শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

বিকল্প রাজনীতির সন্ধানে

হায়দার আকবর খান রনো
অনলাইন ভার্সন
বিকল্প রাজনীতির সন্ধানে

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি যে কত খারাপ তা প্রতিদিনের খবরের কাগজ পড়লেই বোঝা যায়, যদিও খবরের কাগজে রাজনৈতিক হত্যা ও গুমের খবর সবটা প্রকাশ হয় না। এর পর সরকারের 'সম্প্রচার নীতি' আইনে পরিণত হলে হয়তো একেবারেই প্রকাশ হবে না। অথবা সেটাই প্রকাশ হবে, যা হচ্ছে সরকারের ভাষ্য।

ক্রসফায়ার সম্পর্কে সরকারের ভাষ্য যে সত্য নয়, এটা সবাই জানে। ক্রসফায়ারের শব্দগত অর্থ হলো এই যে, দুই পক্ষের গোলাগুলিতে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি বেঘোরে প্রাণ দিল। প্রতিটি ক্রসফায়ারের ক্ষেত্রে সরকার এটাই বলে থাকে। এটা যে কত বড় রাষ্ট্রীয় মিথ্যাচার তা সবাই জানেন। তবু সরকার সেই মিথ্যাচারই করে চলেছে নির্লজ্জের মতো। এখন ক্রসফায়ারের একটা যথার্থ মানে বুঝে নিয়েছে বাংলাদেশের মানুষ। ক্রসফায়ারের আসল মানে হলো, কোনো ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে বিনা বিচারে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করা। এটা সাধারণত র‌্যাব করে থাকে। এখন পুলিশও করে এবং প্রশাসনের উপরতলার নির্দেশেই তা হয়ে থাকে। ক্রসফায়ার শুরু করেছিলেন খালেদা জিয়া। বর্তমানে শেখ হাসিনার সরকার সেটাকে বহুগুণ বাড়িয়ে তুলেছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গুম। খুন ও গুমের পরিমাণ এত বৃদ্ধি পেয়েছে যে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা পর্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে। শাহ্ এর আমলে ইরানে, অথবা সুহার্তোর আমলে ইন্দোনেশিয়ায় যেভাবে বিরোধী পক্ষকে উধাও করে দেওয়ার ঘটনা ছিল, মনে হয় বাংলাদেশেও সেই প্রাকটিস শুরু হয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো বিশ্ববিখ্যাত এবং অত্যন্ত সম্মানজনক প্রতিষ্ঠানও যথেষ্ট তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে গুম-খুন শুধু বৃদ্ধিই পায়নি, এর সঙ্গে দেশের নিরাপত্তা বাহিনীও জড়িত। গত ৩ সেপ্টেম্বর কালের কণ্ঠে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়- "অ্যামনেস্টির ভাষ্যমতে ২০১২ সাল থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গুমের শিকার হওয়া অন্তত ২০ জনের ঘটনা তদন্ত করেছে অ্যামনেস্টি। এর মধ্যে নয়জনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। দুই মাস পর্যন্ত আটক থাকার পর ছয়জন বাড়ি ফিরেছে। বাকি পাঁচজনের এখনো কোনো খোঁজ মেলেনি। অ্যামনেস্টি বলছে, ২০টি ঘটনা তদন্ত করলেও বাস্তবে গুমের সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ার কথা। অনেক অপহরণের ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হচ্ছে। বিরোধী দলগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিশানা করে এসব অপহরণের ঘটনা ঘটেছে।"

সব গুম ও খুনের ঘটনা যে রাজনৈতিক কারণে হচ্ছে তা আমি বলব না। কিন্তু রাজনৈতিক কারণে পুলিশ ও র‌্যাবকে বার বার ব্যবহার করতে করতে এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে যে, র‌্যাব নিজেই আপেক্ষিক স্বাধীনতা ভোগ করছে এবং তার কোনো কোনো সদস্য এ সুযোগে ব্যক্তিগতভাবে ভাড়াটিয়া খুনি হিসেবে কাজ করছে। এ অভিযোগ অনেক পুরনো। কিন্তু সাহস করে কেউ বলতে পারেননি। মানহানির মোকদ্দমা অথবা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মর্যাদাহানির জন্য রাষ্ট্রদোহিতার মামলা হতে পারে এই ভয়ে অনেকেই নীরব থেকেছেন। কিন্তু বাস্তব ঘটনা প্রকাশ হবেই। নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় প্রকাশ পেল র‌্যাবের সদস্যরা কীভাবে সাত খুনের সঙ্গে জড়িত ছিল।

র‌্যাবের জড়িত থাকার ঘটনাটি প্রথমে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তিরস্কার পর্যন্ত করেছিলেন। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে র‌্যাবের কর্মকর্তারা ধরা পড়েন। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল আশঙ্কা করছেন অদূর ভবিষ্যতে র‌্যাবের দুষ্কর্মকে আরও ভালোভাবে আড়াল করা হবে, র‌্যাবকে প্রটেকশন দেওয়া হবে। র‌্যাবকেও আর প্রশ্ন শুনতে হবে না। জবাবদিহিও করতে হবে না। একটি নিবন্ধে তিনি বলেছেন, "র‌্যাবের অবশ্য ভয় নেই। এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে না তাদের। এমনকি এসব প্রশ্ন শুনতেও হবে না ভবিষ্যতে আর। কারণ এসব নিয়ে কথা বলার ক্ষমতা বেশি দিন থাকবে না গণমাধ্যমের। তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা, সম্প্রচার নীতিমালা, মানহানি আর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অভিনব সম্প্রসারণ আরও বেশি কণ্ঠরোধ করবে গণমাধ্যমের। নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে র‌্যাবের কর্তারা ধরা পড়েছেন। র‌্যাবের সেই ভয়ও কাটবে দ্রুত। নারায়ণগঞ্জের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রীর তিরস্কার শুনেছেন হাইকোর্ট, অভিশংসনের ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী শাসিত সংসদের হাতে চলে এলে তিরস্কারের প্রয়োজনও ফুরাবে।"

এখন যা চলছে তা আর যাই হোক গণতন্ত্র নয়। কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সৈয়দ আবু জাফর আহমদ এটাকে বলেছেন, 'কর্তৃত্ববাদী শাসন'। সাম্প্রতিক সময়ের সরকারি স্বৈরাচারের কয়েকটি উদাহরণ টেনে তিনি বলেছেন, 'ফ্যাসিবাদ বললে হয়তো অতিকথন হবে, কিন্তু শাসকগোষ্ঠীর ভেতর ক্রমেই ফ্যাসিবাদী প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।' (সিপিবির মুখপত্র একতার ৭ সেপ্টেম্বরের সংখ্যা)।

সাম্প্রতিক সময়ের যেসব ঘটনা তিনি উল্লেখ করেছেন তা জানা বিষয় হলেও প্রাসঙ্গিকভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে। "৪ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ২৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভেঙে শপিংমল ইত্যাদি নির্মাণের প্রতিবাদে বেইলি রোডে ছাত্র-শিক্ষক অভিভাবকদের সমাবেশ ছিল। পুলিশ তা করতে দেবে না, মাইক কেড়ে নিয়ে গেল, মাইকের তার ছিঁড়ে দিল। কয়েক দিন আগে কামরাঙ্গীরচরে জলাবদ্ধতার বিরুদ্ধে এলাকাবাসী মানববন্ধন করবে। পুলিশ তাও করতে দেবে না। গত মাসে তোবা গার্মেন্টের শ্রমিকদের অনশন ধর্মঘট ভাঙার জন্য পানি, বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পিপার স্প্রে (বন্য জানোয়ারদের ওপর তা প্রয়োগ করা হয়) করে, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে, মালিক, পুলিশ ও ছাত্রলীগের ক্যাডারদের হামলা যা অতীতের বর্বরতার সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।"

শাসকশ্রেণির বর্বরতা, হিংস্রতা, মিথ্যাচার, নৃশংসতা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। এর সঙ্গে যদি যুক্ত হয় 'সম্প্রচারনীতি' ও সংসদ কর্তৃক বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা, তাহলে অধ্যাপক আসিফ নজরুল যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, সেটাই সত্য হবে। গণতন্ত্রের লেশটুকুও থাকবে না।

একটা প্রশ্ন আমার মনে প্রায়ই জাগে। হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট এখন মোটামুটি সরকারের প্রতি সহানুভূতিসম্পন্ন। মিডিয়ার অধিকাংশের মালিক সরকারপন্থি। তাহলে এ দুটোকে দমন করার দরকার কী? অনেক ভেবেছি। এ প্রশ্নের উত্তর সম্ভবত এই যে, সরকার কারও ওপরই সামান্যতম ভরসা করতে পারছে না। কোনো সরকারের গণভিত্তি যখন একেবারে শূন্যের নিচে নেমে যায় তখনই এ অবস্থা তৈরি হয়। দ্বিতীয়ত, সরকারের নৈতিক মনোবল একেবারেই নেই। ৫ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার যে গায়ের জোরে ক্ষমতায় আছে, তা দেশবাসীও যেমন জানে, বিশ্ববাসীও তেমনি জানে। ফলে সরকারের নৈতিক ভিত্তি একেবারে দুর্বল। এ অবস্থায় সরকারকে নির্ভর করতে হয় র‌্যাব, পুলিশ, আমলা আর দলীয় মাস্তানদের ওপর। এ সুযোগটা তারাও নেয়। ফলে দুর্নীতি, স্থানীয় পর্যায়ে বেপরোয়া লুটপাট ও সন্ত্রাস স্বাভাবিকভাবেই বিস্তার লাভ করবে। হয়েছেও তাই।

এ ধরনের সন্ত্রাস চালিয়ে বহুদিন ক্ষমতায় থাকতে পেরেছিল সুহার্তো বা ইরানের শাহ অথবা মধ্যপ্রাচ্যের অনেক শাসক। কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের তুলনা চলে না। প্রথমত, ওইসব দেশ এমনিতেই ধনী দেশ। তেল সম্পদে ভরা। বাংলাদেশে সেরকম প্রাকৃতিক সম্পদ নেই। তা ছাড়া জনসংখ্যাও বাংলাদেশে বেশি। এখানে জনগণকে ভাত-কাপড়ে খুশি রাখাও কঠিন। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের আছে গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য যা ওইসব আরব দেশের ছিল না। ফলে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী ধরনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে আরও ২০ বছর রাজত্ব করবে এমন ভাবনা যে শাসকরা করছেন, তারা মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন।

এ কথা ঠিক, এখন কোনো শক্তিশালী বিরোধী দল নেই। বিএনপি সর্ববৃহৎ বিরোধী দল হওয়া সত্ত্বেও মাঠের আন্দোলন করতে পারছে না। না পারারই কথা। কারণ জনগণ আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে পাল্টাপাল্টিভাবে নির্বাচিত করলেও বিএনপি এমন কোনো জনপ্রিয় দল নয় যে, তার জন্য জীবন বাজি রেখে মানুষ রাস্তায় নামবে। শ্রেণি চরিত্রগতভাবে উভয়ই এক। সবই ধনিক শ্রেণির দল। সাধারণ মানুষের দাবি-দাওয়া, জীবন-জীবিকা ও দুঃখ-কষ্ট থেকে তারা অনেক দূরে। দুটোই দুর্নীতিবাজ। আর যে গণতন্ত্রের কথা বলে তারা এখন গলা ফাটাচ্ছেন, সেই গণতন্ত্র তাদের আমলেও ছিল না। র‌্যাব তাদেরই সৃষ্টি। ক্লিনহার্ট অপারেশনের নামে তারাও যৌথবাহিনীর হেফাজতে মানুষ মেরেছে, বর্বর নির্যাতন চালিয়েছে। আবার সেই নির্যাতনকারীদের রক্ষা করার জন্য বেগম খালেদা জিয়া পার্লামেন্টে দায়মুক্তির আইন পাস করেছিলেন। সেই খালেদা জিয়াকে কি গণতন্ত্রী বলতে হবে? পদ্মা সেতুর মহা কেলেঙ্কারির কথা উঠেছে (যদিও আজ্ঞাবহ মেরুদণ্ডহীন দুদক সব আসামিকে নির্দোষ বলেছে) বলে কি হাওয়া ভবনের কেলেঙ্কারির কথা ভুলে যেতে হবে? হ্যাঁ, এখন গুম, খুন, নির্যাতনের মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। তাই প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় বসা গণবিরোধী সরকারের অপসারণ দরকার। কিন্তু তার বিকল্প নয় বিএনপি। বিকল্প হতে হবে তাদেরই যাদের ভাবমূর্তি পরিষ্কার, যারা সত্যিকার অর্থে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী। অর্থাৎ সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতায় আস্থাশীল, যারা জনগণের, বিশেষ করে গরিব শ্রমজীবী ও মধ্যবিত্ত জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারবে, এমন শক্তিকেই। সেই শক্তি এখনো তেমনভাবে দৃশ্যমান নয়। কিন্তু এ ছাড়া আর বিকল্পও নেই।

আওয়ামী লীগ তো বটেই, এমনকি বিএনপিতেও এক সময় সংগ্রামী কর্মীদের সমাবেশ ঘটেছিল। একদা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে কিছুটা আদর্শবাদের স্পর্শ ছিল- জাতীয়তাবাদ ও অসাম্প্রদায়িকতার আদর্শ। বিএনপি যদিও সেনা ছাউনি থেকে সৃষ্ট, তবু এরশাদবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তারও রূপান্তর ঘটেছিল। কিন্তু নব্বই পরবর্তী সময়ে উভয় দলেরই নৈতিক অবনতি ঘটেছে। পালাক্রমে ক্ষমতায় থেকে তাদের চরিত্রের পরিবর্তন হয়েছে। উভয় দলের শীর্ষে ও তৃণমূলে জমায়েত হয়েছে সুবিধাভোগীরা। এ প্রসঙ্গে গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪ বাংলাদেশ প্রতিদিনের উপ-সম্পাদকীয় কলামে কাজী সিরাজ যথার্থই লিখেছেন, "... রাজনীতি এ দেশে এখন আর রাজনীতিবিদদের হাতে নেই, চলে গেছে অরাজনৈতিক ব্যক্তি, অবসরপ্রাপ্ত আমলা, কালো টাকার মালিক, অসাধু ব্যবসায়ী এবং গডফাদারদের হাতে। দেশে চলছে দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি। চলছে বেপরোয়া 'বাজিকরী'। রাজনীতি যাতে আর কখনোই রাজনীতিবিদদের হাতে বা নিয়ন্ত্রণে ফিরে না আসে তা-ই যেন নিশ্চিত করতে চাইছে দেশের প্রধান দুই দল- আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।"

এ প্রবণতাকে রুখতে হবে। শাসকগোষ্ঠীর ভয়ঙ্কর ফ্যাসিবাদী প্রবণতাকেও পরাজিত করতে হবে। আওয়ামী লীগ-বিএনপি ব্যতীত নতুন বিকল্পের কথা ভাবতে হবে। যারা সাহসের সঙ্গে, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে স্বৈরাচারকে মোকাবিলা করে গড়ে তুলবে নতুন ধারার গণমানুষের রাজনীতি। সেই রাজনীতির উদ্বোধন ঘটুক।

লেখক : রাজনীতিক।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়