শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

ইমরানের \\\'বাউন্সার\\\' বল কোথায়?

জগ্‌লুল আহ্‌মেদ চৌধূরী
অনলাইন ভার্সন
ইমরানের \\\'বাউন্সার\\\' বল কোথায়?

বর্তমান সময়ে পাকিস্তানের রাজনীতিতে নিঃসন্দেহে সবচেয়ে আলোচিত নাম হলো ইমরান খান। রাজনীতিতে তিনি সমাদৃত, সমালোচিত এবং বিতর্কিত। কিন্তু ক্রিকেট তারকা হিসেবে তিনি শুধু সমাদৃতই ছিলেন দেশে-বিদেশে। ফাস্ট অর্থাৎ দ্রুতগতির বোলার হিসেবে তার খ্যাতি ছিল পৃথিবীর ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে। ভালো ব্যাটিংও করতেন এবং সেই তার সময়ে ইমরান ছিলেন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ 'অলরাউন্ডার'। তবে বোলার হিসেবেই তার ছিল মূল পরিচয়। এই বোলিং ইমরানকে দিয়েছিল সীমাহীন প্রশংসা। তার বোলিংশৈলীর একটি আকর্ষণ ছিল 'বাউন্সার' বল। মাঝে মাঝে 'সুইং' বল করলেও ক্রিকেট তার সফল উত্তরসূরি ওয়াসিম আকরাম সেই 'সুইং' আরও ভালোভাবে রপ্ত করেছিলেন। কিন্তু 'বাউন্সার' বলে ইমরান ছিলেন প্রায় অদ্বিতীয়। পৃথিবীর সেরা ব্যাটসম্যানরা এই বলে ভীত থাকতেন। ইমরানের মুখ্য অস্ত্র ছিল এই 'বাউন্সার'- যা তিনি সব সময় ব্যবহার করতেন না। মোক্ষম সময়ে এর ব্যবহার বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বেশ কার্যকরী হয়েছে। এমনকি বলকে মোকাবিলা করতে গিয়ে দক্ষ ব্যাটসম্যানরা বিভিন্ন 'পয়েন্টে' ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন। দীর্ঘ ক্রিকেট জীবনে তিনি খ্যাতিই অর্জন করেছেন।

কিন্তু ক্রিকেট খেলা আর রাজনীতি এক নয়। যদিও বিভিন্ন পেশার খ্যাতিমান ব্যক্তিরা রাজনীতিতে এসে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই হয়তো ব্যর্থ হয়েছেন, কেউ কেউ আবার যথেষ্ট সাফল্যও পেয়েছেন। তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে রোনাল্ড রেগান থেকে শুরু করে ভারতের দক্ষিণ রাজ্য তামিলনাডু ও অন্ধ্রপ্রদেশের এমজি রামচন্দন, এনটি রামরাও কিংবা জয়রাম জয়ললিতারা রাজনীতিতে এসে সফল হয়েছেন- যেভাবে সাফল্য পেয়েছিলেন অভিনয়ের জগতে। ভারতের ২০১৪ সালের নির্বাচনে অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রী, সংগীত শিল্পীরা সংসদ সদস্য হয়েছেন। এপ্রিল-মে মাসের এই নির্বাচনে সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রার্থী ছিলেন এক সময়ের 'ড্রিম গার্ল' বলে পরিচিত হেমা মালিনী। তিনি উত্তর প্রদেশের হিন্দু ধর্মের পবিত্র শহর মথুরা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপির প্রার্থী হয়ে। আমি সেই নির্বাচনের আগে ভোট ও রাজনীতি পর্যবেক্ষণের জন্য ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে মথুরায়ও গিয়েছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল শ্রীকৃষ্ণের জন্মভূমি মথুরায় যদি হেমা মালিনীর সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। আগ্রা থেকে দিলি্ল যাওয়ার পথে সেখানে গিয়ে হেমার সন্ধান আমি পাইনি। তিনি নির্বাচনী এলাকা গ্রামাঞ্চলে ছিলেন। শুনেছি হেমাও নির্বাচনী জনসভায় দাবি করেছেন যে রাজনীতিতেও তিনি সাফল্য পাবেন। তবে তারা অনেকেই জয়ী হয়েছেন 'মোদি ঝড়ের' কারণে। এটাকে রাজনীতিতে সফলতা বলা যায় না। কৃতিত্ব স্বাভাবিকভাবেই দাবি করছেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি 'টি বয়' অর্থাৎ চা-বিক্রেতা থেকে আজ পৃথিবীর সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের সরকারপ্রধান। ঘুরে বেড়াচ্ছেন বড় বড় দেশ- ব্রাজিল, জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সত্যিকারের রাজনীতিই মানুষকে শীর্ষ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। আবার জনকল্যাণবিহীন আদর্শচ্যুত রাজনীতি সাফল্যের উচ্চশিখর থেকে ধরাশায়ী করতে পারে। এক্ষেত্রে ভুল, গর্ব, অহমিকা এবং স্বার্থান্বেষী রাজনীতি এমনি করুণ পরিণতিতে অবদান রাখে। রাজনীতিতে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। অন্য পেশায় অনেক কিছু বলা যায়। অবশ্য, রাজনীতি পেশা হওয়া বাঞ্ছনীয় নয়, যদিও বলা যায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে সেটাও হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনীতি হবে একটি জনকল্যাণমূলক 'মিশন'- সেখানে দেওয়ার রয়েছে, পাওয়ার সুযোগ কম। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই সেটা হচ্ছে কি?

পাকিস্তানের রাজনীতির অধুনা আলোচিত ব্যক্তি ইমরান হয়তো রাজনীতির বিচিত্র গতিপথ সেভাবে অনুধাবন করতে পারেননি। ক্রিকেটের অবিশ্বাস্য খ্যাতি এবং ব্যক্তিগত জীবনের অশান্তির পর তিনি হয়তো ভেবেছিলেন যে রাজনীতি তাকে গুরুত্ব ও সান্ত্বনা দেবে। হয়তো তিনি বেশ কিছু রাজনীতি থেকে পেয়েছেনও। কিন্তু এবারের সরকার পতনের আন্দোলন রাজধানী ইসলামাবাদে সমর্থকদের নিয়ে দিনের পর দিন সংগ্রাম চালিয়ে সম্ভবত ইমরান এখন ক্লান্ত। অনেকটা একই অবস্থায় আছেন ধর্মীয় নেতা থেকে রাজনীতিবিদে রূপান্তরিত কানাডাবাসী তাহিরুল কাদরী। কাদরী পাকিস্তানের গত বছরের মে মাসের নির্বাচনের আগে কানাডা থেকে দেশে ফিরে এসে আলোচনায় এসেছিলেন। তবে তিনি সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেননি। তার বেশ সমর্থক ও অনুরাগী আছে পাকিস্তানে। এবার গত মাস অর্থাৎ আগস্টে সরকার পতনের লক্ষ্যে ইমরান খানের সঙ্গে যৌথ না হলেও সমান্তরাল আন্দোলনে অবতীর্ণ হন। উভয়েই সমর্থকদের নিয়ে লাহোর থেকে ইসলামাবাদে গিয়ে অবস্থান নেন। এক সময় মনে হয়েছে নওয়াজ শরিফের সরকার রোধহয় আর নেই। উল্লসিত হয়েছেন ইমরান-কাদরী। কিন্তু সেটাও আর হয়নি। স্তিমিত হয়ে উঠেছে সেই আন্দোলন। প্রতীয়মান হচ্ছে যে প্রাণে পানি পেয়েছেন নওয়াজ শরিফ। পার্লামেন্টে বড় সংখ্যা গরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও এবং মাত্র ১৫-১৬ মাস ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও তার সরকারের এমনি অবস্থা হওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু পরিবার নিয়ে আগের মতো দুর্নীতি, অনেকটা অদক্ষতা এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করার মতো নেতৃত্বের অপ্রতুলতাই নওয়াজ সরকারকে এই পরিস্থিতিতে নিয়ে এসেছে। শক্তিশালী সেনাবাহিনী অনেক কিছু বিবেচনা করে হয়তো সরকারকেই শেষ পর্যন্ত সমর্থন দিয়েছে যদিও এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিল সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করতে পারে। তা সত্ত্বেও সরকার বেঁচে গেলেও দুর্বল হয়েছে। দেশের ক্ষতি হয়েছে। সরকার-বিরোধী আন্দোলনের জন্য শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টরা পাকিস্তান সফর স্থগিত করেছেন। বড় কথা চীনের প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত সফরটি বাতিল হওয়ায় পাকিস্তান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইমরানের দল পিটিআই গত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং আগের তুলনায় বেশ ভালো করে যদিও মুসলিম লীগ (নওয়াজ) ও পিপলস পার্টির পরে তৃতীয় অবস্থানে আছে। তখন ইমরান কোনো বড় ধরনের কারচুপির অভিযোগ তোলেননি। পার্লামেন্টের অধিবেশনে তার দল অংশ নিচ্ছে। তাহলে এখন কেন ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে সরকারের পদত্যাগের দাবি? রাজধানী ইসলামাবাদে বেশ কয়েক হাজার সমর্থককে নিয়ে অবস্থান নিলেও দেশের অন্যান্য স্থানে আন্দোলনের নমুনা প্রত্যক্ষ করা যায়নি। সেনাবাহিনীর কিছু বক্তব্য বিভ্রান্তির সৃষ্টি করলেও কোনো চাঞ্চল্যের কারণ হয়নি। তাহিরুল কাদরীর পিএটি দল নতুন এবং অনেকটাই ধর্মীয় অনুভূতির উপর নির্ভরশীল। রাজনীতিতে প্রত্যক্ষভাবে ধর্মের সম্পৃক্ততা বাঞ্ছনীয় নয়। তথাপি বাস্তবতা হলো ধর্মের ভূমিকা অনেক সময় কার্যকর হয়ে যায়। ভারতে বিজেপির বড় জয়ে ধর্মীয় আবেদন যথেষ্ট ভূমিকা রেখেছে। ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিগুলো এতে শঙ্কিত হলেও মোদি তার সাম্প্রদায়িকতার 'ইমেজ' সত্ত্বেও সেদিকে তোয়াক্কা না করে হিন্দু জাতীয়তাবাদীতেই উদ্বুদ্ধ হয়েছেন এবং নির্বাচনে সাফল্য অর্জন করেছেন। তাহিরুল কাদরী সেটা পারেননি। মোদিদের আছে অভিজ্ঞতা ও কৌশল। কাদরীদের সেটা নেই।

ইমরানের একটি 'প্লেবয়' ইমেজ ছিল সেই সময় থেকে যখন তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন ছিলেন। সুদর্শন ইমরানের সর্বোচ্চ সাফল্য হলো পাকিস্তানকে তার নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জয়ে সফল করা। বাংলাদেশে যেমন ক্রিকেটের জন্য তার অনুরাগী আছে, আবার বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্যের জন্য তিনি নিন্দিত হয়েছেন খুবই প্রত্যাশিতভাবে। এটা অপরিপক্বতারই নামান্তর।

পাকিস্তানের রাজনীতিতে যে ইমরানের সমর্থক নেই তা নয়। বেশ বড় সংখ্যক তরুণ-তরুণী তার অনুরাগী। তিনি দুর্নীতি-বিরোধীনীতি অবস্থান নিয়েও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। তবে রাজনীতিতে ধাতস্থ হননি। কিন্তু যেভাবে হঠাৎ করে সরকার পতনের আন্দোলনে তিনি ঝাঁপিয়ে পড়লেন, এতে অনেকেই বিস্মিত হন। একই সঙ্গে প্রায় একই ধরনের দাবি নিয়ে সংগ্রামে অবতীর্ণ হলেন তাহিরুল কাদরী। ইমরানের দলের সাবেক প্রধান জাভেদ হাশমীর মতে ইমরান-কাদরী হয়তো আশ্বাস পেয়েছিলেন যে, সেনাবাহিনী এক সময় হস্তক্ষেপ করবে। বিভিন্ন কারণে আগে এবং বর্তমানেও নওয়াজ শরিফের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সম্পর্ক ভালো নয় এবং সে কারণে হয়তো এমনি ধারণার উদ্রেক হয়েছিল। এই সময়ে সাবেক শাসক ও প্রধান বিরোধী দল পিপিপির সমর্থন নওয়াজকে সাহায্য করেছে।

পাকিস্তানের রাজনীতির অস্থিরতা হ্রাস পেয়েছে, তবে নিরসন হয়েছে মনে করা ঠিক হবে না। গত নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ এবং ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতা ও একটি 'কেয়ারটেকার' সরকারের অধীনে ভোট হওয়া সত্ত্বেও সরকারের দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই আজ এমনি পরিস্থিতি। ইমরানের 'বাউন্সার' বল রাজনীতিতে কার্যকরী হয়নি বলেই হয়তো টিকে গেল নওয়াজ শরিফ সরকার। ইমরান এখন কি বলে আবার শান দিচ্ছেন?

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ের বিশ্লেষক।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়