শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৪

বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের সমুদ্রযুদ্ধ

লে. জেনারেল মাহবুবুর রহমান
অনলাইন ভার্সন
বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের সমুদ্রযুদ্ধ

১৯৮১ সালের প্রথম দিকের কথা। আমি তখন গণচীনে বেইজিং দূতাবাসে সামরিক এটাশে। রাষ্ট্রপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমান ইতিমধ্যে দু-দুবার গণচীন সফর করে গেছেন। বাংলাদেশ ও গণচীনের মৈত্রীর সেতু তার উদ্যোগে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। চীনের পূর্ণ ও অকুণ্ঠ সমর্থন তিনি অর্জন করতে পেরেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি চীন সরকার বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেছে। জেনারেল জিয়াকে তারা একজন সাহসী, বলিষ্ঠ ও জাতীয়তাবাদী নেতা বলে মনে করে এবং সহযোগিতায় এগিয়ে আসে। আমার মনে আছে, আমি বঙ্গভবন থেকে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব জেনারেল সাদেকুর রহমানের টেলিফোন পাই। তিনি আমাকে জানালেন, রাষ্ট্রপতি কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার সঙ্গে কথা বলবেন, আমি যেন প্রস্তুত থাকি। এর আগে ডিজি, ডিজিএফআই জেনারেল মহব্বতজান চৌধুরীও আমাকে এমনই আভাস দিয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতি আমাকে টেলিফোনে অল্প কথাই বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে অতি দ্রুত শক্তিশালী করা প্রয়োজন বিধায় পিএলএ (People’s Liberation Army-এর উদার সহযোগিতার প্রত্যাশা করেন। আমাকে বলেছিলেন, আমি যেন পিএলএর উচ্চপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করি। দেশের অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার দিকটাও মনে রাখি।

আমি সে দিনই চীনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে বিষয়টি জানিয়ে অতি উচ্চপর্যায়ের একজনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রার্থনা করি। ঘণ্টা খানেকের মধ্যে আমাকে জানানো হয় আমি পরের দিন সকাল ৯টায় যেন মন্ত্রণালয়ে আসি। যথারীতি মন্ত্রণালয়ে পৌঁছলে ফরেন লিয়াজোঁ অফিসার কর্নেল শু চুইনফিং আমাকে পার্টি হেড কোয়ার্টারে নিয়ে যান। কর্নেল শু পথে আমাকে জানান, আমি পার্টি সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের চেয়ারম্যান দেং শিয়াওফিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছি। আমি বিস্মিত। এও কি সম্ভব? কি বিশাল এক ব্যক্তিত্ব! এতটার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। আমার মনে আছে, ছোটখাটো মানুষটি মাও কোট পরা। স্নেহবৎসল ও অমায়িক। বাংলাদেশের ব্রিগেডিয়ার পদবির এক অফিসারকে উষ্ণতার সঙ্গে মংচিয়ালা উকুয়ান লায়ে লায়ে (বাংলাদেশের মিলিটারি এটাশি আস আস) বলে রিসিভ করলেন। আমি বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করি এবং রাষ্ট্রপতির উদ্বেগের (concern) কারণ তুলে ধরি। চীনের উদার সাহায্য কামনায় রাষ্ট্রপতির আস্থা ও প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করি। এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান দেং আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি শুধু সেনাবাহিনীর কথা বলছ, নৌবাহিনীর কথা বলছ না কেন? তোমাদের মানচিত্রের পুরো দক্ষিণজুড়ে পৃথিবীর সবচেয়ে সমৃদ্ধ বিশাল সমুদ্র বে অব বেঙ্গলের অবস্থান। তোমাদের নৌবাহিনী শক্তিশালী করা প্রয়োজন আর এটা শুধু সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকেই নয়, অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও বটে। চেয়ারম্যান দেং আমাকে নৌ ও স্থলশক্তি অর্জনে পিএলএর পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস ঢাকায় রাষ্ট্রপতিকে জানাতে বললেন। আমরা চীনের সহযোগিতায় একটি আধুনিক নৌবাহিনীসহ সশস্ত্র বাহিনী গড়তে সক্ষম হই। আজও সে সহযোগিতা অব্যাহত। চীনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী আজ একটি ত্রৈমাত্রিক নৌবাহিনী। শীঘ্রই সাবমেরিনও সংযোজিত হতে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ সেই সুপ্রাচীন কাল থেকে সমুদ্র ঐতিহ্যের দেশ। বাংলাদেশের এই জনপদ একটি বদ্বীপ। ব্রহ্মপুত্র, পদ্মা, মেঘনা, যমুনার সঙ্গে সাগরের মিলনের মধ্যেই এর উৎপত্তি, বিস্তার ও সভ্যতার বিকাশ। তাই তো বাংলাদেশ (বঙ্গ) বঙ্গোপসাগর কন্যা। চীনা ভাষায়ও বঙ্গোপসাগরকে মংচিয়ালা ওয়ান (বাংলার সাগর) বলে। কয়েক সহস্র বছর আগে সমুদ্রের দেশ বাংলার রাজপুত্র বিজয় সিংহ রণতরী সাজিয়ে সিংহলের উদ্দেশে সমুদ্র-যাত্রা করেন। সিংহলের রূপ ঐশ্বর্য আর ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়ে রাজকুমারীর সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন। সেখানেই রয়ে যান, রাজবংশ বিস্তার করেন। বাংলার বার ভূঁইয়া, বাংলার ঈশা খাঁ, সুবা বাংলা, বাংলার সুলতানী আমলের ইতিহাস- বাংলার শক্তিশালী নৌশক্তির ইতিহাস। বাংলার সমুদ্র ঐতিহ্যের কথা লিখতে গিয়ে মনে পড়ছে, পঞ্চদশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ্ চীনের মহাপরাক্রান্ত মিং সম্রাট ইয়ং-ল-এর প্রেরিত শান্তির শুভেচ্ছা দূত, সে যুগের শ্রেষ্ঠ নৌ-পরিব্রাজক অ্যাডমিরাল চাং হ কে শতাধিক জাহাজের নৌবহর নিয়ে চট্টগ্রামে একাধিকবার আগমন করলে বাংলার রাজধানী সোনারগাঁওয়ে তার দরবারে অভ্যর্থনা জানান। পরিতাপের বিষয় বাংলা তার এ মহান সমুদ্র ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারেনি। বাংলার মানুষ সুদীর্ঘকাল তার অতীত ইতিহাস বিস্মৃত ছিল। রবার্ট ক্লাইভ বাণিজ্যের নাম করে সমুদ্রপথে বাংলাদেশে আসে। কলকাতার কৃষ্ণনগরে ঘাঁটি গাড়ে। ততদিনে বাংলার নৌশক্তি অনেক দুর্বল হয়ে গেছে। পলাশীর প্রান্তরে স্থলযুদ্ধে বাংলার নবাব ষড়যন্ত্র আর বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়ে পরাজিত হন। নৌশক্তির অভাবে গোটা ভারতবর্ষে ব্রিটিশ উপনিবেশ স্থাপনের পথ তখনই সুপ্রশস্ত হয়।

১ মার্চ ২০১২ সমুদ্র সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল (ইটলস) জার্মানির হামবুর্গে মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিয়ে এক ঐতিহাসিক রায় দেয়। বাংলাদেশের ন্যায়ভিত্তিক দাবির (Principles of Equity) প্রেক্ষিতে ২০০ নটিক্যাল মাইল একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive Economic Zone-EEZ) অর্জন করতে সক্ষম হয়। মহিসোপানের বর্ধিত অবস্থান (Extended Continental Shelf) এর ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। মিয়ানমার এ রায় মেনে নেয়। বাংলাদেশের এটি ছিল একটি নিশ্চিত বিজয়।

ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধের নিষ্পত্তি ইটলসের পথ ধরে দ্য হেগে আন্তর্জাতিক আরবিট্রেশন কাউন্সিলে উপস্থাপন ইতিবাচক সিদ্ধান্ত ছিল। প্রতিবেশী ভারত অবশ্য দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির ইচ্ছা বার বার ব্যক্ত করে। আন্তর্জাতিক আরবিট্রেশন কাউন্সিলের রায় সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। রায়ে বাংলাদেশের প্রাপ্তি নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। সরকার একচ্ছত্রভাবে এক বিশাল সমুদ্র জয়ের ঘোষণা দিচ্ছে। এ তথাকথিত জয় এককভাবে একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকারই ছিনিয়ে এনেছে। তারা অভিযোগ আনছে অতীতে একমাত্র আওয়ামী লীগ ছাড়া কোনো সরকারই কখনো সমুদ্রসীমা নিয়ে কোনো উদ্বেগ দেখায়নি। বিষয়টি নিষ্পত্তিতে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। বিষয়টিকে পাশ কাটিয়েছে, চরমভাবে অবহেলা করে এসেছে। এমনও কথা আসছে, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তালপট্টি দ্বীপটি ভারতকে নিজ হাতে সমর্পণ করে দিয়েছিলেন। কথা আসছে দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ যেহেতু আর দৃশ্যমান নেই পানিতে নিমজ্জিত, তাই তার আর কোনো অস্তিত্বই নেই। আদালতে তাই তার উল্লেখও অযৌক্তিক।

বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন সমুদ্র পৃষ্ঠের স্ফীতি ইত্যাদি কারণে ভাসমান দ্বীপটি এখন নিমজ্জিত। কিন্তু তা দ্বীপটির অস্তিত্বের বাস্তবতাকে কখনো বিলীন করতে পারে না। দ্বীপটি ছিল, এখনো আছে। আগে ভাসমান ছিল এখন নিমজ্জমান আছে। আমাদের সমুদ্র সীমারেখা দ্বীপটির অতীত অবস্থান অন্তর্ভুক্ত করেই হতে হবে। এটাই যৌক্তিক। এটাই ন্যায়সঙ্গত।

বিকৃতি থেকে ইতিহাসকে মুক্ত করে সঠিক অবস্থানে উপস্থাপন করতে আমার (লেখক) ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু ঘটনার উল্লেখ করার তাগিদ অনুভব করছি। ১৯৭৯ সালের দিকের কথা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মুরারজি দেশাই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ি। এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর আলোচনা সভায় সদ্য জেগে ওঠা দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের ওপর বাংলাদেশের দাবির বিষয়টি উঠে আসে। ল্যান্ড রিসোর্স স্যাটেলাইট পিকচারে দ্বীপটির অবস্থান প্রথম প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র নামকরণ করে নিউমুর আইল্যান্ড। খুলনার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে রায়মঙ্গল নদীর শাখা হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মূল স্রোতধারার (মিড চ্যানেল) পূর্বদিকে দ্বীপটির অবস্থান নির্দিষ্ট করে প্রমাণ করে সদ্য আবির্ভূত দ্বীপটির দাবিদার একমাত্র বাংলাদেশ। উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালের রেড ক্লিফ বাউন্ডারি অ্যাওয়ার্ড হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মধ্য স্রোত দু-দেশের সীমান্ত বিভাজক হিসেবে চিহ্নিত করে। দ্বীপটির আবির্ভাবের সঙ্গে সঙ্গেই ভারত নৌঅভিযান চালিয়ে তা দখলে নিয়ে নেয় এবং ঘাঁটি স্থাপন করে। নাম দেয় পূর্বাশা দ্বীপ।

রাষ্ট্রপতি জিয়া প্রধানমন্ত্রী দেশাইয়ের সঙ্গে বিষয়টি স্যাটেলাইট গৃহীত ছবিগুলোসহ গুরুত্বসহকারে আলোচনা করেন। সেই আলোচনায় বিডিআরের (বর্তমান বিজিবি) ডাইরেক্টর অপারেশন হিসেবে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নদীসমূহের ম্যাপ ও দ্বীপের স্যাটেলাইট গৃহীত ছবিসহ তথ্য-উপাত্ত নিয়ে আমার উপস্থিত থাকার সৌভাগ্য হয়েছিল। দ্বীপটির ওপর বাংলাদেশের দাবিকে প্রধানমন্ত্রী দেশাই শ্রদ্ধা জানান। দুই দেশের যৌথ পর্যবেক্ষণ ও জরিপের ভিত্তিতে বিষয়টির নিষ্পত্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। ভারত নৌ-স্থাপনা তুলে নেয়।

সাম্প্রতিক দ্য হেগে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক আরবিট্রেশন কাউন্সিলে বাংলাদেশের পক্ষে তথ্য-উপাত্তের চরম অপ্রতুলতা, জোরালো যুক্তি উপস্থাপনে দুর্বলতা প্রকটভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে আরও অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন বিশারদ ও বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ ও সংশ্লিষ্টতা প্রয়োজন ছিল। শোনা যায়, এ বিষয়ে অনেক প্রথিতযশা বাংলাদেশি এঙ্পার্টরা আছেন। বিস্মিত হই আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনজ্ঞ ড. কামাল হোসেনের মতো ব্যক্তিকেও এ বিষয়ে কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট করা হয়নি। রহস্যজনকভাবে অবহেলা করা হয়েছে। দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, সালিশি ট্রাইব্যুনালে পাঁচজন বিচারকের মধ্যে একজন ছিলেন খোদ ভারতীয় (প্রেমারাজু শ্রী নিবাসারাও)।

সরকার থেকে অভিযোগ আসছে, ২০০১-২০০৬ সালে বিএনপি সরকারের আমলে আনক্লস (ইউনাইটেড নেশনস কমিশন ফর লজ অব সি) বাস্তবায়নে কখনো কোনো পদক্ষেপই নেয়নি। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন অনুভব করছি, আমি অষ্টম জাতীয় সংসদের সদস্য থাকাকালীন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করি। সমুদ্রসীমা নির্ধারণ ও আনক্লস বাস্তবায়নের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে ২৬ জানুয়ারি ২০০৬ অনুষ্ঠিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় এজেন্ডাভুক্ত হয়ে আলোচিত হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় (পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, নৌপরিবহন) সচিব, যুগ্মসচিবসহ তিন বাহিনী প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। কমিটি দীর্ঘ আলোচনার পর ঐকমত্যে দৃঢ় সিদ্ধান্তে উপনীত হয় আনক্লস বাস্তবায়নে অতিসত্বর সর্বাত্দক উদ্যোগ নিতে হবে। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করতে হবে। আরও সুপারিশ করা হয়, সমুদ্র সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা অর্জনে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে যুগোপযোগী, আধুনিক ও নীলজলের ত্রৈমাত্রিক নৌবাহিনীতে (three dimensional blue water navy) রূপান্তরিত করতে হবে।

দ্য হেগের সমুদ্রযুদ্ধ নিশ্চয়ই এক বড় নৌঅভিযানই বটে। বিষয়টি জাতীয় টপ ইস্যু। সমুদ্র সার্বভৌমত্বের ইস্যু। জাতীয় নিরাপত্তা, জাতীয় ভূকৌশলগত অবস্থানের ইস্যু। বিষয়টি অনাদিকালে বাংলাদেশের ভৌগোলিক মানচিত্রের ইস্যু। জাতীয় টপ প্রায়োরিটির বিষয়টির ওপর সরকার প্রয়োজনীয় গুরুত্বারোপ করতে শিথিলতা প্রদর্শন করে। হোমটাক্সে অলস থাকে। যুগ যুগ ধরে বিষয়টি বর্তমান ও আগামী প্রজন্মকে অধিকার হরণের গ্লানিতে আক্রান্ত করবে। বিষয়টি উত্তাপ ছড়াবে। পিতা, পিতামহ, প্রপিতামহদের প্রতি অনাদিকালের প্রজন্ম সমুদ্র হস্তান্তরের কঠিন অভিযোগ ছুড়ে দেবে। আমাদের গৌরবের অনেক মহান অর্জনকে ম্লান করবে। আমাদের প্রতি ক্ষমাসুন্দর হতে কার্পণ্য করবে। সমুদ্রের এ যুদ্ধে আমাদের পূর্ণ বিজয় আসেনি। আমরা মিথ্যা আস্ফালন করে নিজেদের ব্যর্থতাকে ঢাকতে চাচ্ছি, নিজেদেরই নিজেরা প্রতারণা করছি। এটি সম্পূর্ণ পরাজয় তাও বলব না। এটি খণ্ডিত জয় অথবা খণ্ডিত পরাজয়। প্রত্যাশা করি, ভবিষ্যতের প্রজন্ম বাংলাদেশকে তার ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায়, তার হৃত সমুদ্র পুনরুদ্ধারে সক্ষম হবে। জয় হোক সিন্ধু অভিযানের। জয় হোক সমুদ্রের। জয় হোক বাংলাদেশের।

লেখক : সাবেক সেনাপ্রধান

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়