শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৪

সংবাদ মাধ্যমের কণ্ঠরোধ

হায়দার আকবর খান রনো
অনলাইন ভার্সন
সংবাদ মাধ্যমের কণ্ঠরোধ

সরকার যে সম্প্রচার নীতি গ্রহণ করেছে, যার আলোকে আইন করা হবে এবং একটি স্বাধীন(?) সম্প্রচার কমিশন গঠন করা হবে। সম্প্রচার কমিশন ও আইন না হওয়া পর্যন্ত সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রচার সম্পর্কিত সব সিদ্ধান্ত নেবে। এ নীতিমালা যে মিডিয়ার স্বাধীনতাকেই ক্ষুণ্ন, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করবে, সে সম্পর্কে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। সরকারের মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী কোনো অসতর্ক মুহূর্তে সরকারের আসল অভিসন্ধি ফাঁস করে দিয়েছেন। সিলেটের এক সভায় সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়ে এক চোট নেওয়ার সময় তিনি হুমকি দিয়েছিলেন- সম্প্রচার নীতি কার্যকরী হোক, তিনি সাংবাদিকদের দেখে নেবেন। পরে যদিও তিনি ক্ষমা চেয়েছেন, তবু অস্বাভাবিক মুডে রাগত অবস্থায় মুখ ফসকে যে কথা বেরিয়ে গেছে, সেটা তো আর ফেরত নেওয়া যায় না। সেটাই তো আসল কথা। সরকার বেয়ারা সাংবাদিকদের এক হাত দেখে নিতে চায়। বাংলাদেশ প্রতিদিনের ৬ আগস্ট সংখ্যায় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না যথার্থই বলেছেন, "... নীতিমালায় আছে আলোচনামূলক অনুষ্ঠানে (টকশো) বিভ্রান্তিমূলক ও অসত্য তথ্য পরিহার করতে হবে। এ ধরনের অনুষ্ঠানে সব পক্ষের যুক্তি যথাযথভাবে উপস্থাপনের সুযোগ থাকতে হবে। ৫ জানুয়ারি তথাকথিত নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করি। এটা কি কোনো নির্বাচন? শতকরা ৪০ ভাগ ভোট পড়েছে? দেশের মানুষ দেখেনি? কোন তথ্যটি বিভ্রান্তমূলক? মাত্র ৫ ভাগ ভোট পড়েছে নাকি ৪০ ভাগ? বিভ্রান্তি কি টকশোর অতিথি বক্তারা ছড়াচ্ছেন নাকি সরকার নিজে। যদি সত্যের কথা বলেন, তাহলে সরকারের এসব মিথ্যাচার বন্ধ করে দিতে হবে। অথচ কোনটা সত্যি কোনটা মিথ্যা তা বিচার করার ভার থাকছে মন্ত্রণালয় তথা সরকারের হাতে। এটা স্বৈরাচার নয়?"

সম্প্রচার নীতির লক্ষ্য হলো সরকারের মিথ্যাকে মিডিয়ায় প্রচার করতে হবে। আসল সত্য প্রকাশ করলে মিডিয়ার ওপর, সাংবাদিকদের ওপর খড়গ নামবে। এক কথায়, সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকেই বলি দেওয়া হবে তথাকথিত রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, ব্যক্তি বিশেষের বা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মর্যাদাহানি বন্ধ অথবা বন্ধুরাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক রক্ষার নামে। স্বৈরাচারী শাসক মাত্রই এসব ভালো ভালো কথার আড়ালে গণতন্ত্রকেই বিসর্জন দেয়, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করে। বর্তমান শাসকরা ঠিক একই কাজ করছেন। স্বৈরাচারী শাসকরা যে ভুল করে থাকে বর্তমান শাসকরাও একই ভুল করছেন। স্বাধীন সংবাদ প্রবাহ বন্ধ করে দিলে সন্দেহ, অবিশ্বাস ও অনাস্থা আরও বেশি করে তৈরি হয়, যা কোনো শাসকের জন্য শুভ নয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'গান্ধারীর আবেদন' কবিতায় 'বাক স্বাধীনতার সপক্ষে এবং তা রুদ্ধ করে দিলে কী পরিণতি হতে পারে সে সম্পর্কে মহাভারতের চরিত্র ধৃতরাষ্ট্রের মুখ দিয়ে বলেছেন,

'ওরে বৎস শোন

নিন্দারে রসনা হতে দিলে নির্বাসন

নিম্নমুখে অন্তরের গূঢ় অন্ধকারে

গভীর জটিল মূল সুদূরে প্রসারে,

নিত্য বিষ তিক্ত করি রাখে চিত্ততল।

রসনায় নৃত্য করি চপল চঞ্চল

নিন্দা শ্রান্ত হয়ে পড়ে; দিয়ো না তাহারে

নিঃশব্দে আপন শক্তি বৃদ্ধি করিবারে

গোপন হৃদয় দুর্গে।'

স্বৈরশাসক দুর্যোধন নাগরিকদের সমালোচনা বন্ধ করার সব ব্যবস্থা করেছিল। তার প্রতি ধৃতরাষ্ট্রের এ ছিল উপদেশ। স্বাভাবিক পথে বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা না থাকলে তা আরও বহুগুণ শক্তি দিয়ে অন্য কোনো পথে আত্দপ্রকাশ করবেই, যা শাসক গোষ্ঠীর জন্য মোটেও শুভ নয়।

একই কথা বলেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৯৮ সালে, যখন ঔপনিবেশিক শাসক ব্রিটিশ সরকার তিলককে গ্রেফতার করেছিল এবং সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করেছিল। রবীন্দ্রনাথ 'কণ্ঠরোধ' এ শিরোনামে একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন। এখানে আরও উল্লেখ্য, প্রবন্ধটি পাঠ করা হয়েছিল ব্রিটিশ রাজকর্তৃক 'সিডিশন বিল' পাস হওয়ার ঠিক আগের দিন। তিনি লিখেছিলেন- 'সিপাহী বিদ্রোহের পূর্বে হাতে হাতে যে রুটি বিলি হইয়াছিল তাহাতে একটি অক্ষরও ছিল না- সেই নির্বাক নিরক্ষর সংবাদপত্রই কি যথার্থ ভয়ঙ্কর নহে। সংবাদপত্র যতই অধিক ও যতই অবাধ হইবে, স্বাভাবিক নিয়ম অনুসারে দেশ ততই আত্দগোপন করিতে পারিবে না।'

রবীন্দ্রনাথের মতো মনীষীদের সৎ উপদেশ কোনোকালেই স্বৈরাচারী শাসকদের কানে প্রবেশ করে না। শাসকরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সংবাদপত্রের পরিপূর্ণ স্বাধীনতা দিতে চায় না এবং স্বাধীনতা হরণ করার সময় সব শাসকশ্রেণীর রাষ্ট্র্রীয় নিরাপত্তা ইত্যাদি বুলি উচ্চারণ করে থাকে। অতএব আজকের সরকার যা বলছে, তা-ও অতীতের স্বৈরশাসকদের থেকে ভিন্ন নয়। শাসকশ্রেণী অসত্য বললেও সরকার নিয়ন্ত্রিত মিডিয়া এবং কিছু দলকানা বুদ্ধিজীবী সেটাকেই সত্য বলে জাহির করেন এবং সরকারকে বাহবা দিতে থাকেন।

এ নীতি প্রসঙ্গে সরকার কীভাবে সত্য কথা বলতে পারেনি, সেটাই দেখা যাক। তারা বলছেন, সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এবং সবার মতামতের ভিত্তিতে এ নীতিমালা প্রণীত হয়েছে। এটা সত্যের অপলাপ। এ কথা ঠিক, ছয় মাস ধরে ওয়েবসাইটে খসড়া নীতিমালাটি ছিল। তার মানে এই নয় যে, ইন্টারনেটে মতামত প্রদানকারী কোনো ব্যক্তির মতকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের কথা বাদই দিলাম। এমনকি প্রণয়ন প্রক্রিয়ার মধ্যে যাদের রাখা হয়েছিল তারাও অনেকে দাবি করছেন, তাদের মতামত গৃহীত হয়নি। তাদের অভিমত নেওয়াও হয়নি। তাদের অধিকাংশই কিন্তু আবার সরকার পক্ষের লোক। অন্যদিকে বিভিন্ন খবরের কাগজে সম্পাদকীয় লেখা হয়েছে, প্রবন্ধ ছাপা হয়েছে, এ নীতির বিশেষ বিশেষ দিকের সমালোচনা করে। অনেক সেমিনার গোলটেবিল ইত্যাদি অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে এ নীতিকে সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ বলেই আখ্যায়িত করা হয়েছে। সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এ নীতিমালার তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এটা নীতিমালা নয়, বরং হুকুমনামা। এ হুকুমনামার মধ্যে অধিকাংশই হচ্ছে, কী কী করা যাবে না, সে ধরনের নিষেধাজ্ঞা। সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য যেসব নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে তার তালিকা বেশ দীর্ঘ। আমরা এখানে কয়েকটি আলোচনায় আনব।

কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত বা গোপনীয় বা মর্যাদাহানিকর তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। কোনো ব্যক্তি সামাজিক বা ফৌজদারি অপরাধমূলক কাজ করে থাকলে সেটাও কি প্রকাশ করা যাবে না? সরকারদলীয় নেতা-উপনেতারা যেসব অপরাধমূলক কাজ করেন, যথা টেন্ডারবাজি, জবরদখল, দুর্নীতি ইত্যাদি- তাও কি প্রকাশ করা যায় না? হয়তো বলা হবে তাও যাবে না, কারণ তাতে তো বিশেষ ব্যক্তির মর্যাদা ক্ষুণ্ন হতে পারে। তাই সন্দেহ হতে পারে যে স্বীয় দলের দুর্নীতিবাজ লোকজন ও মাস্তানদের রক্ষা করার জন্যই কি নীতিমালায় এসব কথা ঢোকানো হয়েছে?

নীতিমালায় বলা হয়েছে- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘি্নত হতে পারে এমন সামরিক, বেসামরিক বা সরকারি তথ্য প্রচার করা যাবে না। সামরিক বিষয়ে কিছু তথ্য প্রচার করা যায় না রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই। এটা জানা কথা। এ যাবৎ একটি নজিরও নেই যে, কোনো সংবাদপত্র এ ধরনের তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করেছে। এত দায়িত্বজ্ঞানহীন কোনো সংবাদপত্র বা বৈদ্যুতিক মিডিয়া কখনোই ছিল না। তা ছাড়া সামরিক বিষয় সংক্রান্ত কোনো গোপনীয় তথ্য প্রকাশ করলে তার জন্য গুরুতর শাস্তির বিধান অন্যত্র আছে। এর জন্য নতুন করে সম্প্রচার নীতি প্রণয়নের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। কিন্তু আমাদের প্রশ্ন অন্যত্র। বেসামরিক তথ্য বা সরকারি তথ্য কীভাবে জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত হলো? বরং আমরা জানি, সরকার যে কোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে বাধ্য, যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা তা মানে না। তথ্য জানার অধিকার প্রতিটি নাগরিকেরই অলঙ্ঘনীয় অধিকার। স্পষ্টতই বোঝা যায়, সরকার তথ্য গোপন করে তাদের অপকর্ম গোপন করতে চায়।

নীতিতে আরও বলা হয়েছে- সশস্ত্র বাহিনী অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত দায়িত্বশীল অন্য কোনো বাহিনীর প্রতি কটাক্ষ, বিদ্রূপ বা অবমাননা করা যাবে না। সরকারি কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করা যাবে না। পুলিশ-র্যাব ইত্যাদির অন্তর্ভুক্ত কোনো সদস্য যদি কাউকে ক্রসফায়ারে হত্যা করে অথবা বন্দী অবস্থায় নির্যাতন করে তাহলেও কি সে তথ্য গোপন করা হবে? খালেদা জিয়ার ২০০১-২০০৬ শাসনকালে যৌথবাহিনী দিয়ে ক্লিনহার্ট অপারেশন করা হয়েছিল। ওই সময় বন্দী অবস্থায় অনেকের ওপর বর্বর নির্যাতন করা হয়েছিল। কারও কারও মৃত্যুও ঘটেছিল। আমার জানা মতে, কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র একতার সংবাদকর্মী মুজাহিদুল ইসলাম উইন নোয়াখালী জেলায় যৌথবাহিনীর বর্বর আক্রমণের শিকার হয়ে চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছেন। তখন খালেদা জিয়ার ক্লিনহার্ট অপারেশন চলছিল। ওই সময় উইন ছিলেন কিশোর। খালেদা জিয়া পার্লামেন্টে আইন করে যৌথবাহিনীর নির্যাতনকারীদের দায়মুক্তি দিয়েছিলেন। এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি একই পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিশেষ বাহিনীর অপরাধীদের আড়াল করতে চাচ্ছেন? হায় গণতন্ত্র!

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক গোলটেবিল আলোচনায় গণসংহতি আন্দোলনের আবুল হাসান রুবেল এক লিখিত বক্তব্যে যথার্থই বলেছেন- 'এই নীতির আলোকে পুলিশি হেফাজতে নির্যাতন বা মৃত্যু, সামরিক বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা বা র্যাব-পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন হত্যাকাণ্ড বা দুর্নীতিতে তাদের যুক্ত থাকার খবর ইত্যাদি কোনো কিছুই প্রচার করা যাবে না। এ নীতি যদি আগে থেকেই থাকত তাহলে সাম্প্রতিক নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের মামলা, লিমনের নির্যাতন, মিরপুরে পুলিশি নির্যাতনে ঝুট ব্যবসায়ীর মৃত্যু ইত্যাদি কিংবা অতীতের একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা, মঞ্জুর হত্যা মামলার তথ্য বা ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় গোয়েন্দা সংস্থার বা নিরাপত্তা বাহিনীর যুক্ত থাকার খবরও প্রচার করা যেত না।'

নীতিমালার আরেকটি বিষয় হলো- বন্ধুরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এমন কিছু বলা যাবে না, যাতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এটাও একটি অস্পষ্ট ও অনির্দিষ্ট হুকুমনামা, যার দ্বারা সরকারের কোনো বিশেষ রাষ্ট্রের প্রতি নতজানু নীতিকে সমালোচনার বাইরে রাখা হবে। বন্ধুরাষ্ট্র কে? উপরন্তু আজ যে বন্ধুরাষ্ট্র, আগামীকাল সে রাষ্ট্র বন্ধুরাষ্ট না-ও থাকতে পারে। তা ছাড়া একেক সরকার তার পছন্দ অনুযায়ী বন্ধুরাষ্ট্রের সংজ্ঞা দেবে। যদি ধরা হয় ভারত আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র, সম্ভবত নীতি প্রণেতার মনের মধ্যে ভারতই আছে তাহলেও কতগুলো প্রশ্ন থেকে যায়। ভারত নিঃসন্দেহে আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ভারত যে সাহায্য করেছিল, তা আমরা কখনোই ভুলতে পারব না। কিন্তু তাই বলে কি, ভারত যদি অন্যায় আচরণ করে, আমাদের নদীর পানি থেকে বঞ্চিত করে অথবা সীমান্তে বিএসএফ বাংলাদেশি নাগরিকদের গুলি করে হত্যা করে সেই খবরও কি প্রকাশ করা যাবে না?

মোটকথা এ ধরনের অনেক অস্পষ্ট কথা দ্বারা, বহুবিধ অনাকাঙ্ক্ষিত নিষেধাজ্ঞা দ্বারা এ নীতি যা করছে তাহলো- সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ। বর্তমান যুগে সংবাদপত্রের পূর্ণ স্বাধীনতা, তথ্যের বাধাহীন প্রবাহ সভ্য সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। নোবেলবিজয়ী অমর্ত্য সেন বলেছেন, 'স্বাধীন সংবাদপত্র দুর্ভিক্ষের বিরুদ্ধেও প্রাচীর গড়ে তুলতে পারে।'

সংবাদপত্র কী ধরনের অসাধারণ ভূমিকা রাখতে পারে সে সম্পর্কে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় অর্থনীতিবিদ প্রভাত পট্টনায়ক এক প্রবন্ধে কয়েকটি উদাহরণ দিয়েছেন। সেখান থেকে কয়েকটি বাক্য উদ্ধৃত করছি।

'সংবাদপত্র ও বৈদ্যুতিন, উভয় গণমাধ্যমই গুজরাট হত্যাকাণ্ডের প্রচারের ক্ষেত্রে অসাধারণ ভূমিকা পালন করেছে।...'

'হতলকা কাণ্ডে, তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি সম্পর্কে যতই নৈতিক প্রশ্ন থাকু না কেন, এই টেপ-এ প্রকাশ পায় আমাদের দেশের বড় মাপের রাজনৈতিক কর্তাব্যক্তিরা ও সামাজিক কর্তারা একটি কল্পিত প্রতিরক্ষা চুক্তিতেও কীভাবে ঘুষের পরিমাণ নিয়ে দরাদরি করে।...'

'বোফর্স কেলেঙ্কারির কথা আলোচনা করলে দেখা যায়, গণমাধ্যমে ওই ঘটনা প্রকাশ পাওয়ায় তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়েছিল।'

এক কথায় সংবাদপত্র যদি স্বাধীন ভূমিকা রাখতে পারে তবে তা হবে একটি বিরাট শক্তি। অবশ্যই তা হবে গণতন্ত্র ও জনগণের পক্ষের শক্তি। এ শক্তিতে অগণতান্ত্রিক শাসকরা ভয় পায়। বর্তমান সরকার ৫ জানুয়ারির মতো প্রহসনমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে এবং জনপ্রিয়তা হারিয়ে এখন বেশি বেশি করে পুলিশ-আমলাতন্ত্র এবং দলীয় মাস্তানদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। তাই স্বাধীন সংবাদপত্রকে তাদের এত ভয়। এ ভীতি থেকেই তারা সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করতে গণবিরোধী নীতি ও আইন প্রণয়ন করতে চলেছে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক মানুষের দায়িত্ব এ ধরনের স্বৈরাচারী পদক্ষেপ এখনই রুখে দেওয়া। অন্যথায় বেশি দেরি হলে যে ভয়াবহ ফ্যাসিবাদ চেপে বসবে, তার চেহারা হবে আরও ভয়াবহ।

লেখক : রাজনীতিক।

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়