শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০১৪

বিহারি সমস্যা

তসলিমা নাসরিন
অনলাইন ভার্সন
বিহারি সমস্যা

ময়মনসিংহ শহরে আমাদের বাড়ি ছিল হিন্দু পাড়ায়। একাত্তরে পাড়ার হিন্দুরা ঘরবাড়ি জিনিসপত্র যেভাবে ছিল, সেভাবে ফেলে চলে গিয়েছিল ভারতে। আমাদেরও শহর ছেড়ে লুকিয়ে থাকতে হয়েছিল গহীন গ্রামে। একবার দেশ স্বাধীন হয়েছে এরকম একটি খবর পেয়ে গ্রাম থেকে শহরে চলে এসেছিলাম। এসে দেখি পাড়া বদলে গেছে। হিন্দুদের বাড়িতে পরিবার পরিজন নিয়ে থাকছে অচেনা উর্দুভাষী লোক। শুনলাম ওরা বিহারি। ওই বিহারিদের কেউ নিশ্চয়ই পাক আর্মিকে খবর দিয়েছিল। আমাদের বাড়িকে বড়লোকের বাড়ি হিসেবেই বিচার করা হতো। তারপর এক রাতে আমাদের বাড়িতে ঢুকে যা কিছু ছিল লুট করে নিয়েছে পাক আর্মি, টাকা পয়সা, সোনা রূপা। আমার নানির, মা'র খালাদের, মামীদের সবার গয়না ছিল একটা ঝুড়িতে, যে ঝুড়িটা নানি আগলে আগলে রাখতো যেখানেই যেতো। পাক আর্মি সেই ঝুড়িটা নিয়ে গেছে। ওরা বাড়িতে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে নানি আর মা ধর্ষণ বা খুন থেকে বাঁচতে তড়িঘড়ি কোথাও লুকিয়েছিল। ঝুড়িটা নানির পাতা জায়নামাজের পাশেই ছিল। মা'র অনন্ত বালা ছিল রেহেলে রাখা খোলা কোরানের ওপর। সব নিয়ে গেছে পাক আর্মি। আলমারি খুলে যা টাকা পয়সা ছিল নিয়েছে। বয়স আমার খুব অল্প ছিল বলে আমাকে তুলে নিয়ে যায়নি ক্যাম্পে।

অনেক বিহারিই একাত্তরে রাজাকার, আল বদর, আল শামসের খাতায় নাম লিখিয়েছে। যে মাটিতে বাস করছে, সেই মাটির মানুষের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি। পাকিস্তানের কাছে মাথা নুইয়েছে। পাক আর্মির সঙ্গে জোট বেঁধে লুটপাট, হত্যাযজ্ঞ, ধর্ষণ সবই করেছে এবং করতে সাহায্য করেছে। যে পনেরো লক্ষ বা তিরিশ লক্ষ বাঙালি খুন হয়েছে, তার সবই পাক আর্মি দ্বারা নয়, বিহারি দ্বারাও। দু'লক্ষ নারী ধর্ষিত হয়েছে, সব ধর্ষণই পাক আর্মি করেনি, বিহারিও করেছে। এই বিহারিদের খুব সংগত কারণে বাঙালিরা পছন্দ করে না। আমার মামা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। মামার মুখে শুনেছি, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যখন ন'মাস পর বাড়ি ফিরছেন, তখন শহরের বোম্বাই কলোনিতে ঢুকে যত বিহারি পেয়েছেন মেরে এসেছেন।

সেই যে ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময় ভারতের বিহার থেকে মুসলমানের দেশ পূর্ব পাকিস্তানে চলে এসেছিল দশ লক্ষ বিহারি মুসলমান, সেই থেকে তারা এখানেই। যে পাকিস্তানের জন্য অন্যায় অবিচার করতে বাধেনি বিহারিদের, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সেই পাকিস্তান তাদের দিকে ফিরে তাকায়নি। কিন্তু হায়! বিয়ালি্লশ বছর পেরিয়ে গেছে, আজও বিহারিরা শরণার্থী ক্যাম্পে পড়ে আছে। বিহারিদের মধ্যে একাত্তরে যারা শিশু ছিল, বা একাত্তরের পরে যারা জন্মেছে, তাদের বাংলাদেশের নাগরিক করে নেওয়া হয়েছে, নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশকে নিজের দেশ বলে মনে করে, এ দেশেরই নাগরিকত্ব চায়। কিন্তু পুরোনো বিহারিরা এখনও পাকিস্তানের স্বপ্ন নিয়ে বাঁচে। একদিন পাকিস্তান নামক প্রমিজ ল্যান্ডে বাস করার সুযোগ তাদের হবে, এই স্বপ্ন। বিহারিদের পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়ার পক্ষে চুক্তি হয়েছিলো। ১৯৭২ সালের সেই শিমলা চুক্তির পর ১৯৭৪ সালের এপ্রিল মাসে দিলি্ল চুক্তি হয়েছিল বাংলাদেশ, ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে। তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেই চুক্তিতে সই করেছিলেন। কামাল হোসেন, সরদার শরণ সিং, আজিজ আহমেদ। ১৯৭৮ সালে পাকিস্তানের জেনারেল জিয়াউল হক প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে বিহারিদের পাকিস্তানে নেবেন। ১৯৮৮ সালে পাকিস্তানের আল-আলম আল-ইসলামী বিহারিদের পাকিস্তানে নেওয়ার জন্য কয়েক কোটি টাকার ফান্ড জোগাড় করেছিলেন। ১৯৯৪ সালের মার্চ মাসে ঢাকার পাকিস্তানি দূতাবাস যে বিহারিদের পাকিস্তানে নেওয়া হবে তার একটি লিস্টও বের করেছিলো। ১৯৯১ সালের ১২ নভেম্বর তারিখে পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করেছিল, বিহারিদের পাকিস্তান নেওয়া হবে। ১৯৯২ সালের ১১ আগস্ট তারিখে খালেদা জিয়া যখন পাকিস্তান সফরে গিয়েছিলেন, তখনও পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করেছিলো, বিহারিদের শীঘ্র পাকিস্তানে নেওয়া হবে। নওয়াজ শরিফ প্রতিজ্ঞা করেছিলেন ১৯৯২ সালে, ১৯৯৪ সালের ডিসেম্বরে বেনজির ভুট্টো প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। ১৯৯৫ সালের ২৫ এপ্রিল তারিখে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন বিহারিদের নেবেন। ১৯৯৬ সালের ৮ আগস্ট তারিখে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব নাজিমুদ্দিন শেখ বলেছিলেন নেবেন। নওয়াজ শরিফ যখন দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এলেন, কথা দিয়েছেলেন বিহারিদের নেবেন, তারিখটা ছিল ২৫ মার্চ, ১৯৯৯। আর জেনারেল পারভেজ মুশাররফ যখন বাংলাদেশ সফরে আসেন ২০০২ সালের ৩০ আগস্টে, বলেছিলেন বিহারিদের নেবেন। সরকারি লোকেরা প্রতিজ্ঞাই করে গেছেন, কাজের কাজ কেউ কিছু করেননি। বেসরকারি লোক আল-আলম আল-ইসলামীই বরং কিছু করেছিলেন। তাঁর সহযোগিতায় পঞ্চাশ হাজার বিহারিকে পাকিস্তানে নেওয়া হয়েছিলো। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর সমর্থন পেয়ে পাঞ্জাবে বসতি শুরু করার সুযোগ পেয়েছিল ওই বিহারিরা। নওয়াজ শরিফ এখন তৃতীয়বারের মতো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হলেন। এবার তাঁকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হোক, দু'দুবার প্রতিজ্ঞা করেও যে প্রতিজ্ঞা তিনি রাখেন নি, এবার যেন রাখেন। অনেক সময় তৃতীয়বারে কাজ হয়। শেখ হাসিনা এ নিয়ে নওয়াজ শরিফের সঙ্গে কথা বলুন। আরও দশজনকে বলুন তাঁকে বলতে। যে করেই হোক তাঁকে রাজি করান। মানবজীবন নিয়ে এমন অমানবিক খেলা এবার বন্ধ হোক। পাকিস্তানে পাড়ি দেওয়ার অপেক্ষায় যুগের পর যুগ বসে থাকা বিহারিদের 'উদ্বাস্তু পাকিস্তানি' বলে ডাকা হয়। সারা জীবন উদ্বাস্তু হিসেবে কাটিয়ে দিয়ে উদ্বাস্তু হিসেবেই মৃত্যুবরণ করে। এই বিহারিরা মনে মনে নিজেদের পাকিস্তানের নাগরিক ভেবে সুখ পায় হয়তো, কিন্তু আসলে ওরা কোনও দেশেরই নাগরিক নয়। ওরা পাকিস্তানের নাগরিক নয়, ওরা ভারতের বা বাংলাদেশের নাগরিকও নয়। ওরা অনেকটা ফিলিস্তিনিদের মতো। যারা চিরকালই শরণার্থী ক্যাম্পেই কাটিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের একশ ভাগ নাগরিকই, আমার বিশ্বাস, উদ্বাস্তু ফিলিস্তিনিদের পক্ষে, অনেকে ওদের জন্য চোখের জল ফেলে, অনেকে ওদের মানবাধিকারের পক্ষ নিয়ে অনেক বক্তৃতাও দেয়। কিন্তু চোখের জল ফেলা লোকগুলোর মধ্যে ক'জন দাঁড়ায় রাজ্যহীন রাষ্ট্রহীন বিহারিদের পাশে? কেউ কেউ বলে, বিহারিদের ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হোক। সবাই বিহারি-বোঝাটি নানাজনের ঘাড়ে ফেলে হালকা হতে চায়। ভারত থেকে ধরে ধরে যেখানে বাংলাদেশের মুসলমান তাড়ানো হচ্ছে, সেখানে লক্ষ লক্ষ বিহারি মুসলমানকে ভারত ফেরত নেবে তার তো প্রশ্ন উঠে না। পাকিস্তান যদি এবারও গড়িমসি করে প্রতিজ্ঞা রক্ষা করতে। তবে বাংলাদেশই না হয় দিয়ে দিক সবাইকে নাগরিকত্ব।

বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট নতুন প্রজন্মের বিহারি ছেলেমেয়েদের বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়ার পক্ষে। কিন্তু সবাইকেই নয় কেন। কি কারণে বিহারিরা আজও শরণার্থী ক্যাম্পে পড়ে থাকবে, কার আশায় পড়ে থাকবে! কেউ তো তাদের কোথাও কোনও আশ্রয় দিচ্ছে না। তার চেয়ে যে দেশটায় তারা অর্ধ শতাব্দীরও বেশি হলো বাস করছে, সেই দেশটাই তাদের বরণ করে নিক, ক্ষমাঘেন্না করে নতুন জীবন যাপনের সুযোগ দিক, তাদের নাগরিক করুক। অন্ধকারে ওই গলিগুলোয় পড়ে থাকলে ধর্ম, কুসংস্কার, অবিজ্ঞান আর অশিক্ষায় খেতে থাকে আপাদমস্তক। বাংলাদেশই দেখাক মহত্ত্ব। মানুষগুলোর দুঃসহ দেশহীন বাস্তুহীন জীবনের ইতি ঘটুক। লেখাপড়া করার, চাকরিবাকরি করার, দারিদ্র ঘোচাবার, ব্যাংক একাউন্ট খোলার, ভোটের অধিকারের, মাথা উঁচু করে চলার সুযোগ পাক। পৃথিবীর ধনী এবং বড় দেশগুলো ক্ষুদ্র দরিদ্র বাংলাদেশের কাছ থেকে মানবিকতা শিখুক।

সেদিন মিরপুরের বিহারি ক্যাম্পে শবে বরাতের আতশবাজি নিয়ে কোন্দল হলে দশজন বিহারি মারা গেছে। কেউ কেউ বলছে পুলিশের গুলিতে, নাকি আতশবাজির আগুনে, তা স্পষ্ট নয়। কেউ বলছে, বাঙালিরা মেরেছে, কেউ বলছে, পুলিশ, কেউ বলছে, বিহারিরা নিজেদের মধ্য লড়াই বাধিয়েছিল। কেউ বলছে, একটা ঘরে দশজন বিহারিকে তালাবন্ধ করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানি না সঠিক কী ঘটেছিল। যা কিছুই ঘটুক, চাইলে এই মৃত্যু এড়ানো যেতো বলে আমার বিশ্বাস। তবে এ তো জানিই, বিহারিদের পছন্দ করার লোক বাংলাদেশে খুব একটা নেই। নোংরা জেনেভা ক্যাম্পের বস্তিতে গরু ছাগলের মতো বাস করছে, রিঙ্াচালক, বাস ট্রাকের ড্রাইভার, নাপিত, কসাই, দরজি এ রকম ছোটখাটো কাজ করছে, তাদের পক্ষে কারা আর দাঁড়াবে। আজকাল দরিদ্রর পাশে দরিদ্ররাও দাঁড়ায় না। বাঙালিরা বিহারি পুড়িয়ে মেরেছে এরকম একটা দুঃসংবাদ হাওয়ায় ভাসছে। হিংসে আর ঘৃণা বাঙালির কম নেই জানি, বাঙালি ঠাণ্ডা মাথায় যে কারও গলাই কাটতে পারে। খুন ধর্ষণ তো প্রতিদিনের ঘটনা। কিন্তু বাঙালি তো ভালোও বাসতে জানে, ক্ষমাও করতে পারে। একবার ক্ষমা করে, একবার উদার হয়ে দেখাক। জগত দেখুক।

লেখক : নির্বাসিত লেখিকা

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়