ্ট্রকে বোঝাতে পেরেছিলেন যে, যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হবে এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের সরকার ভেঙে পড়বে।”

শেখ হামাদ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তিনির্ভর নীতিরও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “আমেরিকার প্রকৃত শক্তি সবসময় বলপ্রয়োগ এড়িয়ে যাওয়ার সক্ষমতায় ছিল, শক্তি প্রয়োগে নয়।”

তার মতে, যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত সব পক্ষকেই আবার আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে এনেছে। তিনি দাবি করেন, চলতি বছরের শুরুতে ওমানের মধ্যস্থতায় জেনেভায় চলা আলোচনাকে আরও দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হলে এই বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব ছিল।

এখন সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হরমুজ প্রণালী
ইরানের কৌশল বিশ্লেষণ করতে গিয়ে শেখ হামাদ বলেন, শুরুতে সামরিক হামলা সামাল দেওয়ার পর তেহরান বুঝতে পারে যে, হরমুজ প্রণালীকে কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব। এরপর থেকেই তারা সমঝোতার বিষয়ে ধীর অবস্থান নেয়।

তিনি বলেন, “এই যুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক ফলাফল হলো হরমুজ প্রণালীকে অস্ত্রে পরিণত করা।” তার মতে, ইরান এখন এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে কার্যত নিজেদের সার্বভৌম অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির চেয়েও বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।

শেখ হামাদ অভিযোগ করেন, ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি ও শিল্প স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে, যদিও এসব দেশ শুরু থেকেই যুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল। এর ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের রাজনৈতিক প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভৌগোলিক বাস্তবতার কারণে উপসাগরীয় দেশগুলোর ইরানের সঙ্গে সহাবস্থান করতেই হবে। এজন্য তেহরানের সঙ্গে সম্মিলিত ও খোলামেলা সংলাপের আহ্বান জানান তিনি।

‘গালফ ন্যাটো’ গঠনের আহ্বান
সাক্ষাৎকারে শেখ হামাদ বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের সবচেয়ে বড় হুমকি ইরান, ইসরায়েল বা বিদেশি সামরিক ঘাঁটি নয়; বরং অঞ্চলটির অভ্যন্তরীণ বিভক্তি।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি ‘গালফ ন্যাটো’ ধরনের একটি যৌথ রাজনৈতিক ও সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব দেন। তার মতে, সৌদি আরবকে কেন্দ্র করে কয়েকটি সমমনা উপসাগরীয় দেশ নিয়ে এই জোট শুরু করা যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো দীর্ঘদিন ধরে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করলেও এখন ওয়াশিংটনের কৌশলগত মনোযোগ এশিয়া ও চীন মোকাবিলার দিকে সরে যাচ্ছে। ফলে উপসাগরীয় দেশগুলোকে ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

এক্ষেত্রে তুরস্ক, পাকিস্তান এবং মিসরের মতো আঞ্চলিক শক্তির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার পরামর্শ দেন তিনি।

গাজা যুদ্ধ ও ফিলিস্তিন প্রশ্ন
গাজা পরিস্থিতি নিয়ে শেখ হামাদ বলেন, বেসামরিক মানুষ হত্যা সব পক্ষের জন্যই নিন্দনীয়। তবে তিনি গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে ‘নৈতিক ও রাজনৈতিক বিপর্যয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েল গাজা খালি করে ফিলিস্তিনিদের অঞ্চল ছাড়তে বাধ্য করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। তার দাবি, ফিলিস্তিনিদের গাজা ছাড়তে অর্থের প্রস্তাবও দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর পশ্চিমা বিশ্বেও ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সহানুভূতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

শেখ হামাদ স্পষ্টভাবে বলেন, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ছাড়া হামাসকে নিরস্ত্র করার আলোচনা গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে তিনি সৌদি আরবের সেই অবস্থানের প্রশংসা করেন, যেখানে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নিশ্চয়তা ছাড়া ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে।

সিরিয়া ও পুরোনো কূটনৈতিক তথ্য প্রকাশ
সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনে স্বস্তি প্রকাশ করেন শেখ হামাদ। তিনি জানান, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের শুরুতেই তিনি আসাদকে জনগণের কথা শোনার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

সাক্ষাৎকারে একটি পুরোনো কূটনৈতিক তথ্যও প্রকাশ করেন তিনি। শেখ হামাদ জানান, ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে কাতারের নেতৃত্ব তাকে তেহরানে পাঠিয়েছিল বিল ক্লিনটন প্রশাসনের একটি বার্তা পৌঁছে দিতে। সেই বার্তায় ইরানকে তাদের প্রাথমিক পারমাণবিক কর্মসূচি রাশিয়ার হাতে তুলে দেওয়া অথবা আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণে আনার দাবি জানানো হয়েছিল। সূত্র: আল-জাজিরা

বিডি প্রতিদিন/একেএ
 

এই বিভাগের আরও খবর
চুক্তি চূড়ান্ত করতে রুশ-চীনের প্রতিনিধিদের বৈঠক তেহরানের
চুক্তি চূড়ান্ত করতে রুশ-চীনের প্রতিনিধিদের বৈঠক তেহরানের
বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় তীব্র প্রতিবাদ জানাল দিল্লি
বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় তীব্র প্রতিবাদ জানাল দিল্লি
আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’
আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’
২৪ ঘণ্টার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে চুক্তি: পাকিস্তান
২৪ ঘণ্টার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে চুক্তি: পাকিস্তান
বেরিয়ে এলো জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলার চিত্র
বেরিয়ে এলো জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলার চিত্র
ভারতে বিমান বিধ্বস্তে পাঁচ সেনা নিহত
ভারতে বিমান বিধ্বস্তে পাঁচ সেনা নিহত
আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান
আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান
মেয়েকে নিয়ে ছয়তলা থেকে লাফ: মায়ের মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু
মেয়েকে নিয়ে ছয়তলা থেকে লাফ: মায়ের মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু
ভারতের নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ
ভারতের নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ
ইউক্রেনে মে মাসে বেসামরিক হতাহতের ঘটনা সর্বোচ্চ, নিহত অন্তত ২৭৪
ইউক্রেনে মে মাসে বেসামরিক হতাহতের ঘটনা সর্বোচ্চ, নিহত অন্তত ২৭৪
মার্কিন অর্থায়নে বিশ্বজুড়ে ১২০ বিপজ্জনক ল্যাবে চলত ভয়ঙ্কর রোগ নিয়ে গবেষণা
মার্কিন অর্থায়নে বিশ্বজুড়ে ১২০ বিপজ্জনক ল্যাবে চলত ভয়ঙ্কর রোগ নিয়ে গবেষণা
হরমুজ নিয়ে শিগগিরই আসছে ইরান-ওমানের যৌথ বিবৃতি: আরাগচি
হরমুজ নিয়ে শিগগিরই আসছে ইরান-ওমানের যৌথ বিবৃতি: আরাগচি
সর্বশেষ খবর
অজিদের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে দুই কোটি টাকা বোনাস পাচ্ছেন টাইগাররা
অজিদের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে দুই কোটি টাকা বোনাস পাচ্ছেন টাইগাররা

১১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উন্নয়নের আহ্বান জোনায়েদ সাকীর
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উন্নয়নের আহ্বান জোনায়েদ সাকীর

১ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

নেইমার কি পারবেন রোমারিও হতে?
নেইমার কি পারবেন রোমারিও হতে?

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু
ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ ঘিরে নিউ জার্সিতে হোটেল ভাড়া বেড়েছে  কয়েক গুণ
বিশ্বকাপ ঘিরে নিউ জার্সিতে হোটেল ভাড়া বেড়েছে  কয়েক গুণ

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জয়পুরহাটে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা
জয়পুরহাটে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে বিরল হাসপাতালে আধুনিক ফিডব্যাক মেশিন
চিকিৎসাসেবার মান বাড়াতে বিরল হাসপাতালে আধুনিক ফিডব্যাক মেশিন

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুলাউড়ায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা
কুলাউড়ায় তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আখাউড়ায় কুটির শিল্প মেলা
আখাউড়ায় কুটির শিল্প মেলা

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জয়পুরহাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন
সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জয়পুরহাটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৭৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ
জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৭৭ লাখ টাকার চেক বিতরণ

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নাক ফজলি: ৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা, বাজার না থাকায় শঙ্কা
নাক ফজলি: ৫ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা, বাজার না থাকায় শঙ্কা

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কয় গোল হতে পারে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে?
কয় গোল হতে পারে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে?

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

৩২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

বিদেশে কর্মী প্রেরণে সফল হতে ডায়াস্পোরা কমিউনিটিকে যুক্ত করতে হবে : নুরুল হক নুর
বিদেশে কর্মী প্রেরণে সফল হতে ডায়াস্পোরা কমিউনিটিকে যুক্ত করতে হবে : নুরুল হক নুর

৩৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের ২৭ জনের নামে মামলা
নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের ২৭ জনের নামে মামলা

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ইয়ামাল-নিকো উইলিয়ামস
চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ইয়ামাল-নিকো উইলিয়ামস

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই: প্রধানমন্ত্রী
নতুন বাজেট বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

উন্মাতাল ব্রাজিলিয়ান সমর্থক, প্রস্তুত হচ্ছে সেলেসাও শিবির
উন্মাতাল ব্রাজিলিয়ান সমর্থক, প্রস্তুত হচ্ছে সেলেসাও শিবির

৫০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে অধিনায়ক হিসেবে পাওয়ার সুবিধা অনেক : জুলিয়ানো
মেসিকে অধিনায়ক হিসেবে পাওয়ার সুবিধা অনেক : জুলিয়ানো

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়ায় জিআর চাল বিতরণ করলেন এমপি রেজাউল করিম
বগুড়ায় জিআর চাল বিতরণ করলেন এমপি রেজাউল করিম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিডনিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান
সিডনিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে রাজধানীতে ছাত্রদলের মিছিল
প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে রাজধানীতে ছাত্রদলের মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মহেশপুরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
মহেশপুরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিশরের সাত তারায় ফিফার ছুরি!
মিশরের সাত তারায় ফিফার ছুরি!

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২০ বছরে মাদক ব্যবসা করে এক হাজার ব্যক্তি কোটিপতি: ভূমিমন্ত্রী
২০ বছরে মাদক ব্যবসা করে এক হাজার ব্যক্তি কোটিপতি: ভূমিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনে ঝুঁকিতে দুই সেতু
সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনে ঝুঁকিতে দুই সেতু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অন্ধকার ভয় পাওয়া সেই কিশোরই এখন ছড়াচ্ছেন বিস্ময়কর আলো
অন্ধকার ভয় পাওয়া সেই কিশোরই এখন ছড়াচ্ছেন বিস্ময়কর আলো

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভিনেত্রী ঝিলিককে ৮ তলা থেকে ফেলে হত্যার অভিযোগ
অভিনেত্রী ঝিলিককে ৮ তলা থেকে ফেলে হত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপে জয় অধরাই রয়ে গেল, তবে লড়াকু ড্রয়ে মন জিতল কানাডা
বিশ্বকাপে জয় অধরাই রয়ে গেল, তবে লড়াকু ড্রয়ে মন জিতল কানাডা

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?
নেইমার কি পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাচ্ছেন?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হঠাৎ কেন বন্ধ হয়েছিল ফেসবুক-মেসেঞ্জার?
হঠাৎ কেন বন্ধ হয়েছিল ফেসবুক-মেসেঞ্জার?

২৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু
ছিনতাইকারীর টানাহেঁচড়ার সময় রিকশা থেকে পড়ে নারী আহত, পরে হাসপাতালে মৃত্যু

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নাঈম ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন বিসিবি সভাপতি তামিম
নাঈম ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন বিসিবি সভাপতি তামিম

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মার্কিন অভিযানের আশঙ্কায় ইউরেনিয়াম সংরক্ষণে যে পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান
মার্কিন অভিযানের আশঙ্কায় ইউরেনিয়াম সংরক্ষণে যে পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্যারাগুয়েকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে উড়ন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের
প্যারাগুয়েকে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপে উড়ন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পাস করলেন জাইমা রহমান
বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পাস করলেন জাইমা রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ব্রাজিলের সব খেলোয়াড়ই বিশ্বমানের, তবে আমাদেরও নিজস্ব শক্তি আছে’
‘ব্রাজিলের সব খেলোয়াড়ই বিশ্বমানের, তবে আমাদেরও নিজস্ব শক্তি আছে’

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স
রবিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে : রয়টার্স

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানসহ চার দেশের নাগরিকদের আফ্রিকায় পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
ইরানসহ চার দেশের নাগরিকদের আফ্রিকায় পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল
মরক্কোর বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেরিয়ে এলো জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলার চিত্র
বেরিয়ে এলো জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে আইআরজিসির ভয়াবহ হামলার চিত্র

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ
প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খাবে ব্রাজিল? সামনে মরক্কোর চ্যালেঞ্জ

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা দেয়নি কানাডা, ঘানার প্রথম ম্যাচে দর্শকের ভূমিকায় তারকা মিডফিল্ডার
ভিসা দেয়নি কানাডা, ঘানার প্রথম ম্যাচে দর্শকের ভূমিকায় তারকা মিডফিল্ডার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা
প্রথমার্ধে পিছিয়ে কানাডা, বসনিয়ার লিডে কঠিন পরীক্ষার সামনে স্বাগতিকরা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনলাইনে যেভাবে দেখবেন ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা
অনলাইনে যেভাবে দেখবেন ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবেন নেইমার?
মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবেন নেইমার?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান
আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা
ইবিজায় ছুটিতে থাকাকালে বিশ্বকাপ দলে ডাক, আবেগে ভাসলেন আর্জেন্টাইন তারকা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা
বিশ্বকাপে টিকিটের চাহিদা ১০ গুণ বেশি, অথচ গ্যালারির অনেকটা ফাঁকা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রশাসনে বড় রদবদল
প্রশাসনে বড় রদবদল

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা
আদ্-দ্বীনের রোগীদের ৬ হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেয়েকে নিয়ে ছয়তলা থেকে লাফ: মায়ের মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু
মেয়েকে নিয়ে ছয়তলা থেকে লাফ: মায়ের মৃত্যু, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’
আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনার পর এবার ইরান! বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি তবে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল?
আর্জেন্টিনার পর এবার ইরান! বিশ্বকাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি তবে পুরোপুরি ভেঙে পড়ল?

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রাজিল–মরক্কো ম্যাচে কার পাল্লা ভারী? যা বলছে পরিসংখ্যান
ব্রাজিল–মরক্কো ম্যাচে কার পাল্লা ভারী? যা বলছে পরিসংখ্যান

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান ফুটবল দলের অনুশীলন ভেন্যুর কাছে গাড়িতে মিললো গলিত লাশ
ইরান ফুটবল দলের অনুশীলন ভেন্যুর কাছে গাড়িতে মিললো গলিত লাশ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক
শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক
রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে
ভারত-বাংলাদেশ এক হলে পরিণত হবে বিশ্বশক্তিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম
চোরাচালানের হাব চট্টগ্রাম

পেছনের পৃষ্ঠা

এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র
এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল
প্রতিপক্ষ মরক্কো বলে টেনশনে ব্রাজিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না
ব্যাংক চোরদের শান্তিতে থাকতে দেব না

প্রথম পৃষ্ঠা

আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা
আমলাতন্ত্র ও ইউনূসের আবর্জনা বাজেট বাস্তবায়নে যত বাধা

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপারিতে কোটি টাকা আয়
সুপারিতে কোটি টাকা আয়

শনিবারের সকাল

শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড
শুরুতেই আলোচনায় লাল কার্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ
এভারেস্টজয়ী নিম্নির পতাকা প্রত্যর্পণ

পেছনের পৃষ্ঠা

গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার
গোপালগঞ্জে মেসি নেইমার

পেছনের পৃষ্ঠা

ধোঁয়ায় আটকা ঢাকাবাসী
ধোঁয়ায় আটকা ঢাকাবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট
তরুণদের অগ্রাধিকার বাজেট

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট যুবক গ্রেপ্তার

নগর জীবন

অবাস্তব পরিকল্পনা নেই
অবাস্তব পরিকল্পনা নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী
অস্তিত্বসংকটে কুষ্টিয়ার নদনদী

পেছনের পৃষ্ঠা

এক টুকরো নিজস্ব মাটি
এক টুকরো নিজস্ব মাটি

সম্পাদকীয়

প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের
প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের

নগর জীবন

তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা
বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথা

সম্পাদকীয়

জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন
জলসীমায় নজরদারি ব্যবহার হচ্ছে ড্রোন

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর
পদ্মায় গোসলে নেমে মৃত্যু দুই শিশুর

দেশগ্রাম

আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা
আর্জেন্টিনার পতাকা ও বরিশালে ব্রাজিলের পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা

নগর জীবন

ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা
ঘোড়ার মাংস বিক্রির চেষ্টা

দেশগ্রাম

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন
বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপন

নগর জীবন

র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার
র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ
করতোয়া নদীতে অজ্ঞাত লাশ

দেশগ্রাম