শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০১৪

বিএনপিকে যেসব কথা ভাবতে হবে

মাহমুদুর রহমান মান্না
অনলাইন ভার্সন
বিএনপিকে যেসব কথা ভাবতে হবে

ঈদের আগে থেকে বেগম জিয়া বলে আসছেন, ঈদের পরে তিনি আন্দোলনের কর্মসূচি দেবেন। ইফতার পার্টিসহ প্রায় প্রতিদিনের বক্তব্যে তিনি বলতেন এসব কথা। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনী প্রহসনের পর নিস্তরঙ্গ পুকুরে খানিকটা ঢেউ উঠেছিল। রংপুরের এক জনসভায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের পক্ষ থেকে হরতাল অবরোধের পক্ষে স্লোগান উঠেছিল। বেগম জিয়া বলেছিলেন, হবে সেসবও হবে। অনেকের মনে হয়েছিল, ঈদের পরে আবার বোধহয় নতুন করে শুরু হবে। প্রকৃতপক্ষে ৫ জানুয়ারির আগের আন্দোলন বিশেষ করে ২৯ ডিসেম্বরের 'গণতন্ত্র অভিযাত্রা'র সীমাহীন ব্যর্থতার পর দেশের মানুষের আস্থা হারিয়েছিল বিএনপি। এত কথা বলল, কিন্তু কিছুই তো করতে পারল না। আসলে ৫ জানুয়ারির পর বাংলাদেশের রাজনীতির চালচিত্র ও চরিত্র দুটোই বদলে গিয়েছিল। আমি এরকম করে বলি, ৫ জানুয়ারির পর থেকে এই সরকার ও সরকারি দল অনির্বাচিত, বিতর্কিত, দেশে-বিদেশে সমালোচিত আর বিরোধী দল পরাজিত, বিপর্যস্ত, বিধ্বস্ত। সারা দেশের চিত্রটা কিন্তু অন্যরকম ছিল। '৬৯-এও আন্দোলনের যতটা বিস্তার ছিল না, এবার রাজধানী ঢাকা বাদে এ আন্দোলনের বিস্তার ছিল তারও বেশি। কিন্তু সারা বাংলাদেশের ক্ষমতা যেখানে কেন্দ্রীভূত, সেখানকার পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশের পট বদলে যায় সেই রাজধানী ঢাকায় আন্দোলনের বিস্তার ছিল শূন্য। ২৯ ডিসেম্বর গণতন্ত্র অভিযাত্রার দিন এক মালিবাগের কাছে ছাত্রশিবির মিছিল বের করেছিল যেখানে পুলিশ গুলি চালালে শিবিরের এক নেতা নিহত হয়। এ ছাড়া ঢাকা শহরের আর কোথাও কিছু হয়নি। শুনেছি বাইরের জেলাগুলো থেকে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী ঢাকায় এসেছিলেন। তারা অসহায় দিনটি পার করেছেন। দলের পক্ষ থেকে কেউ তাদের সঙ্গে যোগাযোগও করেনি। কয়েকটি বালুর ট্রাক দলের চেয়ারপারসন বেগম জিয়াকে ঘিরে রেখেছিল। কেউ তার সঙ্গে দেখা করতে যেতে পর্যন্ত সাহস পায়নি। নির্দিষ্ট সময়ে দলের নয়াপল্টনের কার্যালয়ে কর্মসূচির অনেক পরে হাতে একটি ফ্ল্যাগ এবং কাজের বুয়া নিয়ে তিনি নিচে নেমেছিলেন, গাড়িতে উঠেছিলেন কিন্তু বেরুতে পারেননি। ব্যস, পুরো গণতন্ত্র অভিযাত্রা ওই পর্যন্তই।

লন্ডনে অবস্থানরত বিরোধীদলীয় নেতার পুত্র, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান খুব রুষ্ট হয়েছিলেন। যদিও দলে আরও অনেক প্রবীণ ভাইস চেয়ারম্যান আছেন, স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা আছেন, তারপরও উত্তরাধিকারের কারণে তিনিই তো সিনিয়র মোস্ট। রুষ্ট হওয়ার অধিকার তো তার আছেই। ঢাকা মহানগরে বিএনপির এই নিদারুণ ব্যর্থতার কারণ কী? এ ব্যাপারে বিএনপি দল হিসেবে কিংবা দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানের কোনো মূল্যায়ন আছে কি? আমি জানি না। বিএনপি নেতাদের কাউকে কাউকে বলতে শুনি, কীভাবে কিছু করা সম্ভব। দেখামাত্র গুলির নির্দেশ ছিল তো। হয়তো তাই। মালিবাগে তো প্রায় সেরকম ঘটনাই ঘটেছিল। কিন্তু এই যুক্তি যদি মেনে নিই তাহলে এটাও মানতে হবে, যতদিন পর্যন্ত এরকম নির্দেশ থাকবে ততদিন পর্যন্ত বিএনপি আর কোনো আন্দোলন করতে পারবে না।

অথচ আমাদের দেশে '৬৯-এ যে অভ্যুত্থান হয়েছিল, স্বাধীনতার পক্ষে যে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল, তা দমন করার জন্য কতবার ১৪৪ ধারা, এমনকি কারফিউ পর্যন্ত জারি করা হয়েছিল, মিসরের তেহরির স্কোয়ারে পাখির মতো লোককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। পৃথিবীর দেশে দেশে যেখানে বৃহৎ সব গণআন্দোলন হয়েছে সেখানে সরকার পক্ষ কখনোই হাত গুটিয়ে বসে ছিল না। গণঅভ্যুত্থান সব সরকারি প্রতিরোধ চূর্ণ করেই এগিয়ে যায় বিজয়ের পথে। ব্যাপারটা খুব সহজ তা বলছি না। এতগুলো বছর গণতন্ত্রের লড়াই করার পর সরকারের আচরণ এমন হবে কেন যা নূ্যনতম প্রতিবাদ, প্রতিরোধও সহ্য করে না। কিন্তু এটাই তো এখনকার বাস্তবতা। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, কিংবা এরশাদ, তখন তারাও তাই করেছিল, এরশাদ তো ছাত্রদের মিছিলের ওপর ট্রাকই তুলে দিয়েছিল, সেই ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা গিয়েছিল সেলিম, দেলোয়ার। তারপরও ভয় পায়নি আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনের কাফেলা সামনে এগিয়ে গিয়েছিল। হ্যাঁ, বাংলাদেশে বিশেষত আওয়ামী লীগের সময় নির্লজ্জতা বেড়েছে। আমি, যে কোনো রাজনৈতিক, বিশ্লেষক, কলাম লেখক যখন এভাবে কথা বলে তখন সেটা যৌক্তিক। কিন্তু সরকার নিজেই যদি সেরকম বলে তাহলে সেটা কেমন? তারাই মারবে আবার তারাই বলবে এরকমই হয়। কি নির্লজ্জ আস্ফালন! ক্ষমতার দম্ভ! আর যাই হোক এই সরকারকে অথবা এই সরকারি দলকে এই আচরণের জন্য গণতান্ত্রিক বলা যায় না।

বিএনপি এ পরিস্থিতিকে কীভাবে মূল্যায়ন করে? যত দোষ, নন্দ ঘোষ বিএনপি মহানগর কমিটির? এই মহানগরেই তো বিএনপির একপাল কেন্দ্রীয় নেতা অবস্থান করেন। তারা কী করেছেন? নাকি সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতাদের মহানগরীর ওপর কোনো প্রভাবই নেই? নাকি কেন্দ্রীয় নেতা বলে মহানগরের ব্যাপারে মাথা ঘামান না তারা? দলের চেয়ারপারসন কি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত? তিনি কি পরিস্থিতি আগে থাকতে অাঁচই করতে পারেননি? সংগঠনের চেয়ারপারসন কি কোনো সুপার পার্সোনালিটি? তৃণমূল বা মাটির সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগই থাকবে না? আমরা ঢাকা মহানগর বিএনপির কমিটিকে ভেঙে দিতে দেখলাম এবং তার জায়গায় নতুন কমিটি ঘোষণা করলেন বেগম খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়া নিজে এটা করলেন কেন? আমরা দেখেছি ছাত্রদলের কমিটিও তিনি এভাবে ঘোষণা করেন। এই কমিটি যদি ঠিকমতো কাজ না করে, যে আন্দোলন তারা গড়ে তুলতে চাইছেন তা করতে না পারে তবে তার দায়িত্ব কি দলের সুপ্রিম নেতা বেগম জিয়ার ওপর বর্তায় না? আমরা তো সবাই দেখলাম মহানগরের আহ্বায়কের দায়িত্ব যাকে দেওয়া হয়েছে তিনি এই কমিটিতে খুশি নন এবং তিনি সেটা গোপনও রাখেননি। সদস্য সচিবকে যে তার অপছন্দ সেটা তিনি প্রকাশ্যেই দেখিয়ে দিলেন। এতে করে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি তার অনাস্থাও প্রকাশ হয়ে গেল। এই কমিটি মহানগরে একটি সফল, সাহসী আন্দোলন গড়ে তুলতে পারবে?

আমি বিএনপির বন্ধু-সমর্থকদের নিরাশ করছি না। একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে উঠুক তা আমি চাই। এখানে গণতন্ত্র বলতে আমি কি বুঝি, গণতান্ত্রিক আন্দোলন বলতে কি বোঝায় সেটা নিয়ে কথা বলার অবকাশ আছে। পরিধিতে কুলালে তা আমি খানিকটা বলবও। কিন্তু আমরা দেখেছি আন্দোলন সংগঠন নিয়ে মাতা-পুত্রের ভিন্নমত। বোধ হয় এ জন্যই মা গিয়েছিলেন সৌদি আরবে। পুত্রও এসেছিলেন সেখানে। কি কথা বলেছেন তারা, কতখানি দৃষ্টিভঙ্গিগত ঐক্য হয়েছে সে রিপোর্ট আমি পাইনি। এখন কর্মসূচি দেখিছি এবং ধরে নিচ্ছি এ ধরনের কর্মসূচিতে বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যানের আপত্তি নেই। মির্জা ফখরুল তো আর নিজে নিজে কোনো কর্মসূচি দেননি। ১২ আগস্ট মির্জা ফখরুল যে কর্মসূচি দিয়েছেন তার শিরোনাম পত্রিকাটি করেছে এভাবে 'বিএনপি জোটের আন্দোলন কর্মসূচি : নির্বাচনের কথা নেই' ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জনের পর প্রথমবারের মতো এই জোটের ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচিতে ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে ১৬ আগস্ট কালো পতাকা মিছিল এবং জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার প্রতিবাদে ১৯ আগস্ট ঢাকাসহ সারা দেশে সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি। এ ছাড়া ২১ থেকে ৩১ আগস্ট জেলা ও মহানগরে গণসংযোগ করবেন জোটের নেতারা। এর আগে রমজান মাসে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া ঈদের পরই সরকার পতনের দাবিতে আন্দোলনের শুরুর কথা বলেছিলেন। এ ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা হলে মির্জা ফখরুল বলেন, তাদের এসব কর্মসূচি মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবিতে চলমান আন্দোলনেরই অংশ।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এরকম প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। বিএনপির সমর্থকদের মধ্যেও এ প্রশ্ন উঠবে। কারণ বেগম জিয়া তো ওই ভাষায় কথা বলেছিলেন। আন্দোলনের প্রশ্নে বিএনপির ওপর এমনিতেই মানুষের আর সেরকম আস্থা নেই। সে ক্ষেত্রে বিএনপির আরও সতর্ক হওয়া দরকার। নিজেদের ওপর তারা কতখানি আস্থাশীল হতে পেরেছে সেটা এ কর্মসূচিতে বোঝা গেছে। আমার কাছে মনে হচ্ছে, বিএনপি এখন আকাশ ছেড়ে মাটিতে এসে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এটা আমি বলছি তার সংগঠনের আত্দমুখী শক্তির প্রশ্নে। আন্দোলন করবে যে জনগণ, সেই জনগণের জন্য তাদের বার্তাটি পরিষ্কার নয়।

দেশের অবস্থা এখন নিশ্চিতভাবেই ভয়াবহ। বর্তমান সরকার নিন্দিত ও জনবিচ্ছিন্ন এটা অস্বীকার করা যায় না। এই সরকার কতটা জনবিচ্ছিন্ন সেটা প্রমাণে ঘটনার অভাব নেই। র্যাব-পুলিশ ও আমলাদের ওপর নির্ভর করে দেশ চালাতে গিয়ে সর্বত্র নির্যাতন, অপহরণ, গুম-খুনের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে। ভোট ছাড়া ঘোষিত এমপিদের দাপটে এখন সবার দিশাহারা অবস্থা। তাদের অবৈধ কাজের বিরোধিতা করলেই হামলা-মামলা, গুম-খুনের শিকার হতে হচ্ছে মানুষকে। দেশজুড়ে দুর্নীতি-লুটপাট-দুর্বৃত্তায়ন এমন হয়ে উঠেছে যা বলার অপেক্ষা রাখে না। ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটের মতোই হত্যা-গুমের একটি ঘটনারও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত ও বিচারে অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। প্রতিবাদ দূরে থাক সমালোচনা সহ্য না করে যেভাবে ফ্যাসিস্ট কায়দায় দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে, তার নজিরও খুঁজে পাওয়া ভার। জনগণের আন্দোলনের মতো উৎপাদন ও উন্নয়নের সুফলকেও আমরা আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির কাজে লাগাতে পারিনি। ফলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নামে সমাজে বৈষম্য বেড়েছে, অসঙ্গতি বেড়েছে। দুর্নীতি লাগামছাড়া হয়ে উঠেছে। মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্রের লক্ষ্য হারিয়ে গেছে। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে বাংলাদেশের জনগণের জন্য যে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে, তা থেকে দেশকে দূরে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। সংবিধানে সব ক্ষমতার মালিক জনগণ বলা হলেও কার্যত পাঁচ বছর পর পর ভোট দেওয়ার অধিকার ছাড়া জনগণ সবকিছু থেকেই বঞ্চিত। এখন সেই ভোটের অধিকারটুকুও হারিয়ে জনগণের অসহায়ত্ব সাদা চোখেই ধরা পড়েছে। এমন অবস্থায় শুধু সরকার পরিবর্তন বা নির্বাচনের কথা মানুষের মনকে নাড়া না দিলে কাউকে দোষ দেওয়া যাবে না। রাজনীতিকে শুধু ক্ষমতার পালাবদলের হাতিয়ার করে পুরোপুরি জনবিচ্ছিন্ন করা হয়েছে, দুর্বৃত্তায়িত করা হয়েছে। অথচ আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির বাধা দূর করে রাজনীতিই পারে সমাজের এগিয়ে চলার পথ দেখাতে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের এই ভূমিকাই পারে মানুষকে ভাগ্য পরিবর্তনে সাহসী করে তুলতে।

লেখক : রাজনীতিক, আহ্বায়ক নাগরিক ঐক্য।

ই-মেইল : [email protected]

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়