শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৭ জুন, ২০১৪

রাজনীতির কথাকথি

মাহমুদুর রহমান মান্না
অনলাইন ভার্সন
রাজনীতির কথাকথি

এ যাত্রায় আক্রমণটা শুরু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই। দলের নেতাদের তিনি খুব একটা বিশ্বাস করেন না। বিশেষ করে ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টে তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর দল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কার্যত কোনো প্রতিরোধ বা প্রতিবাদও হয়নি, সে জন্য দলের প্রতি তৎকালীন দলের নেতাদের প্রতি প্রচণ্ড ক্ষোভ ছিল তার। '৮১ সালে দেশে ফিরে দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তার মধ্যে এই বিশ্বাস দৃঢ় হতে থাকে যে, দলের নেতারা '৭৫-এর পরে ক্ষমতার সঙ্গে এক ধরনের আপস করে টিকে ছিলেন। পিতৃ হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার যে আগুন তার বুকে ধিকে ধিকে জ্বলছিল তার এতটুকু আভা তিনি কারও মধ্যে দেখতে পাননি। অতএব নিজের এই অনুভূতির কথা ক্ষোভের কথা তিনি একাই বলতে শুরু করেন। ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল কাদের সিদ্দিকী; কিন্তু তার সঙ্গেও তার শেষ পর্যন্ত হয়নি। কেন, সেই আলোচনা করছি না। কাদের সিদ্দিকী শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ছেড়ে দিয়ে নতুন দল করেছেন। তাকে শেখ হাসিনা বজ্র বলে ডাকতেন। কিন্তু রাজনীতি এমন নিষ্ঠুর বাস্তবতা যে, সেই বজ্র অাঁটুনি ছেড়ে শেখ হাসিনাকে ফসকা গেরোদের নিয়ে রাজনীতি করতে হচ্ছে। তার কথা তিনি বলছেন, অন্যদের তোয়াক্কা করছেন না। ফলে আবেগ জেদে পরিণত হয়েছে। তথ্য ও যুক্তি পালিয়ে গেছে।

২৭ এপ্রিল দুপুরবেলা নারায়ণগঞ্জের প্যানেল মেয়র নজরুল এবং আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজন অপহরণের ১০ মিনিটের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-৪ এর সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমান তাকে ফোন করে জানান। শামীম ওসমান এবং প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে কী কথা হয়েছিল তা আমরা আজো জানতে পারিনি। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে কী ব্যবস্থা নিয়েছিলেন তাও জানি না। কিন্তু ৩০ এপ্রিল যখন শীতলক্ষ্যার বুকচিরে মানবতার ধর্ষণচিত্র দেখিয়ে সাতটি লাশ ভেসে উঠল তখন মানুষের কষ্টের সীমা রইল না। এ কথা ঠিক, এক সময়ের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এ ব্যাপারে সরকারকে দায়ী করে প্রথমে বক্তব্য রেখেছিলেন। কিন্তু এটাকে আমি দোষারোপের সংস্কৃতি বলব না। সাত সাতটা জলজ্যান্ত মানুষ দুপুরের খররোদ্রালোকের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে গেলেন সেটা দেখার দায়িত্ব কার? নিশ্চয়ই প্রশাসনের, পুলিশের, র‌্যাবের এবং সর্বোপরি সরকারের। সরকারের সে দায় তো নিতে হবেই। ইতিমধ্যে দেশের মানুষ জেনেছে, নারায়ণগঞ্জের মানুষ তো আগে থেকেই জানত যে এটা বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের নারায়ণগঞ্জ চ্যাপ্টারের রাজনীতির দুর্বৃত্তায়ন, ক্ষমতার লিপ্সা এবং অর্থলোভের পরিণতি। যে কেউ এ ঘটনার দায় সরকার কিংবা সরকার দলের ওপর চাপাতেই পারেন। কিন্তু বিস্ময়করভাবে প্রধানমন্ত্রী ১ মে গাজীপুরের জনসভায় এ ঘটনার জন্য প্রকারান্তরে বিএনপিকে দায়ী করলেন। এটা নিশ্চয়ই দোষারোপের রাজনীতি এবং প্রধানমন্ত্রী এটা শুরু করেছিলেন এবং ফেনীর ফুলগাজীতেও আমরা প্রধানমন্ত্রীর সেই একই কণ্ঠ শুনতে পাই।

বেগম জিয়া যে রাজনীতিতে দোষারোপের সংস্কৃতি চর্চা করেন না, তা আমি বলছি না। গত টার্মে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার প্রথমদিকে বেগম জিয়া সিরাজগঞ্জে গিয়েছিলেন এক জনসভায় বক্তৃতা করতে। যমুনার ওই পাড়ে রেলস্টেশনের পাশে এক বড় মাঠে ছিল তার জনসভা। প্রচুর জনসমাগম হয়েছিল। রেললাইন ছাপিয়ে উঠেছিল সেই জনতা এবং রেললাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সেই মানুষগুলোর ওপর দিয়ে চলে গিয়েছিল একটি ট্রেন। ট্রেনের নিচে পিষ্ট হয়ে কাটা পড়ে মারা গিয়েছিল ৬-৭ জন মানুষ। বিক্ষুব্ধ জনতা আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল স্টেশনে, তার আশপাশ এলাকার যানবাহনে। হৃদয়বিদারক এ ঘটনা নিয়ে পত্রিকায় অনেক লেখালেখি হয়েছিল। দুর্ঘটনাটি এড়ানো যেত না? এতগুলো মানুষ ট্রেনলাইনে ড্রাইভার দেখতে পায়নি? সে থামাতে পারত না ট্রেনটা? এসব প্রশ্ন উঠেছিল আর বেগম জিয়া অভিযোগ করেছিলেন এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। সরকারের পরিকল্পনামাফিক জনসভার ওপর ট্রেন চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা ছিল এক ধরনের দোষারোপের সংস্কৃতি। কারণ অভিযোগটি অনেক বড়। বেগম জিয়ার অভিযোগ যদি সত্যি হয় তাহলে শেখ হাসিনাকে একটি রাক্ষুসি ডাইনি বলতে হবে। মনে মনে থাকলেও প্রমাণ ছাড়াই দায়িত্বশীল লোকদের এত বড় অভিযোগ করা উচিত নয়। আমার যতদূর মনে পড়ে ট্রেনের সেই ড্রাইভার, সহকারী ড্রাইভারদের এবং লোকোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে কথা বলেছিলেন সাংবাদিকরা। যেখানে জনসভা হচ্ছিল তার একটু আগেই ট্রেনলাইন একটি বাঁক নিয়েছে। ওই বাঁক নেওয়ার আগে ট্রেনের ড্রাইভারের সামনের জনসভা দৃষ্টিগোচর হয় না। যখন তিনি দেখতে পান তখন চাইলেও এত কম দূরত্বে ট্রেন থামানো তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। কোনটা সত্য সে কথা বলতে পারব না। মজার বিষয় হলো, বিদেশ সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই দিন পরে দেশে ফিরে এ ঘটনার জন্য সরাসরি খালেদা জিয়াকে দায়ী করে বলেন_ বিরোধী নেত্রী আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য লাশ চেয়েছিলেন সে জন্য তিনি ওই স্থানে জনসভা করে এ দুর্ঘটনার নীলনকশা তৈরি করেছিলেন। হায় আল্লাহ কার কাছে যাব! পাঠকবৃন্দ ভাবতে পারেন এত বড় হৃদয়বিদারক ঘটনায় দেশের দুই মূল নেত্রীর কী হৃদয়হীন অবিবেচক আচরণ ও উচ্চারণ? নিশ্চয়ই এটি মর্মান্তিক ঘটনা। এ ঘটনার একটি নিরপেক্ষ তদন্ত হতে পারত। বিশেষজ্ঞ একটি টিম গঠন করে নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করতে পারলে বাস্তব সত্য বেরিয়ে আসত। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় ছিলেন তিনি তা করেননি। বিরোধী নেতা খালেদা জিয়াও কোনো তদন্তের জোর দাবি জানাননি। তারা কেবল পরস্পরের বিরুদ্ধে দোষারোপ করেই তাদের দায়িত্ব শেষ করেছেন।

এসব নিয়েই কথা হচ্ছিল ৪ তারিখ রাতে '৭১ সংলাপে। আমি যতখানি বিস্তারিত বললাম সেভাবে কথা আসেনি। কিন্তু আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল প্রধানত রাজনীতিতে দোষারোপের সংস্কৃতি। আমার আজকের লেখার প্রতিপাদ্য আরেকটু সম্প্রসারিত করে বলছি, রাজনীতির কথাকথি। আমার ছোট বোন যার বিয়ে হয়েছে ফরিদপুরে তার কাছ থেকে আমি এ শব্দটি শিখেছি। কথাকথি মানে অপ্রয়োজনীয় কথা বলা, কথার পৃষ্ঠে কথা বলা, উদ্দেশ্য নিয়ে কথা বলা। ব্যাপারটা নতুন কিছু নয়। আমাদের দেশীয়ও নয়। পৃথিবীর দেশে দেশে রাজনীতিতে এ রকম হয়। এই যে ভারতে নির্বাচন হয়ে গেল সেখানেও তো আমরা কত কথাকথি দেখলাম। কিন্তু আমাদের দেশে যা হয় বিশেষ করে বর্তমানে যা হচ্ছে সেগুলো সীমা ছাড়া, যুক্তিহীন এবং আমি বলব যারা যখন ক্ষমতায় থাকেন তারাই তখন এই সংস্কৃতির চর্চা করেন।

জাপান থেকে ফিরে এসে প্রধানমন্ত্রী আবারও এই সংস্কৃতির চর্চা করতে শুরু করেছেন। জাপান সফরকে অতিমাত্রায় সফল দেখানোর চেষ্টা করেছেন, যদিও মিজানুর রহমান খান তার লেখায় লিখেছেন ব্যাপারটা সেরকম নয়। মুক্তিযুদ্ধের সম্মাননা ক্রেস্টে সোনা নেই, সেটা নিয়ে এমন একটি যুক্তি দিয়েছেন যাতে সোনা চোররা আশকারা পেয়ে যায়, আর আবারও প্রচণ্ড ক্ষোভ ঝেড়েছেন বিচারব্যবস্থার ওপর। একটা পর্যায়ে এমন হয়েছে যে তিনি বুঝেছেন এটা আদালত অবমাননার শামিল হচ্ছে, সেটাও তিনি সংবরণ করতে পারেননি। বলেছেন অবমাননা হলে হোক। আই ডোন্ট কেয়ার।

আমাকে অনেকেই বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ধৈর্যহারা হয়েছেন বলে মনে হচ্ছে না। কেন? তার সামনে তো এখন অত বড় কোনো চ্যালেঞ্জ নেই। যেভাবেই হোক ৫ জানুয়ারি পার করেছেন এবং আবারও বাংলার মসনদে আরোহণ করেছেন। তাহলে এমন কেন?

মনে মনে ভেবেছি ৫ জানুয়ারি পার করেছেন, ক্ষমতায় আবার বসেছেন, বিরোধী দল বিএনপি-জামায়াত মিলেও কিছু করতে পারেনি। একটা ড্যামকেয়ার ভাব তো হবেই। সে জন্যই দম্ভ করে বলেন, মুন কেরির ফোনকে পাত্তা দেইনি। এটা হলো মুদ্রার একপিট। আরেকটি পিট হলো তার লোকেরা অন্যদের মারধর করার পর নিজেদের মধ্যে খুনোখুনি শুরু করেছেন। র‌্যাবকে সঙ্গে নিয়ে মানুষ মেরে পেট কেটে ইজ্জতের দড়ি দিয়ে ইট বেঁধে নদীতে ডুবিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু কথায় বলে 'ধর্মের কল বাতাসে নড়ে'। নদীর তলদেশে যাদের থাকার কথা সেই মানুষগুলো তাদের অত্যাচারের সাক্ষী হয়ে পানিতে ভেসে উঠেছে। এই পাপ চাপা দেওয়ার কোনো উপায় থাকেনি। অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিকদের বোঝাবার চেষ্টা করেছেন এই হত্যাকাণ্ডে র‌্যাবের কোনো সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ তদন্তে পাওয়া যায়নি। অথচ সে দিনই র‌্যাবের কর্মকর্তা এক মেজর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে সব কিছু স্বীকার করে নিয়েছেন। সরকার এখন এখান থেকে বেরোবার পথ তো খুঁজবেই।

প্রয়াত নাসিম ওসমানের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি এই পরিবারের দায়িত্ব নিচ্ছেন। এই পরিবারের দেখাশোনা করবেন। চমকপ্রদ নয় বক্তৃতাটি? খান সাহেব ওসমান আলী থেকে শুরু করে শামসুজ্জোহা পর্যন্ত এই পরিবারের অবদান কম-বেশি সবাই স্বীকার করবেন। আমি আগেও বলেছি, এখন যিনি আছেন সংসদ সদস্য শামীম ওসমান তিনি ছিলেন এই পরিবারের বর্তমান প্রজন্মের এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। কিন্তু বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের মানুষ এই পরিবার সম্পর্কে কী ভাবে?

গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সময় সেটা বোঝা যায়নি? আগামী ২৬ জুন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে যে উপনির্বাচন হবে সেখানেও এটা দেখা যাবে। প্রধানমন্ত্রী তার জোহা কাকার প্রতি যে কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন আমি তার কদর করি। এই পরিবারের দেখাশোনা যে তিনি করতে চান তাও আমার ভালো লেগেছে কিন্তু তিনি নিশ্চয়ই জানেন এই পরিবারের বর্তমান সামাজিক অবস্থা। প্রধানমন্ত্রী যদি এই হারানো সম্মান ও শ্রদ্ধা ফিরিয়ে আনতে চান তাহলে সেই কাজ করুন। এদের তো টাকা-পয়সা দিয়ে সাহায্য করার দরকার নেই। শামীম ওসমান তো প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার আগে সংসদে প্রদত্ত তার বক্তৃতায় বলেছেন, তার পরিচয় বাংলাদেশের কয়েকটি ধনী পরিবারের একটি। টাকা-পয়সার দরকার হতে পারে নিহত ওই সাতজনের কোনো কোনো পরিবারের। প্রধানমন্ত্রী সেরকম আশ্বাস দেননি। সেটা অবশ্য তার অভিরুচি। তার সিদ্ধান্ত। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি তার জোহা কাকার পরিবারকে দেখাশোনা করুন নিশ্চয়ই সেটা হবে আদর্শিক ও নৈতিক। তার বক্তব্য রাজনৈতিক, দলীয় ও নির্বাচনকেন্দ্রিক হবে না বলেই আমরা প্রত্যাশা করি। এটা কোনোক্রমেই ওসমান পরিবারের জন্য নির্বাচন প্রাক্কালে ক্ষমতার বলয় তৈরি করবে না। ওসমান পরিবার তার হারানো সম্মানের জায়গায় ফিরে আসুক, যে কোনো ভালো মানুষই তা কামনা করবে।

লেখক : রাজনীতিক, আহ্বায়ক নাগরিক ঐক্য।

ই-মেইল : [email protected]

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়