শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২৮ জুন, ২০১৪

বাংলাদেশি সিনেমা লইয়া আমরা কী করিব

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশি সিনেমা লইয়া আমরা কী করিব

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় লড়াই বোধ হয় 'বাংলাদেশ' হয়ে ওঠার লড়াই। এই হয়ে ওঠা কেবল একটা মানচিত্র লাভের মধ্যেই সম্পন্ন হয়ে যায় না। কখনো কখনো মানচিত্র লাভের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মাত্র। এই হয়ে ওঠার সঙ্গে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, দেশি ব্র্যান্ডের প্রতি আনুগত্য, দেশীয় আইকনের প্রতি ভালোবাসা, সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য- এই বিষয়গুলো জড়িত। এই সবগুলো বিষয় মিলিয়ে একটা জাতির নিজস্ব পরিচয় দাঁড়ায়। কোনো ব্যক্তির জীবনে যেমন মোটা ব্যাংক ব্যালেন্সই শেষ কথা নয়, তার একটা দেওয়ার মতো পরিচয় লাগে। একটা দেশেরও তেমনি স্বতন্ত্র পরিচয় তার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের চেয়েও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই পরিচয়ের সংকটটা এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় সংকট হিসেবে আমি দেখি। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে যেমন ভারত-পাকিস্তানের ভূতের আছর দেখি, আমাদের সংস্কৃতির মাঝেও সেটা আছে। এর কিছু কারণ আছে ঐতিহাসিক। আর কিছু কারণ বড় ভাইয়ের ক্ষমতার আছরজনিত হীনম্মন্যতা।

ঐতিহাসিক কারণটা আমরা সবাই জানি। বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তান প্রায় কাছাকাছি সংস্কৃতির। ফলে আমাদের অনেক জায়গায় মিল থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু ভয়ের এবং আশঙ্কার জায়গাটা দ্বিতীয় কারণ, বড় ভাইয়ের ক্ষমতার আছরজনিত হীনম্মন্যতা। পাকিস্তান আমলে একটা শক্তি আমাদের মগজ ধোলাই করার চেষ্টা করেছিল এই বলে বলে যে, উর্দু শ্রেষ্ঠ ভাষা, বাংলা যথেষ্ট সম্মানজনক ভাষা নয়, বাঙালির উৎসবগুলোও পরিত্যাজ্য। এসব করে করে আমাদের মাঝে একদল মানুষকে হীনম্মন্য দাশে পরিণত করা হয়েছিল। আর সেই প্রক্রিয়ায় ধর্মকে হাতিয়ার বানিয়েছিল পাকিস্তানিরা। একাত্তরের স্বাধীনতাযুদ্ধে জয়ের মধ্য দিয়ে বাঙালি সেই দাসত্বকে অস্বীকার করেছিল। সেই জীবাণু একেবারেই মুক্ত করতে পেরেছিল- সেটা অবশ্য বলব না।

ওদিকে আছে আরেক বড় ভাই 'ভারত'। তাদের হাতে অস্ত্র হিসেবে আছে নয়া যুগের নয়া ধর্ম বলিউড আর কলকাতাকেন্দ্রিক উচ্চাঙ্গ সংস্কৃতি। বাংলাদেশের শিল্পী-সাহিত্যিকদের মধ্যে একটা সময় পর্যন্ত এ রকম প্রবণতা ছিল- কোনো লেখা লিখে, গান গেয়ে, নাটক করে তারা কলকাতার সার্টিফিকেটের দিকে তাকিয়ে থাকতেন। এই ধরনের মানসিকতা শিল্প-সাহিত্যের স্বতন্ত্র ধরন তৈরিতে চরম বাধা। আল-মাহমুদ, হুমায়ূন আহমেদ, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, সেলিম আল দীন, আজম খান- এই রকম কিছু শিল্পী-সাহিত্যিকের প্রবল আগমনে সেই ঔপনিবেশিক 'বাঁধন গেল টুটে'। এরপর মধ্যবিত্তের মাথা ওয়াশ করার জন্য ঢুকে গেল নয়া ধর্ম বলিউড আর তার সহযোগী 'ভারতীয় স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল।'

বাংলাদেশের টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রি, তার দুরবস্থা, ভারতীয় চ্যানেলের অবাধ আনাগোনা, আমাদের করণীয়- এসব বিষয় নিয়ে দ্বিতীয় আরেকটা লেখা লিখব। আজকের লেখাটা কেবল সিনেমা নিয়ে।

সিনেমাবিষয়ক আলোচনা শুরু করার আগে একটা বিষয় খোলাসা করে নিতে চাই। কলকাতাকেন্দ্রিক সাংস্কৃতিক বলয়, বলিউড কালচার, ভারতীয় টিভি চ্যানেল- এদের কারও বিরুদ্ধেই আমার কোনো অ্যালার্জি নেই। ওগুলো ভারতের অমূল্য সম্পদ, তাদের পরিচয়। আমার আপত্তির জায়গাটা কেবল ওখানেই যখন দেখি এগুলো আমার পরিচয়ের ওপর চেপে বসছে। আমার আপত্তি আরেক জায়গায়- 'আমাদের হীনম্মন্যতায়'।

আমাদের সিনেমা ঐতিহাসিকভাবেই ভারতীয় ছবির উপনিবেশ। কারণটা খুব সহজ। একটা সময় পর্যন্ত তো আমাদের কাছে পৃথিবী মানেই ছিল 'ভারতবর্ষ'। ফলে ভারতে যে ঢংয়ের ছবি হতো, আমরা সেটাকেই সিনেমার একমাত্র পথ ভেবে নিয়েছিলাম। যে কারণে আমাদের এখানকার ছবির প্রধান ধারা ছিল এবং আছে দুইটা। এক. মুম্বাই ও কলকাতার জনপ্রিয় স্টুডিওগুলোর বানানো ছবি। ইদানীং এটার সঙ্গে তামিল-তেলেগু যুক্ত হয়েছে। দ্বিতীয় ধারাটি হচ্ছে কলকাতাকেন্দ্রিক আর্ট হাউজ ছবি। সত্যজিৎ রায়, ঋতি্বক ঘটক, মৃণাল সেন অনুপ্রাণিত এই তরিকাটা বাংলাদেশে খুব ক্ষীণ ধারায় হলেও বহমান থাকার চেষ্টা করেছে। ফলে দু-একটা ব্যতিক্রম বাদ দিলে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের সিনেমা মোটামুটি ভারতীয় ছবিরই 'ক্লোন কপি' হয়ে থাকার চেষ্টা করেছে। এমনিতেই বাংলাদেশিদের মধ্যে যারা দেশের বাইরে যায় তাদের প্রায়ই একটা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। চেহারা-সুরত এবং ভারতের ব্যাপক পরিচিতির কারণে কখনো কখনো বিদেশিরা আমাদের ভারতীয় মনে করে বসে। তখন সুন্দরভাবে তাদের বুঝিয়ে দিতে হয় 'নারে ভাই, আমরা বাংলাদেশি'। কিন্তু কথা হচ্ছে, আমাদের বেশির ভাগ সিনেমা দেখে কী মনে হয়? বাংলাদেশের ছবি বলে আলাদা কিছু আছে বা বাংলাদেশ নামে আলাদা কোনো দেশ আছে?

পরিস্থিতির ভয়াবহতা টের পাওয়া যায় আরেকটু গভীরে তাকালে। ভারতের অনুকরণে ছবি কেন হচ্ছে সেটার বাস্তব কারণ তো আমরা জানি। এটাকে আমি বড় অসুখ মনে করি না। বড় অসুখ হলো সেই 'ধারণাটা' যেটা সফলভাবে আমাদের মাথার মধ্যে স্থাপন করা গেছে। সেই ধারণাটা কী? সেটা হলো ছবি দেখতে বলিউড বা নিদেনপক্ষে কলকাতা আর্ট হাউসের মতো না হলে ওটা কোনো ছবিই হয়নি।

আমার ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই যখন আমি এই দুই স্কুলকেই অগ্রাহ্য করে আমার হৃদয়ের স্কুলকে অনুসরণ করলাম তখন থেকে আমি দুই শিবির থেকেই গালি খেয়ে আসছি। কিন্তু আমার শক্তি আর ভরসা ছিল বাংলাদেশের লাখ লাখ মধ্যবিত্ত শিক্ষিত তরুণ। আমি জানতাম পরিবর্তন আসবে এই দর্শকদের কারণেই। ব্যাচেলর থেকে শুরু করে টেলিভিশন পর্যন্ত দর্শক গ্রাফের দিকে যদি তাকাই তাহলে এ কথা নির্দ্বিধায় বলতে পারি- বাংলাদেশের সব দর্শকই কেবল বলিউড বা কলকাতা আর্ট হাউসের কপি দেখতে চায় তা না। বাংলাদেশে একটা বিশাল শিক্ষিত তরুণ দর্শক শ্রেণী গড়ে উঠেছে, যারা দ্বীন-দুনিয়ার সব ছবিরই খবর রাখে। এরা যে কোনো নতুন ঢংয়ের বুদ্ধিদীপ্ত ছবি দেখার জন্য তিন দিন লাইন ধরে টিকিট সংগ্রহ করতে পারে। এরা যে কোনো জেলা শহরে আপনার 'দলছুট বা প্রথাবিমুখ' ছবি তিন সপ্তাহ হাউসফুল করে রাখতে পারে।

তাহলে দেখা যাচ্ছে আমাদের নতুন ছবির দর্শক ক্রমবর্ধমান। তাহলে সিনেমার বিপ্লবের জন্য আর কী লাগে? আর তিনটি জিনিস লাগে- নতুন দিনের ছবির নির্মাতা, সরকারি নীতির পৃষ্ঠপোষকতা এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা।

নতুন দিনের ছবির নির্মাতাদের মধ্যে আমি এমন অনেককে জানি যারা ক্ষমতা থাকার পরও সেই 'কপি ক্যাট' ধারারই ছবি করতে গেছেন। নিশ্চিত লাভের আশায় এবং শেষমেশ ধরা খেয়েছেন। আবারও বলি, আমি বলছি না একদিনেই বাংলাদেশের ৮০ ভাগ ছবি ভারতীয় আছরমুক্ত হয়ে উঠবে। ইন্ডাস্ট্রি বাঁচিয়ে রাখার জন্য ভারতের অনুকরণে ছবি বানানোও আপাতত অব্যাহত থাকতে হবে। কিন্তু নিদেনপক্ষে ২০ ভাগ ছবি তো হতে পারে নতুন ঢংয়ের। যেখানে রোম্যান্টিক, অ্যাকশন, কমেডি, থ্রিলার, ড্রামা সব রকম ছবিই থাকতে পারে। সেই ২০ ভাগ ছবি হচ্ছে কোথায়? নাকি এই ২০ ভাগ ছবি বানানোর মতো পরিচালক আমাদের দেশে নেই? এখানে বড় কারণটা বোধহয় সাহসের অভাব। আমাদের নতুন পরিচালক ভাইদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, 'এসো ভাই, একটু দুঃসাহসী হই। গল্পের ওপর ভরসা রাখি, ফর্মুলার ওপর না।' আর যারা তথাকথিত মূল ধারার নামে বলিউড আর তামিল-তেলেগু কপি করছেন, তাদের বলতে চাই 'এসো ভাই, গল্পটা নিয়ে একটু ভাবি।'

এবার আসি গণমাধ্যমের ভূমিকায়। আমার মনে হয় এই মুহূর্তে আমাদের গণমাধ্যম পাল্লা দিয়ে আত্দহননের প্রতিযোগিতায় নেমেছে। বাংলাদেশের পত্রিকার বিনোদন পাতা পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন না এটা বাংলাদেশের পত্রিকা নাকি ভারতের কোনো রাজ্যের। নিজের শিল্পী, নিজের আইকন, নিজের তারকাকে তৈরি এবং লালন-পালন করা একটা দেশের গণমাধ্যমের পবিত্র দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব আজ যেন অন্য কোনো টানে খসে পড়ছে। গণমাধ্যমের সম্পাদক ভাইয়েরা কি একটু ভাববেন? আমাদের সিনেমা ভালোভাবে দাঁড়াতে গেলে আপনাদের ঠিকঠাক ভূমিকা রাখা খুব দরকার।

লেখাটা খুব দ্রুত শেষ করতে হবে। তাই সরকার বাহাদুরের উদ্দেশে টপাটপ কয়েকটা পরামর্শ লিখেই আজকে বিদায় নিব।

১। আপনাদেরকে সবার আগে বুঝতে হবে আপনারা বাংলাদেশের সরকার। বাংলাদেশের সিনেমার উন্নতি হয় এমন উদ্যোগ নেওয়াই আপনাদের কাজ। কলকাতার ছবির বাজার তৈরি করা আপনাদের কাজ না। ওটা কলকাতার সরকারের কাজ। দয়া করে 'প্রতিযোগিতা' এবং 'সিনেমা হল বাঁচানোর' মতো হাস্যকর কথা বলবেন না। এর উত্তর বহু টকশোতে দিয়েছি। নতুন করে আর না পেঁচাই। শুধু এটুকু বলি দুনিয়ার যে কোনো সরকার আপনাদের এই কথা শুনলে হাসবে।

২। নিতান্তই যদি ভারতীয় ছবি আপনাদের আমদানি করাই লাগে তাহলে একটা নির্দিষ্ট সংখ্যায় সেটা বেঁধে দিতে হবে। যেমন- চীনে এখন বিদেশি ছবি আমদানির সর্বোচ্চ অনুমোদিত সংখ্যা ৩৪। এটা চীনে উৎপাদিত মোট ছবির পাঁচ শতাংশের মতো আর থিয়েটারে মুক্তি পাওয়া চীনা ছবির মাত্র ১০ শতাংশ। উল্লেখ থাকে যে, গত বছর চীনে মোট ছবি উৎপাদিত হয়েছে ৭৪৫টি। এর মধ্যে থিয়েটারে মুক্তি পেয়েছে ৩১৫টি। চীন এখন দুনিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম সিনেমার বাজার। কার্যকর অনুদান পদ্ধতি, দেশি ছবির জন্য প্রযোজক এবং হল মালিককে দেওয়া কর-রেয়াত, টিকিট বিক্রি হিসেবে চুরি ঠেকানোর ব্যবস্থা- এসব নানান উদ্যোগ নিয়ে তাদের ইন্ডাস্ট্রিকে তারা গত ১০ বছরের মাঝে সবচেয়ে চাঙ্গা ইন্ডাস্ট্রি এবং বাজারে পরিণত করেছে। আপনারাও একটু উদ্যোগী হন।

৩। ভারতীয় ছবি আমদানির সংখ্যা নির্ধারণের পাশাপাশি উচ্চ করারোপ করা যেতে পারে। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে যেমন নিজের ভাষা এবং সংস্কৃতি বাঁচানোর জন্য অন্য রাজ্যের ছবির ওপর উচ্চ করারোপ করে সেটা করতে হবে।

৪। ভারতে আমাদের ছবি চালানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ছবি বিনিময়ের নামে বহরমপুরে একটা হলে একদিন ছবি দেখিয়েই নামিয়ে নিয়ে বলবেন- 'চালিয়েছি তো, দাদা।' সেটা হবে না। যদি বলেন 'কি করব দাদা, লোকে দেখে না আপনাদের দেশের ছবি', তাহলে আমাদের সরকারের উত্তর হতে হবে 'তাহলে ছবি বিনিময়ের কী দরকার? আপনাদের বাজার আপনাদের থাকুক। আমাদের বাজার আমাদের থাকুক।'

৫। ভারতে আমাদের টিভি চ্যানেলগুলো চলছে এটা আমরা দেখতে চাই। শুভঙ্করের অঙ্ক শুনতে চাই না। কলকাতার পত্রিকাগুলোয় আমাদের সংবাদের গুরুত্ব দেখতে চাই। আমাদের পত্রিকার পাতা তো আমরা সঁপে দিয়েছি। এবার কলকাতাকে তার পাতায় আমাদের স্বাগত জানাতে হবে। তবেই না হবে দোস্তি। আমরা দোস্তি চাই। এবার তোমরা যে চাও সেটা বোঝাও।

৬। সিনেমা হলের ওপর কর মওকুফ করা হয়েছে। আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু ছবিটা যে বানাবে সেই প্রযোজকের কর মওকুফ করাটা আরও জরুরি।

৭। সিনেমা হল মনিটর করার জন্য একটা টিম তৈরি করতে হবে। যারা প্রজেকশন, টিকিট, হলের পরিবেশ সব মনিটর করবে। এদের রিপোর্টের ওপর কর মওকুফ নির্ভর করবে। ঢালাও কর মওকুফে ফায়দা হবে না।

৮। সিনেমা হলগুলোতে বিদেশি ছবির প্রদর্শনী সংখ্যা একটা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে আনতে হবে। ধরা যাক নূ্যনতম ৭০ ভাগ দেশি ছবির জন্য বরাদ্দ থাকতে হবে। অন্যথায় নগদ জরিমানা।

৯। বাজার অর্থনীতির দেশ মানে সরকারের হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকা না। এশিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বাজার অর্থনীতির দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার একটা উদাহরণ দিতে চাই। কোরিয়া সরকারের উদ্যোগে সারা দেশে 'ইন্ডি প্লাস' নামে একটা থিয়েটার চেইন গড়ে তোলা হয়েছে যেখানে তারা ভালো ভালো সব ছবি দেখায়। এমন কি কোরিয়ান সমাজ এবং সরকারের সমালোচনামূলক ছবিও সেসব থিয়েটারে বিনা বাধায় প্রদর্শিত হয়। আমাদের সরকারের উদ্যোগে ৬৪টি জেলায় এ রকম মাল্টিপ্লেঙ্ গড়ে তুলতে হবে। এগুলোর মালিকানা সরকারের হাতে থাকবে কিন্তু অপারেশন দরপত্রের মাধ্যমে বেসরকারি কোম্পানির হাতে তুলে দিতে হবে। তবে সে ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে কোনো ধরনের মনোপলি বা এক কোম্পানির হাতে যেন না পড়ে। কারণ ফিল্ম ডিস্ট্রিবিউশন চেইনের ক্ষেত্রে মনোপলি হচ্ছে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর জিনিস। এসব থিয়েটারে জনপ্রিয় এবং আর্ট হাউস সব ধরনের ছবিরই প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রাখতে হবে।

১০। দুনিয়া এখন চলে যাচ্ছে অনলাইনে। অনলাইন আইন কঠোর করে এবং আইন ভঙ্গকারীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে 'অনলাইন স্ক্রিনিং' বা 'ভিডিও অন ডিমান্ড' সাইটের প্রসার ঘটাতে হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে অনলাইনে কন্টেন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে আমাদের সিনেমার শক্তি এবং বাজার আরও বাড়বে। ধরা যাক, বাংলাদেশে আমার ছবিটা মুক্তি পেল যেদিন সেদিনই অনলাইনে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে আমেরিকা-কানাডা-অস্ট্রেলিয়া-লন্ডন-মধ্যপ্রাচ্য সব জায়গা থেকে বাঙালির ছবিটা দেখতে পাবে। আমি জানি এই পদ্ধতিতে কীভাবে পাইরেসি হতে পারে। পাশাপাশি এটাও জানি এটার সম্ভাবনা কমানোরও উপায় আছে। আমাদের তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক একজন আধুনিক তরুণ মানুষ। উনি, তথ্য মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশি তথ্য প্রযুক্তিবিদ এবং সিনেমা-সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটা কার্যকরী কমিটি করলে এটা খুব সহজেই বাস্তবায়ন সম্ভব এবং এতে আমাদের সিনেমার বাজার অনেকগুণ প্রসারিত হয়। সারা দুনিয়াতেই অনলাইন স্ক্রিনিং একটা বড় ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ কি এই জিনিস ছাড়া সম্ভব হবে? কিছু দিন আগে আল-জাজিরা ইংলিশ চ্যানেল আমার ওপর একটি প্রতিবেদন প্রচার করেছে। সেখানে তারাও নিউওয়েভ বাংলাদেশি সিনেমার কথা বলছিল। আমাদের সব সম্ভাবনা থাকার পরও এসব ওয়েভ হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে যদি সরকার বাহাদুর সঠিক নীতিমালা তৈরি না করে।

লেখক : চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়