শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

সংকটে দেশ ও বিএনপি

মাহমুদুর রহমান মান্না
অনলাইন ভার্সন
সংকটে দেশ ও বিএনপি

সেপ্টেম্বর মাসের ২ তারিখ যখন এ লেখা লিখছি তখন বগুড়া, শরীয়তপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। হঠাৎ করে বাঁধ ভেঙে বানের তোড় আঘাত করেছে চন্দনবাইসাকে। মানুষ কিছু বুঝে ওঠার আগেই সর্বস্বান্ত হয়েছে। টেলিভিশনে কাঁদল কয়েকজন মানুষ। স্থানীয় এমপিকে দেখলাম কথা বলতে, থালায় করে রিলিফের চাল দিতে। মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে দেখলাম দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা করতে- কাউকে না খেয়ে মরতে দেওয়া হবে না। এক ব্যক্তিকে টেলিভিশনে বলতে শুনলাম অনেকটা খালেদা জিয়ার মতো, এ কয়দিনে কারও কাছ থেকে আমরা কোনো সাহায্য পাইনি। তা হতেই পারে। এ মুহূর্তে সরকার সম্প্রচার নীতি নিয়ে বিব্রত, বিচারকদের অভিশংসন বা অপসারণ নিয়ে ব্যস্ত, প্রশ্নবিদ্ধ মন্ত্রিসভা তড়িঘড়ি করে পাস করেছে বটে, কিন্তু সংসদে কি পাস হবে? সংসদ বসেছে গতকাল। বিরোধী (!) দলের নেতা তীব্রভাবে আক্রমণ করেছেন সরকারের এ দুই নীতিকে। বলেছেন, আগে কমিশন করে সবার সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে।

তা উনি বলুন গিয়ে। সেই যে কথা আছে- কে যেন কী বলে আর কে যেন কী খায়। তাতে 'অতি মাননীয়' প্রধানমন্ত্রীর কী আসে যায়? কিন্তু মুশকিল হয়েছে, বিরোধী নেতা এ কথাও বলেছেন যে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সমূহ অবনতি হয়েছে। তার কারণ অপরাধীদের ধরা হচ্ছে না, তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। এ যে একেবারে অরিজিনাল বিরোধী দলের মতো কথা। এমনিতে বাছাই করে করে সাংবাদিক, সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের মালিকদের সঙ্গে ভাব দেখিয়ে সম্প্রচার নীতি একটা ঘোষণা করেছিল সরকার। মনে করেছিল যে, ওরা তো পক্ষেই থাকবে। কিন্তু না। বিএফইউজের নেতা বললেন, এটার ফাইনাল ড্রাফট আমি দেখিনি। আর আমরা যে রকম চেয়েছিলাম এটা সে রকম তো হয়ইনি। সম্পাদক পরিষদ তো সম্প্রচার নীতি সরাসরি প্রত্যাখ্যানই করেছেন। এসব কিছু নিয়ে সরকার তো বেশ খানিকটা অসুবিধার মধ্যেই আছে। এরই মধ্যে আবার বন্যা। কত দিক সামাল দেবেন প্রধানমন্ত্রী। অবশ্য তবুও ভালো, রাজপথের বিরোধী দল সরাসরি এ জন্য সরকারি দলকে আক্রমণ করেনি। আমার মনে আছে এর আগের টার্মে বেগম জিয়ার ক্ষমতায় থাকাকালে ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল। আওয়ামী লীগ তখন বলেছিল, প্রধানমন্ত্রী এক 'তুফানী বেগম'। আল্লার গজব পড়েছে তার ওপরে। আর সে জন্য কষ্ট পাচ্ছে জনগণ।

বেচারা বেগম জিয়া। জোর করে কেড়েকুড়ে নিয়ে একজনকে দিয়ে শয়ে শয়ে ভোট প্রদান করে ক্ষমতা আবার করায়ত্ত করে আনন্দ উপভোগ করতে পারছেন না। বেগম জিয়াকে তার বাসস্থান থেকে উৎখাত করে, প্রটোকল কেড়ে নিয়ে, আনসার পাঠিয়ে দিয়েও 'মদমত্ত উল্লাস' করতে পারছে না সরকার। যে রকম লাগাতার গালাগাল প্রধানমন্ত্রী থেকে তার ভাই-ব্রাদার, চামচা মন্ত্রীরা শুরু করেছেন তাতে মনে হচ্ছে বেগম জিয়াকে নিয়ে তাদের মনের মধ্যে এক গভীর ভীতি ঢুকে আছে। কীসের ভয়? কেন ভয়?

১ সেপ্টেম্বর ছিল বিএনপির ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। প্রায় সবকটি পত্রিকা এ উপলক্ষে বিশেষ প্রতিবেদন ছেপেছে। আমি কয়েকটি পত্রিকার শিরোনাম উল্লেখ করছি : প্রথম আলোর শিরোনাম- '৩৬ বছরে সবচেয়ে নাজুক বিএনপি'। বাংলাদেশ প্রতিদিনের- 'হামলা আর মামলায় নিঃসঙ্গ খালেদা'। কালের কণ্ঠ- 'মামলার হাঁসফাঁস বিএনপি নেতারা'। সমকালের- 'দুঃসময়ে বিএনপি।'

পত্রিকার এ প্রতিবেদনগুলো পড়লে কারও মনে হবে যে, বিএনপি সহসা বড় কোনো আন্দোলন করতে পারবে? বাস্তব হচ্ছে ৫ জানুয়ারিকে কেন্দ্র করে বিএনপি তা পারেনি। ৫ তারিখে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক ন্যক্কারজনক দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। কিন্তু সেই ন্যক্কারজনক ঘটনার নায়ক-নায়িকারাই তো এখন ক্ষমতায়। সেটাও বিএনপির ব্যর্থতার কারণেই। সেই ঘটনার পর সাত মাস পার হয়ে গেছে। বিএনপি একটা মানববন্ধন ডেকেছিল। কিন্তু সরকারি বাধার মুখে তারা তা পালন করতে পারেনি। তাহলে সরকারের এত ভয়ের কারণ কী? এখানেই ইতিহাস কথা বলবে।

আওয়ামী লীগের অনেক সিনিয়র নেতাও তখন ভয় পেয়েছিলেন যখন শেখ হাসিনা একাই নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। শেখ হাসিনা সেই নাটক মঞ্চস্থ করতে পেরেছিলেন এবং এখন তিনি ক্ষমতায় আসীন। দলের মধ্যে শেখ হাসিনার অবস্থান আগের চেয়ে অনেক শক্ত। আমু-তোফায়েলরা এখন তার করুণার পাত্র। এ জন্যই ছাত্রলীগের মঞ্চে তোফায়েলের জন্য একটা চেয়ারও থাকে না। তিনি বোধহয় চোখ মুছতে মুছতে বাড়ি চলে গেছেন। কী আর করবেন! বেচারা!

কিন্তু তারপরেও আমি বলছি ইতিহাস কথা বলবে। ঘটে যা তা-ই সত্যি নয়। ৫ জানুয়ারি সত্য নয়। এখনকার ক্ষমতাটা বৈধ নয়। এ কথা সবচেয়ে বেশি জানেন শেখ হাসিনা। জনগণ আর তাদের সঙ্গে নেই। পায়ের নিচে আছে র্যাব আর পুলিশ। তার মধ্যে র্যাব তো গুটিয়ে নেওয়ার অবস্থা। একই রকম কাজ তো পুলিশও করেছে বলে পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে। পুলিশও কি এক সময় গুটিয়ে ফেলবে? সরকারের অপরাধ তারা নিজের কাঁধে নেবে কেন? একটা সময় আসবেই, আজ বা কাল বা পরশু যখন প্রেক্ষিত এবং পটভূমিটা বদলে যাবে।

আওয়ামী লীগ হয়তো ভাবছে, বিএনপি এ পথটা বদলে দেবে। কিন্তু সেটাই একমাত্র সম্ভাবনা নয়। বরং সত্য হলো, পরিস্থিতিটা এরকম থাকবে না। আমি মনে করি, শেখ হাসিনা অতিশয় চালাক। তিনি এটা বোঝেন বাংলাদেশ যে মিসর কিংবা পাকিস্তান হবে না এটা তার মাথায় আছে। এ জন্যই গণতন্ত্রের লেবাসটা তিনি পুরোপুরি খুলে ফেলছেন না। সব শক্তি দিয়ে এটা বোঝানোর চেষ্টা করছেন ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের কোনো বিকল্প ছিল না। বর্তমান যে সরকার আছে তার নেতৃত্বে সেটা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে কিন্তু এটাই সংবিধানসম্মত, এটাকে মেনেই আগামীতে চলতে হবে। আরও একটি বিষয় এ অসত্যকে অস্পষ্ট বা আড়াল করার জন্য তিনি প্রচারে আনছেন যে, এখন গণতন্ত্রের প্রশ্নটাই বড় নয়, বড় প্রশ্ন অর্থনৈতিক অগ্রগতি, ২০২১ এর মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে, ৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়া। সে জন্য তারা স্লোগান তুলছেন- শেখ হাসিনাই পারে, শেখ হাসিনাই পারবে। এ জন্যই তারা বলতে চাচ্ছেন ২১ সাল তথা ৪১ সাল পর্যন্ত তাদের ক্ষমতায় থাকা দরকার।

শেখ হাসিনা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। শেখ হাসিনা পারেন না। এই পাঁচ বছর সাত মাসে পারেননি। সাহস থাকলে বর্তমান সরকারকে দেশের প্রতিষ্ঠিত সব অর্থনীতিবিদকে নিয়ে একটি সংলাপের আয়োজনের প্রস্তাব করছি সেটা সরাসরি দেশব্যাপী প্রচার করা হবে। মানুষ দেখবে অর্থনীতি কীভাবে খাবি খাচ্ছে। দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে দেশ। গত পাঁচ বছরের মন্ত্রিসভার দুজন তাদেরই পালিত দুদকের কাছে মামলার জালে ধরা পড়েছেন। সঙ্গে একজন এমপিও আছেন। সর্বশেষ প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী আরও দুজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পেয়েছে দুদক। এ সরকার শুধু অনির্বাচিত স্বৈরাচারী নয়, এরা দুর্নীতিবাজ এবং মিথ্যাচারী। মানুষ এর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠবেই।

বিএনপি যে আন্দোলনে ব্যর্থ, বেগম জিয়া একলা নিঃসঙ্গ এগুলোর কারণ আমার উপরোক্ত কথার মধ্যে খুঁজে পেতে হবে। বিএনপি নেতারা অস্ত্র মামলার জালে জড়িয়েছেন বলেই দলটি বিধ্বস্ত হয়ে গেছে এরকম কোনো কথা নয়। এরকম পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগও পড়েছিল ছয় দফার আন্দোলনকালে। যখন আওয়ামী লীগ অফিসে বাতি জ্বালানোর লোক ছিল না, আমিনা বেগমের মতো মহিলাকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিতে হয়েছিল। বিএনপির অবস্থা সে তুলানায় তো অনেক ভালো। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মতো একজন ভদ্রজন দলের মহাসচিবের দায়িত্বে আছেন।

বিএনপির সমস্যা হচ্ছে, বিএনপি রাজনীতিটা যথাযথভাবে করছে না। সরকারের সন্ত্রাস সীমাহীন সেটা সত্যি কিন্তু সেটা মোকাবিলা করেই তো এগুতে হবে। সরকার নিশ্চয়ই আন্দোলনের পথে ফুল বিছিয়ে দেবে না। এ পরিস্থিতির মধ্যেই জনগণকে নিয়ে আন্দোলনটা করতে হবে। কিন্তু বিএনপি জনগণের দাবি নিয়ে তাদের সংগঠিত করার কাজ করছে না। গণতন্ত্র মানে কেবল নির্বাচন নয়, যেনতেন ধরনের একটি নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের বদলে বিএনপি ক্ষমতায় এলে জনগণের জন্য পরিস্থিতি বদলে যাবে না। একটি নিটল গণতন্ত্র নির্মাণের জন্য, সেই গণতন্ত্রকে সর্বসাধারণের কল্যাণে নিরাপদ করার জন্য বিএনপি কী করতে চায় তা বলতে হবে। কেবল আগামীতে বেগম জিয়া বা তার পুত্রের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হলেই দেশ এগিয়ে যাবে এটা কোনো কাজের কথা নয়। মাঠের বক্তৃতায় বিএনপি নেতারা বলতেই পারেন সংকটে বিএনপি নয়, গোটা দেশ এখন সংকটে। মিতভাষী ফখরুল এটা যথার্থই বলেছেন, দেশ এখন সংকটে। বলতেই পারেন দেশ এখন মহাসংকটে। কিন্তু এও সত্য, বিএনপিও এখন বিশাল সংকটে। এক বড় চ্যালেঞ্জের মুখে, যা রাজনৈতিকভাবে অতিক্রম করতে না পারলে বিএনপির জায়গা অন্য কেউ দখল করে নেবে।

লেখক : রাজনীতিক, আহ্বায়ক নাগরিক ঐক্য।

ই-মেইল :  [email protected]

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়