শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ৩০ জুন, ২০১৪

বান কি মুন কি বাংলাদেশে গৃহযুদ্ধ দেখতে চান!

মেজর (অব.) মো. আখতারুজ্জামান
অনলাইন ভার্সন
বান কি মুন কি বাংলাদেশে গৃহযুদ্ধ দেখতে চান!

সম্প্রতি জাতিসংঘ সদর দফতরে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মহাসচিব বান কি মুনের সঙ্গে এক আলোচনায় আগামী নির্বাচনের আগে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অবশ্যই আলোচনা হবে বলে জানান। দেশের সংবিধান মোতাবেক রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা অনুযায়ী তিনি সঠিক কথাই বলেছেন। সংবিধানের পঞ্চম ভাগে আইনসভা এবং তার প্রথম পরিচ্ছেদ- সংসদ গঠনের সাংবিধানিক ক্ষমতার ৬৫ (১) ধারায় পরিষ্কার বলা আছে যে, 'জাতীয় সংসদ নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে'। একই ধারার (২) উপধারায় বলা আছে, 'একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকারিতা কালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন'।

রাষ্ট্রপতি সংসদ গঠনের জন্য সংবিধানের ১১৯(১)(খ) ধারায় সংসদ-সদস্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সংবিধানের ১১৮ ধারা অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগদান করে সবাইকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করে দিয়েছেন। ওই নির্বাচন কমিশন ৫ জানুয়ারি-২০১৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করিয়ে সর্বসম্মতি সিদ্ধান্তে ওই নির্বাচনকে বৈধ বলে ঘোষণা ও স্বীকৃতি দিয়েছেন। যদিও অনেক রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি ওই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। এমন কি অনেক রাজনৈতিক দল তখন নির্বাচন প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে কিন্তু সাংগঠনিক অক্ষমতার কারণে সেদিন তারা নির্বাচন প্রতিহত করতে পারেনি যা ছিল ওই সব দলের ব্যর্থতা। সেদিন কিন্তু জাতিসংঘের প্রতিনিধি তারানকো দুটি বড় দলের সাধারণ সম্পাদক ও মহাসচিবের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক ও সংলাপ করে সবাইকে নির্বাচনে নিয়ে আসতে পারেননি। তারানকো তার ব্যর্থ মিশনের পরে সংবাদ সম্মেলনে সবাইকে নির্বাচনে নিয়ে আসতে না পারার কথা স্বীকার করে সরকারকে একতরফা নির্বাচনের কথা বলে গিয়েছিলেন। তিনি ১১ ডিসেম্বর-২০১৩ তারিখে বলে গিয়েছিলেন 'বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট-কাল উত্তরণের সমাধান রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং আপসমূলক মনোভাব' এবং তিনি আরও বলেছিলেন, 'বর্তমান সংকট-কাল উত্তরণের জন্য প্রয়োজন লাগাতার সংলাপ যা আমি সফলতার সঙ্গে শুরু করে যেতে পারলাম'। সেদিন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেছিলেন, 'নেতৃত্বের বিষয়টিই সংকটের মূল কারণ'। তারানকোর বক্তব্যের প্রতিবাদ করে ১২ ডিসেম্বর-২০১৩ তারিখে ফেসবুকে একটি স্টেটাস দিয়েছিলাম এবং এর কপি জাতিসংঘের ই-মেইলেও পাঠিয়েছিলাম। তারানকো সেদিন ওই সময়কার রাজনৈতিক সংকট-কালের জন্য বিএনপির নেত্রীকেই দায়ী করে সরকারকে একতরফা নির্বাচনের সবুজ সংকেত দিয়ে গিয়েছিলেন। কোনো সদাশয় মহোদয় এ ব্যাপারে বিস্তারিত অবগত হতে আগ্রহান্বিত হলে ১২ ডিসেম্বর-২০১৩ তারিখের আমার স্টেটাসটি দেখার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ রাখব।

সংলাপ একটি চলমান প্রক্রিয়া। কোনো বিষয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ঐকমত্যে পেঁৗছতে হলে সংলাপের চেয়ে ভালো কোনো বিকল্প নেই এবং এটি জানার জন্য বাল্যশিক্ষারও প্রয়োজন নেই। তবে শক্তির কাছে যে সংলাপের কোনো গুরুত্ব নেই তা জানার জন্য অনেক বিদ্যা-বুদ্ধির প্রয়োজন পড়ে, তা না হলে মার খেয়ে সে সত্যি উপলব্ধি করতে হয়।

কোনো রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বিএনপির সঙ্গে সংলাপের কোনো প্রয়োজনীয়তা বর্তমান সরকার মনে করেনি। প্রধানমন্ত্রী যোগ্যতার সঙ্গে রাজনৈতিক সংকট-কাল অতিক্রম করে আসছেন। বিএনপি শত চেষ্টা করেও প্রধানমন্ত্রীর সফলতায় কোনো বাধা সৃষ্টি করতে পারছে না। আগামী সাড়ে চার বছরেও প্রধানমন্ত্রী বিএনপিকে কোনো সমস্যা মনে করছেন না, এমন কি আগামীতে তিনি বিএনপির অস্তিত্বই দেখতে পাচ্ছেন না। বিষয়টি কোনো ভবিষ্যৎ কল্পকথা নয়। বিএনপির বর্তমান হাল-হকিকত, সাংগঠনিক ক্ষমতার ধস, পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের তীব্র অভাব, নবীন ও প্রবীণদের মধ্যে পারস্পরিক অশ্রদ্ধা, দলের ওপর চেয়ারপারসনের দুর্বল নিয়ন্ত্রণ, যোগ্য উত্তরসূরির অনিশ্চিত রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং সর্বোপরি তথাকথিত আন্দোলনের ফাঁকা বুলি প্রধানমন্ত্রীর আস্থা অনেক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বিএনপিকে এখন আর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মনে করেন না এবং মনে করার কোনো কারণও নেই। তাই বিএনপি কোনো রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করতে পারবে বলে প্রধানমন্ত্রী মনে করেন না। যার ফলে বিএনপির সঙ্গে সংলাপের কোনো আগ্রহ প্রধানমন্ত্রীর নেই।

সংলাপের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বসে নেই। তিনি ভালো করেই জানেন আগামী দিনে তাকে সামলাতে হবে কোনো বড় রাজনৈতিক সমস্যা। তাই তিনি ইতিমধ্যেই ওই সমস্যার একটি আপস সমাধানের লক্ষ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হয়তো মনে করেন জামায়াত আগামী দিনে তার অগ্রযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ওই বাধাকে অতিক্রম করার জন্য তিনি যে ইতিমধ্যেই জামায়াতের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে সংলাপ শুরু করে দিয়েছেন এবং সেই সংলাপের সুফলও তিনি পাচ্ছেন তার ইতিবাচক নিদর্শন পরিলক্ষিত হচ্ছে। জামায়াত প্রকাশ্যে বিএনপির সঙ্গে ঐক্য ভেঙে চলে না এলেও ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পরে প্রকাশ্যে বিএনপির সঙ্গ ছেড়ে একা চলা শুরু করে দিয়েছে। ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে না গেলেও গত উপজেলা নির্বাচনে বিএনপিকে নামিয়ে দিয়ে জামায়াত আলাদাভাবে নির্বাচন করে জয়ের সুফল তার নিজ ঘরে তুলে নিয়েছে। জামায়াত তথাকথিত আন্দোলনের পথ ছেড়ে দিয়ে সম্পূর্ণ উল্টা পথে সরকারের সঙ্গে হাত মিলাতে তাদের নতুন রাজনীতি শুরু করেছে। বিএনপির সঙ্গে গত পাঁচ বছরে ঐক্যবদ্ধভাবে সর্বাত্মক সহিংস আন্দোলন করেও যুদ্ধাপরাধের বিচারের করালগ্রাস থেকে তাদের নেতাদের ও দলকে বাঁচাতে প্রচণ্ডভাবে ব্যর্থ হয়েছিল। জামায়াতের মূল চালিকাশক্তি গোলাম আযম বৃদ্ধ বয়সে কারা নির্যাতন ভোগ করছেন। জামায়াতের প্রধান থেকে শুরু করে প্রায় সব শীর্ষনেতাই মৃত্যুদণ্ডের পরোয়ানা নিয়ে কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্ঠে দিনাতিপাত করছেন। ইতিহাসের ভয়ংকরতম সহিংস আন্দোলন করেও জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার ফাঁসি ঠেকানো যায়নি। আন্দোলনের ব্যর্থতার জন্য জামায়াত মূলত বিএনপিকে দায়ী করে। তাই জামায়াত বিএনপিকে ছেড়ে দিয়ে তথাকথিত সহিংস আন্দোলনের পথ পরিহার করে ক্ষমতায় যাওয়ার লিপ্সার রাজনীতি থেকে সরে এসে আবারও অস্তিত্ব রক্ষার রাজনীতি চরম বাস্তবতার আলোকে গ্রহণ করেছে। ৫ জানুয়ারির পরে জামায়াত বিএনপির কোনো কার্যক্রমে তেমন কোনো অংশগ্রহণ করেনি এবং আলাদাভাবে উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণ ছাড়া সরকারবিরোধী কোনো প্রকার আন্দোলনেও অংশ নেয়নি। সরকারের সঙ্গে অাঁতাতের নতুন রাজনীতির সুফল জামায়াত ইতিমধ্যেই দর্শনীয়ভাবে পেতে শুরু করেছে। আইনমন্ত্রী ঢাকঢোল পিটিয়ে জাতিকে জানিয়ে দিয়েছেন জামায়াতকে যুদ্ধাপরাধী বা মানবতাবিরোধী দল হিসেবে নিষিদ্ধ করার আইনগত ক্ষমতা সরকারের নেই। ব্যাপক আন্দোলন করেও হেফাজতে ইসলামের মতো একটি বিশাল ধর্মীয় শক্তি যেখানে গণজাগরণ মঞ্চকে শাহবাগ থেকে একচুলও নড়াতে পারেনি, সরকার সেখানে নিজে থেকেই তারুণ্যের নতুন মুক্তিযোদ্ধা গণজাগরণ মঞ্চকে ঠেঙ্গিয়ে নরসিংদী নিয়ে গেছে। জামায়াতের আমির নিজামী সাহেবের অসুস্থতার জন্য রায়ের তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে তড়িঘড়ি করে দেওয়া ফাঁসির আদেশের আপিল এখনো সদয় বিবেচনাধীন। সচেতন মানুষের ধারণা, ফাঁসির আদেশের আপিল হয়তো অনেক ধুলার নিচে মাটিচাপা পড়ে যেতে পারে।

জামায়াতকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সামনে সমস্যা বা সংকটের মূলত দুটি দিক। প্রথমত হলো, প্রধানমন্ত্রী যদি তার ধর্মনিরপেক্ষ ধর্মহীন শুভাকাঙ্ক্ষীদের কথামতো জামায়াতকে নিষিদ্ধ ও যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি কার্যকর করেন তাহলে জামায়াত দেশে কতটা সংকট সৃষ্টি করতে পারবে এবং ওই সংকট উত্তরণে কী পরিমাণ মূল্য পরিশোধ করা প্রয়োজন পড়বে। দ্বিতীয়ত ধর্মনিরপেক্ষ ধর্মহীন শুভাকাঙ্ক্ষীদের কথামতো জামায়াতকে নিষিদ্ধ ও যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি কার্যকর না করেন তাহলে তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার জন্য কতটুকু সংকট সৃষ্টি করতে পারবে এবং সেই সংকটে প্রধানমন্ত্রীর কতটুকু ক্ষতি হবে। উভয়দিকের সংকটের চুলচেরা বিশ্লেষণই বর্তমান রাজনীতিতে সংলাপের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করে দিবে। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে পরিকল্পনার ছক অাঁকছেন যদিও অতি উৎসাহীরা মাঝে-মধ্যে ছন্দপতন ঘটাচ্ছে। তবে প্রধানমন্ত্রী তাতে খুব বিচলিত বলে মনে হয় না।

জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনের সঙ্গে আলাপচারিতায় সংলাপ নিয়ে রাষ্ট্রপতির প্রকাশ্য বক্তব্য দেওয়ার পরে একই ব্যাপারে বিপরীত বক্তব্য দেওয়ায় মহাসচিবের অসৌজন্যমূলক আচরণ হিসেবে তা জনগণের সামনে ফুটে উঠেছে। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এই রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিও সার্বভৌম ও স্বাধীন। রাষ্ট্রপতির বক্তব্য জনগণের বক্তব্য। রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে জনগণ দুঃখ ও কষ্ট পেতে পারে, এমনকি সেই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমতও পোষণ করতে পারে কিন্তু তা কখনোই অমান্য করতে পারে না। রাষ্ট্রপতি বান কি মুনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছিলেন এবং সেই সাক্ষাতের আলোচনাও ছিল সৌজন্যমূলক। কিন্তু বান কি মুন সাহেব সেই আলোচনায় প্রকাশ্যে বিরোধিতা করে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি যে বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব দেখিয়েছেন তা সত্যিই নিন্দনীয়। বান কি মুন ন্যক্কারজনকভাবে বাংলাদেশের বর্তমান শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্ট করার লক্ষ্যে তথাকথিত সংলাপের নামে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীকে উসকিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করেছেন। জাতিসংঘ একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান, যার অন্যতম লক্ষ্য হলো প্রতিটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় অশান্তি থেকে প্রতিটি রাষ্ট্রকে মুক্ত রাখা। ৫ জানুয়ারি-২০১৪ সালের আগে বাংলাদেশে যখন প্রচণ্ড সহিংস রাজনীতি চলছিল তখন পরম পরাক্রমশালী মহাসচিব সেই সহিংসতা নিরসনে কিছুই করতে পারেননি। তিনি তখন দেশের সাধারণ জনগণের জানমাল রক্ষায় কিছুই করেননি। অথচ বান কি মুন সাহেবের বিশেষ দূত তারানকো তখন বলেছিলেন, 'বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট-কাল উত্তরণের সমাধান রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং আপসমূলক মনোভাব' এবং 'নেতৃত্বের বিষয়টিই সংকটের মূল কারণ'।

সেদিন তারানকো নেতৃত্বের বিষয়টি সংকটের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে সংকট উত্তরণের সমাধান রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং আপসমূলক মনোভাব বলে প্রেসক্রিপশন দিয়েছিলেন। সে প্রেসক্রিপশন মোতাবেক দেশের রাজনীতিতে শান্তি ফিরে এসেছে। স্বভাবতই বান কি মুনের উসকানিমূলক বক্তব্যের হেতু নিয়ে জনমনে ভীতি সঞ্চারিত হয়েছে।

৫ জানুয়ারি সংসদ নির্বাচন সাংবিধানিকভাবে হয়েছে এবং উচ্চ আদালতও এই সংসদকে বৈধতা দিয়েছে। আমি হয়তো ব্যক্তিগতভাবে এই সংসদকে মেনে নিচ্ছি না। আমার ব্যক্তিগত মতামত- এই সংসদ নির্বাচন আমার সুবিধামতো হয়নি এবং এ জন্য সংসদ নির্বাচনে আমি অংশগ্রহণ করিনি। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই নির্বাচন প্রতিহত করারও চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত নির্বাচন প্রতিহত করতে পারিনি এবং সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য হলো নির্বাচন প্রতিহত কর্মকাণ্ডে আমাকে সাহায্য করতেও কেউ এগিয়ে আসেনি। মনে হয় আমার এই ব্যক্তিগত অবস্থানের সঙ্গে বাংলাদেশের অনেক সাধারণ মানুষ একমত আছেন, হয়তো দেশের জ্ঞানী, গুণী ও বরেণ্য ব্যক্তিরাও একমত, সুশীল সমাজের বাঘা বাঘা সচেতন বুদ্ধিজীবীরাও একই মত পোষণ করেন, হয়তো অনেক রাজনৈতিক নেতাও একমত। কিন্তু আমরা তো সম্মিলিতভাবে কেউ এক পতাকার তলে দাঁড়িয়ে নির্বাচনের বিপক্ষের শক্তিকে প্রমাণ করতে পারিনি। গণতন্ত্রের হিসাব বড় বেশি অসভ্য, মূর্খ, অশালীন এবং জঙ্গি! গণতন্ত্রে মাথাগুলো কাদের সেটি বিচার্য নয়, মাথা কতগুলো সেটি বিচার্য। ঘরে বসে লক্ষ কোটি না এর কোনো মূল্য নেই। কিন্তু ব্যালট পেপারে একটি নাম বা মার্কা এবং স্বচ্ছ ব্যালট বাঙ্ েএকটি সিল মারা ব্যালট পেপারই বিজয়ের জন্য যথেষ্ট। এই বিজয় বক্তৃতা, বিবৃতি, সেমিনার-সিম্পোজিয়াম বা প্রেসক্লাব বা গণমাধ্যমে সুন্দর সুন্দর বা তির্যক বচন প্রয়োগ করে ঠেকানো যাবে না, ঠেকাতে হলে রাজপথে মাথা গুনতে হবে এবং সেই মাথার কতগুলো রাজপথে লুটে পড়েছে তার হিসাব করতে হবে। তাই বান কি মুন সাহেব বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ পাল্টাতে রাজপথে মাথা গোনার জন্য সংলাপের তাগিদ দিচ্ছেন।

বর্তমান সরকার পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকলে জাতিসংঘের সমস্যা কোথায়? আমরা যারা এই সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসতে চাই আমরাও তো সাত বছর আগে ক্ষমতায় ছিলাম। ওই সময় তো বান কি মুন সাহেবই জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন। কই সেদিন তো তিনি আমাদের পাশে এসে দাঁড়াননি। এমনকি বর্তমান সরকারি দলের পক্ষেও দাঁড়াননি। উল্টা উভয় দলের নেতা-কর্মীদের ঠেঙ্গাতে সেনাবাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন। কিন্তু সেদিন দেশের সাধারণ জনগণের সামনে সেনাবাহিনীকেও ঠেকিয়ে রাখতে তো পারেনইনি, উল্টা সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি এমনভাবে নষ্ট করে দিয়েছেন যে, এখনো তা পুনরুদ্ধার করতে পারা যায়নি। সরকার পাঁচ বছরের মাথায় নির্বাচন দিতে সাংবিধানিকভাবে বাধ্য। কিন্তু পাঁচ বছরের আগে নির্বাচন দিতে হলে জনগণকে রাস্তায় নেমে সহিংস আন্দোলন করে সরকারকে বাধ্য করতে হবে। সরকার নিশ্চয়ই সুবোধ বালকের মতো বসে বসে সেই আন্দোলন গড়ে ওঠা দেখবে না। আন্দোলন ও আন্দোলন ঠেকাও- এই নিয়ে বাধবে লড়াই। সৃষ্টি হবে অশান্তির। সাম্প্রতিক সময়ের ইউক্রেন ও ইরাকের অভিজ্ঞতা আমাদের আগাম সতর্কতা দিচ্ছে অভ্যন্তরীণ লড়াইয়ে পাশের শক্তিধররা যে কোনো পক্ষকে সাহায্য করতে এতটুকু দেরি করবে না। তাই কি সংলাপের এত প্রয়োজনীয়তা? তাবৎ বিশ্ব জানে, হয় সংলাপ যুদ্ধের আগে হবে, না হলে যুদ্ধের পরে হবে। সংলাপ করে যদি ফায়সালা না হয় তা হলে তো যুদ্ধ করেই ফায়সালা করতে হবে এবং আবার সংলাপ করে যুদ্ধ থামাতে হবে।

এখন তো আমাদের কোনো যুদ্ধ নাই, তা হলে কি আগামীতে কোনো যুদ্ধের পূর্বাভাস দেখতে পাচ্ছেন যুদ্ধের বাজারের সওদাগর বান কি মুন!

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য, কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী)।

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়