শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০১৪

কংগ্রেসের নিয়তিতে ১০ বছর পর পর নামে অন্ধকার

পীর হাবিবুর রহমান, নয়াদিল্লি থেকে ফিরে
অনলাইন ভার্সন
কংগ্রেসের নিয়তিতে ১০ বছর পর পর নামে অন্ধকার

দিল্লির মসনদ দখলের ভোটযুদ্ধে প্রতি ১০ বছর পর পর উপমহাদেশের প্রাচীন রাজনৈতিক দল এবং ধর্মনিরপেক্ষ উদার গণতান্ত্রিক ভারতের নীতির পথে অবিচল কংগ্রেসের জন্য নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। করুণ পরাজয় ১০ বছর পর পর কংগ্রেসের নিয়তিতে যেন লেখা হয়ে গেছে। এবারও টানা ১০ বছরের শাসনের পর লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস নিয়তির সেই অমোঘ বিধান ভোটযুদ্ধের করুণ পরাজয় দেখতে যাচ্ছে। জনমত জরিপ, ভারতজুড়ে মাতামাতি, পর্যবেক্ষক মহলের মতামত এবং সাধারণ মানুষের আলোচনায় কংগ্রেসের পরাজয় ভোটের আগেই নির্ধারণ হয়ে গেছে। দিল্লি সফরকালে সাধারণ ট্যাঙ্চিালক থেকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সঙ্গে আলাপকালে এই আভাস পাওয়া গেছে। যদিও কংগ্রেস সভানেত্রী ও মনমোহন সরকারের নেপথ্য শক্তি সোনিয়া গান্ধী সভা-সমাবেশে বলছেন, বিগত লোকসভা নির্বাচনে যেভাবে জনমত জরিপ ভুল প্রমাণ করে ভারতবাসীর রায় কংগ্রেস পেয়েছিল এবারের লোকসভা নির্বাচনে তারই পুনরাবৃত্তি ঘটতে যাচ্ছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ভোটের ময়দানে সোনিয়া গান্ধী কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের চাঙ্গা রাখতেই এমনটি বলছেন। অব দ্য রেকর্ডে নানা জায়গায় কংগ্রেস নেতাদের অনেকেই স্বীকার করছেন, জনমত এবার তাদের অনুকূলে নয়। তারা বিরোধী দলে বসবেন কিন্তু যদি নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসে তাহলে ভারতবাসীর কপালে কী লেখা হবে তা জনগণই হিসাব করবে। যদিও প্রকাশ্যে কংগ্রেস নেতারা বলছেন, আমরা সব আসনেই শক্তিশালী প্রার্থী দিচ্ছি এবং ১০ বছরের শাসনামলের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে ভোট চাইছি। পর্যবেক্ষকদের ভাষায় শরীরে অসুখ বাঁধা কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী পরিবারের চতুর্থ পুরুষ রাহুল গান্ধীকেই সভা-সমাবেশে সামনে এগিয়ে দিচ্ছেন। নিজে পিছু হটে রাহুলকে এই হিসাব থেকেই এগিয়ে দিচ্ছেন। এবারের লোকসভা নির্বাচনী ফলাফলে তার ছেলে বিরোধী দলের নেতা হলেও ভবিষ্যতে গণরায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আসনে অভিষিক্ত হবেন।

পর্যবেক্ষকদের মতে, পণ্ডিত, সৎ ড. মনমোহন সিং ১০ বছরের শাসনামলে দক্ষ প্রশাসক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। অনেকের প্রশ্ন রয়েছে, মনমোহন প্রধানমন্ত্রী হলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তার ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা নিয়ে। কেউ কেউ বলছেন, মনমোহন যা বিশ্বাস করেন না, তেমন সিদ্ধান্তও তাকে নিতে হয়েছে। ক্ষমতার নেপথ্যে সমালোচকদের ভাষায় মূলত সোনিয়াই ছিলেন। কংগ্রেস জোট সরকার যেমন অনেক শরিককে সঙ্গে ধরে রাখতে পারেনি তেমনি শক্তিশালী নেতৃত্ব দিয়ে দুর্নীতির লাগাম টানতে পারেনি। বিশেষ করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতি কংগ্রেসের জনপ্রিয়তা তলানিতে নিয়ে গেছে। আন্না হাজারি থেকে দিলি্লর পদত্যাগী মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালসহ সবাই কংগ্রেস সরকারকে দুর্নীতির অভিযোগে জনতার কাঠগড়ায় নিন্দিত করেছে। আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরানো দূরে থাক কাজের বিনিময়ে খাদ্যসহ নানা সামাজিক প্রকল্প রাজকোষ খালি করে দিলেও মানুষকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। অলিম্পিক গেমস, টুজি ও কয়লা প্রকল্পে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির গল্প ভারতের ১২০ কোটি মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ঢেউ খেলে গেছে। এই ঢেউ কংগ্রেসকে গণঅসন্তোষে ফেলেছে। রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা দূরে থাক, পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো নেতৃত্বই দেখাতে পারেনি কংগ্রেস। এমনকি এই লোকসভা নির্বাচনে চিদাম্বরমের মতো সিনিয়র নেতা ও মন্ত্রী এবারের লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী না হয়ে নিজের ছেলেকে ভোটযুদ্ধে ঠেলে দিয়েছেন। কংগ্রেসের ক্রাইসিস ম্যানেজারখ্যাত ও রাজনীতির মাস্টারমাইন্ড বলে পরিচিত প্রবীণ রাজনীতিবিদ প্রণব মুখার্জিকে রাষ্ট্রপতি ভবনে পাঠিয়ে কংগ্রেস তুরুপের শেষ তাসটিও হারিয়ে ফেলেছেন। দেশের মানুষ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ওপর প্রণব মুখার্জির গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাবের মাত্রা যতটা ছিল আজকের কংগ্রেসের নেতৃত্বে তা ধারণ করার মতো নেতৃত্বই গান্ধী পরিবারের পাশে নেই। ভোটের লড়াইয়ে ঝড় তুলে আসা ২০০২ সালের রক্তাক্ত গুজরাট দাঙ্গার খলনায়ক বিজেপির নরেন্দ্র মোদি পার্টির সিনিয়র নেতাদের কোণঠাসা করে, বিজেপিকে পর্যন্ত পেছনে ফেলে যেভাবে উঠে আসছেন তাতে অনেকেই বলছেন, লোকসভার ২০০ আসন লাভ করলেই তিনি প্রধানমন্ত্রী। সবাই মিলে যদি তাকে ১৬০-৭০ আসনে আটকে দিতে পারেন তাহলে নরেন্দ্র মোদি দিলি্লর মসনদের কাছে এসেও শেষ হোঁচটটি খেয়ে ফেলবেন। সেখানে কংগ্রেসসহ নানা দল মিলে আঞ্চলিক দলগুলোর ওপর নির্ভর করে একটি দুর্বল সরকার গঠনের পথ নেবে। নির্বাচনের আগে কেউ বলতে পারছেন না সেটি সম্ভব কিনা। ভোটের হাওয়া এবং জনমত জরিপে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসছেন এমনটি যেন সবাই প্রায় মেনেই নিচ্ছেন। যে পশ্চিমারা নরেন্দ্র মোদিকে দাঙ্গাবাজ বলে নিন্দা করতেন তারাও সুর বদলাচ্ছেন। ভারতের পথে পথে, টিভি চ্যানেল ও রেডিওতে নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিজ্ঞাপন তুঙ্গে। কংগ্রেসের বিজ্ঞাপন থাকলেও মোদির বিজ্ঞাপনের কাছে তা একেবারেই ম্রিয়মাণ। লোকসভার ৫৪৩টি আসনের ২০০টিতেই বিজেপি শক্তিশালী প্রার্থী দিতে পারছে না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি হিন্দি বলয়কে টার্গেট করে এক নম্বরে ভারত স্লোগান নিয়ে জোর প্রচারণা চালাচ্ছেন। তার সভা-সমাবেশও এতটাই উজ্জ্বল যে, রাহুল গান্ধীর জনসভায় মানুষ টানতে পারছেন না। সরকার গঠনে ২৭২ আসনের দরকার। নরেন্দ্র মোদি ২০০ জয় করলেই আঞ্চলিক দলগুলো সরকার গঠনে ভাগ নিয়ে সমর্থন দিয়ে বসবে এমনটি সবার ধারণা। শোবিজ জগতের স্টারদেরও মোদি প্রাধান্য দিচ্ছেন প্রার্থী করার ক্ষেত্রে। অনেকের ধারণা পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনের অন্তত ৩৪টিতেই তৃণমূল কংগ্রেস বিজয়ী হবে। সেই ক্ষেত্রে মমতার সরকারে অংশগ্রহণ না হলেও সমর্থন দানে শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে থাকবেন না বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা। তিস্তার পানি বণ্টন ও সীমানা ইস্যুতে কংগ্রেস যতটা বাংলাদেশের উদার ও বন্ধুভাবাপন্ন ছিল সে ক্ষেত্রে নরেন্দ্র মোদির সরকার গঠন হলে শেষ আশার আলো বাংলাদেশের জন্য নিভে যাবে এমন আলোচনাও ঠাঁই পাচ্ছে অনেকের মধ্যে। মমতা গোপনে বাংলাদেশকে কংগ্রেস সরকার তিস্তার পানি দিচ্ছে এই অভিযোগে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি সমালোচনার তীরই ছুড়ছেন না তিস্তা চুক্তিতেও ভাগড়া দিয়েছেন। নরেন্দ্র মোদিকে সমর্থন দিলে এই ইস্যুতে তিনি দিলি্ল সরকারের মন পাবেন। এমনটি পর্যবেক্ষকদের ধারণা। কংগ্রেস মোদি ক্ষমতায় এলে আবার রক্তাক্ত দাঙ্গার আশঙ্কা তুলে ধরে ভোটারদের পক্ষে টানার শেষ চেষ্টা করছে। কিন্তু মোদি বলছেন, তিনি দাঙ্গার কথা বলছেন না, দাঙ্গার কথা বলছে কংগ্রেস। দাঙ্গার জুজুর ভয় দেখিয়ে কংগ্রেস ভোট নিতে চায়। কিন্তু তিনি চান ভারতের উন্নয়ন। শক্তিশালী ভারত ও দুর্নীতির অবসান। দুর্নীতির বিরুদ্ধে দিলি্লতে ঝড় তুলেছেন কেজরিওয়াল। কংগ্রেস তাকে রুখতে পারেনি। বিধানসভায় রাজনীতিতে নবীন আম আদমি পার্টির কেজরিওয়াল ২৮টি আসন নিয়ে যাবেন ফলাফলের আগে কেউ ভাবতে পারেননি। দিলি্লর ৭টি আসনের মধ্যে ৪-৫টি আসন নিয়ে সরকার গঠনে ভূমিকা রাখবেন কেজরিওয়াল। সুশীল সমাজ আমল না দিলেও দিলি্লর পথে পথে সাধারণ দরিদ্র মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে কেজরিওয়াল, কেজরিওয়াল। তাদের ভাষ্য, কেজরিওয়াল সৎ তার সঙ্গে দুর্নীতিবাজ নেতৃত্ব নেই। কংগ্রেসের ১০ বছরে ধনী-গরিবের ব্যবধান বেড়েছে অনেক। তাদের দুর্নীতিতে কংগ্রেস নেতা সুরেশকানমাদী জেলে গেছেন। ভারতের রেলের কালোবিড়াল প্রবণবনশাল দুর্নীতির কারণে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন।

রাজনৈতিক আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল কংগ্রেস ও গান্ধী পরিবার একসুতায় বাঁধা। ভারতকে এগিয়ে নিতে কংগ্রেস ও গান্ধী পরিবারের ভূমিকা উজ্জ্বল। কিন্তু প্রতি ১০ বছর পর পরই নিয়তির অমোঘ বিধানে কংগ্রেসকে ভোটযুদ্ধে ভরাডুবি দেখতে হয়। আর কংগ্রেসবিরোধী প্লাটফর্মে পরিবর্তনের দায়িত্ব নিয়ে বারবার বিভিন্ন নেতার আবির্ভাব ঘটে। এবারও তাই ঘটতে যাচ্ছে। এবার কংগ্রেসবিরোধী মঞ্চ দখল করে নিয়েছেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ও সেখানকার ব্যাপক উন্নয়নের রূপকার নরেন্দ্র মোদি। দিলি্লতে সমাজকর্মী আন্না হাজারে আর কেজরিওয়ালরা। নরেন্দ্র মোদি স্বপ্ন দেখাচ্ছেন, আর দুর্নীতি অন্যায় নয়, উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান। তরুণরাও তার দিকে ঝুঁকছেন। উত্তর প্রদেশে ৮০টি আসন, বিহারে ৪০টি আসন। এগুলো মোদি দখল করতে চান। উত্তর প্রদেশে বিজেপির বর্তমান রয়েছে ১০টির মতো আসন। সেটিকে ৫০-এ নিয়ে যেতে চান। ভোটের আগে কংগ্রেসবিরোধী স্বপ্নের সওদাগর মোদি কতটা পাবেন আগে কেউ বলতে পারছেন না। জরিপ বলছে, ২০০ ছাড়িয়ে যাবেন। '৬২ সালে চীন ভারত আক্রমণ করেছিল। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে না পেরে '৬৪ সালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন। '৬৭ সালে ইন্দিরার নেতৃত্বে কংগ্রেস ক্ষমতায় এলেও '৭৭ সালের নির্বাচনে করুণ ভরাডুবি ঘটেছিল। কংগ্রেস ছেড়ে যাওয়া মুরারজি দেশাই কংগ্রেসবিরোধী মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। ইন্দিরার দৃঢ় নেতৃত্ব ও বিচক্ষণতার কারণে রাজনীতির দাবা খেলায় জিতে দ্রুত ক্ষমতায় এলেও তার মৃত্যুর পর ছেলে রাজীব গান্ধী এসেছিলেন মিস্টার ক্লিনম্যান ইমেজ নিয়ে। বোফোর্স ক্যালেঙ্কারির পর '৮৯ সালে সেই কংগ্রেসবিরোধী প্লাটফরম থেকে এসেছিলেন ভিপি সিং। ১০ বছর আগে সোনিয়ার ক্যারিশমায় ক্ষমতায় আসা কংগ্রেসের ফের ভরাডুবি হতে যাচ্ছে এই নির্বাচনে। এবারও ভারতে কংগ্রেসবিরোধী প্লাটফর্মের প্রধানমন্ত্রী আসছেন।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়