শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৪

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, অপদার্থদের কি ক্ষমা করা যায় না?-২

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, অপদার্থদের কি ক্ষমা করা যায় না?-২

গত পর্বের লেখা নিয়ে নানাজন নানা মন্তব্য করেছেন। তার মধ্যে যেমন প্রাক্তন ভিসি অধ্যাপক বোমা আনোয়ার আছেন, তেমনি চ্যানেল ৭১-এর প্রাণপুরুষ বাবুও আছে। সে ফোন করেছিল, 'মামা, আপনি আমায় খুঁজছেন? বাবা অসুস্থ তাই ফোন ধরতে পারিনি। মামা, মুসা সাদিক বলল, আপনি নাকি বাংলাদেশ প্রতিদিনে আমায় খুব করে গালি দিয়েছেন। তাকে বলেছি, আমার মামা আমাকে মারে কাটে গালি দেয় সেটা আমার ব্যাপার। তাতে আপনার কী?' বাবু মঞ্জু ভাই এবং আশা আপার মেয়ে কণ্ঠির জামাই। আশা আপা এখনো আমায় মায়ের মতো আদরযত্ন করেন, হাজার মানুষের মাঝে সন্তানের মতো বুকে জড়িয়ে নেন। তার মেয়ে আদরের ভাগ্নি জামাইকে গালি দিতে যাব কেন? আর কাউকে বকাঝকা করা আমার কাজ না। সত্য বলা যদি গালাগাল হয়, পরিস্থিতি তুলে ধরা যদি বকাঝকা হয় সেটা অন্য কথা। কোরআনে আছে, 'প্রতিটি মুহূর্ত মৃত্যু ভয় কর। মৃত্যু ভয়ে কাতর থেকো।' আমি সেটাই করি। সময় নাই তাই মৃত্যু ভয়ে থাকি। কেউ মেরে ফেলবে সেই ভয়ে নয়। সাধারণ ভুলত্রুটি ক্ষমা করতে সব সময়ই প্রস্তুত। কারণ দয়াশীল ক্ষমাকারীকে আল্লাহ পছন্দ করেন। কিন্তু কেন জানি না, আমি কিছু বললেই ভাসুরের মুখ বেজার। আবার না বলেও পারি না। সত্য বলার জন্য পেটের ভেতর কেমন যেন কুরকুর করে। ছেলেবেলায় লেখাপড়া করতাম না, বনবাদাড়ে ঘুরে বেড়াতাম। একদিন মির্জাপুরে এক দোকানে খাচ্ছিলাম। সেখানে এক ফকির এসে হাত পাতে, 'আল্লাহর ওয়াস্তে দু'এক পয়সা ভিক্ষা দেন গো।' দোকানদার দুই পয়সা হাতে দেয়। পয়সা নিয়ে যাই যাই করে বলে উঠে, 'দেহেনচে ওইহানে এক মিষ্টির দোহানে চাড়িতে ইন্দুর পড়ছে। আমার হেডা কওনের কী দরকার। আমি দেহিকি দোহানদার মিষ্টির চাড়ি থেইকা ইন্দুর ফালাইতাছে। আমি ফকির মিসকিন মানুষ। আমারে ভিক্ষা দেবো দুই পয়সা, চার পয়সা। আমি দেখছি দেইখা আমারে আট আনা দিয়া কয় কি আমি জানি ইন্দুর পড়ার কথা কাউরে না কই। এহন আপনেই কন, ওই দোহানে ইন্দুর পড়ছে হেডা কওনের আমার কী ঠেহা। ওডা কইলে কী তারা আমারে টেহা দিবো, নাকি না কইলি দিবো? এই যে আপনে গো দোহানে মিষ্টির চাড়িতে মাছি পড়তাছে, কত তেলচোরা পড়ছে এ্যাগুনা কী আমি কবার যামু?' দোকানি ফকিরকে দুই পয়সার জায়গায় দুই টাকা দিয়ে কত যে কারুবারু, 'বাবা তুমি কিন্তু কাউরে কিছু কইও না।' এটা ছিল '৬০-'৬১ সালের কথা। আমি তখন বরাটি স্কুলে পড়ি।

আমি শুধু চেষ্টা করছি, যখন যা ঘটেছে নিরাসক্তভাবে তুলে ধরতে। এখন পর্যন্ত মরচে ধরা কোনো কিছু ঘষামাজা করে রং-চং মেশানোর চেষ্টা করিনি। আমার ভাব ভাষা নেই, বাক্য গঠনের কলাকৌশল, শৈলী নেই, আকাশ বাতাস প্রকৃতি থেকে যা শিখেছি তাই সহজভাবে বলি বা লিখি। পাঠক দয়া করে ভালোবাসে, তাই তাদের ভালো লাগে। মুক্তিযুদ্ধে যেমন সবাই মেনেছে, যা বলেছি শুনেছে, দেওয়া দায়িত্বের দ্বিগুণ তিনগুণ বেশি পালন করেছে। কোনো কৃতিত্ব না থাকতেও আমি কৃতিমান হয়েছি। যখন যেখানে সবাইকে উৎসাহিত করা যায় তখন সেখানেই সাফল্য হয় পায়ের ভৃত্য। লেখালেখিতে আমার কৃতিত্ব কোথায়? যখন যা মন চায় তাই কাউকে বড়-ছোট না করে খোলাখুলি লিখি।

আপনি ভালো করেই জানেন, আমার যত দোষই থাকুক চাটুকারিতা নেই। কারও অনুপস্থিতিতে তার ভালো ছাড়া মন্দ ভাবি না। দয়া মায়ায় মন ভরে থাকে, তাই হাজারো কষ্ট আমায় কাবু করতে পারে না। ঘাতকের ভয় আমায় কখনো স্পর্শ করে না। পরের ধনে পোদ্দারি করি না, যা করি নিজের ধনেই করি। সারা জীবন যে অর্থ সহকর্মীদের জন্য খরচ করেছি, সেটা বাপের জমিদারির হলে জমিদারিও ধ্বংস হয়ে যেত। আবার লোকজনের টাকায় গাড়ি বাড়ি করিনি। তখন আমার ১৬-১৭ বছর বয়স। কেন যেন ৫ বা ১০ টাকা ভাঙতির প্রয়োজন ছিল। মাকে বলেছিলাম, 'ভাঙতি দাও।' মা বলেছিলেন, 'নেই'। কিন্তু আলমারিতে ছোট টাকা ছিল। বলেছিলাম, কেন মা, ওই যে ওখানেই তো ভাঙতি আছে। মা বলেছিলেন, 'বজ্র, ওগুলো একজন আমার কাছে রেখেছে। তার টাকা তাকে না দিয়ে বদলে দেওয়া ভালো না। আমি ওটা পারবো না। আমার কাছে রাখাটাই তাকে দেবো। তুই কোনো দোকান থেকে ভাঙতি করে নে।' মাকে খুবই ভালোবাসতাম তাই কিছু মনে করিনি। কিন্তু তার সেদিনের কথার কিছু সেদিন বুঝিনি। এখন বুঝি, মানুষের গচ্ছিত অক্ষত ফিরিয়ে দেওয়াই ভালো। কোরআনেও তেমন আছে। কিন্তু আমি তখন কোরআন পড়িনি। বড় হয়ে মাকে সব সময় কোরআন পড়তে দেখতাম। মা না ফেরার দেশে যাওয়ার ৫-৭ বছর আগে এক দু'বার জিজ্ঞেস করেছি, তুমি যে আরবি কোরআন পড়। নিজে না পারলে মহিলা রেখে কোরআন শোন। কি পড়, কি শুনো অর্থ বুঝ? মা বলতেন, 'অর্থ বুঝলে আরও ভালো হতো। কিন্তু কোরআন পড়লে আমার দেহে স্বর্গীয় মধুর এক অনুভূতি হয়। শুনলে তন্ময় হয়ে যাই। মনে হয় আমি আল্লাহর সঙ্গে, আল্লাহ আমার সঙ্গে কথা বলছেন।' চলে যাওয়ার আগে শেষের দিকে তাকে কটি বাংলা কোরআন দিয়েছিলাম। কোরআনের অনুবাদ পড়ে খুবই খুশি হতেন। আমাকে বলতেন, 'বজ্র, এখানে যেভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা, আমিও আরবিতে পড়ে আরবিতে শুনে এমনটাই অনুভব করতাম।' মার কথা শুনে খুবই ভালো লাগত। ভালো মানুষ, যে আল্লাহর ধ্যানে থাকে, আল্লাহই তাকে জ্ঞান দেন, আল্লাহই তাকে বুঝ দেন। আমাকেও যেমন ছিটেফোঁটা দিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুদিনে আপনি এবং রেহানা ওয়াজেদ ভাইয়ের সঙ্গে জার্মানিতে ছিলেন। সেখান থেকে কদিন পর দিল্লি আসেন। এই সেদিন ৪ আগস্ট বেলা দেড়টায় দিল্লিতে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে আপনার চরম দুঃসময়ের স্মৃতিবিজড়িত পান্ডারা রোডের বাড়ি গিয়েছিলাম। আগে বাড়িটি ছিল ডেপুটি সেক্রেটারিদের, এখন নাকি এক জয়েন সেক্রেটারি মিস্টার সিং কিনেছেন। ভেবেছিলাম, ড্রয়িং রুমের একটা ছবি তুলে আনব। দিল্লিতে যখন যেখানে যাই ভীষণ সমাদর পাই। তাই কাউকে কিছু না বলে গিয়েছিলাম। দোতলা সিঁড়ির মুখে কলিং বেল টিপতেই কাজের লোক এসে বলল, বাড়িতে কেউ নেই। সব বৃত্তান্ত শুনে ভদ্রলোক কেয়ারটেকারকে ফোন করল। আমি নিচে গাড়িতে বসেছিলাম। ৫-৭ মিনিট পর কেয়ারটেকার মিস্টার সতীশ (ফোন-৯৭৬৮৭১২৭৩৭) এসে বলল, মালিকের অনুমতি ছাড়া বৈঠকখানাও দেখাতে পারবে না। আমরা অবহেলায় কত কিছু নষ্ট করি। কষ্টের পান্ডারা রোডের ছোট বাড়িটা স্মৃতি হিসেবে কি রাখা যেত না? মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি হিসেবে কলকাতার থিয়েটার রোডের বাড়ি যেমন রাখিনি, পান্ডারা রোডের বাড়িও তেমন রাখা হলো না। বাড়ির সামনে জয় খেলত, পুতুল খেলত। সেসবের কত স্মৃতি। শত্রুরা তো কত কথাই বলবে। কিন্তু ইতিহাস কী বলবে? তার উপাদান নষ্ট করার জন্যে ভাবীকাল আমাদের কি মোটেই দায়ী করবে না? কত শুনি এখন ভারতের সঙ্গে নাকি আপনার সরকারের দারুণ সম্পর্ক। তারপরও কেন এমন হলো? সময় ছিল না তাই চলে এসেছিলাম। আমি এবার ছিলাম দিল্লি থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে হরিয়ানার নতুন শহর গুরগাঁওয়ে রাখীবোন শর্মিলা চক্রবর্তী মিলু বকশীর বিশাল বাড়িতে। তাকে আপনার চেনার কথা, বেশ ক'বার দেখেছেন। আমি যখন জে-১৮৮১ চিত্তরঞ্জন পার্কে থাকতাম, তখন এসি সেনের ছেলেমেয়ে নিউ দিল্লি মডার্ন স্কুলে পড়ত। যেখানে রাহুল প্রিয়াঙ্কাও পড়ত। ওদেরই বন্ধু মিলু। শঙ্খু, গার্গী কাকু বলে ডাকত, মিলু ডাকত দাদা বলে। শরীয়তপুরের ডিংগা মানিকের ড. পিকে চক্রবর্তী ওর বাবা। মিলু বাপ-মার একমাত্র সন্তান। ওর কোনো দাদা ছিল না, ছোট ভাইবোনও না। সেই মিলু '৭৮ সালে ভাই ফোঁটার চিঠি লিখে। আমি শিলিগুড়ি থেকে ফোঁটা নিতে দিল্লি যাই। সেই থেকে ও আমার রাখিবোন। মানুষের জীবন কেমন? কীভাবে সম্পর্ক হয়, সম্পর্কের মান রাখলে তার মূল্য অনেক, না রাখলে কিছুই না। এসি সেন আমার কেউ না। তিনি হিন্দু, আমি মুসলমান। বাঙালি বলে আমাদের দুজনের ভাষা এক, ভালোবাসা এক। ভারতের সর্বোদয় নেতা শ্রী জয়প্রকাশ নারায়ণের 'ওকে দেখো' এমন এক চিঠিতে তিনি আমায় ১২ বছর দেখাশোনা করেছেন। সেই এসি সেনের বাড়িতে বাংলাদেশের কোনো নেতা যায়নি? কোনো নেতা খায়নি? খোঁজাখুঁজি করে হয়তো দু-একজন বের করা যাবে। সিলেটের বাবরুল হোসেন বাবুল, মমতাজ হোসেন, হাশেমী মাসুদ জামিল যুগল, সাইফুল ইসলাম খোকা, UCBL-এর এক সময়ের চেয়ারম্যান জাফর আহমেদ চৌধুরী- কতজন মাসের পর মাস সিআর পার্কের বাড়িতে থেকেছে। আপনিও বেশ কয়েকবার গেছেন। দুলাভাইয়ের সঙ্গে জয়-পুতুলকে নিয়ে একবার দুপুরে চিত্তরঞ্জনে খেতে যেতে হজরত নিজামুদ্দিন চিশতীর মাজারের পাশে লোদি হোটেলের সামনে গাড়ি খারাপ হয়েছিল। ভাড়া ট্যাক্সিতে সেখান থেকে চিত্তরঞ্জন গিয়েছিলাম। তারপর আবার এসি সেনের গাড়ি করে পান্ডারা রোডে। লোদি রোড থেকে চিত্তরঞ্জন ট্যাক্সি ভাড়া ছিল ১৩-১৪ টাকা। কথা ছিল দুলাভাই দেবেন। কিন্তু পরে তিনি গড়িমসি করছিলেন। কবে কোন জামানায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় জননেতা আবদুর রাজ্জাককে ৫০ টাকা দিয়েছিলেন সেটা হাজারবার বলতেন। তাই বাসায় ফিরে বলেছিলেন, 'বজ্র, চেষ্টা করে দেখো দুলাভাইয়ের কাছ থেকে ট্যাঙ্ িভাড়া আদায় করতে পার কিনা। যদি পার তোমাকে উপহার দেব।' কয়েক ঘণ্টা প্রাণপাত করে আমি পেরেছিলাম। ১৫-১৬ টাকা আদায় করেছিলাম। সে জন্যে আপনি হাজার টাকা উপহার দিয়েছিলেন। এখন যে যতই উজির নাজির মারুক, তখন আপনার কাছে তেমন কোনো টাকা ছিল না। খান মার্কেটের ব্যাংকে আপনার যে অ্যাকাউন্ট ছিল তার একটা চেকের মুড়ি আমার কাছে আছে। তাতে হাজার, পনের শ, দুই হাজারের বেশি কোনো চেক কাটা নেই। নিশ্চয় বিষয়গুলো আপনার এখনো মনে আছে? ফরিদপুরের কিরন চন্দ্র লাহিড়ী আমার সঙ্গে বহুবার আপনার পান্ডারা রোডে গেছেন। কত আলাপ করেছেন। কিরন চন্দ্র লাহিড়ী দেখতে বিখ্যাত অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের মতো ছিলেন। যেদিন চলে আসেন সেদিনও তিনি পান্ডারা রোডে গিয়েছিলেন। ছবি খুঁজে পেলে আপনাকে পাঠাব অথবা পত্রিকায় ছেপে দেব। আরেকজন আমাদের বড় হিতৈষী ছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে বড় ভালোবাসতেন। বাঙালি নন, অবাঙালি। থাকতেন দিল্লির ডিফেন্স কলোনির ছোট্ট এক ঘরে। জনাব এল কে খতিব খুব সম্ভবত গুজরাটের মুসলমান। স্বাধীনতার পর ঢাকায় কোনো সংবাদ সংস্থার প্রতিনিধি ছিলেন। ‘Who Killed Mujib’ বঙ্গবন্ধুর হত্যা নিয়ে অসাধারণ তথ্যবহুল এক বই লিখেছিলেন। তিনিও আপনাকে আমাকে ভীষণ ভালোবাসতেন এবং তার বিশ্বাস ছিল মুজিব হত্যার বিচার হবে এবং আমরা সসম্মানে দেশে ফিরব। তার বিশ্বাস অমূলক ছিল না। তার বিশ্বাসের ভিত ছিল বড় পাকাপোক্ত।

ভাই ফোঁটা রাখি বন্ধনের কথা বলছিলাম। মিলু তার মা ড. অরুণা চক্রবর্তী, বাবা ড. পিকে চক্রবর্তীর একমাত্র মেয়ে। আমি থাকতাম জে-১৮৮১ তে, ওদের বাসা আই-১৮০৬। কত হবে, আমাদের বাড়ি থেকে এক-দেড়শ গজ। ওর বাবা হঠাৎই মারা যান। বাবা-মা দুজনই চাকরি করতেন বলে কোনো আর্থিক অভাব ছিল না। ওর মা পরে দিল্লির বিখ্যাত জানকী দেবী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে অবসর নিয়েছেন। মিলু বিয়ে করেছে অসাধারণ এক পাঞ্জাবি অখিল বকশীকে। দুই ছেলে-মেয়ের মা এখন মিলু। আইসিএস পাস করে কিছু দিন চাকরিও করেছে। সাংবাদিক রাজেন্দ্র সারীনের মেয়ে শিল্পী, মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির মেয়ে শর্মিষ্ঠা মুখার্জি মুন্নী এবং শর্মিলা চক্রবর্তী মিলু ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস পাস করে চাকরি নিয়েছিল। কেন যে তিনজনই চাকরি ছেড়ে দিয়েছে জানি না। মিলু এখন মাস্টারি করে, অখিল এটা ওটা নিয়ে সারা দিন পড়ে থাকে। গাড়ি-ঘোড়ার বহর নিয়ে দুনিয়া ঘুরে। কয়েক বছর আগে কাঠমান্ডু না কোথায় দুর্যোগে আটকা পড়ায় ভারতীয় বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার তাদের উদ্ধার করে। সেই মিলুর গুরগাঁওয়ে এক বিশাল বাড়ি। ওর চাপাচাপিতেই সরকারি ব্যবস্থা বাদ দিয়ে এবার গুরগাঁওয়ে উঠেছিলাম। সেখানে সুবিধা ছিল ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর খুব কাছে, ১০ মিনিটের পথ। ৯ আগস্ট ঢাকা ফিরেছি। যাওয়ার পথে বিমান ছিল অন টাইম, কিন্তু ফেরার পথে দুই ঘণ্টা লেট। তবে মহিলা পাইলট ক্যাপ্টেন শাহানার বিমানে প্রথম উঠেছিলাম। শাহানা আমার প্রিয় ছোট বোনের নাম, তাই সেদিন খুবই ভালো লেগেছিল, গর্ব হয়েছিল। আমাদের মেয়েরাও আকাশে জাহাজ উড়াতে পারে। পরের দিন ১০ আগস্ট ছিল রাখি বন্ধন। '৭৮ সালে মিলু আমায় ভাই ফোঁটা দিয়ে রাখি বেঁধেছিল। ৭-৮-৯ সারা দিন ক্ষণে ক্ষণে নানা চ্যানেলে পাকিস্তানের মেয়ে গুজরাটের বউ কমর মোহসীন নরেন্দ্র মোদির রাখী বোনের ঝলক দেখাচ্ছিল। কমর মোহসীন ৩৩ বছর আগে পাকিস্তান থেকে গুজরাট এসে বিয়ে করে বেশ ভালোই আছে। এক সময় গুজরাটের গভর্নর শ্রী স্বরূপ সিং তাকে মেয়ের মতো দেখাশোনা লালন-পালন করতেন। গভর্নর ড. স্বরূপ সিং চলে যাওয়ার সময় শ্রী নরেন্দ্র মোদিকে বলে গিয়েছিলেন কমর মোহসীন আমার মেয়ে, ওকে তুমি দেখে রেখ। সেই থেকে কমর মোহসীন নরেন্দ্র মোদির বোন। ১৮ বছর সে শ্রী মোদির হাতে রাখি বাঁধে। দিল্লিতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদির এমন সব অনেক চমকপ্রদ ঘটনা শুনেছি। যেদিন দিল্লি যাই তার পরদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি নেপাল সফর করেন। যাওয়ার পথে এক নেপালি বাচ্চা নিয়ে যান। যাকে তিনি বহু বছর ধরে দেখাশোনা করেন, লেখাপড়া করান। কত অসহায় মেয়েকে দেখাশুনা করেন, হোস্টেলে রেখে লেখাপড়া করান- এক এক করে তার নানা রকম সামাজিক কর্মকাণ্ডের খবর বেরুচ্ছে। কিছু মানুষ বিশ্বাস করছে, কিছু প্রচার বলে উপহাস করছে। কিন্তু সব কিছু যে ফেলে দেওয়ার মতো নয় তা তার কার্যকলাপে দিন দিন ফুটে উঠছে। বারবার বহুবার কমর মোহসীনের ভাই ফোঁটার খবর দেখে গুরগাঁওয়ে মিলুর বাড়িতে মনে হচ্ছিল, এই সেদিন এই ছোট্ট মেয়ে শিলিগুড়ি থেকে ডেকে এনে ধান দুর্বা দিয়ে ভাই ফোঁটা দিয়ে আমার হাতে রাখি বেঁধেছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুসলমান বোন কমর মোহসীন ১৮ বছর, আমার হিন্দু বোন মিলু রাখি বাঁধছে ৩৬ বছর। সেই বোনের বাড়ি ছোট ভাইয়েরা দলবল নিয়ে থেকেছে। আমি কখনো থাকিনি, তাই গিয়েছিলাম। ৯ আগস্ট ফেরার পথে দুপুর ১২টায় সে আমায় অগ্রিম রাখি বেঁধেছিল। ঢাকায় ফিরে তার সেই রাখি পরম যত্নে যজ্ঞের ধনের মতো আলমারিতে তুলে রেখে দিয়েছি। যাতে অনন্তকাল সে রাখি মানুষে মানুষে জাতিতে জাতিতে ভালোবাসা হয়ে থাকে।

বলেছিলাম, বঙ্গবন্ধুর তিরোধানের দিন আপনি ছিলেন না, আমি ছিলাম, আমরা ছিলাম। যারা জাসদের রাজনীতি করেছে, রাজনৈতিকভাবে বিরোধিতা করেছে তাদের প্রতি আমার খুব একটা অনুযোগ অভিযোগ নেই, এখন করলেও থাকবে না। কিছু দিন আগে জনাব মাহমুদুর রহমান মান্না জাসদের দুই রূপ তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। আমিও তার সঙ্গে খুব একটা অমত করি না। গণতান্ত্রিক দেশে ভিন্নমতের রাজনীতির প্রতি সম্মান না দেখানো অগণতান্ত্রিক মনোভাবের লক্ষণ। জনাব শাজাহান সিরাজ, আ স ম আবদুর রব, মেজর জলিল, মাহমুদুর রহমান মান্না, আক্তারুজ্জামান- এরা যেমন রাজনৈতিক বিরোধিতা করেছে, অন্যদিকে জিয়াউর রহমানের অধীনে যুদ্ধ করা মুক্তিযোদ্ধা, পরবর্তীতে অতি বিপ্লবী কর্নেল তাহের, হাসানুল হক ইনু, শাজাহান খান, মঈনুদ্দিন খান বাদলরা সশস্ত্র পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করে নিদারুণ অন্যায় করেছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা-পরবর্তী জাসদের ভূমিকা নিয়ে আগামী সংখ্যায় কিছু লিখতে চাই, সময় হলে দয়া করে একটু দেখবেন।

লেখক : রাজনীতিক।

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়