শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

দোহাই স্যার জেনেশুনে বিষপান করবেন না

মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার পিএসসি (অব.)
অনলাইন ভার্সন
দোহাই স্যার জেনেশুনে বিষপান করবেন না

আমার শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিদের মধ্যে একজন ছিলেন এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকার। শ্রদ্ধাভাজন ছিলেন বলছি এ কারণে যে, সেই শ্রদ্ধা এখন অবশিষ্ট আছে তা আর বলতে পারছি না। ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন ঠিকই বলেছেন, শ্রদ্ধা করার মতো মানুষ কমে যাচ্ছে। এ কে খন্দকার কর্তৃক লিখিত '১৯৭১ : ভেতরে বাইরে' বইটি সম্প্রতি প্রকাশিত হওয়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। বইটির ভেতরে ব্যাপক অসঙ্গতি, স্ববিরোধী কথা, প্রতিষ্ঠিত সত্যকে বিকৃত করা এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসামান্য দূরদৃষ্টিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে যেসব কথা তিনি বলেছেন, তাতে প্রতিবাদের ঝড় উঠবে এটাই স্বাভাবিক। আগস্ট মাসে বইটি যখন প্রকাশিত হয় তখন দেশের বাইরে থাকার কারণে এতদিন আমার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে পারিনি। তবে বইটি সম্পর্কে প্রতিষ্ঠিত ইতিহাসবিদ, কলামিস্ট, সাংবাদিক ও সুধীজনের লেখা প্রযুক্তির সুযোগে বিদেশে বসেই পড়েছি। তাতে বইয়ের বিষয়বস্তু ও বিতর্কিত ইস্যুগুলো সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারণা হয়েছে। দেশে ফিরে এক বন্ধুজনের কাছ থেকে বইটি সংগ্রহ করে দ্রুত একবার চোখ বুলিয়ে নিয়েছি। মুক্তিযুদ্ধের জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের রাজনৈতিক ও সামরিক প্রস্তুতি, চিন্তাভাবনা ও নির্দেশনা ছিল না, এসব কথা তো পঁচাত্তরের পর থেকে রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনাবিরোধী রাজনৈতিক শিবির থেকে বলা হচ্ছে। কিন্তু তারা হালে পানি পায়নি। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে ও দর্শনে বিশ্বাসী লেখক, বুদ্ধিজীবীরা প্রমাণ করেছেন এসব ডাহা মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি উদ্দেশ্যমূলকভাবে। কিন্তু আওয়ামী লীগের সদ্য সাবেক হওয়া মন্ত্রী ও সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সভাপতি এ কে খন্দকার যখন মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজনীতিক ও তাদের দোসরদের সুরে নতুন করে একই কথা বলেন, তখন প্রমাণিত মিথ্যা জানা সত্ত্বেও পুরনো কথা বলার জন্য মুক্তিযুদ্ধের দর্শনে বিশ্বাসী লেখক-বুদ্ধিজীবীরা আবার কলম ধরেছেন। '১৯৭১ : ভেতর বাইরে' বইটিতে যেসব গুরুতর অসঙ্গতি, স্ববিরোধী কথা ও অসত্য কথন আছে সেগুলোর অসারতা ইতিমধ্যে বিভিন্নজনের লেখার মাধ্যমে দেশের মানুষ জেনেছেন। তাই আমি সেসব বিষয়ের ওপর আর বিস্তারিত কিছু আজ লিখব না। আমি শুধু মুক্তিযুদ্ধের জন্য বঙ্গবন্ধুর সুদূরপ্রসারী সামরিক প্রস্তুতি ও নির্দেশনা সম্পর্কে আজকের লেখায় আলোকপাত করব। তাতে প্রসঙ্গের যৌক্তিকতায় আমারই আগে লেখা দুয়েকটি প্রবন্ধ থেকে কিছু কিছু কথার পুনরাবৃত্তি হবে।

মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও তার প্রস্তুতির জন্য বঙ্গবন্ধুর যে সামরিক দর্শন ছিল তা উপলব্ধি করতে হলে ইতিহাসের দুটি অধ্যায়ের দিকে আমাদের নজর দেওয়া প্রয়োজন। প্রথম অধ্যায়টি একাত্তরের আগে, বিশেষ করে সত্তরের নির্বাচন এবং ষাটের দশকে বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি ও সে সময়ের রাজনৈতিক ঘটনা প্রবাহের সমষ্টি। দ্বিতীয় ঘটনা ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ এবং সেই ভাষণের ভেতর নিহিত সমর-কৌশলের দিক-নির্দেশনা। বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনের লক্ষ্যই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা। সেই স্বাধীনতা অর্জনের জন্য একটা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বাঙালিদের যে করতে হবে, তাও তার দূরদৃষ্টিতে ধরা পড়েছিল বহু আগে।

২. তাই দেখা যায়, ছয় দফার ষষ্ঠ দফার মাধ্যমে বাঙালি যুবসমাজের একটা অংশকে পাকিস্তানের নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোকে অনুসরণ করেই সামরিক প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষিত করতে চেয়েছিলেন। যাতে তারাই মুক্তিযুদ্ধের প্রাথমিক অবস্থায় হতে পারে বাংলাদেশ গণমুক্তি ফৌজের নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রস্থল। তাদের ঘিরেই যাতে সব বাঙালি সুসংগঠিত হয়ে যুদ্ধ চালাতে পারে। ছয় দফার ষষ্ঠ দফায় পূর্ব পাকিস্তানে মিলিশিয়া বা প্যারা-মিলিটারি গঠনসহ অন্যান্য বিষয়ও বঙ্গবন্ধু সনি্নবেশিত করেন। যেমন- এক. আনসার বাহিনীকে ইউনির্ফমধারী সশস্ত্র বাহিনীতে রূপান্তর করা। দুই. ইপিআর অর্থাৎ ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (বর্তমান বিজিবি) বাহিনীকে পূর্ব পাকিস্তান সরকারের অধীনস্ত করা। তিন. পূর্ব পাকিস্তানে অস্ত্র কারখানা স্থাপন করা। বাংলাদেশের ভূবিন্যাস হচ্ছে নদীবহুল, জলাশয়পূর্ণ ও নিচু জমিনে সংমিশ্রণ।

ষাট ও সত্তরের দশকে এটা ছিল বর্তমান সময়ের চেয়ে আরও প্রকট। সামরিক বাহিনীর ভারী যান চলাচলের জন্য সড়কপথ ছিল অনুপযুক্ত। ষষ্ঠ দফার মূল উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ভেতরে আনসার ও ইপিআর (বর্তমান বিজিবি) বাহিনীকে যথাযথ প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রচলিত ও অপ্রচলিত যুদ্ধ-কৌশলে প্রশিক্ষিত করে রাখা। বঙ্গবন্ধু জানতেন, উপযুক্ত সময়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধের ডাক দিলে বাঙালি যে যেখানে থাকুক তারা সেই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়বে। তখন ইউনির্ফমধারী আনসার ও ইপিআর বাহিনী প্রাথমিক অবস্থায় দেশব্যাপী একটি শক্তিশালী প্রতিরোধ যুদ্ধ সংগঠিত করতে পারলে স্বাধীনতাকামী বিপুলসংখ্যক বাঙালি তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে। দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী তখন হয়ে পড়বে শুধু শহরকেন্দ্রিক। বাংলাদেশ হবে পাকিস্তানি সেনাদের জন্য বধ্যভূমি। আর এই যুদ্ধ পরিচালনার জন্য যে অস্ত্র ও গোলাবারুদ দরকার হবে তা যেন পূর্ব পাকিস্তানে তৈরি হয়, সে জন্য এ অঞ্চলে অস্ত্র কারখানা স্থাপনের দাবি ছিল ছয় দফার ভেতরে। মুক্তিযুদ্ধের সময় ষষ্ঠ দফার সফল প্রয়োগ আমরা দেখেছি আনসার ও ইপিআর বাহিনীর যথার্থ ভূমিকায়। এভাবেই বঙ্গবন্ধু যথাসময়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ধাপে ধাপে বাঙালি জাতিকে নিয়ে আসেন একাত্তরে, স্বাধীনতা অর্জনের চূড়ান্ত মোহনায়।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ যখন সমাসন্ন তখন বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণের শেষাংশে চূড়ান্ত সামরিক নির্দেশনা দিয়ে দিলেন। যেমন : এক. 'প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে'। দুই. 'জীবনের তরে রাস্তাঘাট যা-যা আছে সবকিছু তোমরা বন্ধ করে দিবে'। তিন. 'আমরা ভাতে মারব, আমরা পানিতে মারব'। চার. 'শত্রু পিছনে ঢুকেছে, নিজেদের মধ্যে আত্মকলহ সৃষ্টি করবে, লুটতরাজ করবে'। পাঁচ. 'বাংলায় হিন্দু-মুসলমান, বাঙালি, নন-বাঙালি যারা আছেন তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের ওপর, আমাদের যেন বদনাম না হয়'। ছয়. 'প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাক'। এই পর্যায়ে বাস্তবতার নিরিখে এবং পূর্বে সংঘটিত বিভিন্ন দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঐতিহাসিক শিক্ষার প্রেক্ষাপটে সামরিক নির্দেশনার আর বাকি রইল কি? বৃহৎ এবং দীর্ঘমেয়াদি গেরিলা যুদ্ধের জন্য মাও সে তুংয়ের খ্যাতনামা ম্যাঙ্মি হলো, 'শত্রু যখন ক্লান্ত হয়ে পিছু হটবে ও নিজেদের সঙ্কুচিত করবে তখন তাকে ধাওয়া করো এবং আঘাত কর। আর শত্রু যখন এগুবে তখন পথে অসংখ্য ছোট ছোট বাধা সৃষ্টি কর এবং নিজেরা চলে যাও নিরাপদ স্থানে'। ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলা ও যার যা আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করার নির্দেশ ছিল মাও সে তুংয়ের উপরোক্ত সফল গেরিলাযুদ্ধের কৌশলের প্রতিফলন।

৩. এ নির্দেশের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্পষ্টতই বাঙালি জনগোষ্ঠীকে যুদ্ধে শামিল হতে বলেছিলেন। এই সূত্রের সফল প্রয়োগ যত বেশি হবে, ততই গেরিলাবাহিনীর সংখ্যা ও শক্তি গুণিতক হারে বাড়তে থাকবে। ফলে আক্রমণকারী বা দখলদারদের ভিতরে ভীতির সঞ্চয় হবে, তারা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে ক্যাম্প ও বাংকারের মধ্যে। আর তখন শত্রুর পরাজয় হয়ে পড়ে অবশ্যম্ভাবী এবং সময়ের ব্যাপার মাত্র। মুক্তিযুদ্ধের সময় সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করে আত্মসমর্পণের আগ পর্যন্ত পাকিস্তান বাহিনীর অবস্থা সর্বত্রই ক্যাম্প ও বাংকারভিত্তিক হয়ে গিয়েছিল। আধুনিক কনভেনশনাল বা প্রচলিত এবং নন-কনভেনশনাল বা অপ্রচলিত, উভয় যুদ্ধেই Denial Plan কার্যকর করা যুদ্ধের একটি বড় গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই পরিকল্পনার মূল কথা হলো- নিজেদের কোনো সম্পদ ও সুযোগ-সুবিধা শত্রু যেন ব্যবহার করতে না পারে। রাস্তাঘাট যা যা আছে সবকিছু বন্ধ করা এবং ভাতে মারব ও পানিতে মারব নির্দেশনার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সমরকৌশল Denial Plan বাস্তবায়ন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। উল্লিখিত চতুর্থ নির্দেশনার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু মূলত সারা জাতি এবং বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে যারা মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করবে তাদের সবার জন্য সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলেন। যুদ্ধ চলাকালীন দেশের অভ্যন্তরে রাজাকার, আল-বদর এবং তাদের সহযোগী রাজনৈতিক দলের অনুসারী দ্বারা পঞ্চম বাহিনী (Fifth Columnist) সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং তারা মুক্তিযুদ্ধের সমর্থকদের বাড়িঘর, ধনসম্পদ লুটতরাজে লিপ্ত হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু তার দূরদৃষ্টি দিয়ে এতদসংক্রান্ত বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করেছিলেন, যাতে তারা সবাই মিলে ওই সব ভেতর ও বাইরের বাধা অতিক্রম করে মুক্তিযুদ্ধকে একটি সফল সমাপ্তির দিকে নিয়ে যেতে পারে। পঞ্চম নির্দেশনার তাৎপর্য ছিল অতি গুরুত্বপূর্ণ। একটি দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে প্রাথমিক পর্যায়ে অতিক্রম করে যখন সে যুদ্ধটি পরিপক্বতার দিকে অগ্রসর হয় তখন দখলদার বাহিনী হয়ে পড়ে শহর বা নগরমুখী। বৃহত্তর গ্রামাঞ্চল চলে যায় স্বাধীনতাকামী যোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে। জনতার জলস্রোতে মাছের মতো মিশে যায় গেরিলা যোদ্ধারা। ওই সময় দখলদার বাহিনীর আইন-কানুনের কোনো প্রয়োগ থাকে না, মূল্যও থাকে না। অন্যদিকে যুদ্ধ যেহেতু চলমান, সেহেতু নতুন স্বাধীন সরকারের প্রচলিত বা কনভেনশনাল আইনি বিধি-বিধান তৈরি ও তা প্রয়োগ করার কোনো সুযোগ থাকে না। ওই পরিস্থিতিতে দেশব্যাপী ছোট-বড় গ্রুপে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা গেরিলা যোদ্ধাদের নৈতিক মনোবলের ওপর নির্ভর করে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর জানমালের নিরাপত্তা। আর যোদ্ধাদের মনোবল টিকে থাকে ততক্ষণ, যতক্ষণ তারা নেতার হুকুমের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা পোষণ করে এবং যে কারণে তারা যুদ্ধ করছে তার ওপর প্রবল বিশ্বাস অটুট থাকে। যুদ্ধের পুরো নয় মাস দেশের অভ্যন্তরে কোনো নিয়মতান্ত্রিক পুলিশ বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী না থাকলেও আইন-শৃঙ্খলার বড় ধরনের কোনো অবনতি ঘটেনি। এ এক অপূর্ব বিরল ঘটনা। নেতার প্রতি এমন বিরল আস্থার কারণেই দেশ মাত্র নয় মাসের মাথায় স্বাধীন হয়েছিল। ষষ্ঠ নির্দেশনার তাৎপর্য ছিল প্রধানত দেশব্যাপী যাতে বাঙালিরা সঠিক নেতৃত্বের অধীনে সুসংগঠিত হয় এবং সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে। যুদ্ধোন্মুখ সাধারণ মানুষ এবং অস্ত্রধারী বাঙালি, সেনা, ইপিআর, পুলিশ ও অন্যদের শত্রু যেন অতর্কিত হামলা করে পর্যুদস্ত করতে না পারে। দুটি ছোট উদাহরণ বিষয়টিকে আরও পরিষ্কার করবে।

৪. ১৯৭১ সালে জয়দেবপুরে অবস্থিত দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে ঘিরে ১৯ মার্চ থেকে সংঘটিত ঘটনাবলি এবং উপ-অধিনায়ক মেজর সফিউল্লাহর (বাংলাদেশের প্রথম সেনাপ্রধান জেনারেল সফিউল্লাহ) নেতৃত্বে ২৮ মার্চ বিদ্রোহ করে কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ব্যতিরেকে সম্পূর্ণ ইউনিট যেভাবে মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করে তাতে প্রমাণ হয় ৭ মার্চের ভাষণই ছিল বঙ্গবন্ধুর চূড়ান্ত নির্দেশনা। কিন্তু ওই সময় দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী রকিবুদ্দিন ইউনিটের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে যোগদান না করে ঢাকায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে থেকে যান। এখন লে. কর্নেল রকিব যদি বলেন, তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগদানের কোনো নির্দেশনা পাননি, তাহলে কি তা গ্রহণযোগ্য হবে? দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঠিক বিপরীত ঘটনা ঘটেছে যশোরে অবস্থিত প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বেলায়। ২৯ মার্চ পর্যন্ত প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট শীতকালীন প্রশিক্ষণের জন্য যশোর সেনানিবাস থেকে ২৫ মাইল দূরে চৌগাছায় অবস্থান করছিল। ইউনিটের অধিনায়ক বাঙালি অফিসার লে. কর্নেল রেজাউল জলিল ইচ্ছা করলে অক্ষত অবস্থায় সম্পূর্ণ ইউনিট নিয়ে চৌগাছা থেকে মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করতে পারতেন। কারণ ইউনিটের সব সৈনিক ছিল বাঙালি। কিন্তু বাঙালি অধিনায়ক রেজাউল জলিল উল্টো কাজ করলেন। ২৯ মার্চ বিকালে প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে তিনি যশোর সেনানিবাসে ফিরিয়ে আনেন এবং সৈনিকদের কাছ থেকে রেডিও সেট তুলে নেন, যাতে তারা বাইরের কোনো খবর না পান। তারপর ৩০ মার্চ ঘটে সেই মর্মান্তিক ঘটনা। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ২৫ বেলুচ ও ২২ এফএফ রেজিমেন্ট প্রথম বেঙ্গলের ওপর আক্রমণ চালায়। অধিনায়ক রেজাউল জলিল বাঙালি হয়েও নির্লিপ্ত থাকেন। বাঙালি সৈনিকরা তখন নিজেরাই অস্ত্রাগার ভেঙে অস্ত্র বের করে বিদ্রোহ করেন এবং পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে ওই দিন সন্ধ্যা নাগাদ সেনানিবাস থেকে বেরিয়ে যেতে সক্ষম হন। বাঙালি অফিসার লে. হাফিজউদ্দিন ও লে. আনোয়ার সৈনিকদের সঙ্গে যোগ দেন। তবে সেনানিবাস ত্যাগ করতে গিয়ে লে. আনোয়ারসহ ৪০ জন বাঙালি সৈনিক নিহত হন (মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তির অবস্থান এ এস এম সামছুল আরেফিন, পৃ. ৫-৬)। প্রথম ইস্ট বেঙ্গল ও দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের দুটি উদাহরণ সংক্ষিপ্তভাবে এখানে তুলে ধরলাম এ কারণে যে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশনার অভাব নয়, স্থানীয় বাঙালি অফিসারদের নৈতিক সাহস এবং বাঙালি জাতির স্বাধীনতার প্রতি তাদের নিজস্ব দায়বদ্ধতাই মূলত প্রাথমিকভাবে মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করা, অথবা না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রধান ভূমিকা রেখেছে। একটি রাষ্ট্রের সঙ্গে আরেকটি রাষ্ট্রের যখন যুদ্ধ হয় তখন যে প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতি গ্রহণ ও নির্দেশনা দেওয়া যায়, স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য সঙ্গত কারণেই সেই একই প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতি গ্রহণ এবং নির্দেশনা দেওয়া যায় না। তার কোনো সুযোগ থাকে না। একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্য থেকে এক অংশকে আলাদা করে নতুন একটি স্বাধীন দেশ প্রতিষ্ঠার জন্য সব রাজনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে নিঃশেষ না হওয়া পর্যন্ত একতরফাভাবে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করলে তার পরিণতি কতবড় ভয়ঙ্কর হয় এবং তাতে সব কূল হারানো যে অবধারিত, তার উদাহরণ তো ইতিহাসে অভাব নেই। তাই উপসংহারে এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকারকে সবিনয়ে অনুরোধ করছি, জীবনের শেষ প্রান্তে পৌঁছে, দোহাই স্যার জেনেশুনে বিষপান করবেন না।

লেখক : কলামিস্ট ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক। [email protected]

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়