শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৬ জুন, ২০১৪

মাটির নিচে গুদাম, বৈধ অস্ত্রের অবৈধ যাত্রা

মেজর জেনারেল মো. আব্দুর রশীদ (অব.)
অনলাইন ভার্সন
মাটির নিচে গুদাম, বৈধ অস্ত্রের অবৈধ যাত্রা

হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের বনের টিলায় মাটির গভীর নিচ থেকে বের হচ্ছে আধুনিক মারণাস্ত্র। মেশিনগান, রকেট লঞ্চার, রকেট, গোলাবারুদ, বেতার যন্ত্রগুলো সাধারণত বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনীর হাতে দেখা যায় যুদ্ধের মাঠে ব্যবহারের জন্য। দেখে মনে হয়েছে, এগুলো চীনের তৈরি সামরিক বাহিনীর প্রচলিত অস্ত্র। প্রচলিত অস্ত্রের রপ্তানি, চলাচল ও ব্যবহার করার কিছু নিয়মনীতি থাকা সত্ত্বেও সব কিছু ছাপিয়ে কেমন করে অস্ত্রগুলো বাংলাদেশের ভেতরে অরক্ষিত অবস্থায় মাটির নিচে লুকিয়ে রইল সেটাই বড় প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ২০০৪ সালে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের কাফকোর জেটিতে ১০ ট্রাক আধুনিক অস্ত্রের একটি বৃহত্তম চালান ধরা পড়েছিল। সেই চালানের গন্তব্যও সিলেট অঞ্চলে ছিল। ধরা পড়া বা উদ্ধার করা মারণাস্ত্রের চালানগুলোর প্রকৃতি, ধরন, পরিমাণ ও চলাচলের রাস্তা থেকে এটা মোটামুটি পরিষ্কার, উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ব্যবহারের জন্য উদ্দিষ্ট ছিল। সীমান্তের দুর্গম অঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অবাধ বিচরণ ছিল সেটা বুঝতে বেগ পেতে হয় না। আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরামের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা বাংলাদেশের মাটিকে চারণভূমি হিসেবে পেয়েছিল। আমাদের মাটিতে ঘাঁটি বানিয়ে, ভারী অস্ত্রের চালান এনে ভারতের ভেতরে সশস্ত্র সংঘাতে লিপ্ত থেকেছে বিচ্ছিন্নতাবাদী দলগুলো। তারা স্বাধীনতাকামী বলে অনেকেই তাদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে সমর্থন দেওয়াটা যুক্তিযুক্ত মনে করেন। কিন্তু এসব ভারী ও ভয়ঙ্কর মারণাস্ত্রের উপস্থিতি আমাদের নিরাপত্তা জন্য মারাত্দক হুমকি তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। যত মহৎ আর অসৎ উদ্দেশ্যেই ব্যবহৃত হওয়ার কথা বলা হোক না কেন, পরিশেষে জীবন দিতে হয় অগণিত নিরাপরাধ মানুষকে। তাই আমাদের মাটিতে সহজে বহনযোগ্য অত্যাধুনিক অস্ত্রের অস্তিত্বকে হালকাভাবে নিয়ে স্বস্তি পাওয়ার কিছু নেই। অনিয়ন্ত্রিতভাবে অবৈধ হাতে অস্ত্র থাকার মানেই হচ্ছে সাধারণ মানুষের জীবন তাদের হাতের মুঠোই তুলে দেওয়া। তারা খেয়াল খুশিমতো লক্ষ্যবস্তু ঠিক করবে, আক্রমণ করবে, ধ্বংস করবে ও হত্যা করবে। যেমন পাকিস্তানে স্কুল, মসজিদ, বাজারঘাটসহ যেখানে খুশি হামলা করে হত্যা করা হচ্ছে নিরস্ত্র শত শত মানুষ। বছরে ছয় হাজারের বেশি মানুষকে জীবন দিতে হচ্ছে। গত ৮ জুন রাতে পাকিস্তানের করাচি বিমানবন্দরে আত্দঘাতী তালেবানি হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে একই ধরনের অস্ত্র, যেগুলো আমাদের মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সুরক্ষিত করাচি বিমানবন্দরের জঙ্গি হামলা এটাই বুঝিয়ে দিয়েছে, নিরাপত্তার ভিত কতটা দুর্বল।

পাকিস্তানে এর আগে অন্তত আরও দুটি সুরক্ষিত সামরিক স্থাপনায় জঙ্গিরা হামলা করতে সমর্থ হয়েছে। পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমার স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। যদি কোনোভাবে পারমাণবিক অস্ত্র জঙ্গিদের হাতে পৌঁছায়, তাহলে বিশ্ব বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। আফগান তালেবানদের অস্ত্র পাকিস্তান দিয়েছে সেটাই আবার ঘুরে চলে এসেছে পাকিস্তানি তালেবানদের হাতে। এখন পাকিস্তানি সেনারাই যুদ্ধ করছে তাদের বিরুদ্ধে।

সাতছড়ির উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের কিছু অংশ জঙ্গিদের হাতে পড়লে ঢাকা বিমানবন্দরসহ সব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পাকিস্তানের মতো হুমকির মুখে চলে যাবে এবং নিরাপরাধ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ক্ষীণ হয়ে যাবে। একটি জিনিস পানির মতো পরিষ্কার যে, জঙ্গি, দুর্বৃত্ত বা অপরাধীরা মানুষ হত্যা করে অস্ত্র দিয়ে। বেশির ভাগ অস্ত্রই তৈরি হয় বিভিন্ন দেশের বৈধ আধুনিক অস্ত্র কারখানায়। জঙ্গি, দুর্বৃত্ত বা অপরাধীদের হাতে বৈধভাবে তৈরি এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ পৌঁছানো বন্ধ করা গেলে অন্তত মানবকুলকে অকালীন মৃত্যু থেকে রক্ষা করা যাবে। কিন্তু একটি কথা অজানাই রয়ে যায়, সামরিক ব্যবহারের জন্য বৈধভাবে তৈরি অস্ত্র ও গোলাবারুদ কীভাবে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে বৈধ পথের ফাঁকফোকর দিয়ে অপরাধী গোষ্ঠী ও জঙ্গিদের অবৈধ হাতে পৌঁছে যাচ্ছে অবলীলায়। বার বার আমাদের বোঝানোর চেষ্টা করা হয়, অস্ত্রের এক বিশাল গোপন বাজার আছে। আন্তর্জাতিক অস্ত্র চোরাকারবারিদের সুসংগঠিত দল অর্থের বিনিময়ে অবৈধ হাতে আধুনিক অস্ত্রসম্ভার পৌঁছে দেয়। চোরাকারবারিদের দোহাই দিয়ে পার পেয়ে যাওয়ার চেষ্টা আমরা অবিরত দেখে আসছি। এক দেশের বিরুদ্ধে অন্য দেশের দমনমূলক কূটনীতিই হচ্ছে বৈধ অস্ত্রের অবৈধ যাত্রার মূল কারণ। সোভিয়েতের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত আফগান মুজাহেদিনদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের খোলা সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা কারও অজানা নয়। তালেবানদের হাতের ঝকঝকে অত্যাধুনিক অস্ত্রগুলো যে পাকিস্তানের দেওয়া, এটাও সবার জানা।

দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা থেকে পারস্পরিক বৈরী ও আস্থাহীনতা থেকে এক ধরনের দমনমূলক কূটনীতির জন্ম হয়েছে। সৃষ্টি হয়েছে পারস্পরিকভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও জঙ্গিদের অস্ত্র, গোলাবারুদ, প্রশিক্ষণ ও নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার কূটকৌশল। অনেক দেশই রাষ্ট্রীয়ভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী বা জঙ্গিদের সমর্থন দিয়ে তাদের নিজেদের স্বার্থ রক্ষা হাসিলের চেষ্টা করছে।

উত্তর-পূর্ব ভারত ও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য বাংলাদেশের সীমানার সঙ্গে হওয়ায় আমাদের ভূমিকে রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক, রাষ্ট্রীয়, অরাষ্ট্রীয়ভাবে সংশ্লিষ্টরা ব্যবহার করে পৌঁছে দিয়েছে অবৈধ হাতে অস্ত্র ও গোলাবারুদ। আবার প্রতিবেশীদের মাটি হয়ে বাংলাদেশের জঙ্গি ও অপরাধীদের হাতে আসছে অবৈধ অস্ত্র। এসব অস্ত্র দিয়েই নিয়মিত খুন হচ্ছে মানুষ। সীমানার এপাশ ও ওপাশ একইভাবে ব্যবহার করে উভয় দেশের মানুষের নিরাপত্তার হুমকি তৈরি করা হচ্ছে। ৯/১১ এর পরে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী এক অভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করা গেলেও কিছু রাষ্ট্র জঙ্গিদের বিভিন্ন আঙ্গিকে ও গোপনে সমর্থন দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। ফলে জঙ্গি হামলা এখনো ঘটছে এবং ঝুঁকির আশঙ্কা এখনো জীবন্ত রয়ে যাচ্ছে। বিচ্ছিন্নতাবাদী ও জঙ্গিদের মধ্যে মতাদর্শগত পার্থক্য থাকলেও অস্তিত্বের সংকটে অথবা কৌশলগত কারণে অনেক সময়ই আঁতাত গড়ে ওঠে। যার ফলে একই অস্ত্র আবার ঘুরে-ফিরে ব্যবহার হয়। অবৈধ হাতের অস্ত্র প্রায়শ বড় বড় অপরাধী ও মাদক সম্রাটের কাছেও চলে যায়। জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলো দুর্বল হয়ে পড়লে বা দেউলিয়া হলে অপরাধীদের কাছে অস্ত্র-গোলাবারুদ বিক্রি করে দেয়। বিচ্ছিন্নতাবাদী, জঙ্গি, দুর্বৃত্ত ও অপরাধীদের সব হাতই অবৈধ ও বিপজ্জনক। এসব অস্ত্র থাকলে তার মূল শিকার হয় নিরপরাধ ও নিরীহ মানুষ।

বিশ্বে প্রতি বছর সাত লাখ ৪০ হাজার নিরপরাধ মানুষ মারা যায় সশস্ত্র সংঘাতে। চার লাখ ৯০ হাজার মৃত্যু ঘটে যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে। যা সশস্ত্র সংঘাতজনিত মোট বৈশ্বিক মৃত্যুর তিন ভাগের দুই ভাগ। সহিংসতার বিস্তৃতি ও পরিধি যুদ্ধের পরিমণ্ডল অতিক্রম করে বিভিন্নভাবে রাষ্ট্র ও জনপদে ঢুকে মানব সভ্যতার এক অবর্ণনীয় দুর্দশা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধ সশস্ত্র সংঘাতের এক বড় রূপ হলেও এটা বিশ্বের অনেক অঞ্চলে আর বড় গুরুত্বপূর্ণ নয়। রাজনৈতিক, জাতিগত, অপরাধ সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র সংঘাতের কারণে সমাজ ও রাষ্ট্রের ব্যাপক মানসিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়। অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ ৯৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হলেও এর প্রভাবে বৈশ্বিক ক্ষতি ১৬৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায় বলে অনেকেই মনে করেন।

প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ আহত হয়, স্থায়ী পঙ্গুত্বের দুর্ভোগ বহন করে এবং অনেকেই শারীরিক ও মানসিক ক্ষতের চিহ্ন নিয়ে বাকি জীবন কাটাতে বাধ্য হয়। সশস্ত্র সংঘাতে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞের দুর্ভোগ চলতে থাকে অনির্দিষ্টকাল ধরে। জনগণের ওপর যুদ্ধ, জঙ্গিবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ ও অন্যান্য সশস্ত্র সংঘাতে সৃষ্ট আর্থ-সামাজিক পরিবেশ বিপর্যয়ের ফলে দুই লাখের অধিক মানুষ মারা যায় ক্ষুধা, রোগ, অপুষ্টির কারণে। সশস্ত্র সংঘাত সামাজিক অবকাঠামোকে দুর্বল করে, ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার বীজ বপন করে, মানবসম্পদ ও সামাজিক সম্প্রীতি ধ্বংস করে এবং বিনিয়োগ ব্যাহত করে। সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হারকে দুই শতাংশের বেশি টেনে নামায়। সশস্ত্র সংঘাত ও উন্নয়নের মধ্যে পারস্পরিক স্থাপিত যোগসূত্রকে বাদ দিয়ে মানবকল্যাণ সম্ভব নয়, এটি এখন স্বীকৃত সত্য। জঙ্গিবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ, মাদক সাম্রাজ্য, বড় অপরাধী গোষ্ঠী, সন্ত্রাসীদের শক্তির মূল উপাদানই হচ্ছে আধুনিক মারণাস্ত্র। এই মারণাস্ত্র বৈধভাবে তৈরি হয় কোন রাষ্ট্রে এবং ব্যবহার করে কোন রাষ্ট্র। কিন্তু কীভাবে এই মারণাস্ত্র অবৈধ হাতে গিয়ে পড়ে তা নিয়ে অনেক গবেষণা ও জরিপ হয়েছে। প্রচলিত সমরাস্ত্রের বিক্রি, হস্তান্তর, চলাচল, ব্যবহারে আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি স্থাপিত না হলে বৈধ অস্ত্রের অজানা গন্তব্যের অবৈধ যাত্রা বন্ধ করা যাবে না। ইতিমধ্যে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে অস্ত্র বাণিজ্যচুক্তি ১৫৪ ভোট পেয়ে গৃহীত হয়। ইরান, উত্তর কোরিয়া ও সিরিয়া প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়। চীন, রাশিয়া, মিয়ানমার ও ভারতসহ ২৩টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল। বৈধ অস্ত্রের অবৈধ রপ্তানি বা হস্তান্তরে দেশগুলোর নীতিগত অবস্থানের দৃঢ়তা, আস্থাহীনতা ও বৈপরীত্য থেকে বোঝা যায়, দমনমূলক কূটনীতির সঙ্গে অবৈধভাবে অস্ত্র পাচারের সম্পৃক্ততা কম বেশি হলেও সত্যি।

অস্ত্র প্রস্তুতকারী দেশের মারণাস্ত্র বা তার যন্ত্রাংশের রপ্তানি শুধু বৈধ রাষ্ট্রে হতে পারবে এবং তা কখনোই তৃতীয় হাতে যেতে পারবে না। এ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য একদিকে দেশীয় আইন পাস করতে হবে এবং অন্যদিকে অস্ত্র ও গোলাবারুদের বার্ষিক প্রতিবেদন জাতিসংঘে প্রেরণ করতে হবে। এটি নিশ্চিত হলে প্রচলিত অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুদ ও ব্যবহারের বৈশ্বিক হিসাব রক্ষিত হবে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় অথবা চোরাকারবারিদের মাধ্যমে প্রচলিত বৈধ অস্ত্রের অবৈধ যাত্রা বন্ধ হবে। তখন হয়তো বাংলাদেশের মাটির নিচে অস্ত্র পাওয়া যাবে না বা জঙ্গিদের কাঁধে মানুষ হত্যার হাতিয়ার সহজে ঝুলতে দেখা যাবে না। মাদক সাম্রাজ্য বা অপরাধ জগতে ঘুরে বেড়াবে না বিভিন্ন ক্যালিবারের এবং বিভিন্ন দেশের অস্ত্র।

অস্ত্র বাণিজ্য চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয় একই বছরের ৩ জুন। প্রধানমন্ত্রী ২৬ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। যদিও সংসদে অনুস্বাক্ষরিত হয়নি। আমাদের প্রতিবেশী ও কাছের দেশগুলো অস্ত্র বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর না করায় এ অঞ্চলে চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে যথেষ্ট শঙ্কা রয়েছে। তবে গণবিধ্বংসী অস্ত্র বা স্থলমাইন নিষিদ্ধ চুক্তির মতো এটাও সব দেশের পারস্পরিক আস্থা ও সমর্থন নিয়ে সফলতার মুখ হয়তো অদূর ভবিষ্যতে দেখবে। চুক্তির শর্ত অনুসারে কমপক্ষে ৫০ দেশের অনুস্বাক্ষর না হলে এটা কার্যকর হবে না। এ পর্যন্ত ৩২টি দেশ অনুস্বাক্ষর করেছে। মানুষ হত্যা ও মানবিক বিপর্যয় ঠেকাতে জাতিসংঘ অস্ত্র বাণিজ্য চুক্তি বিশ্বের ভূ-রাজনৈতিক জটিলটা ও পারস্পরিক আস্থাহীনতা কাটিয়ে সভ্যতার রক্ষাকবচ হতে পারে কি না সেটাই এখন দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে।

লেখক : নিরাপত্তা বিশ্লেষক এবং ইনস্টিটিউট অব কনফ্লিক্ট, ল' অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিসের (আই ক্লডস) নির্বাহী পরিচালক।

ই-মেইল : iclds-bd¦gmail.com

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়