শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

মন্তব্য প্রতিবেদন

ঘরজামাই জাপা, মোদির মন্তব্য, অতঃপর...

পীর হাবিবুর রহমান
অনলাইন ভার্সন
ঘরজামাই জাপা, মোদির মন্তব্য, অতঃপর...

১. ঘরজামাইদের জীবন গর্বের নাকি গ্লানির, পাঠকমাত্রই জানেন। ডান-বাঁয়ে দেখা কোনো ঘরজামাইয়ের গল্প লিখতে বসিনি। সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দল হয় রাজনীতির প্রাণ। সরকার ও জনগণ তাদের সমীহ করে। সম্মান করে। জনগণের হয়ে সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়। কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে জবাবদিহিতা আদায় করে। কিন্তু আজকের রাজনীতিতে ৫ জানুয়ারি নির্বাচন-উত্তর সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি সরকারের জবাবদিহিতা আদায়ের জায়গা থেকে সরে ঘরজামাই হয়ে উঠেছে। সমালোচনা নয়, জয়গান করে। সরকার যেন কোথাও ভুল করে না। ভুল করতে পারেই না। এমন ঘরজামাই বিরোধী দল সরকারকে স্বৈরশাসক বানায়। একনায়ক বানায়। স্বাধীনতা-উত্তরকালে ন্যাপ-সিপিবি সংসদের বাইরে আওয়ামী লীগের ঘরজামাই হয়েছিল। বাকশালে সাইনবোর্ড খুলে সতীত্ব বিসর্জন দিয়েছিল। অবশেষে ময়দানে বিলুপ্ত। এখন সরকারের ঘরজামাই জাতীয় পার্টি। ঘরজামাই জাতীয় পার্টি সরকার ছেড়ে যাচ্ছে না। ঘরজামাই জাতীয় পার্টি, অনুগত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা আর নিঃশর্ত ১৪ দল নিয়েই আওয়ামী লীগ সরকারের যাত্রা অব্যাহত থাকবে। সর্বশেষ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদির মন্তব্য ‘বঙ্গবন্ধু দেশ গড়েছেন, রক্ষা করছেন শেখ হাসিনা, বাংলাদেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির জন্য ভারত সবকিছুই করবে। বাংলাদেশ ও ভারতের অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ সবই একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত।’ এ মন্তব্যের পর আরেক দফা বিদেশনির্ভর রাজনীতিতে পথহাঁটা বিএনপি হোঁচট খেল। পর্দার অন্তরালে বিএনপি নেতারা এবং তাদের সুহৃদরা বলাবলি করছিলেন, পশ্চিমা শক্তি বাংলাদেশে একটি গ্রহণযোগ্য মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য ভারতকে আস্থায় নেবে। এমনকি অনেকের ভাবনা ছিল জাতিসংঘের আসন্ন অধিবেশনে যোগদানকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠককালে নরেন্দ্র মোদি সবাইকে নিয়ে নির্বাচনের তাগিদ দেবেন। কিন্তু বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী দায়িত্ব লাভের পর প্রথম দিল্লি সফরকালে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ লাভের পর যে বক্তব্য পেয়েছেন তাতে এখানকার সরকারবিরোধী রাজনৈতিক শক্তির আশার বেলুন চুপসে গেছে। মাহমুদ আলী ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিক বাংলাদেশ সফরের দাওয়াতও পৌঁছে দিয়েছেন। এদিকে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে ট্রাইব্যুনাল যখন ফাঁসির দণ্ড দিয়েছিলেন তখন দেশের রাজনীতি চরম সহিংসতায়ই রূপ নেয়নি, ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছিল। কিন্তু উচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ ফাঁসির দণ্ড কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায় দিলে জামায়াত দুই দিনের ঢিলেঢালা হরতাল ডাকলে প্রথম দিন জনজীবনে স্বস্তি ছিল। রাজনীতির অন্দরমহলে বিএনপিকে একা করার প্রক্রিয়ায় জামায়াতের সঙ্গে সরকারের একটি গোপন সমঝোতার গন্ধ বা আভাস অনেকেই পাচ্ছেন। যদিও দুই তরফ থেকেই তা অস্বীকার করা হয়েছে। বিষয়টি রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা গভীর পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। অনেকেই বলছেন, ’৭৫-উত্তরকালে কমিউনিস্ট পার্টি কৌশল বলে সেনাশাসক জিয়ার খাল কাটায় যোগ দিতে পারলে জামায়াতও সরকারের দমননীতি থেকে নিজেদের রক্ষায় বিএনপির সঙ্গ ত্যাগ করতে পারবে।
২. ভিশন-৪১ নিয়ে পথহাঁটা আওয়ামী লীগ সরকার মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে তো ভাবছেই না, অনেকের ধারণা আগামীতে মেয়াদ শেষের ভোটযুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তার পুত্ররা ফৌজদারি মামলায় দণ্ডিত হয়ে অযোগ্যই হচ্ছেন না, পুত্ররা নির্বাসিত জীবনে থাকলেও বিএনপি নেত্রীকে কারাগারেও যেতে হতে পারে। বিএনপির আরও নেতা-কর্মীর কপালে জুটতে পারে নানা মামলায় কারাবাস। এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ে জাতীয় নির্বাচন হলেও বিএনপিকে শক্তিশালীরূপে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে দূরে রাখার ছক করা হচ্ছে। নতুন নামে সেখানে আলাদাভাবে জামায়াতের অংশগ্রহণের সম্ভাবনাও দেখছেন অনেকে। এভাবেই আগামী জাতীয় নির্বাচনেও ক্ষমতায় আসতে চায় আওয়ামী লীগ। জনপ্রিয়তার পাল্লা দূরে রেখে ক্ষমতার রাজনীতির কূটকৌশলের পথেই হাঁটছে আওয়ামী লীগ। পর্যবেক্ষকদের মতে, ২১ আগস্টের নৃশংস গ্রেনেড হামলা শেখ হাসিনাকে বিরোধী দলের রাজনীতির পথ থেকে অনেক দূর সরিয়ে দিয়েছে। নিজের জীবনের নিরাপত্তাহীনতাই নয়, দলের নেতা-কর্মীদের লাশের বহর কাঁধে নিয়ে বিএনপি-জামায়াত জমানায় যে পথ তাকে হাঁটতে হয়েছিল সেই দুর্বিষহ পথে তিনি যেতে নারাজ বলেই পর্যবেক্ষকদের অভিমত। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বিএনপিকে বাইরে রেখে নির্বাচনের যে ছক নেওয়া হয়েছিল ৫ জানুয়ারির প্রশ্নবিদ্ধ ভোটের মাধ্যমে, তা অর্জন করেছে আওয়ামী লীগ। বিএনপিকে ক্ষমতার বাইরে দিয়ে এরশাদের জাতীয় পার্টিকে ঘরজামাইয়ের মতো খাইয়ে-পরিয়ে রাখা হয়েছে। এখন জাতীয় পার্টি সরকারে যায় আর সংসদে ঘুমায়। চিরাচরিতভাবে সমাজ জীবনে ঘরজামাইদের যেভাবে জামাইয়ের মর্যাদা ও আদর-যত্ন না দিলেও খেয়ে-পরে জীবনধারণের সুযোগ দেওয়া হয় এরশাদের জাতীয় পার্টিকে তা-ই দেওয়া হয়েছে। গৃহপালিত বিরোধী দলের সীমা অতিক্রম করে সরকারের মন্ত্রিসভায়ও ঠাঁই দেওয়া হয়েছে জাতীয় পার্টিকে। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় বিরোধী দলের যে সম্মান, সমাদর, সমীহ দেওয়ার কথা তা দিতে হচ্ছে না। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে যেভাবে এসেছিলেন যদি অদৃশ্য শক্তির পরামর্শ বা উদ্ভূত পরিস্থিতির মুখে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা না দিতেন তাহলে আজকে জাতীয় পার্টি ৮০টির মতো আসন নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের জায়গা দখল করতে পারত। এরশাদ হতেন তখন বিরোধী দলের নেতা। এ ক্ষেত্রে সমঝোতার বিরোধী দল হলেও তাতে সংসদ যেমন প্রাণবন্ত হতো তেমনি সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের উজ্জ্বলতাও কিছুটা বাড়ত। জাতীয় পার্টি ও মাঠের রাজনীতিতে অনেক শক্তিশালী আর সুসংগঠিত হওয়ার সুযোগ পেত। এখনকার মতো লেজে-গোবরে অবস্থা হতো না। এখন সংসদে বিরোধী দলের অবস্থা হচ্ছে সুরঞ্জিত সেনের বক্তব্যের মতো ‘মাথাটা বিরোধী দলের, লেজটা সরকারের’। জাতীয় পার্টির মন্ত্রীদের ছেড়ে আসতে হবে- এ কথা বলায় জাতীয় পার্টির শেষ শক্তিস্থল রংপুরেই এখন গৃহদাহ। রাঙ্গা, তাজুলের বহিষ্কার নিয়ে পার্টিতে বিভক্তি। সারা দেশে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা এখনো পড়ে আছেন এরশাদের দিকে তাকিয়েই। এটি যেমন সত্য তেমনি বার বার তার অবস্থান পরিবর্তন নেতা-কর্মীদের করেছে চরম হতাশ। পার্টিকে করেছে দুর্বল। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে তিনি সবাইকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের কথা বললেও শেষ হাল ধরেছিলেন রওশন এরশাদ। তার সঙ্গে শক্তি হয়ে মূলত কাজ করেছিলেন ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জিয়াউদ্দিন বাবলু ও তাজুল ইসলাম চৌধুরী। শেষজন রওশন এরশাদের আস্থাভাজন হিসেবে এখন পরিচিতি পেলেও প্রথম দুজন বরাবরই এরশাদের আস্থাভাজন। স্বতন্ত্র হিসেবে যারা জিতে এসেছেন তারা আওয়ামী লীগের প্রতি অনুগত। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকে তাকিয়েই ১৪ দলের শরিক, বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষকদের মতে, জাতীয় পার্টিতে অস্থিরতা যতই থাকুক সরকারবিরোধী পথ নিতে পারছে না। ঘরজামাইয়ের মতোই থাকতে হচ্ছে। ১৪ দলের শরিক ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরাও আনুগত্যের পরীক্ষা দিয়েই পথ হাঁটবেন। সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বিল পাসকালে জাতীয় পার্টি তো একযোগে সমর্থন দিলই, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরাও না দিয়ে পারলেন না। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় এমন দৃশ্য বিরল। পঞ্চম সংসদে একাদশ ও দ্বাদশ সংশোধনী বিল সরকার ও বিরোধী দলের সম্মিলিত সমর্থনে পাস হলেও সেই সংসদ ছিল জনগণের ব্যালট বিপ্লবে একটি প্রকৃত গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে। তাই তার রূপ, রস, যৌবন ছিল অন্যরকম। আকর্ষণ ছিল চোখধাঁধানো। আর একাদশ-দ্বাদশ সংশোধনী ও ষোড়শ সংশোধনী তো এক কথা নয়। ৫ জানুয়ারির সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার নির্বাচনে সংসদ গঠিত হলেও এটি রূপ, রস, গন্ধহীন, ধূসর। এর সাংবিধানিক বৈধতা থাকলেও উজ্জ্বলতা নেই। একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যও ষোড়শ সংশোধনী বিল পাসের বিরোধিতা করে ওয়াকআউট করেননি। বাকিদের না হয় সংবিধানপ্রণেতাদের সোর্ড অব ডেমোক্রেসি খ্যাত অনুচ্ছেদ ৭০ ধারায় হাত-পা ছিল বাঁধা। প্রশ্ন হচ্ছে, এত ঘটনা শেষে অতঃপর রাজনীতি কোন পথে যাচ্ছে?
৩. এরশাদ যতই বলুন জাতীয় পার্টি বিএনপির শূন্যস্থান পূরণ করে কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকা নেবে, সেখানে মানুষের আস্থার সংকট দেখা দেয়। ’৯০-উত্তরকাল থেকে এ পর্যন্ত মামলার জালে বন্দী এরশাদকে স্বাধীনভাবে রাজনীতিতে সাঁতার কাটার সুযোগ কখনো দেওয়া হয়নি। এবার দেওয়া হবে সেই সম্ভাবনাও নেই। বিরোধী দলকে তাই সংসদে ফরমালিন নিয়েই আলোচনামুখর থাকতে হবে। এরশাদকে বিরোধী দলের নেতা করে সংসদকে প্রাণবন্ত করার কথা কেউ কেউ ভাবলেও পর্যবেক্ষকদের মতে, শেখ হাসিনার সেই ঝুঁকি নেওয়ার সুযোগ নেই। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে এরশাদ যে ধাক্কা দিয়েছেন তার ধকল এখনো তিনি কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তাই আর যাই হোক, এরশাদকে হাত-পা খোলা রেখে সাঁতার কাটতে দিচ্ছেন না। জাতীয় পার্টিকে জামাইয়ের মর্যাদা ও সম্মান নয়, ক্ষমতার অংশীদারদের সঙ্গে ঘরজামাই হয়েই খেয়ে-পরে বাঁচতে হবে। জাতীয় পার্টির অনেকেও সেভাবেই স্বতন্ত্র সত্তা ভুলে গিয়ে কথা বলছেন। কাজ করছেন।
৪. সরকারবিরোধী প্রধান রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি নেতা-কর্মীরা এক কঠিন সময় পার করছেন। হতাশার চাদরে ঢাকা বিএনপি বড় ধরনের আন্দোলনে নামতে পারবে এমন সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না। নেতা-কর্মীরা আদালতে দৌড়াবেন নাকি রাজপথে লড়বেন, সে প্রশ্নই সামনে ঝুলছে। তবুও মানুষের প্রশ্নের শেষ নেই। অতঃপর কী হবে? ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে শিবিরের হরতালের দিন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার বৈঠকসূচি বাতিলের মাধ্যমে যে খেসারত দেওয়া শুরু হয়েছিল বিদেশনির্ভর রাজনীতির পথে পা বাড়ানো দলটিকে এখন তার চড়া মাশুল গুনতে হচ্ছে। কংগ্রেসের করুণ পরাজয় ও নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বৃহত্তম গণতান্ত্রিক ভারতের ক্ষমতায় বিজেপির অভিষেক দেখে এখানকার বিএনপি যখন অতিমাত্রায় উল্লসিত হয়ে উঠেছিল তখনই প্রশ্ন এসেছিল- কেন এ উল্লাস? নরেন্দ্র মোদি ভারতের নিরাপত্তার স্বার্থ বড় করে দেখবেন নাকি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কে ক্ষমতায় এলো, কে গেল সেটি দেখবেন? তিস্তা চুক্তি নিয়ে বাগড়া বসানো পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনী লড়াইয়ে নরেন্দ্র মোদিকে যেভাবে আক্রমণ করেছিলেন সারদা কেলেঙ্কারির সুযোগে দিল্লি সরকারের এখন হিসাব নেওয়ার পালা। সেই পালা শুরু হয়েছে। সিবিআই প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানেই কাজ করে। ভারতের নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার পর তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মুকুল রায় রাতের আঁধারে দিল্লি সফরে গেলেও কাজ হয়নি। পশ্চিমবঙ্গে মমতার দুর্গ ভাঙতে নির্বাচনের আগেই নরেন্দ্র মোদি ছয় দফা হানা দিয়েছেন। এখন ছেড়ে দেবেন এমনটি ভাবার কারণ নেই। কংগ্রেস ভোটযুদ্ধে বিদায় নিয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় মোদির নেতৃত্বে বিজেপি এসেছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জঙ্গিবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসবাদ দমনের পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে অমীমাংসিত ইস্যুর সমাধানে পথহাঁটা অব্যাহত রেখেছেন। রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী অবস্থান থেকে হিন্দুত্ববাদের স্লোগান দিয়ে উঠে আসা বিজেপির নরেন্দ্র মোদি আর যাই হোক এখানে আইএসআইয়ের তৎপরতা বাড়ুক, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদের ফের উত্থান হোক সেটি চাইবেন না। এটি আগেই অনেকে বলে এসেছেন। দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ও পারস্পরিক সফরের আগেই তার আলামত মাহমুদ আলীর সফরে দেখা যাচ্ছে। এখানেই শেখ হাসিনার চিবুকে হাসির ঝিলিক, খালেদার চোখে বিস্ময়, বিষণ্নতা। তবুও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে অতঃপর কী হবে আমাদের রাজনীতি? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরকারের শীতল সম্পর্ক বিএনপি খুশি মনে দেখলেও শেখ হাসিনা যে জাপান-চীন-রাশিয়ার সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে সম্পর্কের নতুন দুয়ার খুলেছেন সেটিই তাকে পশ্চিমাদের সঙ্গে বরফ গলাতে সহায়তা দেবে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করেন।
৫. প্রশ্ন সর্বত্রই উঠছে- জনগণের মতামত উপেক্ষা করে নির্বিঘ্নে শেখ হাসিনার সরকার কীভাবে ভিশন-৪১ লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে যাবে? রাজনৈতিক সমঝোতার কোনো সুযোগ যে নেই তা ইতিমধ্যে দৃশ্যমান। কিন্তু বিএনপির সঙ্গে একটি উল্লেখযোগ্য জনগোষ্ঠীর যে সমর্থন সেটিকে অবজ্ঞা করার সুযোগই বা কতদূর? অন্যদিকে দেশের ব্যবসায়ী সমাজ থেকে সাধারণ মানুষ আর হরতাল-অবরোধ, সহিংসতার রাজনীতি যেমন দেখতে চায় না, অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করার কর্মসূচি যেমন আশা করে না তেমনি এটিও ঠিক সরকারকে দেখতে চায় গণমুখী ও জবাবদিহিমূলক। সরকার কি দুর্বল ঘরজামাই বিরোধী দল সংসদে বসিয়ে, মুখরোচক কথাবার্তায় অভ্যস্ত গণবিচ্ছিন্ন রাজনীতিবিদদের ক্ষমতার ভাগ দিয়ে দীর্ঘ পথ নির্বিঘ্নে পাড়ি দিতে পারবে? দেশের ব্যবসায়ী সমাজসহ পেশাজীবীদের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন তৈরি হবে নাকি সহযোগিতার উষ্ণ দুয়ার খুল দেবে? প্রশাসনকে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই বাধতে বাধতে দলীয়করণের চূড়ান্ত পথে নিয়ে যাবে নাকি মেধা, দক্ষতা ও যোগ্যতার বিচারে জনগণের কল্যাণে পেশাদারিত্বের ওপর দাঁড় করাবে? গণমাধ্যমকে তির্যক বাক্যবাণে দূরে ঠেলে দেবে নাকি আস্থায় নেবে? ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে? শেয়ার মার্কেট চাঙ্গা করে রিক্ত নিঃস্ব বিনিয়োগকারীদের দাঁড় করাতে পদক্ষেপ নেবে? নাকি আবার চাঙ্গা আবার পতন? শাসক দলের অভ্যন্তরীণ সংঘাত, সংঘর্ষ কঠোর হাতে দমনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে? দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত ও উৎসাহদানে প্যাকেজ প্রোগ্রাম নিয়ে মানুষের আস্থায় অর্থনৈতিক কর্মচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনবে? দেশজুড়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে অভিযান চালাবে? উন্নয়ন বরাদ্দের অর্থ লুটপাট আর সীমাহীন দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে সরকার কঠোর ভূমিকা নেবে? জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সংলাপের দরজা খুলে দেবে? সমঝোতার রাজনীতির বাতাবরণ তৈরি হবে নাকি সরকার ক্ষমতার সিঁড়িপথে তার লক্ষ্য অর্জনে হেঁটে যাবে? কিছু দিন আগে শেখ হাসিনার কট্টর সমালোচক এক সাংবাদিক আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতাকে বলেছেন, আপনাদের নেত্রীর সঙ্গে বিএনপি পারবে না। যিনি ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত পরিশ্রম করেন তার সঙ্গে পারে কীভাবে? বিএনপি চ্যাপ্টার আপাতত ক্লোজড! এটিও বললেন তিনি। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের অনেককে দেখলে মনে হয় তারা ক্ষমতায় আজীবন থাকবেন! এর কারণ আওয়ামী লীগ এখন ক্ষমতানির্ভর। ক্ষমতা শেখ হাসিনানির্ভর। দল শক্তিশালী জনপ্রিয় না হলে এই ক্ষমতার দৌড় কত দূর? সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বিল পাসে সবাইকে এক করতে শেখ হাসিনা তৎপর ছিলেন। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতেও দলের সাধারণ সম্পাদক বিদেশে কেন? তবুও প্রশ্ন থেকে যায়, অতঃপর কী হবে? ঘরজামাই জাতীয় পার্টি, অনুগত শরিক আর স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের নিয়ে নির্বিঘ্নে পথচলা কতকাল?

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়