শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০১৪

আমার মা\\\'র দু\\\'বছর

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
আমার মা\\\'র দু\\\'বছর

বুকের ধন, চোখের মণি মা কুশিমণি হাসপাতালে। পায়ের একটা ক্ষত নিয়ে জন্মাবধি ভুগছে। দিন দিন বড় হচ্ছে, তাই কষ্ট হয়। কি নিষ্ঠুর প্রকৃতি! মামণি চোখ খুলে সুন্দর পৃথিবীর আলো দেখার আগেই মাটিচাপা পড়ে, কাকের আক্রমণে ডান গালের অনেকটা খুইয়েছিল। ওর প্রয়োজনীয় অপারেশন অনেক আগেই হয়ে যেত। কিন্তু আমাদের প্রিয় সার্জন শাফকাত হঠাৎ ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ায় কয়েক বছর পিছিয়ে পড়েছি। কিন্তু এখন আর অপেক্ষা করা যাচ্ছে না। যে মা আমার সারা দিন লাফালাফি, ঝাঁপাঝাঁপি, দাপাদাপি করে বাড়িঘর মাথায় রাখে_ সেই সোনামণি আমার হাঁটতে গিয়ে ব্যথা পায়। কখনো-সখনো মুখ ভার করে থাকে। এতদিন যার কান্না শুনিনি, মুখ ভার দেখিনি, সেই কুশিমণির মুখ কালো, চোখে পানি দেখলে বুক জ্বলে যায়। মা'কে হারিয়ে যখন অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছিলাম, রাজপুত্র-রাজকন্যার মতো ছেলেমেয়ে থাকতেও দুনিয়ার সব কিছু অর্থহীন, আকর্ষণহীন হয়ে পড়েছিল, যখন কোনো কিছুই ভালো লাগছিল না ঠিক তখন আমার অন্ধকার ঘর-সংসার আলো করে কুশিমণি আসে। দীপের পর কুঁড়ি যখন জন্মে তখন ওর মা'কে বলেছিলাম, 'আমার মেয়ে চাই। না হলে ফ্লোরে থাকবে। খাটে উঠতে পারবে না।' আল্লাহর অসীম দয়ায় চাঁদের মতো মেয়ে হয়েছিল। ১৫ বছর নির্বাসন কাটিয়ে ১৬ ডিসেম্বর '৯০-এ দেশে ফিরে রাত ২টায় মা-বাবার দোয়া নিতে টাঙ্গাইল গিয়েছিলাম। সেখানে ১০ মাসের ছোট্ট কুঁড়ি আর মা'র পা ধুয়ে পানি খেয়েছিলাম। আমরা বহুদিন মা-বাবাকে পেয়েছি, তাই মনে হয় কখনো বড় হইনি। মা-বাবার কোলের বাচ্চাই ছিলাম। তাই মা'কে হারিয়ে চোখে শুধু অন্ধকার আর অন্ধকার দেখি, বুক ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। যখন বেঁচে থাকার আশা আগ্রহ কোনোটাই ছিল না তখন দেবদূতের মতো পরম করুণাময় আল্লাহ দয়া করে মায়ের প্রতিবিম্ব কুশিমণিকে আমায় দান করেন। সে আসার সঙ্গে সঙ্গে আমার সমস্ত দুঃখ-দৈন্য-বেদনা কর্পূরের মতো উড়ে যায়। ওর আগে পিঠাপিঠি ছেলেমেয়ে দীপ-কুঁড়িকে নিয়ে কোথাও এক গাড়িতে যেতে পারতাম না। মাঝপথে দুজনকে দুই গাড়িতে দিতে হতো। এক সময় তেমন কিছু মনে হতো না। কিন্তু মেয়ের যখন ১২-১৩, ছেলের ১৮-১৯ তখনও ওদের চরম শত্রুর মতো কথাবার্তা, হাতে পায়ে ঝগড়া দেখে ভয় পেতাম, তবে কি বড় হয়েও এমন করবে? আমার তিন বোন, এখনো আমার জন্য পাগল। আমরা ভাইয়েরাও বোনের জন্য অস্থির। কিন্তু আমার ছেলেমেয়ে কেন অমন করে কিছুই বুঝতাম না। কিন্তু আমার মা কুশিমণি এক টুকরো মাংসের মতো তার মায়ের বুকে চেপে যেদিন এলো, ছেলেমেয়ে একসঙ্গে হুমড়ি খেয়ে পড়ল_ কে কার আগে কোলে নেবে, কে কতক্ষণ কোলে রাখবে। আমাদের কুশিমণি বিছানায় থাকার চেয়ে ওর মা-ভাইবোন আর আমার কোলে কোলে থেকেছে বেশি। ওর জ্বলজ্বলে চোখ দেখে প্রথম যেদিন আটকে গিয়েছিলাম, আজও সেই চোখ তেমনি আমায় আটকে রেখেছে। ওকে কোলে নিলে সেই শিশুকাল থেকে মা'র স্পর্শ পাই। এখনো সকাল-বিকাল কোলে না নিলে ভালো লাগে না। পৌনে আট বছর বয়স এখন। কথায় কুঁড়ির মতো বুড়ি। সারা দিন আঁকাআঁকি নিয়ে ব্যস্ত। হাতের লেখা তার গৃহশিক্ষিকা এম এ ক্লাসের ছাত্রীর চেয়েও ভালো। আমার, ওর ভাইয়া, মা'র থেকে ভালো। কুঁড়ি ল'পড়ে, হাতের লেখা প্রায় তার মতো। রাস্তায় বেরুলে সাইনবোর্ড দেখে সব পড়ে ফেলে। যেটা পারে না সেটা বানান করে। বাংলার চেয়ে ইংরেজি তার কাছে সহজ। কিন্তু আমি চাই ও বাঙালি হোক। কিন্তু ওর মা তাকে ইংলিশ মিডিয়ামে ভর্তি করেছে। কারণ ওর ভাইবোন গ্রিন হেরাল্ডে পড়েছে, তাই ওকেও পড়াতে হবে। ওর মা'র কথা বড় হয়ে যদি তার মনে হয় বড় ভাইবোন গ্রিন হেরাল্ডে পড়েছে, সে নয় কেন? আমি অমত করতে পারিনি বা করিনি। আমরা ছেলেবেলায় স্কুলে যেতাম ৪-৫ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে। কখনো হোস্টেলে থাকতাম একেবারে অতি সাধারণের মতো। কিন্তু আমার কুশিমণি স্কুলে যায় তার ভাইয়ের সঙ্গে গাড়ি করে। আমার দীপকে কেউ কোনো দিন বসা থেকে উঠতে বলেনি। সেই দীপকে যখন কুশিমণি এটা ওটা হুকুম করে আমি অবাক হই। কুশিমণি দীপকে কিছু বললে তার না নেই। রাত ১২টাতেও বোনের আবদার পূরণে তার ক্লান্তি নেই। দুই বোনের বয়সের পার্থক্য ১৪ বছর। কুঁড়ি, কুশি যখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা গল্প করে তখন মনে হয় ওরা যেন দুই বান্ধবী। এত অল্প বয়সে এত মেধাসম্পন্ন কোনো বাচ্চা দেখিনি। ওর কষ্ট একটাই চট করে রোদের দিকে তাকাতে পারে না। পারবে কি করে? মা'র পেট থেকে পড়ে মাটিচাপা পড়ায় ভালোভাবে দুনিয়ার আলো দেখেনি, অন্ধকারে তলিয়ে গিয়েছিল। তাই তো আমার ঘরে এসে আলোয় আলোয় আলোময় করে তুলেছে। কোনো অশান্তি, ঝগড়াঝাটি নেই। ভাইবোনের মারামারি, কাটাকাটি নেই। আমরা যেমন মাকে জড়িয়ে সবাই এক রসুনের কোয়া ছিলাম, এখন কুশিকে জড়িয়ে সেই একই রকম হয়েছি। ছোট ভাইবোনরা কুশিমণির জন্য পাগল। তারা ওকে অসম্ভব আদর-যত্ন করে। মাননীয় মন্ত্রী বড় ভাইকেও দেখি কুশিমণির জন্য উতালা থাকেন। কখনো গেলে বুকে তুলে কি যে যত্ন করেন অভিভূত না হয়ে পারি না। এযাবৎ বোন রেহানার সঙ্গে যতবার কথা হয়েছে একবারও কুশি প্রসঙ্গ বাদ পড়েনি। তার ছোট মেয়ে অবন্তী বলে যেমন আকুল হয়ে পড়ে তেমনি কুশিমণিকে নিয়ে ভীষণ ব্যাকুল। এ ক'বছরে যে ক'বার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হয়েছে ছেলেমেয়েদের কথা বলতে গিয়ে সবার আগে কুশির কথা জিজ্ঞেস করেছেন। এক সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার ছেলে দীপকে গোসল করাতেন, খাবার-দাবার সেরে ঘুম পারাতেন। বাচ্চাদের আদর-যত্ন করার একটা বিশেষ গুণ দয়াময় আল্লাহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে দিয়েছেন। ভারতের মহামান্য রাষ্ট্রপতি কুশি নিয়ে শুরু করেন, কুশি দিয়ে কথা শেষ করেন। দিদি শুভ্রা মুখার্জি তার প্রথমেই কুশির খবর চাই, 'বাঘা, তোমার ছেলেমেয়ে-বউ কেমন? কুশি কেমন?'

সেই কুশিমণি হাসপাতালে। আজ অপারেশন, তাই আমার সমস্ত হৃদয়-মন অশান্ত-চঞ্চল, স্বস্তি নেই, শান্তি নেই। ভাবতে না চাইলেও চোখের সামনে মনের মণিকোঠায় কুশি এসে কড়া নাড়ে। তাই কি লিখব, লিখতে যে স্বস্তি লাগে, বসতে লাগে_ সে স্বস্তি বা শক্তি আজ আমার নেই। আধুনিক যুগে চিকিৎসাশাস্ত্র অনেক উন্নত হয়েছে। সব কিছু স্বাভাবিকভাবেই নেওয়া উচিত। ছোট্ট একটা অপারেশন কিন্তু তবু আমরা কেউ স্থির, অচঞ্চল থাকতে পারছি না। সবার মন চঞ্চল হয়ে আছে। আসলে কুশিমণিই আমাদের ভালোবাসা, কুশিই মানবতা। মানুষ মানুষের জন্য কুশিমণি তার প্রমাণ। অনেকে মনে করে আমাদের বুকে স্থান পাওয়ায় কুশি ভাগ্যবতী। কিন্তু কেন যেন আমাদের মনে হয় কুশিকে বুকে পেয়ে আমরা ভাগ্যবান। সে আমাদের ছায়ায়-মায়ায় জড়িয়ে আছে। কুশি না এলে ভালোবাসার ভয় কাকে বলে বুঝতাম না। মা কষ্ট পাবেন, দুঃখ পাবেন, মন খারাপ করবেন_ সে ভয় পেয়েছি ঠিকই। কিন্তু এখন দেখছি কুশিমণি অসন্তুষ্ট হবে, পছন্দ করবে না, মন খারাপ করতে পারে সেই ভয় অনেক বেশি। মনে হয় এমনই হয়, কাউকে ভালোবাসলে ভালোবাসার সময় কেটে যায় তরতর করে। বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর মা'কে নিয়ে ভারতে থেকেছি অনেক দিন। সে সময় কুশি যদি থাকত দিনগুলো আরও আনন্দের, ছন্দময়, গতিশীল হতো।

যদিও ছোট বোন শাহানার মেয়ে ইয়ামনি নির্বাসিত জীবনে ছিল মস্তবড় অবলম্বন। তারপর কোলজুড়ে ঘর আলো করে এলো দীপ। কুঁড়ি এলে ওর ভাগ্যে ভাগ্যবান হয়ে দেশে ফিরলাম। দীপ, কুঁড়িই ছিল আমার ঘরে চাঁদের আলো। এখন কুশিমণি সবার চোখের আলো হয়ে আমাদের জীবন আলোময় করে তুলেছে।

প্রায় ৫-৬ বছর আগে পঙ্গু হাসপাতালে ওর অপারেশন করতে এসোসিয়েটস প্রফেসর আবুল কালাম আজাদের কাছে গিয়েছিলাম। মিষ্টিভাষী অসাধারণ ভালো মানুষ অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ। এখন ঢাকা মেডিকেলের প্লাস্টিক সার্জারির প্রধান। তার হাতেই এবার কুশিমণির অপারেশন। ৫-৬ বছর আগে যেটা হওয়ার কথা ছিল সেটা হয়েছিল অধ্যাপক শাফকাতের হাতে। আর আজ হচ্ছে আবুল কালাম আজাদের হাতে। মা ১৫ জুন ভর্তি হয়েছে। রক্ত, এঙ্-রে, এনেসথেসিয়ার পরীক্ষা-নিরীক্ষা কোনো কিছুতেই ওহ আহ টু টা করেনি। সেদিন যখন রক্ত নেয় একটু টুঁ শব্দও করেনি। ওখানে ওর মা হলে রক্ত দিতে বাড়ি মাথায় তুলত। বড় বেশি ভালো লেগেছে মামণির এ ক'দিনের চলাফেরা। গতকাল যখন লিখছিলাম মন বসছিল না, কলম চলছিল না। তারপরও পাঠকের কথা চিন্তা করে অগোছালো মনের আবেগ তুলে ধরলাম। মন ভালো না, হাত চলে না_ তাই দেশের সমস্যা বলতে ভালো লাগে না।

১৪ জুন ছিল আমার জন্মদিন। সত্যিই ১৪ জুন আদৌ জন্মদিন কিনা জোর দিয়ে বলতে পারব না। কারণ বাবা-মা, আত্দীয়স্বজন মিলে, সর্বশেষ স্কুলের মাস্টাররা যা লিখে দিয়েছেন তাই এখন আমাদের জন্মদিন। নারায়ণগঞ্জের উপনির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের গামছা মার্কার প্রার্থী শফিকুল ইসলাম দেলোয়ারের প্রচারে গিয়েছিলাম। মানুষের সে যে কি হতাশা বলে শেষ করা যাবে না। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকীর আক্ষেপ, দেশের সব নদ-নদীতে মাছ পাওয়া যায় কিন্তু নারায়ণগঞ্জে পাওয়া যায় মানুষের লাশ। আসরের নামাজ আদায় করতে বায়েতুল ইজ্জত জামে মসজিদে গিয়েছিলাম। বসেছিলাম বহু দূরে। আসরের নামাজে বেশ সময় পাওয়া যায়। বসে বসে সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ পড়ছিলাম। পিছন থেকে হাফেজ আবদুল বাছেত নামে এক ভদ্রলোক এসে বড় আদর করে মিম্বরের কাছে নিয়ে গেলেন। নামাজ পড়তে গিয়ে মসজিদে অত মধুর আচরণ খুব একটা পাইনি। বড় ভালো লেগেছে। নারায়ণগঞ্জে যতক্ষণ ছিলাম কখনো স্বস্তি পাইনি। সব সময় বিবেকের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছি, যে পরিবার পাকিস্তানের হাত থেকে স্বাধীনতা আদায়ে ভূমিকা রেখেছে, যে পরিবারের এক সন্তান নাসিম ওসমান নববধূ বাসরঘরে রেখে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ-প্রতিরোধ সংগ্রামে আমার সঙ্গে শরিক হয়েছে, তারা আজ এত বিতর্কিত কেন? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শামীম ওসমানের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছেন। সব মানুষকে দূরে ঠেলে কি করে তিনি ওসমান পরিবারের পাশে দাঁড়াবেন? যারা নিহত হয়েছে, সর্বস্বান্ত কাঙ্গাল হয়েছে তাদের কি হবে? এ ক'দিনে শ্রেষ্ঠ খবর ৭ খুনের প্রধান আসামি নূর হোসেন কলকাতায় ধরা পড়েছে। পুলিশ তাকে ৮ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে। নূর হোসেন ভারতে ধরা পড়েছে। তার ভারত যাওয়ার কথা আমরা শামীমের কণ্ঠে টেলিফোনে শুনেছিলাম। তারপরও কোনো বিচার হয়নি। মনে হয় ২৬ তারিখ উপনির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের মানুষ নিজেরাই এর বিচার করবে। আবার আরেক আলামত মিরপুরের পল্লবীতে ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লার লোকেরা ঘরে তালা দিয়ে পেট্রল ঢেলে পুলিশের সামনে আগুন দিয়েছে। তস্করেরা চুপেচাপে খুন-খারাবি করে সেটা ভিন্ন কথা। কিন্তু পাহারাদাররা খুন করতে যদি উৎসাহ দেয় বা খুনিদের পাহারা দেয় তাহলে মানুষ যাবে কোথায়? নূর হোসেন, ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লার কর্মকাণ্ড বিশ্বকাপকেও ম্লান করে দিয়েছে। দেশের মানুষ সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুক্তি চায়। এতকিছুর পরও কি আমাদের নেতা-নেত্রীদের চোখ খুলবে না?

প্রিয় পাঠক, আমার কুশিমণির জন্য দোয়া করবেন। সে যেমন আমার ঘর আলো করেছে, সুস্থ হয়ে হতদরিদ্র দেশবাসীর অন্ধকার ঘরে সে যেন আলো হয়ে জ্বলতে পারে। আল্লাহ তাকে সেই শক্তি দিন, আমিন। লেখক : রাজনীতিক

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়