শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৪

সফিউল্লাহ বললেন, তোমাদের সঙ্গে পরে যোগাযোগ হবে

কর্নেল সরোয়ার হোসেন মোল্লা (অব.)
অনলাইন ভার্সন
সফিউল্লাহ বললেন, তোমাদের সঙ্গে পরে যোগাযোগ হবে

১৫ আগস্ট ভোর আনুমানিক ৫টা সাড়ে ৫টার দিকে বন্ধু আনোয়ারুল আলম (শহীদ) টেলিফোন করল। বলল, তোফায়েল আহমেদ তাকে টেলিফোন করেছিলেন। রক্ষীবাহিনীর কিছু লোক নাকি মণি ভাইয়ের বাসায় আক্রমণ করেছে। আমি বিষয়টি শুনে হতবাক হই এবং বলি, সেটা কীভাবে সম্ভব? তারপর মনে পড়ে, বঙ্গবন্ধুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উপলক্ষে সাভার থেকে রিক্রুট ব্যাটালিয়নের কিছু সদস্যের বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় টহল ডিউটির কথা ছিল। উল্লেখ্য, রিক্রুট ব্যাটালিয়নের সদস্যদের সাধারণত এ ধরনের ডিউটি করার কথা নয়। যেহেতু ওই সময় ঢাকায় রক্ষীবাহিনীর কোনো নিয়মিত ব্যাটালিয়ন ছিল না, তাই রিক্রুট ব্যাটালিয়নের সদস্যদের আনা হয়েছিল। এর কিছুক্ষণ পরেই বিষয়টি আস্তে আস্তে পরিষ্কার হয়ে যায়। আমরা বুঝতে পারি এটা রক্ষীবাহিনী নয়। ওরা Armoured corps-এর সদস্য হবে। কারণ তারা কালো ইউনিফর্ম পরিধান করত। আমি শহীদকে বললাম, তুমি অফিসে আস, আমিও অফিসে যাচ্ছি। তখন ভোর আনুমানিক ৬টা। গাড়ি আসতে দেরি হচ্ছে দেখে আমি হেঁটে রওনা দিলাম। গণভবনের কাছাকাছি এসে দেখলাম আমার গাড়িটা আসছে। আমি গাড়িতে উঠে অফিসে গেলাম। ইতিমধ্যে শহীদও অফিসে এসে পৌঁছেছে। তখন আমাদের অফিসের চারপাশে ধীরে ধীরে ট্যাংক জড়ো হতে থাকে। রেডিওতে মেজর ডালিমের ঘোষণা আসছে। বলা হচ্ছে, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পরে রক্ষীবাহিনীর একটি টহল ট্রাক সদর দফতরে এসে জানাল, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। রক্ষীবাহিনীর সদস্যরা এটা নিশ্চিত করার পর এ ব্যাপারে আর কোনো সন্দেহ রইল না।

আমি আনোয়ারুল আলম শহীদকে নিয়ে ব্রিগেডিয়ার নূরুজ্জামানের রুমে বসি। ব্রিগেডিয়ার নূরুজ্জামান তখন দেশে ছিলেন না। তিনি চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গিয়েছিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে মেজর (অব.) আবুল হাসান খানও (হাসান ভাই, তখন অ্যাক্টিং ডাইরেক্টর ছিলেন) অফিসে এসে উপস্থিত হলেন। আমরা বিষয়টি নিয়ে ভাবতে শুরু করলাম, এখন আমাদের কী করণীয়। এ অবস্থায় আমরা প্রথম টেলিফোন করি রংপুরের ব্রিগেড কমান্ডার কর্নেল কে এন হুদার কাছে। কারণ তিনি ব্রিগেডিয়ার নূরুজ্জামানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার একজন আসামি ছিলেন। ব্রিগেডিয়ার নূরুজ্জামান যখন লন্ডন যান তখন এমনিতেই কথা প্রসঙ্গে বলছিলেন, যদি কোনো প্রয়োজন হয় তাহলে কর্নেল হুদার সঙ্গে যোগাযোগ কর। টেলিফোনে আমরা বিষয়টি কর্নেল হুদাকে জানাই এবং তাকে জিজ্ঞেস করি, তিনি এ ব্যাপারে কী করতে পারবেন? আমাদের লোকজন যারা আছে তাদের বলতে পারি রাজশাহীর দিকে যাওয়ার জন্য যদি তার ব্র্রিগেড আমাদের সঙ্গে থাকে। তার কথাবার্তায় মনে হলো সেই ধরনের অবস্থান তার নেই। বরং উনি আমাদের বললেন, সেনাপ্রধান জেনারেল সফিউল্লাহর সঙ্গে কথা বল। সেই অনুযায়ী আমরা সেনাপ্রধানের সঙ্গে কথা বললাম। এই কথোপকথন আমরা লাল টেলিফোনে করছিলাম। জেনারেল সফিউল্লাহর কাছে আমরা অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলাম। সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে উনি কী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন এবং আমাদের কী করা উচিত সে ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা দিতে পারেন কিনা। উত্তরে সফিউল্লাহ বললেন, 'আমি কর্নেল শাফায়েত জামিলকে পাচ্ছি না।' শাফায়েত জামিল তখন ৪৬-এর ব্রিগেড কমান্ডার। আমরা বললাম, তাহলে আমাদের কী করণীয়? জেনারেল সফিউল্লাহ বললেন, 'আমি একটু পরে তোমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করব।' পরে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। তবে জেনারেল সফিউল্লাহর কথাবার্তায় মনে হলো কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়ার অবস্থা বা ক্ষমতা তার হাতে নেই। তা না হলে দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সেনাপ্রধান তার ব্রিগেড কমান্ডারকে পাবেন না কেন?

যা হোক, এরপর আমরা টেলিফোন করলাম সৈয়দ নজরুল ইসলাম সাহেবকে। আমি তার সঙ্গে প্রথমে কথা বলি। আমরা পরিচয় দিয়ে বললাম, স্যার, বঙ্গবন্ধু আর নেই। এ ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। আপনি এখন রাষ্ট্রের অস্থায়ী প্রধান। এই অবস্থায় আমাদের জন্য আপনার কী নির্দেশ। ঢাকায় আমাদের পক্ষে কিছু করা সম্ভব নয়। কারণ এখানে আমাদের enough troops নেই। আমাদের সবগুলো রেগুলার ব্যাটালিয়ন দেশের বিভিন্ন জেলায় দায়িত্বে নিয়োজিত। সাভারে আমাদের তিনটি রিক্রুট ব্যাটালিয়ন আছে। সাভার রেডিও এখনো সেনাবাহিনী দখল করেনি। আপনি চাইলে আমরা আপনাকে নিয়ে সাভারে যেতে পারি। ওখান থেকে একটা ঘোষণা দিয়ে পদ্মা অতিক্রম করে আমরা ওপারে যাব। আপাতত কুষ্টিয়া বা চুয়াডাঙ্গায় কোথাও অবস্থান নেব। পরবর্তীতে আমাদের যেসব ফোর্সেস চারদিকে ছড়িয়ে আছে তাদের এক জায়গায় আনার চেষ্টা করব। তিনি বললেন, আমি একটু জেনারেল সফিউল্লাহর সঙ্গে কথা বলে আপনাদের জানাব। আমি বললাম, স্যার আমরা তার সঙ্গে কথা বলেছি। জেনারেল সফিউল্লাহ কোনো কিছু করবেন কিংবা করতে পারবেন বলে আমাদের মনে হয় না। ঠিক আছে, আমরা আপনার নির্দেশের অপেক্ষায় রইলাম। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তার কাছ থেকে কোনো উত্তর না আসায় বন্ধু আনোয়ারুল আলম শহীদ তাকে পুনরায় টেলিফোন করে তার সিদ্ধান্ত জানতে চায় এবং এও বলে, সময় অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বয়ে যাচ্ছে। তিনি বললেন, আমি একটু মনসুর আলী সাহেবের সঙ্গে কথা বলে নিই। ইত্যাবসরে আমরাও ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সাহেবের কাছে টেলিফোন করলাম। সৈয়দ নজরুল ইসলাম সাহেবকে যে কথা বলেছিলাম, উনাকেও একই কথা বললাম এবং আমাদের প্রতি কি নির্দেশনা আছে জানতে চাইলাম। উনি বললেন, আমি সৈয়দ সাহেবের সঙ্গে আলাপ করে আপনাদের জানাচ্ছি। এর পরে আবার সৈয়দ নজরুল ইসলাম সাহেবকে টেলিফোন করা হলো। এবারও টেলিফোন করল বন্ধুবর আনোয়ারুল আলম শহীদ এবং বলল, স্যার, সময় অতি দ্রুত চলে যাচ্ছে। এদিকে আমরাও আটকা পড়ে যাচ্ছি। কারণ ট্যাংক আমাদের চারদিক থেকে ঘেরাও করে ফেলছে। স্যার, আমাদের এখানে অর্থাৎ হেড কোয়ার্টারে গার্ড ছাড়া আর কোনো ট্রপস নেই। আমাদের ঢাকা ত্যাগ করে সাভারে যেতে হবে। সাভার থেকে ঘোষণা দিয়ে আমাদের পদ্মা অতিক্রম করতে হবে। তিনি শহীদকেও একই কথা বললেন, আমি তো সফিউল্লাহকে পাচ্ছি না। কী করব বুঝে উঠতে পারছি না। কিছুক্ষণ পরে আমরা আবার ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সাহেবের কাছে টেলিফোন করলাম। তখন তিনি আর টেলিফোন ধরলেন না। অন্য একজন টেলিফোন ধরে বললেন, তিনি বাসায় নেই। টেলিফোন রেখে দিলাম। এ অবস্থায় আমাদের বুঝতে কষ্ট হলো না যে, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কাছ থেকে হয়তো কোনো সিদ্ধান্ত আসবে না।

সাত-পাঁচ না ভেবেই আমি এবং শহীদ হঠাৎ করে সাভার রওনা করলাম। শহীদ গাড়ি চালাচ্ছিল। আমি তার পাশে বসা। আমিনবাজার ব্রিজের কাছে আসার পর আমি শহীদকে বললাম, দোস্ত, গাড়িটা থামাও। শহীদ গাড়ি থামাল। হেড কোয়ার্টারে কিছু না বলে কোথায় যাচ্ছি আমরা? যারা হেড কোয়ার্টারে আছে তারা কী ভাববে? আমার মনে হয়, এভাবে কাউকে না জানিয়ে সাভারের দিকে যাওয়া আমাদের ঠিক হবে না। চল আবার হেড কোয়ার্টারে ফিরে যাই। ওখানে গিয়ে চিন্তা-ভাবনা করি। যা হওয়ার ওখানেই হবে। হেড কোয়ার্টারে ফিরে এসে একটার পর একটা অপশন নিয়ে আমরা আলোচনা করি। যেহেতু রক্ষীবাহিনী একটি প্যারা-মিলিটারি ফোর্স, সেহেতু দেশের ভাগ্য সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বা যোগ্যতা কোনোটাই আমাদের ছিল না। রাজনৈতিক সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো দিকনির্দেশনা পেলাম না। প্যারা-মিলিটারি ফোর্স হিসেবে আমরা সরকারের সমর্থনে কাজ করতে পারি। তাই রাজনৈতিক কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা দিকনির্দেশনা না পাওয়ায় আমরা অনেকটা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ি। রক্ষীবাহিনী সম্পর্কে সেনাবাহিনীর মনোভাব ছিল অনেকাংশে নেতিবাচক। সে ব্যাপারে সন্দেহের কোনো অবকাশ ছিল না। সেনাবাহিনীর ক্ষুদ্র একটি অংশ ক্যু-এর সঙ্গে জড়িত ছিল। তবে সেনাবাহিনীর বাকি অংশও রক্ষীবাহিনীর যে কোনো উদ্যোগের বিরোধিতা করবে বলে মনে হয়েছিল। সেনাপ্রধান জেনারেল সফিউল্লাহর অসহায়ত্ব দেখে সেই ধারণাই আমাদের হয়েছিল। একসময় ভেবেছিলাম যেহেতু কোনো সরাসরি প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হচ্ছে না, তাই ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটা গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা যায় কিনা। কিন্তু সেখানেও আমরা চিন্তা করলাম একটা সশস্ত্র বাহিনীর লোক অস্ত্রশস্ত্রসহ সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে গেলে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার ভয় থেকেই যায়। কারণ এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ এবং নির্দেশ রক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় Independent war lords সৃষ্টি হবে। সেই গৃহযুদ্ধের পরিণতি হিসেবে হয়তো হাজার হাজার লোক মারা যেতে পারে। মুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন স্থানে যে Independent war lords সৃষ্টি হয়েছিল এবং তাদের কর্মকাণ্ডের ব্যাপারটিও আমাদের ভাবিত করে।

এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে লাখ লাখ শহীদের আত্দত্যাগ দেশের মানুষ কৃতজ্ঞ ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। কারণ ওটা ছিল বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম। যদিও হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা কিংবা তাদের সন্তানরা আজও দুঃখ-কষ্টের মধ্যে অতি মানবেতর জীবনযাপন করছে। তবুও স্বাধীনতা-সংগ্রামের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা একটি বিরল গৌরবের বিষয়। এ সত্যটি চিরকাল অনন্য মহিমায় ভাস্বর হয়ে থাকবে। কিন্তু বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে গিয়ে গৃহযুদ্ধের সৃষ্টি হলে যে হাজার হাজার মানুষ মারা যাবে এর কোনো যুক্তিসঙ্গত উত্তর থাকবে না। যে কোনো কাজ করার আগে একটা উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এগোতে হয়। কিন্তু তখনকার পরিস্থিতিতে হাজার হাজার নিরীহ মানুষের জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার পেছনে কোনো মহৎ উদ্দেশ্য আমাদের বিবেচনায় খুঁজে পাইনি। পরবর্তী অপশন হিসেবে আমাদের কাছে ছিল ঢাকা ছেড়ে কোনো সীমান্তবর্তী এলাকায় গিয়ে আবার পুনর্গঠিত হয়ে একটা প্রতিরোধ তৈরির চেষ্টা করা। কিন্তু রক্ষীবাহিনী এ ধরনের প্রতিরোধ সৃষ্টির চেষ্টা করলে সেনাবাহিনী একযোগে যে আমাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে যাবে- এ ব্যাপারে আমাদের মনে কোনো প্রকার সন্দেহ ছিল না। তখন সেনাবাহিনীর সংঘবদ্ধ আক্রমণ প্রতিরোধ করার মতো কোনো শক্তি আমাদের থাকবে না। আর সেই অবস্থায় আমাদের অপশন হিসেবে আসবে- ১. হয় আমাদের আবার সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে গণপ্রতিরোধ (Civil resistance) সৃষ্টি করা অথবা ২. সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে চলে যাওয়া।

সীমান্ত অতিক্রম করার ব্যাপারে আমাদের মনে হলো, ১৯৭১ সালে ভারতে গিয়েছিলাম স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য। সে কারণে তারা আমাদের সাহায্য-সহযোগিতা করেছে। কিন্তু এখন আমরা ভারতে গিয়ে কী করব। শুধু নিজেদের প্রাণ বাঁচানোর জন্য ভারতে যাওয়া আর '৭১ সালে ভারত যাওয়া এককথা নয়। ১৯৭১ সালে আমরা যে সাহায্য পেয়েছিলাম এবারও তা অব্যাহত থাকবে- এমনটা আশা করার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই। এখানে আরও একটি বিষয় আমাদের বড় শঙ্কার কারণ ছিল। তা হলো, রক্ষীবাহিনীকে সাহায্য করার নামে আমাদের বাহিনীর সদস্যদের ছদ্মাবরণে যদি ভারতীয় সেনাবাহিনী পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশ করে, তবে এ দেশের মানুষ বংশপরম্পরায় রক্ষীবাহিনীর সদস্যদের মীরজাফর হিসেবে গালাগাল করবে। আর রক্ষীবাহিনীর গায়ে কলঙ্কের কোনো প্রলেপ পড়ুক তা আমরা কখনোই চাইনি।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়