শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০১৪

২৩ মার্চ পতাকা দিবস ও তার বিশ্লেষণ

নূরে আলম সিদ্দিকী
অনলাইন ভার্সন
২৩ মার্চ পতাকা দিবস ও তার বিশ্লেষণ

২৩ মার্চ ছিল পাকিস্তান দিবস বা লাহোর প্রস্তাব দিবস। সম্ভবত মার্চ মাসের ১৮-১৯ তারিখ (১৯৭১) বঙ্গবন্ধু জনাব আবদুর রাজ্জাকের উপস্থিতিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন পাকিস্তান দিবসের পরিবর্তে ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা উঠবে। প্রতিটি যানবাহনে, ভবনে, সব কার্যালয়ে, উচ্চ আদালতে ওই পতাকা উত্তোলিত হবে। (আবদুর রাজ্জাক তার স্মৃতিচারণে বলেছেন, ২৩ মার্চ লাহোর প্রস্তাব বা পাকিস্তান দিবস থেকে পতাকা দিবস পালনের জন্য এবং বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনের জন্য আমার উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু ছাত্রলীগের সভাপতিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন।) এই নির্দেশনার আলোকে কেন্দ্রীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের পূর্বঘোষিত ও সুস্পষ্ট পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পতাকা উত্তোলন দিবস পালনের ঘোষণা করা হয়। শুধু পল্টনেই নয়, সারা দেশে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের ডাকে ঘরে ঘরে পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল সেদিন।

সেদিন বঙ্গবন্ধু ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসায় অবস্থান করছিলেন। পল্টনের পতাকা উত্তোলনের সভায় আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রাজ্জাক, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ মাযাহারুল হক বাকী, তোফায়েল আহমেদ, আবদুর রউফ, খালেদ মোহাম্মদ আলী, এমএলএ ড. আবু হেনাসহ অনেক আওয়ামী লীগ নেতা উপস্থিত ছিলেন। এখানে অত্যন্ত স্পষ্ট করে নতুন প্রজন্মকে অবগতি এবং তাদের চেতনাকে সংশয়বিমুক্ত করার জন্য বাস্তবের নিরিখে অন্তর্নিহিত এই বিশ্লেষণটি উদ্ধৃত করতে চাই। স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ যে কর্মসূচি পালন করেছে সেটি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায়। এর বাইরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অথবা স্বপ্রণোদিত হয়ে যে কোনো কর্মকাণ্ডই ইতিহাসের বিশ্লেষণে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির দাবি রাখে না। ২৩ মার্চে যদি পাকিস্তান দিবস বা লাহোর প্রস্তাব দিবস পালিত হতো তাহলে রাষ্ট্রপতি কিংবা তার অবর্তমানে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর সামরিক ও বেসামরিক বাহিনীর কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করতেন। তাদের গানস্যালুট প্রদান করা হতো। এ বিষয়টি মাথায় রেখেই ওই দিনটি আনুষ্ঠানিক পতাকা উত্তোলন ও পতাকা দিবস হিসেবে পালন করার সুচিন্তিত সিদ্ধান্তটি আমরা লাভ করি। এখানেও বঙ্গবন্ধু সুদূরপ্রসারী এবং কৌশলী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এই পতাকা উত্তোলনে পল্টনের ঐতিহাসিক ময়দানে তিনি উপস্থিত হলে এবং আমরা ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের চার সদস্য পতাকা উত্তোলন করে তাকে গান স্যালুট প্রদান করলে নিঃসন্দেহে বিচ্ছিন্নতাবাদের অভিযোগ তার ওপর পড়ত। এটি বিচ্ছিন্নতাবাদের অপবাদই শুধু নয়, সামরিক জান্তার চক্রান্তের চোরাবালিতে পা রাখার মতো বোকামি হতো। তাই সিদ্ধান্ত মোতাবেক ছাত্রলীগের পতাকাটি উত্তোলিত হওয়ার সময় সংগ্রাম পরিষদের চার নেতাকে আনুষ্ঠানিক অভিবাদন প্রদান করা হয়। বিউগল বাজিয়ে ড্রামের মাধ্যমে সুরের মূর্ছনায় জাতীয় সংগীত (আমার সোনার বাংলা...) পরিবেশন করা হয়। পরে পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলিত হয়। মোস্তফা মহসিন মন্টু, খসরু, (খুব সম্ভবত) হাসানুল হক ইনু, মহানগর ছাত্রলীগ ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সম্মিলিতভাবে আস্তে আস্তে পতাকাটি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন করেন। এ সময় সামরিক কায়দায় মঞ্চে দণ্ডায়মান স্বাধীন বাংলা ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের চার নেতাকে অভিবাদন প্রদান করা হয়। বঙ্গবন্ধুর প্রতিনিধি হিসেবে অথবা চার খলিফা হিসেবে আমরা অভিবাদন গ্রহণ করি। অভিবাদন পর্ব শেষে সামরিক কায়দায় কুচকাওয়াজ করে আমরা ৩২ নম্বরে যাই। সূক্ষ্ম নির্দেশনায় পরিচালিত হয়েছিল বলেই ২৩ মার্চ ওই দিবসটিই পতাকা দিবস হিসেবে পরিচিতি লাভ করে এবং বছর বছর প্রতিপালিত হচ্ছে। পত্রপত্রিকা ছাড়াও পতাকা দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের তৎকালীন প্রায় সব নেতার বক্তৃতা ও স্মৃতিচারণে (ভয়েস রেকর্ড সংগৃহীত) আমার এই কথার সপক্ষে প্রমাণ পাওয়া যাবে। এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ মাযাহারুল হক বাকী বলেন, '২৩ মার্চ পতাকা উত্তোলনের পরে তদানীন্তন ছাত্রলীগ সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী বঙ্গবন্ধুর হাতে সে পতাকা তুলে দেন। এটি ইতিহাস স্বীকৃত আনুষ্ঠানিক ঘটনা।' আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রাজ্জাক বলেন, '২৩ মার্চ পতাকা দিবস আর এটাই সঠিক ইতিহাস। ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে এই পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল। ঘরে ঘরে পতাকা ওড়ানো হয়েছিল এবং ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে নূরে আলম সিদ্দিকী ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর হাতে পতাকাটি অর্পণ করেন।' আমির হোসেন আমু বলেন, '২৩ মার্চই পতাকা দিবস এবং এটি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় উত্তোলিত হয়। তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি বন্ধুবর নূরে আলম সিদ্দিকী সেটি ৩২ নম্বরের বাসায় বঙ্গবন্ধুর হাতে অর্পণ করেন।' তোফায়েল আহমেদ বলেন, '২৩ মার্চকে পতাকা উত্তোলন দিবস হিসেবে পালন করা হয়। কারণ এদিন বাংলার ঘরে ঘরে পতাকা উত্তোলিত হয়েছিল। সেদিন পাকিস্তানের চিহ্ন কোথাও ছিল না। ক্যান্টনমেন্ট এবং গভর্নর হাউস ছাড়া।' জনাব আবদুর রউফ বলেন, '২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তান দিবসের পরিবর্তে পতাকা দিবস ঘোষিত হয়। ২৩ মার্চ পল্টনে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলিত পাতাকাসহ পল্টন থেকে কুচকাওয়াজ করে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে গিয়ে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ছাত্রলীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধুর হাতে সেটি তুলে দেন।' খালেদ মোহাম্মদ আলী বলেন, 'ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে পতাকাটি উত্তোলিত হলো। ছোট্ট মঞ্চে দাঁড়িয়ে নেতারা অভিবাদন গ্রহণ করলেন। সারা পল্টন ফেটে পড়ল জয়ধ্বনিতে। জয় বাংলা স্লোগানে, বঙ্গবন্ধুর নামে স্লোগানে আমরা তখন শিহরিত হয়ে উঠলাম। পরে কুচকাওয়াজের মাধ্যমে ৩২ নম্বরে গিয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী বঙ্গবন্ধুকে পতাকাটি তুলে দিলেন।' এটা প্রদীপ্ত সূর্যের মতো সত্য যে প্রতিটি যানবাহনে, প্রতিটি গৃহে, সচিবালয়ে, উচ্চ আদালতে, সব সরকারি অফিসে, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে পাকিস্তানের পতাকার পরিবর্তে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলিত হয় এবং সাড়ে সাত কোটি মানুষের স্বাধীনতার শাণিত চেতনাকে আরও উদ্দীপ্ত করে পতপত করে উড়তে থাকে। সত্য কথা বলতে গেলে ক্যান্টনমেন্ট, মিরপুর ও মোহাম্মদপুরের খণ্ডিত অবাঙালি অধ্যুষিত কয়েকটি এলাকা ছাড়া সর্বত্র থেকে পাকিস্তানের শেষ চিহ্নটি অবলুপ্ত করে দেয়। লাহোর প্রস্তাব দিবসটি স্বাধীন বাংলার পতাকা দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করল সগৌরবে। ২৩ মার্চ পতাকা উত্তোলনের মধ্যে একটি নির্দেশনা সুস্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় তা হলো, পাকিস্তান দিবসের কফিনে শেষ পেরেকটি মেরে দেওয়া হয়।

মৃদুমেঘমূর্ছনায় ব্যান্ড বাজছিল। আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি- এই গানের সুললিত সুর পল্টনে উপস্থিত সব মানুষের চিত্তকে উদ্বেলিত করছিল। সত্যিকারের স্বাধীনতা প্রাপ্তির আস্বাদন পাচ্ছিল বাংলার দুর্জয় ও অকুতোভয় জনতা। অনেকগুলো ব্রিগেড সাজানো হয়েছিল একের পর এক। আমরা ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের নেতৃচতুষ্টয় মঞ্চে দাঁড়িয়ে ছিলাম। একটা ব্রিগেড অভিবাদন জানিয়ে মঞ্চ অতিক্রম করে পাশে অবস্থান নিচ্ছে। আরেকটি ব্রিগেড মঞ্চের দিকে মাথা বাঁকিয়ে অভিবাদন দিয়ে প্যারেড করে এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের দৃপ্ত পদভারে মনে হচ্ছিল তারা যেন দীর্ঘদিনের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সিংহশার্দুল বাহিনীর জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। এটি সম্ভব হয়েছিল প্রত্যয় ও প্রতীতি থেকে উৎসারিত স্বাধীনতার শাশ্বত আকাঙ্ক্ষা থেকে। শেষ ব্রিগেডটি অভিবাদন জানানোর পর আমরা মঞ্চ থেকে নেমে এসে পল্টনের গেটে হাত ধরাধরি করে দাঁড়িয়ে গেলাম। সেখান থেকে ব্যান্ড বাজিয়ে বিউগলে জাতীয় সংগীতের সুর তুলে মিছিল করে দৃপ্ত পদভারে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের দিকে এগিয়ে চললাম।

দুই দিকে অযুত মানুষের ঢল। কণ্ঠে 'জয় বাংলা' স্লোগান। বক্ষে স্বাধীনতার প্রতীতি। প্যারেডের পেছনে এসে মিছিলের অবয়বে তারা সবাই অংশ নিতে লাগলেন। ধানমন্ডির দিকে আমরা যতই এগোচ্ছি মিছিলের কলেবর বৃদ্ধি হচ্ছে ততই। বজ্র নির্ঘোষে বার বার উচ্চারিত হচ্ছে 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু'। 'এ পতাকার শেষ কথা, বাংলা মায়ের স্বাধীনতা।' শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, পৃথিবীর সব সংগ্রামী জাতির মধ্যে এটি এক অনন্য সাধারণ ও অবিস্মরণীয় মার্চপাস্ট এবং তার সঙ্গে লাখো মানুষের পদচারণা। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশেই পুরো কর্মসূচিটি আবর্তিত ছিল। বঙ্গবন্ধু ৩২ নম্বরে প্রস্তুত ছিলেন পতাকা মিছিলটি সাদরে বরণ করার উদ্দীপ্ত আকাঙ্ক্ষায়। আমরা যখন ৩২ নম্বরের গেটে উপস্থিত হলাম, তখন মিছিলের শেষ প্রান্তটি কোথায় ছিল, সেটি আমরা বর্ণনা করতে পারব না। বঙ্গবন্ধু নেমে এলেন। পূর্ব সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমি ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে গৌরবদীপ্ত হৃদয়ে তার হাতে পতাকাটি অর্পণ করলাম। স্বতঃস্ফূর্তভাবে বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠে স্লোগান উঠল 'জয় বাংলা'। সেটাই প্রতিধ্বনিত হলো লাখো কণ্ঠে। ইথারের মধ্যে ছড়িয়ে গেল সেই আওয়াজ। জনসমুদ্রের ঊর্মিমালার মতো ঢেউ খেতে খেতে ৩২ নম্বরের সামনে থেকে মিছিলের শেষ পর্যন্ত পেঁৗছে গেল। সে দৃষ্টান্ত ঐতিহাসিক, অনন্য সাধারণ। এ পতাকা দিবসটি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত, ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ দ্বারা পরিচালিত এবং অযুত কণ্ঠের উচ্চারিত স্লোগানে মুখরিত। তখনো যদি কারও মনে বিন্দুমাত্র দুরাশা থাকত যে পাকিস্তান টিকলেও টিকে যেতে পারে সেই দুরাশা চিরকালের জন্য বিলীন হয়ে গেল। মৃত পাকিস্তানে স্বাধীনতার প্রদীপ্ত সূর্যরশ্মির অগি্নকণায় দগ্ধ হয়ে নিঃশেষিত হলো ২৩ বছরের শোষণ আর ষড়যন্ত্রের নীলনকশা।

নতুন প্রজন্মের কাছে আজ এই সত্যটি প্রতিষ্ঠিত হোক, সেদিন আমাদের কাছে যে রাইফেল ছিল তার অধিকাংশই ছিল ডামি। কিন্তু সেই উদ্ধত ডামি রাইফেলই পাকিস্তানকে জানিয়ে দিল ৭ মার্চে প্রদত্ত বঙ্গবন্ধুর ভাষণের প্রতিধ্বনি করে- 'আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি, তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করো।' আমরা প্রতিটি মুহূর্তে এই অমোঘ সত্যটি প্রতিষ্ঠিত করার জন্যই তিল তিল করে মানুষের মননশীলতাকে শাণিত করেছি। হয়তো অনেক রক্ত দান করতে হয়েছে, হয়তো অনেক বোনকে সতীত্ব হারানোর যন্ত্রণায় ডুকরে কাঁদতে হয়েছে, হয়তো অনেক তরুণের বুক নিসৃত তাজা তপ্ত রক্ত আর মায়ের চোখ নিসৃত নোনা অশ্রুতে বাংলার মাটির প্রত্যন্ত অঞ্চল সিক্ত হয়েছে, কিন্তু স্বাধীনতাকে আমরা ছিনিয়ে আনতে পেরেছি। এই প্রতীতি ও প্রত্যয় তৈরির জন্য আমরা একেকটি আন্দোলনের সোপান তৈরি করেছি। বাংলার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতীতির সঙ্গে সব মানুষের চেতনার একটা রাখি বন্ধন অতি সুদৃঢ়ভাবে বাঁধতে পেরেছিলাম বলেই ষড়যন্ত্র, অর্থ ও অস্ত্র শেষ পর্যন্ত পরাজয় বরণ করতে বাধ্য হয়েছে। বঙ্গবন্ধু আমাদের চেতনার প্রতীক, ছাত্রলীগ ও স্বাধীন বাংলা ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের রূপকার। ইতিহাসের এই অমোঘ সত্যটি যতই দিন যাবে ততই গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে সর্বাংশে।

ঐতিহাসিক বাস্তবতার আঙ্গিকে উপসংহারে প্রাসঙ্গিক কারণেই তরুণ প্রজন্মকে জানাতে চাই, ছয় দফার মধ্য দিয়ে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকারের আন্দোলনের অন্তর্নিহিত মূল সত্তাটি ছিল স্বাধীনতা। অনেক নির্যাতন, নিগ্রহ, কারাভোগ এমনকি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার মতো ভয়াবহ প্রতিবন্ধকতা উত্তরণ করে প্রত্যয়দীপ্ত বাংলার জাগ্রত জনতা, তার অগ্রভাগে ছাত্রসমাজ এবং বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর চেতনার উত্তরসূরি ছাত্রলীগ প্রজ্বলিত মশাল জ্বেলে '৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নিশ্চিত মৃত্যুদণ্ডের হাত থেকে বঙ্গবন্ধুকে সসম্মানে ও সগর্বে উদ্ধার করেছিল। এটি জাতীয় রাজনীতিতে শুধু একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়ই নয়, একটি শাণিত চেতনার সৃষ্টি এবং রাজনীতিতে একটি নতুন মোড় এনে দিয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর মুক্তি ছাড়াও ১১ দফা আন্দোলনে বিজয়ের আরও একটি গৌরবোজ্জ্বল অংশ ছিল '৭০ সালে পাকিস্তানের অনুষ্ঠেয় নির্বাচন সংখ্যাসাম্যের ভিত্তিতে নয় বরং জনসংখ্যার ভিত্তিতেই অনুষ্ঠানে বাধ্য করা। জনাব আবদুর রউফ, খালেদ মোহাম্মদ আলী, তোফায়েল আহমেদসহ ১১ দফা আন্দোলনের অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বের সমভিব্যাহারে এই বিজয়ের সিংহদ্বারটি উন্মুক্ত হয়েছিল। সেটাই পরবর্তীকালে '৭০-এর নির্বাচনে স্বাধিকারের অন্তরালে স্বাধীনতার পথে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের পক্ষে সুস্পষ্ট ম্যান্ডেট এনে দেয়। এখানে নতুন প্রজন্মকে অত্যন্ত প্রত্যয় দৃঢ়চিত্তে আমি অবহিত করতে চাই যে, আমি '৬৯-এর গণ-আন্দোলনের পর কারাগার থেকে বেরিয়ে এসে সুস্পষ্টভাবে লক্ষ্য করি ছাত্রলীগের প্রবহমান রাজনীতিতে দুটি স্রোতধারার উপস্থিতি। প্রথমত, একটি ধারা নির্বাচনকে বর্জন করে নির্বাচনের আগেই সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের বৈপ্লবিক চিন্তাধারায় উদ্বুদ্ধ ও উচকিত। তাদের সব চেতনার আঙ্গিকজুড়ে ছিল সশস্ত্র বিপ্লবের প্রতীতি ও প্রত্যয়। তাদের বিশ্বাস ছিল, শক্তির উৎস হলো বন্দুকের নল। দ্বিতীয়ত, আরেকটি ধারায় ছিলাম আমরা। '৭০-এর নির্বাচনকে স্বাধীনতার সপক্ষে গণ-ম্যান্ডেট এবং বঙ্গবন্ধুকে একক ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতৃত্বের আসনে অধিষ্ঠিত করার নিষ্কণ্টক অধিকার অর্জনেই আমরা সচেষ্ট ও সংগ্রামরত ছিলাম। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, সেই গণ-ম্যান্ডেটটি পাওয়ার পরই স্বাধিকারের মোড়কে স্বাধীনতার দাবি বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছিলাম। আমাদের প্রতিই ছিল বঙ্গবন্ধুর নিরঙ্কুশ সমর্থন। যদিও তিনি সুকৌশলে দুটি ধারাকেই অনুপ্রাণিত করতেন। তাই পথ ও কৌশলের মতভেদ সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের প্রতি এবং স্বাধীনতার প্রদীপ্ত সূর্যকে ছিনিয়ে আনার প্রত্যয়ে আমাদের কোনো মতভেদ ছিল না। '৭০-এর নির্বাচনের অভূতপূর্ব ও অবিস্মরণীয় গণরায়টি ছাত্রলীগের বৈপ্লবিক মতাবলম্বীদের মধ্যে একটি মারাত্দক প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। বঙ্গবন্ধুর প্রতি উভয় ধারার আনুগত্যের কোনো ঘাটতি ছিল না। তবে নির্বাচনের পর বঙ্গবন্ধুর প্রতি ছাত্রলীগের বৈপ্লবিক অংশটির আস্থা আরও গভীরতর হয়।

যেহেতু আমরা নির্বাচনটিকে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতার প্রদীপ্ত সূর্য ছিনিয়ে আনার ম্যান্ডেট হিসেবে গ্রহণ করেছিলাম সেহেতু তার সঙ্গে গভীর সংযোগ ও তারই নির্দেশনায় আমাদের কর্মসূচিগুলো রচিত ও পরিচালিত হতো। ম্যান্ডেটের পর বঙ্গবন্ধুর সুনিপুণ দিকনির্দেশনায় স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের প্রতিটি কর্মসূচিই ছিল স্বাধীনতার প্রত্যয়ে জনগণকে প্রদীপ্ত করার মহান প্রয়াস।

লেখক : স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদ নেতা

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়