শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০১৪

মিরপুর হত্যাকাণ্ড : রাষ্ট্রের বিবেক নাই, সরকারের?

মাহমুদুর রহমান মান্না
অনলাইন ভার্সন
মিরপুর হত্যাকাণ্ড : রাষ্ট্রের বিবেক নাই, সরকারের?

পবিত্র শবে বরাতে যখন বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় মুসলমানরা আল্লাহর কাছে রহমত চায় তখন অমানুষগুলো কি করে? বাংলাদেশে শবে বরাত একটি বিশ্বাসের ব্যাপার। এখানকার মুসলমানরা বিশ্বাস করেন, শবে বরাতে আল্লাহতায়ালা তার রহমতের দরজা খুলে দেন, বান্দা যে যত পাপীই হোক না কেন, আল্লাহর কাছে পরিচ্ছন্ন মনে মাফ চাইলে আল্লাহ মাফ করে দেন। পানা চাইলে আল্লাহ পানা দেন। এটা হলো বিশ্বাসের কথা। বাংলাদেশের মুসলমানরা এরকম বিশ্বাস করে, সৌদি আরবে করে না। রিয়াদ থেকে বন্ধুবর শাজাহান ভুঁইয়া বরাতের রাত গত দিনে ফোন করেছিলেন। তিনি বললেন, ওখানে শবে বরাত বলতে আমাদের দেশের মতো কিছুই নাই।

সৌদি আরবের কথা থাক। বাংলাদেশের কথা বলি। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, বাঙালিরা মানুষ হিসেবে, জাতি হিসেবে অনেক বড়। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ মুসলমান হলেও খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ দেশকে মডারেট গণতন্ত্রের দেশ বলে মনে করে। একেবারে সাম্প্রতিকতম কয়েকটি ঘটনা বাদ দিলে আমাদের দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পরিমাণ কম। যাওবা হয়েছে তা যতটা না ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক, তারচেয়ে বেশি রাজনৈতিক কায়েমি স্বার্থবাদী। ধর্মকে সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে পালন করে, নীতিবোধ হিসেবে মেনে চলে। কিন্তু যারা সাধারণ মানুষের চেয়ে অনেক উঁচুতে, যাদের অসাধারণ বলা যায়, তারা এ ধর্মীয় বোধকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থে কাজে লাগায়। আর যখন প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় তখন এসব মূল্যবোধ ও নৈতিকতাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে নিচে দাবিয়ে রাখতে এতটুকু কুণ্ঠাবোধ করে না। আর যদি তারা বা তিনি হন একজন সরকারদলীয় নেতা, মন্ত্রী, এমপি তখন তো ধরা সরা সমান হয়ে যায়। আমি নিজেই নিজেকে জিজ্ঞাসা করছিলাম, যখন বরাতের রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আল্লাহর সামনে নত হয়, কোনো কোনো লেখায় আছে, বিশ্বের তাবৎ প্রাণী এমনকী উদ্ভিদ গোছেরও তো প্রাণ আছে। আল্লাহর সামনে হেলে পড়ে, তখন বোধ, হৃদয়, বিবেচনাহীন পাষণ্ডরা কি করে?

শবে বরাতের পরের ভোরে মিরপুর থেকে আমার সংগঠন নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা শহীদুল্লাহ কায়সার ফোন করলেন। কালশীর বিহারি ক্যাম্পে মর্মস্তুদ হত্যাকাণ্ডের কথা বললেন। শবে বরাতে পত্রিকাগুলো বন্ধ থাকে, অতএব টেলিভিশনের আশ্রয় নিলাম। স্ক্রলে দেখলাম বলা হচ্ছে, আতশবাজির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেখানে সংঘর্ষ হয়েছে। কিন্তু আমি যে শুনলাম ঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে এবং সেই আগুনে পুড়ে মারা গেছে চার শিশুসহ অন্তত আট জন। এবং সেই ঘরে নাকি বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কি হৃদয়হীন বর্বরতা। উন্মত্ত পাষবিকতা। কালশীর বিহারি ক্যাম্পে যারা বাস করেন তাদের আমি আজ কয়েক বছর ধরে চিনি। এরাই হচ্ছে সত্যিকার সেই বিপর্যস্ত বিধ্বস্ত উদ্বাস্তু। সেই লিও উরিসের একসোডাস উপন্যাসের মতো। আমি অবশ্য ইহুদিদের সঙ্গে বিহারিদের তুলনা করছি না। কিন্তু উদ্বাস্তুদের কষ্টটা এক রকমই হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় মিরপুর মোহাম্মদপুরের বিহারিরা পাকিস্তানের পক্ষে ছিল, তাই থাকার কথা। তারা তো বাঙালি নয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর তারা পাকিস্তানে ফেরত যেতে চেয়েছিল। নিজেদের তারা আটকেপড়া পাকিস্তানি হিসেবে পরিচয় দিত। কিন্তু ইতিহাসের নির্মম পরিণতি পাকিস্তান তাদের ফেরত নেয়নি। তখন তারা সত্যি সত্যি এক ভাসমান জনগোষ্ঠী, অজানায় আটকেপড়া।

সেই থেকে ৪৩ বছর পার হয়েছে। ছিন্নমূল বাস্তুহারা বিহারিরা ক্যাম্পের বস্তিতে আশ্রয় পেয়েছে এবং সেখানেই জীবনযাপন করছে। সেখানেই তাদের সন্তান-সন্ততি জন্মেছে। যাদের অনেকের বয়স এখন চলি্লশের কোঠায়। ওই সব মানুষ আর আটকেপড়া পাকিস্তানি নয়। জন্মগতভাবে তারা বাঙালি। নিজেদের অস্তিত্বের জন্যই তারা এক থেকেছে, লড়াই করেছে। আইনি লড়াইয়ে জিতে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পেয়েছে।

নাগরিকত্ব পেয়েছে ঠিক, কিন্তু এখনো তারা নাগরিকের সব অধিকার ফিরে পায়নি। তাদের বাংলাদেশের পাসপোর্ট দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া বাসস্থান তো এখনো কার্যত নেই। এ জন্যই এখনো তারা একাট্টা। নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে দুর্গত মানুষদের একটা ঐক্য থাকেই। আমি যতবার তাদের দেখেছি, তাদের মধ্যে এ সুদৃঢ় ঐক্য দেখেছি। টেলিভিশনের স্ক্রলে আমার বিশ্বাসই হতে চাইল না যে, এরা শবে বরাতে নিজেদের মধ্যে এতবড় কোন্দলে জড়িয়ে গেছে খুব তুচ্ছ আতশবাজিকে কেন্দ্র করে। যা শেষ পর্যন্ত ঘরে তালা লাগিয়ে আগুন দিয়ে ৮/৯ জন মানুষকে হত্যা করেছে। কিন্তু সময় যত এগুতে লাগল তখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে তথ্যটি জানা গেল, তা হলো এই, ক্যাম্পবাসি সবাই একত্রিত হয়ে লাশ ছিনিয়ে নেওয়ার পুলিশি অপতৎপরতাকে রুখে দিয়েছে। কই তাদের মধ্যে সংঘাত তো দূরের কথা অনৈক্যের চিহ্ন পর্যন্ত দেখা গেল না।

পাঠকবৃন্দ পরবর্তী ঘটনা প্রবাহগুলো আপনারা নিশ্চয়ই পত্রিকায় পড়েছেন। সংবাদ মাধ্যমগুলো বলেছে, এক. চার একরেরও বেশি কিছু জমির ওপর লোভ ছিল একটি হাউজিং কোম্পানির। যার মালিকের আত্দীয় ওখানকার স্থানীয় সংসদ সদস্য। দুই. আতশবাজিকে কেন্দ্র করে যে সংঘাতের কথা বলা হচ্ছে, সেটি আসলে বিহারিদের সঙ্গে যুবলীগের সংঘর্ষ ছিল। আতশবাজি নিয়ে সেখানে কোনো সমস্যা তৈরি হয়নি। তিন. এ পর্যন্ত মারা গেছেন ১০ জন। এর মধ্যে নয় জন আগুনে পুড়ে আর একজন পুলিশের গুলিতে। এ তথ্যগুলো কী ঠিক? ঠিক নয়? পুলিশ এবং প্রশাসনের কাছে জবাব চাই। নয়জন মানুষ পুড়িয়ে মারার পরও সেই ভারাক্রান্ত মানুষগুলোর ওপর গুলি চালাতে হলো পুলিশের? এর আগেও পুলিশের ওপর বিহারি যুবক জনিকে শত শত লোকের সামনে পেটাতে পেটাতে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আছে। অভিযোগ আছে জানির পায়ে গুলি করে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার। এই দুই যুবকই পুলিশের হেফাজতে মৃত্যুবরণ করে বলে অভিযোগ আছে। দুঃখজনক হলেও এ ঘটনা ঘটার পর পুলিশ যাদের নামে মামলা দিয়েছে তারা সবাই বিহারি। আজাদ বলে এক যুবকের নামে তিনটি মামলা দেওয়া হয়েছে, যে মারা গেছে।

দেশজুড়ে দীর্ঘদিন পুলিশ-র‌্যাবের বিরুদ্ধে এ ধরনের নিষ্ঠুরতার অনেক অভিযোগ আছে এবং অভিযোগ আছে এসবই করা হয় ক্ষমতার চাপে। কালশীর বিহারিরা অভিযোগ করেছেন, এ ঘটনায় স্থানীয় এমপি সরাসরি যুক্ত আছেন। বিদ্যুতের সংযোগ নিয়ে বিহারিদের সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্যের ঝগড়ার কথা সবাই অবগত আছেন।

স্বাধীনতার চার দশক পরে আজ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় হয়েছে এই বিহারিদের সম্পর্কে রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি পরিষ্কার করার। হাইকোর্টের রায়ের পরও কি বাংলাদেশ তাদের নাগরিক বলে স্বীকার করবে না? তাদের সম্পূর্ণ নাগরিক অধিকার দেবে না? এই যে দশজন মানুষ সকরুণ মৃত্যুবরণ করল তার তদন্ত হবে না? বিচার হবে না? নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনা যেমন হৃদয়বিদারক এই দশজনের মৃত্যু তার চেয়ে বেশি করে হৃদয়কে বিদীর্ণ করে না? রাষ্ট্রের হৃদয় না থাকতে পারে; রাষ্ট্র যারা চালান তারা কি সবাই হৃদয়হীন? সরকারের যিনি কর্ণধার তিনি নিজে নিজেই নারায়ণগঞ্জের একটি পরিবারের দায়িত্ব নিতে চান। এই বিহারিদের, সংখ্যালঘুদের বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর দায়িত্ব নেওয়ার কেউ নেই? এই যে দশজন মানুষ আগুনে পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেল তারপরও কি আমাদের বিবেক জাগ্রত হবে না। আর কত জীবন গেলে আমরা হৃদয়বান হব? সাহসী হব?

৬৫ বছরের পুরনো দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাছে আমি কি প্রশ্ন করতে পারি_ ফেনী, লক্ষ্মীপুর, নারায়ণগঞ্জ হয়ে মিরপুর পর্যন্ত অন্তত চারজন সংসদ সদস্যের নামে খুনের অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগ নির্বিকার থাকছে কিভাবে? মিরপুরের হৃদয়হীন বর্বরতার পর আমাদের অবশ্যই জেগে ওঠার সময় হয়েছে। বলার সময় হয়েছে, 'মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাহি, নাহি কিছু মহীয়ান।

লেখক : রাজনীতিক, আহ্বায়ক নাগরিক ঐক্য।

ই-মেইল :[email protected]

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়