আমরা সাধারণত চিনি বা ক্রিম দিয়েই কফি পান করি। কেউ কেউ আবার ব্ল্যাক কফির স্বাদ উপভোগ করেন। তবে চিনি বা ক্রিম ছাড়াও কফির স্বাদ বাড়ানোর আরও কিছু ব্যতিক্রমী উপায় আছে। সঠিক উপাদান মেশালে কফির স্বাদ যেমন বদলে যায়, তেমনি তা হয়ে উঠতে পারে আরও স্বাস্থ্যকর। কফির সঙ্গে এমনই আটটি ভিন্ন উপাদানের কথা জানিয়েছে খাবারবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য কিচেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলো—
এলাচ
কফিতে এলাচ দিলে স্বাদে আসে একেবারে ভিন্ন মাত্রা। মধ্যপ্রাচ্যে এলাচ মেশানো কফি বেশ জনপ্রিয়। এলাচ কফির ক্ষতিকর প্রভাব কিছুটা কমাতে সাহায্য করে। এক কাপ গরম কফিতে একটি ছোট এলাচই যথেষ্ট।
লবণ
কোল্ড কফি খেতে পছন্দ করলে সামান্য লবণ যোগ করে দেখতে পারেন। অল্প লবণ কফির তিক্ততা কমিয়ে স্বাদ বাড়িয়ে দেয়।
দারুচিনি
কফির ক্যালরি কমাতে চাইলে দারুচিনি হতে পারে ভালো বিকল্প। মেক্সিকোর কফিতে আস্ত দারুচিনি ব্যবহারের চল রয়েছে। চাইলে গুঁড়ো দারুচিনিও যোগ করা যায়।
মাখন
মাখন মেশানো কফিকে বলা হয় ‘বুলেটপ্রুফ কফি’। এটি শরীরের শক্তি ও কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। অনেকেই সকালের নাশতার বিকল্প হিসেবে এই কফি পান করেন।
ভ্যানিলা এক্সট্র্যাক্ট
চিনির বদলে কয়েক ফোঁটা ভ্যানিলা এক্সট্র্যাক্ট কফিতে মেশাতে পারেন। এতে কফির স্বাদ হয় মোলায়েম ও সুগন্ধি। চাইলে আমন্ড এক্সট্র্যাক্টও ব্যবহার করা যায়।
নারকেলের দুধ
স্বাদে ভিন্নতা আনতে কফিতে নারকেলের দুধ যোগ করতে পারেন। এটি স্বাস্থ্যকর হওয়ার পাশাপাশি কফিকে করে তোলে আরও সুস্বাদু।
আইসক্রিম
কফির ওপরে এক স্কুপ আইসক্রিম—স্বাদে এক অনন্য সংযোজন। জার্মানিতে এই ধরণের কফি বেশ জনপ্রিয়। পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো ফ্লেভারের আইসক্রিম ব্যবহার করা যায়।
ডিম
ডিম মেশানো কফি একটু ভিন্নধর্মী হলেও বেশ জনপ্রিয়। ব্ল্যাক কফির সঙ্গে ডিম ভালোভাবে মিশিয়ে গরম পানিতে ঢেলে কিছুক্ষণ রেখে ছেঁকে নিলেই তৈরি হয় ডিমের কফি—স্বাদে ও পুষ্টিতে ভরপুর।
বিডি-প্রতিদিন/সুজন