শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০১৪

নরেন্দ্র মোদির উপদেষ্টা এম জে আকবর

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
নরেন্দ্র মোদির উপদেষ্টা এম জে আকবর

ভারতের মহামান্য রাষ্ট্রপতি শ্রী প্রণব মুখার্জির এডিশনাল প্রাইভেট সেক্রেটারি প্রদ্যুৎ গুহর ছেলে অভিমন্যুর বিয়েতে ২ আগস্ট দিল্লি গিয়েছিলাম। ৩ আগস্ট রাষ্ট্রপতি ভবনের আর বি ক্লাবের খোলা মাঠে এক বিশাল আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। শ্রী প্রদ্যুৎ গুহ অনেক বছর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আছেন। আমি যখন ভারতে নির্বাসিত ছিলাম তখন তিনি পশ্চিমবঙ্গ যুব কংগ্রেসের খুবই জনপ্রিয় সভাপতি ছিলেন। তাই তার একমাত্র ছেলের বিয়েতে উপস্থিত থাকার আহ্বান উপেক্ষা করতে পারিনি। কয়েক হাজার অতিথির মধ্যে ছেলে এবং ছেলের বউকে দেখাতে তিনি যে যত্ন নিয়েছেন তা মনে রাখার মতো। বিয়েতে গিয়ে সবচেয়ে লাভ হয়েছে প্রায় ৫-৭ বছর পর মায়া রায় এবং তপন চক্রবর্তীর সঙ্গে একসঙ্গে খাওয়া। নির্বাসিত থাকার সময়ে রাশ বিহার এভিনিউর তপন চক্রবর্তীর বাড়িতে আমরা বেশ কিছু দিন কাটিয়েছি। সেখানে যেমন গিয়াস ছিল, সুলতান ছিল, সদ্য প্রয়াত নারায়ণগঞ্জের সংসদ সদস্য নাসিম ওসমানও ছিল। সেই তপন চক্রবর্তীকে হঠাৎই বিয়ের অনুষ্ঠানে পেলাম। পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতির অনেক রথি-মহারথি তার বন্ধু। প্রিয়রঞ্জন দাস মুন্সী, সৌগত রায়, সোমেন মিত্র, সুব্রত মুখার্জি অনেকে তার বন্ধু, অনেকে আবার সাথী। আমি যখন সুবীর ঘোষের এলগিনের বাড়িতে থাকতাম তখন প্রিয় রঞ্জন দাস মুন্সীর ছোট ভাই গোপাল দাস মুন্সীর বিয়েতে গিয়েছিলাম। প্রিয় বাবু রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন তাই তার ছোট ভাই আগে বিয়ে করেছেন। বড় ভাইর বিয়ে হয়েছে অনেক পরে। প্রদ্যুৎ গুহর ছেলের বিয়েতে ভারতের মহামান্য রাষ্ট্রপতি, বর্ষীয়ান জননেতা শ্রী প্রণব মুখার্জি এসেছিলেন। প্রায় চার ঘণ্টা ছিলেন, সবার সঙ্গে দেখা করেছেন। আমিও আর বি ক্লাবে এক ঝলক দেখা করেছি। আমাকে দেখেই বলেছিলেন, 'বাঘা, এদিকে এসো। আমার পাশে বসো।' ধুতি পাঞ্জাবি, সাদা জওহর কোট পরা তাকে দারুণ দেখাচ্ছিল। আমার পরনে ছিল সাদা পাঞ্জাবি-পায়জামা, গলায় গামছা কালো মুজিব কোট। আমার দেশে যেটা মুজিব কোট, ভারতে সেটা জওহর কোট। পণ্ডিত জওহর লাল নেহেরু সব সময় গায়ে দিতেন বলে ভারতে জওহর কোট। তারটার রঙ সাদা, আমারটা কালো- এই যা পার্থক্য। পরদিন রাষ্ট্রপতি ভবনে তার অফিসে সাক্ষাৎ। ১০ মাস আগেও ৪-৫ বার সাক্ষাৎ করেছি, মাতৃসম দিদি সুভ্রা মুখার্জির পাশে বসে খাবার খেয়েছি। কিন্তু মহামান্য রাষ্ট্রপতির সরকারি অফিসে এই প্রথম দেখা। অনেকগুলো বই নিয়ে গিয়েছিলাম তার জন্য। রাষ্ট্রাচারের লোকজন প্রথম আপত্তি করেছিল, পরে সবক'টি নিতে রাজি হয়। অনেক আলাপ হয়েছে। অন্যখানে অন্য কোনো দিন শুধু মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কথাবার্তা নিয়ে লিখব। আজ অন্য কথা। দিল্লি রওনা হয়েছিলাম ২ আগস্ট। ১২.৫০ এ ফ্লাইট ছিল। ১.০৫ বা ১.০৭ এ জাহাজ আকাশে উড়ে। কিন্তু দিল্লি পৌঁছে ছিল একেবারে ঘড়ির কাঁটা ধরে ভারতীয় সময় ২.৫০ মিনিটে। জাহাজের চালক ছিলেন ক্যাপ্টেন জয়নাল। অসম্ভব সুন্দর ওঠানামা করেছেন। নামার সময় ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে আমি তাকে ধন্যবাদ জানাতে গিয়েছিলাম। বিমানবালাদের মধ্যে হঠাৎই টুঙ্গিপাড়ার কাজী পরিবারের রুনু কাজীর ছোট বোন মৌর সঙ্গে দেখা। '৯৩-৯৪ এর দিকে আমি যখন টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করতে যেতাম, রাস্তাঘাট ঝাড়ু দিতাম তখন খুব ছোট বাচ্চা হিসেবে রুনু এবং অন্য মেয়েরা, আক্কাস এবং ১০-১২ বছরের ছেলেরা আমার সঙ্গে মাইলকে মাইল রাস্তা ঝাড়ু দিত। মেয়েটি আমাকে দেখে পাগল হয়ে গিয়েছিল। তার প্রথম কথা, 'মামা, টুঙ্গিপাড়ার রুনুকে চেনেন? আমি তার ছোট বোন। মাস কয়েক হয়েছে চাকরি হয়েছে।' ছুটে এসে সালাম করতে করতে বলছিল, 'মামা, ড্রেস পরেই সালাম করলাম।' ওর হয়তো মনে হয়েছে ড্রেস পরে সালাম করা যায় না। যাই হোক ওর জাহাজে আমাকে পেয়ে একেবারে পাগলের মতো হয়ে গিয়েছিল। কি রেখে কি করবে ভেবে পাচ্ছিল না। সামনে পেছনে ছোটাছুটি করছিল আর ক্ষণে ক্ষণে আমাকে জিজ্ঞেস করছিল, 'মামা, তোমার কিছু লাগবে?' আমি পেটুক স্বভাবের নই, বেশি কথা বলাও আমার ভালো লাগে না। তাই তাকে খুশি করতে পারিনি। আরেক বিমানবালা মিলি, তার নানার বাড়ি টাঙ্গাইলের বাজিতপুরে। পরিচয় দিয়ে বলছিল, চা না কফি দিব? বলছিলাম মৌ আমাকে ভালো করে চা খাওয়াতে চেয়েছে।

এখন আমি কী করব? ওর সঙ্গে কথা বলে নেও। রুনুর বোন মৌ চা খাইয়েছে। ৯ তারিখ একই বিমানে ফিরেছি। যাওয়ার পথে ঠিক টাইম থাকলেও ফেরার পথে দুই ঘণ্টা লেট। তবে দিল্লি বিমানবন্দরে অপেক্ষা করতে খারাপ লাগেনি। সরকারি লোকজন সুন্দরভাবে বডিং করিয়ে ইমিগ্রেশন শেষ করে সুন্দরভাবে বসিয়ে দিয়েছিল। বিমান যখন রানওয়ের দিকে বেরোয় আমাদের সামনে আরও ৬-৭টা জাহাজ ছিল। মনে হয় এয়ার ইন্ডিয়া ৩টি, জেড এয়ার ২টি, ইন্ডিগো ২টি ওড়ার জন্য রানওয়েতে লাইনে ছিল। বছর বিশেক আগে হিব্রু আর ফ্র্যাঙ্কফোর্টে অমন দেখেছিলাম। এবার দিল্লি ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেখলাম। কেবিন ক্রু এনাউন্স করছিল ক্যাপ্টেন শাহানা জাহাজের মূল পাইলট। ঘোষণা শুনে চমকে উঠেছিলাম। শাহানা আমার খুব প্রিয় নাম। আমার সব থেকে ছোট বোন শাহানা সিদ্দিকী। বিয়ের পর এখন শাহানা আহমেদ। ক্যাপ্টেন শাহানা একটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তার স্বামী ক্যাপ্টেন ইশতিয়াক হোসেন, শ্বশুর ক্যাপ্টেন মনোয়ার, খুব সম্ভবত সিরাজগঞ্জের দিকে ওদের বাড়ি। জীবনে অনেকের জাহাজে ভ্রমণ করেছি, ক্যাপ্টেন মাজেদ, ক্যাপ্টেন শাহাবুদ্দিন বীরউত্তম এ রকম আরও কতজনের বিমানে উঠেছি। আমার ঘনিষ্ঠ সহকর্মী বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিরোধ সংগ্রামী আশরাফ গিরানীর বড় ভাই ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শাজাহান (নবাব) বহুদিন বিমান চালিয়েছেন। এমনকি মালয়েশিয়ার প্রাণপুরুষ মাহাথির মোহাম্মদের বিমান চালক ছিলেন। তাদের জাহাজেও উড়েছি। কিন্তু কোনো মেয়ে ক্যাপ্টেনের জাহাজে এই প্রথম। মাজেদকে যখনই কাছে পেয়েছি তার কাছে বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা নিতে চেয়েছি। ওর কাছেই জেনেছি ওঠানামা ছাড়া এখন আর পাইলটের তেমন কাজ নেই। অনেক সময় ঘুমিয়েও চলে। তবে শাহানার চেয়ে ক্যাপ্টেন জয়নালের ওঠানামা ভালো লেগেছে। কিন্তু আমার দেশের একটা মেয়ে পাইলটের জাহাজে প্রথম উঠতে পেরে ভীষণ গর্ববোধ করেছি। আমার মেয়েরা যে অবলা নয়, সুযোগ পেলে তারাও যে আকাশে উড়তে পারে, দক্ষতার সঙ্গে জাহাজ উড়াতে পারে ভাবতে বড় গর্ব হয়েছে। ক'দিন হবে, ২-৩ বছর আগে পত্রিকায় দেখছিলাম আমাদের দেশে প্রথম মহিলা ট্রেন চালক, কিন্তু মেয়েরা প্লেন চালাচ্ছে তার অনেক আগে থেকে। ধীরস্থির শান্তভাবে আমার মেয়ে সন্তানেরা আরও অনেক এগিয়ে যাক, তারা বিশ্ব জয় করুক এমন প্রত্যাশা বুকে লালন করেই চলছি।

এবার শিরোনামের দিকে দৃষ্টি দিই। শিরোনাম করেছি এম জে আকবর। এম জে আকবর একজন মুসলমান সাংবাদিক, কলামিস্ট হিসেবে ভারতে প্রচুর নাম করেছেন। '৮৯ সালে কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে বিহারের কিশানগঞ্জ থেকে পার্লামেন্ট মেম্বার হয়েছিলেন। ভদ্রলোকের সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিচয় কলকাতার 'দি টেলিগ্রাফ'-এর সম্পাদক থাকার সময় থেকে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সময় ঢাকায় এসেছিলেন। এম জে আকবরের কাছ থেকে জনাব এরশাদ যেভাবে লেখালেখি আশা করেছিলেন সেভাবে হয়নি, তাই হয়তো এরশাদ সাহেব কিছুটা মনোক্ষুণ্ন ছিলেন। ভদ্রলোক অনেক বই লিখেছেন। আগে কংগ্রেস করতেন, এখন বিজেপির মুখপাত্র। নির্বাচনের আগে শ্রী দামাদোর দাস নরেন্দ্র মোদির প্রতিনিধি হিসেবে মিডিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতেন। এখনো সে দায়িত্ব পালন করছেন। বহুদিন পর তার সঙ্গে দেখা হয়ে আমি যেমন খুশি হয়েছি, তার আগ্রহ দেখে মনে হয়েছে তিনিও খুশি হয়েছেন। তিনি ‘Tender Box The past & Future of Pakistan’ খুব আগ্রহ ভরে ‘To Tiger Siddique’ লিখে উপহার দিয়েছেন। বইটা পুরো পড়া হয়নি। পড়ে তাকে জানাব। কিন্তু এ ক'দিনে খণ্ড খণ্ড যতটুকু পড়েছি ভীষণ ভালো লেগেছে। সে কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খান, খাজা নাজিমউদ্দিন, ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান অথবা মহাত্দা গান্ধী, পণ্ডিত জওহর লাল নেহরু, বল্লব ভাই প্যাটেল, নেতাজী সুভাষ যখন যার প্রসঙ্গই এসে থাকুক ভীষণ ভালো লেগেছে। আমি আবার ভালো ইংরেজি জানি না, কিন্তু তবু কোনো কোনো ইংরেজি পড়তে গিয়ে বাংলার মতো মনে হয়। শবেকদরের রাত বসে বসে কোরআন পড়ব, হাতিপাতি করে দেখি কোনো বাংলা কোরআন নেই। হঠাৎ দেখি আরবি থেকে ইংরেজি এক কোরআন রয়েছে। বের করে শুরু করেছিলাম ৯৭ নম্বর সুরা কদর। পড়তে গিয়ে মনে হলো এ যেন বাংলারও বাংলা। শত শতবার বাংলা কোরআন পড়েছি বলেই কিনা ইংরেজিতে শবেকদর সুরাটি পড়েও বাংলার মতো মনে হলো। হৃদয়ঙ্গম করতে সময়ের প্রয়োজন হলো না। ৯৭ সুরা থেকে শুরু করে কোরআনের ১১৪ সুরা শেষ হলে আবার প্রথমদিকে এলাম। ৭ আয়াতের সুরা ফাতেহা মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেল। কোরআনের সারাংশ ২৮৬ আয়াতের সুরা বাকারা, যাকে অনেক সময় ছোট কোরআন বলা হয়। সুরা বাকারার ১৪০-১৪৭ আয়াত পর্যন্ত যেতে যেতে ফজরের আজান পড়েছিল। নামাজ পড়ে আরও কয়েক আয়াত পড়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। কোরআনের ইংরেজি তর্জমা আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে। তাই খটমট ছাড়া সোজা ইংরেজি অনেক সময় বাংলার মতো মনে হয়।

এম জে আকবরের ‘Tender Box The past & Future of Pakistan’আমার কাছে তেমনই মনে হয়েছে। পড়ছি, আরও হয়তো কয়েক দিন লাগবে। জনাব আকবর বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে খুবই আগ্রহী। বর্তমান সরকার বাংলাদেশ নিয়ে কী ভাবছে, কীভাবে দুই দেশের কার্যকরী সুসম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করা যায় তা নিয়ে তারা চিন্তাভাবনা করছেন। জনাব আকবরের সঙ্গে কথা বলে যা মনে হলো তা হলো- তারা কোনো ব্যক্তি বা দলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী নন। তারা বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে একটা স্থায়ী সম্পর্ক তৈরি করতে চান। সেক্ষেত্রে যখন যিনি সরকারে আসবেন তার সঙ্গে একটা স্বাভাবিক সম্পর্ক রক্ষা করে চলবেন। কিন্তু বিশেষ সম্পর্কে তারা পক্ষপাতী নন। তারা মূলত বাংলাদেশের সুস্থিতি চান। ভূখণ্ডের দিক থেকে বাংলাদেশ ছোট হলেও অবস্থানের দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গতকাল ছিল ১১ আগস্ট। মুক্তিযুদ্ধে কাদেরিয়া বাহিনীর জন্য একটি খুবই স্মরণীয় দিন। ঢাকার সদরঘাট থেকে সাতটি জাহাজে অস্ত্রশস্ত্র বোঝাই করে ফুলছড়ি ঘাট থেকে ট্রেনে রংপুরে নিয়ে যাওয়ার পাকিস্তানি হানাদারদের একটা পরিকল্পনা ছিল। ওই সময় কিছু বাঙালি বন্দী ইপিআর দিয়ে সদরঘাটে যখন জাহাজভর্তি হচ্ছিল তখনই আমরা খবর পাই। সে হিসেবে ১১ আগস্ট ভূইয়াপুরের মাটিকাটায় হানাদারদের জাহাজের বহরের ওপর আক্রমণ করা হয়। ওই আক্রমণে বহরের সবচেয়ে বড় একটি জাহাজ ও একটি ট্যাঙ্কার মুক্তিবাহিনীর দখলে আসে। এই অভিযানের মূল দায়িত্বে ছিলেন কমান্ডার হাবিব। তার সঙ্গে সহযোগিতায় ছিল কমান্ডার রেজাউল করিম। জাহাজ দখলের পর প্রথম জাহাজে উঠেছিল কমান্ডার হাবিব, জমশেদ, সামাদ। সামাদ জাহাজে উঠে ঘুরতে ঘুরতে এক সময় জাহাজের রান্নাঘরে গিয়েছিল। ক্ষুধার্ত ছিল, এক কোম্পানি হানাদারের খাবারের প্রায় ১২ আনা মাংস সামাদ চাকতে চাকতে খেয়ে ফেলেছিল। যে কারণে পরবর্তীতে তাকে গামা খেতাবে ভূষিত করেছিলাম। সমগ্র মুক্তিযুদ্ধে সে গামার মতোই কাজ করেছে। জামালপুর প্রেসক্লাবে ১১ তারিখ সামাদকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে বলে এক অ্যাডভোকেট ফোন করেছিলেন ক'দিন আগে। পিংনার সামাদ গামা মুক্তিযুদ্ধের এক বিখ্যাত যোদ্ধা। কিন্তু আজ সে নিঃস্ব রিক্ত। ভালোভাবে দুই বেলা খেতে পায় না। অ্যাডভোকেট বলেছিলেন, স্যার আপনার মনে আছে কিনা? স্বাধীনতার পরপরই আপনি পিংনা এসেছিলেন, লাখের ওপর লোক হয়েছিল। পিংনার সামাদ গামা এখন খুবই নিঃস্ব রিক্ত। আমরা তাকে জাহাজ মারা দিবস উপলক্ষে জামালপুর প্রেসক্লাবে সম্মান জানাব। ঠিক জানি না আদৌ সম্মান জানানো হয়েছে কিনা? আর কি সম্মান জানাবেন, পেটে ভাত না থাকলে তার কি সম্মান থাকে? তবু ভদ্রলোক সম্মান জানাতে চেয়েছিলেন তাই তাকে বা তাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। মুক্তিযুদ্ধে কাদেরিয়া বাহিনীতে বীরপ্রতীক আবদুল্লাহ সাহসিকতার জন্য খেতাব পেয়েছে। ভালুকার তামাটের আবদুল্লাহ এখনো আমার সঙ্গে থাকে। সাত-আট বছর আগে একদিন ইউনাইটেড হাসপাতালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে দেখতে গিয়েছিলাম।

রাষ্ট্রপতি থাকতে গুলশানের অমন জায়গা বিনা পয়সায় হাসপাতালের নামে বরাদ্দ দেওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হয়তো জনাব এরশাদের ফ্রি ট্রিটমেন্ট করেন কিংবা সম্মান দেখান। লিফটে ওঠার সময় একজন অবসরপ্রাপ্ত বীরপ্রতীক জেনারেল ছিলেন আর আমার সঙ্গে আবদুল্লাহ বীরপ্রতীক। টাই টুই কোট ছাড়া লিফটে জায়গা হচ্ছিল না বলে আবদুল্লাহকে নামিয়ে দিতে যাচ্ছিল। আমি যখন নেমে যেতে চাচ্ছিলাম তখন জেনারেল বীরপ্রতীকের কিছুটা হুঁশ হয়। তিনি হাসপাতাল দেখাশোনার চাকরি টাকরি করেন। বিরক্ত হয়ে বলেছিলাম, এখানে কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের বীরপ্রতীক মুখ্য নয়, এখানে মুখ্য হলো সামাজিক অবস্থান। আপনিও বীরপ্রতীক, আবদুল্লাহও বীরপ্রতীক। আপনার কত পজিশন, আর গরিব বলে আবদুল্লাহ কত অবহেলিত। তাই কী বলব, সামাদ গামার কথা! স্বাধীনতার পর সামাদেরও যদি কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা হতো, শিক্ষা-দীক্ষা থাকলে বড় পদ নিয়ে অবসর নিত, ধানমন্ডি-গুলশানে বাড়ি থাকত তাহলে কিনা হতো? আগস্ট বেদনার মাস, হৃদয় আমার খণ্ড-বিখণ্ড করা মাস। ১০ তারিখ রাখিবন্ধনের দিন বদিউর রহমান এসেছিল মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় ভূমিহীন ও দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ৮-৯ লাখ টাকার তিন কামরার ৫০০ স্কয়ার ফিটের একটি বাড়ি নির্মাণের প্রকল্প নিয়েছে। প্রতি উপজেলায় সমানতালে ৮ জন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কোনো কোনো উপজেলায় ১০ জন মুক্তিযোদ্ধাও ছিল না, আবার কোনো উপজেলায় ২-৪-৫ হাজার বা তারও বেশি ছিল। কিন্তু বরাদ্দ একই রকম। আমার জেলায় কোনো কোনো উপজেলায় ২-৩ হাজার মুক্তিযোদ্ধাও ছিল। কিন্তু যে উপজেলায় ১০০ মুক্তিযোদ্ধা ছিল সেখানে ৮, যেখানে ৪-৫ হাজার সেখানেও ৮। ওসবের কোনো অর্থ বুঝি না। বদি এসেছিল ভূইয়াপুর উপজেলায় ৮ জনের মধ্যে তারও নাম আছে। প্রকল্প কমিটি বড় মজার। ইউএনও সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সহ-সভাপতি, সমাজসেবা অফিসার সদস্য, পল্লী উন্নয়ন অফিসার সদস্য, প্রাথমিক-মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার সদস্য-সচিব। হয়তো দেখা যাবে সভাপতি ইউএনও, সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের নাতির চেয়ে ছোট। কিন্তু তারই হাত-পা নাড়ানি সইতে হবে মুক্তিযোদ্ধাদের। কী করার! জামানা যেমন। বদির সমস্যা হলো মহামান্য উপজেলা অফিসার তালিকা পাঠানোর সময় ৫ জনের নামে যেখানে বাড়ি করতে হবে তার দাগ খতিয়ান দিয়েছে, বদিসহ ৩ জনের নামে দাগ খতিয়ান দেয়নি। এলজিআরডি-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে গৃহনির্মাণ করতে। দাগ খতিয়ান নেই, তারা কোথায় বাড়ি করবে! ইউএনও'র কাছে দাগ খতিয়ান দিয়ে সুপারিশ পাঠাতে অনুরোধ জানালে তিনি ভেংচি কেটে বলেছেন, এলজিআরডি দাগ খতিয়ান চেয়ে চিঠি দিলে তবে তিনি দাগ খতিয়ান দিতে পারবেন, না হলে নয়। অভিযোগ শুনছি, পাঁচজনের টাকা-পয়সা খেয়ে দাগ খতিয়ান দিয়ে সুপারিশ করেছেন, তিনজন দেয়নি তাদের সুপারিশ করেননি। এখন এর বিচার কার কাছে দেব? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বোনের প্রতি গভীর আস্থা নিয়ে কখনো সখনো এটা ওটা বলতাম কিন্তু আশপাশে কুকর্ম দেখে মনটা বিষিয়ে যায়। এক্ষেত্রেও তাই পাখের তলে না থাকলে মুরগির বাচ্চার মতো সবাই যেন চিল দিয়ে খাওয়াতে চায়। বদি, আকরাম, সাঈদ এরা শুধু স্বাধীনতা যুদ্ধই করেনি, '৭৫-এ প্রতিরোধ সংগ্রামে শরিক হয়েছিল। যে কারণে তারা বহুদিন জেল খেটেছে। অবাক লাগে, '৭৫-এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু নিহত হলে ডিজিএফআই-র মেজর হিসেবে যে হেলাল মোর্শেদ টাঙ্গাইলের দায়িত্বে ছিল, বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিরোধ সংগ্রামীদের চামড়া তুলে ফেলত, সে হেলাল মোর্শেদও নাকি আমার ভগ্নীর অতি বিশ্বস্ত। এখন কী বলি! জীবন বাজি রাখা মুক্তিযোদ্ধা, '৭৫-এর প্রতিরোধ সংগ্রামী তারা যদি এই সরকারের কাছ থেকে সামান্য সম্মান এবং মর্যাদা পেত তাহলে হয়তো ভবিষ্যতে আবার কেউ কোনো দুর্যোগে দেশ ও জাতির জন্য ত্যাগ স্বীকারে উৎসাহ পেত। সামাদ গামাকে জামালপুর প্রেসক্লাব অথবা সুধীজন সম্মান দেখিয়ে আমি মনে করি তারা নিজেরাই সম্মানিত হয়েছেন। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

লেখক : রাজনীতিক।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫৯ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়