শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০১৪

স্থানীয় সরকার নিয়ে তাদের দ্বৈত ভূমিকা আর কতদিন?

ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ
অনলাইন ভার্সন
স্থানীয় সরকার নিয়ে তাদের দ্বৈত ভূমিকা আর কতদিন?

এক. সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে এক ভাষণে বলেন, সব জায়গায় দ্রুত নগরায়ণ হচ্ছে। এটি হচ্ছে অপরিকল্পিতভাবে। যত্রতত্র নগরায়ণের ফলে ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে। পরিবেশ বসবাসের অনুপযোগী হচ্ছে। ...সবাই ঢাকায় থাকতে চায়। যারা গ্রামে থাকে, তারা কেন নগরের সুবিধা পাবে না? তারাও ফ্ল্যাট বাড়িতে থাকবে। ... স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলোর স্তর পুনর্বিন্যাস করে পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা, অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা এবং অন্যান্য উন্নয়ন পরিকল্পনা এসব সংস্থায় ন্যস্ত করা হবে (সমকাল, ১৮ জুলাই-১৪)। তিনি এর আগেও কয়েকবার বলেছেন- 'জেলাকে কার্যকর করা হবে। জেলার হাতে শিক্ষা, চিকিৎসাসহ বহু কিছু ছেড়ে দেওয়া হবে'। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে স্থানীয় সরকারকে কার্যকর করার জন্য সুন্দর সুন্দর কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ ছয় বছরে স্থানীয় সরকারের পক্ষে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। উপজেলা ও জেলা পরিষদগুলোকে কার্যকর করা হয়নি। তারপরেও সরকার প্রধানের মুখে এরকম সুন্দর কথা শুনলে আমরা খুশি হই, নতুন করে আশায় বুক বাঁধি। কিন্তু তার সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর মুখে উল্টাপাল্টা কথা শুনে হতবাক হই। তিনি কিছুদিন আগে তিন দিনব্যাপী ডিসিদের সম্মেলনে জেলা পরিষদ বিলুপ্তির ইঙ্গিত দিয়ে বলেন- 'বেশি বেশি স্থানীয় সরকার কাজে আসে না। এত সরকার ভালো না। যত সরকার কম, ততই ভালো' (প্রথম আলো ১০ জুলাই-১৪)। এর আগে ২০০৯ সালে উপজেলা নির্বাচনকালে বলেছিলেন, 'তারা উপজেলায় বিশ্বাস করেন না। যেহেতু তত্ত্বাবধায়ক সরকার উপজেলা নির্বাচন দিয়ে গেছে, সেজন্য তারা নির্বাচন দিতে বাধ্য হচ্ছেন। কারণ নির্বাচন না দিলে জনগণের কাছে ভুল মেসেজ পৌঁছাবে।' আমরা দেখেছি গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পূর্ণ মেয়াদে উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানরা ক্ষমতায় থেকেছেন। কিন্তু তাদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। অর্থাৎ উপজেলাকে কার্যকর করা সম্ভব নয় জেনেও বর্তমান সরকার আবারও উপজেলা নির্বাচন দিয়েছে শুধু জাতীয় রাজনীতির প্রয়োজনে। দুই. অভিযোগ রয়েছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি নামক দলগুলো কাজে গণতান্ত্রিক না হলেও মুখে গণতন্ত্রের কথা বলছে। তারা স্থানীয় সরকারগুলো কার্যকর না করলেও ক্ষমতায় গিয়ে এগুলোকে একেবারে বিলুপ্ত করে দেয়নি। সে জন্য আমরা মনে করি, দলগুলোর সুমতি হলে এ দেশে অদূরভবিষ্যতে সত্যিকারের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা সম্ভব। তাই এখন থেকেই প্রয়োজন গণতন্ত্রায়নের জন্য সামাজিক চাপ সৃষ্টি করা। লক্ষণীয়, প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী উভয়ই স্থানীয় সরকারের স্তর বিন্যাসের কথা বলছেন। ব্রিটিশ সরকার জেলাকে স্থানীয় সরকারের সর্বোচ্চ ও ইউনিয়নকে সর্বনিম্ন স্তর ধরে তাদের শাসন কাঠামো কার্যকর করেছিল। জেলাকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগসহ বেশ কিছু কাজ করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছিল। সে কারণে স্থানীয় সরকারের ক্ষেত্রে এ দুটি স্তরই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তবে বাংলাদেশ আমলে নির্বাচিত ও অনির্বাচিত সরকারগুলো রাজনৈতিক প্রয়োজনে ইউনিয়নের নিচে গ্রাম সরকার, পল্লী পরিষদ, গ্রামসভা নামে একটি স্তর এবং মহকুমা ও উপজেলা নামে পরিচিত মধ্যবর্তী আরেকটি স্তর সৃষ্টি করে। একই কারণে সেগুলোর অধিকাংশ বিলুপ্তও করা হয়। কিন্তু ইউনিয়ন ও জেলার গুরুত্ব থাকায় এ দুটি স্তরকে কখনই বিলুপ্ত করা হয়নি। তিন. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'বাকশাল' ব্যবস্থা কায়েম করতে চেয়েছিলেন জেলাকে কার্যকর করেই। তিনি তার বহু ভাষণে বলতেন, সচিবালয়ে বসে জেলার উন্নয়নের চিন্তার প্রয়োজন নেই। জেলায় বসে জেলার উন্নয়নের চিন্তা করতে হবে। তিনি ৬৪টি জেলার প্রায় সবগুলোতে গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন। সেই সঙ্গে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা পুলিশ কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে নির্বাচনের মাধ্যমে জেলা গভর্নর ও তার পরিষদের সদস্যদের নির্বাচিত করার চিন্তা করেছিলেন। এসব জানা থাকার পরেও আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী কেন জেলার বিলুপ্তি চাচ্ছেন তা বোধগম্য নয়। মজার বিষয় হলো, তাকে মানুষ কিশোরগঞ্জের লোক হিসেবে ইঙ্গিত করতে বেশি পছন্দ করে। এ স্থানীয়তার টানেই সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ঘোষণা দিয়েছিলেন- তিনি জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও ভৈরবকে জেলা করে ছাড়বেন।

চার. স্থানীয় সরকারবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান 'সিডিএলজি' তথা সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক লোকাল গভর্ন্যান্স দীর্ঘদিন আগে থেকেই বলে আসছে, এ দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি, আয়তন, ভৌগোলিক অবস্থান ইত্যাদির বিবেচনায় প্রদেশ সৃষ্টি বাস্তবানুগ নয়। প্রদেশের বিকল্প হিসেবে জেলাকে স্থানীয় সরকারের সর্বোচ্চ ইউনিট ধরে গণতান্ত্রিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ সম্ভব। এখানে উল্লেখ্য, বিভাগকে সর্বোচ্চ ইউনিট ধরে স্থানীয় সরকারের স্তরবিন্যাস করলে বহু স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকারের সমস্যাটি থেকে যাবে। সে জন্য স্তর হ্রাসের জন্য হলেও জেলাকে সর্বোচ্চ ইউনিট হিসেবে কার্যকর করা উচিত। অর্থাৎ জেলাকে কার্যকর করে কেন্দ্রীয় সরকারের ভার লাঘব, পরিবেশবান্ধব পরিকল্পিত নগরায়নের ডিজাইন গ্রহণসহ গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রায়নের পক্ষে বহু কিছুই করা সম্ভব। সিডিএলজির প্রস্তাবিত স্তরবিন্যাস সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী, এলজিআরডি মন্ত্রী, বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অবগত আছেন। সবার জানা রয়েছে, দেশের সব জনগোষ্ঠী স্থানীয় সরকারের চারটি মৌলিক ইউনিট অর্থাৎ ইউনিয়ন, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড নামক প্রশাসনিক ইউনিটগুলোতে বসবাস করেন। কিন্তু এগুলোকে নিম্নতম মৌলিক ইউনিট (Basic Unit)হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়নি। বরং এ ইউনিটগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বহু স্তরবিশিষ্ট প্রশাসনিক স্তর রেখে দেওয়া হয়েছে। যেমন- ইউনিয়নকে উপজেলা, জেলা, বিভাগ, সর্বশেষে দূরবর্তী অবস্থান থেকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করছে। কিন্তু একাধিক কর্তৃপক্ষ ও দূরবর্তী কর্তৃপক্ষ যে কোনো কাজের কর্তৃপক্ষ নয়, এটি বিভিন্ন ঘটনায় বারবার প্রমাণিত হয়েছে।

পাঁচ. কতিপয় রাজনীতিক ও আমলা শ্রেণীর লোকেরা এ দেশের স্থানীয় সরকারগুলোকে ইংল্যান্ড ও স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর মতো দেখতে চান। তারা ভুলে যান, সেসব দেশ কখনো আমাদের মতো দীর্ঘকাল পরাধীন থাকেনি। সেখানে স্থানীয় সরকারগুলো আপনা-আপনি গড়ে উঠেছে এবং স্থানীয় সরকার ও জাতীয় সরকার হাত ধরাধরি করে বিকশিত হয়েছে। কিন্তু এ দেশের মানুষের মনে এখনো ঔপনিবেশিক শাসনের প্রভাব রয়ে গেছে। তারা স্বাধীন ও নৈর্ব্যক্তিকভাবে পরিচালিত হতে অভ্যস্ত নয়। সে কারণে, স্থানীয় সরকারগুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য নিকটতম একক কর্তৃপক্ষীয় প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন। জেলা এক হাতে গ্রামীণ ইউনিটগুলো এবং অন্য হাতে নগরীয় ইউনিটগুলো নিয়ন্ত্রণ করবে। জেলার সঙ্গে শুধু কেন্দ্রের সম্পর্ক থাকবে। তার আগে দুই প্রকারের সরকার পদ্ধতি তথা কেন্দ্রীয় সরকার ও স্থানীয় সরকার বাস্তবায়ন করতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে শুধু জাতীয় ও বৈশ্বিক কাজগুলো নির্দিষ্ট থাকবে এবং অবশিষ্ট স্থানীয় কাজগুলো স্থানীয় সরকার বাস্তবায়ন করবে। সেইসঙ্গে প্রতিটি স্থানীয় ইউনিটকে প্রজাতান্ত্রিক রূপ দিয়ে সেগুলো পরিচালনার ভার স্থানীয়দের হাতে ছেড়ে দিতে হবে, যেমন- ইউনিয়ন সরকার, নগর সরকার, জেলা সরকার ইত্যাদি। এ ব্যবস্থা গৃহীত হলে অনেক অপ্রয়োজনীয় ব্যয় স্তর হ্রাস পাবে। স্থানীয়দের ক্ষমতায়ন ঘটবে। পরিকল্পিত নগরায়ণসহ গণতন্ত্রমনা সব রাজনৈতিক দলের পছন্দনীয় দেশোপযোগী সরকার ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হবে। তাই আমরা মনে করি, একটি সমন্বিত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কার্যকর করার চিন্তা মাথায় নিলে জাতীয় নেতাদের আর দ্বৈত ভূমিকা পালন করতে হবে না।

লেখক : চেয়ারম্যান, জানিপপ। সহলেখক : ড. এ কে এম রিয়াজুল হাসান, ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার, জানিপপ; এবং মোশাররফ হোসেন মুসা, সদস্য, সিডিএলজি ও ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার, জানিপপ।

ই-মেইল- [email protected]

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫৯ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়