শিরোনাম
- ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
- ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
- মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
- পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
- আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
- কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
- শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
- নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
- নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
- গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
- রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
- বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
- গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
- জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
- চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
- ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
- কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
- বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
- জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ
- চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড
প্রয়োজন আস্থার রাজনীতি : মিন্টু
অনলাইন ভার্সন

দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে আস্থার রাজনীতি না ফিরলে বিনিয়োগ কোনোভাবেই হবে না বলে মনে করেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু। আস্থার রাজনীতিতে ফিরলেই বিনিয়োগ হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গ্যাস-বিদ্যুৎ-জমিসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো চাইলেই পাওয়া যাচ্ছে না। এর অভাবে বিনিয়োগ হয় না। অনুৎপাদনশীল খাতে নামমাত্র বিনিয়োগ হলেও উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ নেই। বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে গতকাল আলাপকালে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, সরকারকে সংলাপের মাধ্যমে ভালো নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। অতিসত্বর সব দলের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে হবে। তবেই অর্থনীতি এগিয়ে যাওয়ার মতো সহায়ক পরিবেশ তৈরি হবে। দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীরা যাতে নিশ্চিন্তে বিনিয়োগ করতে পারেন, সে পরিবেশ সরকারকেই তৈরি করতে হবে। বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা বলেন, যেসব দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বেসরকারি খাতের মাধ্যমে হয়, সেগুলোয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক বেশ ভালো। বাংলাদেশেও এমনটা হওয়া উচিত। তবে বাংলাদেশে সমস্যা হলো, এখানে পুরো জাতি বিভক্ত। সবখানে বিভক্তি রেখে অর্থনীতি এগিয়ে নেওয়া কষ্টকর। তাই অর্থনীতি এগিয়ে নিতে পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকেই। বেসরকারি বা ব্যক্তি খাতে উৎসাহ প্রদান প্রসঙ্গে দেশের শীর্ষ এই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, বেসরকারি খাতকে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেওয়ার জন্য দরকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। বাজেটে দু-একটা খাত রাজস্ব সুবিধায় উপকারভোগী হতে পারে। কিন্তু সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি আনতে দরকার ভালো মুদ্রানীতি। এ নীতিতে অবশ্যই ব্যাংক-ঋণের সুদের হার কমিয়ে আনতে হবে।
বিনিয়োগের জন্য ঋণের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি এমন ভালো রাজস্ব-নীতি থাকতে হবে, যাতে ব্যাংক থেকে সরকারকে ঋণ কম নিতে হয়। আবার ঋণ নিলেও তা যেন বিনিয়োগবান্ধব ও উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করা হয়।
আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, বর্তমানে দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজ স্থিতিশীল এ কথা বলা যাবে না। আসলে সমাজ ভয়ে ভীত। একটা সমাজকে ভীতিকর অবস্থায় রেখে, অস্থিতিশীল রেখে দেশ, অর্থনীতি, সমাজ সামনের দিকে গতি সঞ্চার করবে না। এ অবস্থায় যত ভালো বাজেট প্রণয়ন করা হোক না কেন, আগে স্থিতিশীল ও উন্নয়নের সে াতধারামুখী সুষ্ঠু প্রগতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
এই বিভাগের আরও খবর