শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

এই ঘনঘোর অমানিশা কাটবেই, ইনশাল্লাহ্

নূরে আলম সিদ্দিকী
অনলাইন ভার্সন
এই ঘনঘোর অমানিশা কাটবেই, ইনশাল্লাহ্

১৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিনে কাজী সিরাজ ৫০-নিম্ন বয়সের পাঠকদের ধারণা দেওয়ার জন্য লিখেছেন- "৩ জানুয়ারি ১৯৭১ আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ এবং পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ সদস্যদের দলীয় শপথ গ্রহণের দিন ছিল। পল্টন ময়দানে বঙ্গবন্ধু দলীয় এমএলএ, এমপিদের শপথ পড়িয়েছিলেন। তোফায়েল আহমেদ, নূরে আলম সিদ্দিকীসহ সবাই ওই শপথনামায় লিখিত 'জয় বাংলা'র সঙ্গে 'জয় পাকিস্তান' স্লোগানটিও পাঠ করেছিলেন।" আমি সত্তরোর্ধ্ব বয়সের সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের সাক্ষী রেখে বলছি- সেই অনুষ্ঠানে জয় পাকিস্তান শব্দটি উচ্চারিত হয়নি। কাজী সিরাজের অবগতির জন্য বলি, আমি সেদিন নির্বাচিত প্রতিনিধিও ছিলাম না। ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম। আর আমার স্মৃতিশক্তি এখনো এত দুর্বল হয়ে যায়নি। তবুও তর্কের খাতিরে তার কথা যদি সত্যি বলে ধরে নিই, তাতেও আমি দোষের কিছু দেখি না। কারণ, সেদিন যে সংসদটির সদস্য হিসেবে তারা নির্বাচিত হয়েছিলেন সেটি ছিল পাকিস্তানের সংসদ। তখনো বাংলাদেশের স্বাধীনতা আমরা ঘোষণা করিনি। এবং তখন পর্যন্ত আমরা প্রকাশ্যে ছয় দফার ভিত্তিতে স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার ছিলাম। আর বঙ্গবন্ধু তো পাকিস্তান আন্দোলনেরও প্রতিভাদীপ্ত কর্মী ছিলেন। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নির্দেশে তিনি পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য ফরিদপুরের আনাচে-কানাচে প্রত্যয়দীপ্ত চেতনা নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন, মানুষকে উজ্জীবিত করেছেন। এটি তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনীর বিভিন্ন অংশে তিনি উদ্ধৃত করেছেন। তখনকার প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন। কিন্তু বাস্তবতা হলো- যেদিন থেকে বঙ্গবন্ধু একটি উপনিবেশ হিসেবে আমাদের শোষণের উদ্দেশ্যে পাকিস্তানিদের দুরভিসন্ধি বুঝতে পেরেছিলেন সেদিনের পর তিনি একবারের জন্যও 'জয় পাকিস্তান' বা 'পাকিস্তান জিন্দাবাদ' উচ্চারণ করেননি।

৭১-এর ৩ জানুয়ারির শপথের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল- নির্যাতন-নিগ্রহ, ভয়-ভীতি, লোভ-লালসা, স্বার্থ ও প্রলোভনের কাছে বাংলার মানুষের অধিকার, বিশেষ করে ছয় দফার প্রশ্নে বিন্দুমাত্র ছাড় দেবেন না। ৫ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে যত প্রশ্নই থাক, ঐতিহাসিক মার্চ ও ৭ মার্চের স্মৃতিবিজড়িত রেসকোর্সে তাঁর দলের নির্বাচিত সব সদস্যকে নিয়ে শেখ হাসিনাও পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে শপথ নিতে পারতেন যে- অতীতে যাই হোক না কেন, আমি আপনাদের সামনে জনতার আদালতে দাঁড়িয়ে শপথ করছি- দুর্নীতি ও সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে আজ থেকে আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করছি। কোনো অবস্থাতেই লোভে বা প্রলোভনে পড়ে আমরা দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হব না। বেকারত্ব, দারিদ্র্য ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা নিরলস লড়াই করে যাব। অতীতে যারা দুর্নীতি করেছে তারা যত শক্তিশালীই হোক, দ্রুত বিচার আইনে তাদের বিচার করা হবে, ইনশাল্লাহ্। এ দৃশ্যটির অবতারণা করতে পারলে ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনটি জনগণের কাছে কিছুটা হলেও গ্রহণযোগ্যতা পেত, তার পিতার আদর্শ তার কণ্ঠে ধ্বনিত হতো এবং সংগঠনকে তিনি সুসংগঠিত ও সুশৃঙ্খল করতে পারতেন। তাতে করে বাংলাদেশের আতঙ্কিত জনতার মনে জোনাকির মৃদু আলোর মতো ক্ষীণ আশাবাদ সৃষ্টি হলেও হতে পারত। কিন্তু দুর্ভাগ্য জাতির, পোড়া কপাল ১৭ কোটি মানুষের- সেটি না করে তিনি উল্টো পথে হাঁটলেন। শেয়ারবাজার, হলমার্ক, ডেসটিনি, যুবক, বেসিক ব্যাংকের দুষ্কৃতকারীরা দণ্ডপ্রাপ্ত তো হলোই না, বরং তার সান্নিধ্য বিবর্জিত হওয়ারও পরিবেশ তৈরি হলো না।

৭ মার্চের ভাষণ প্রসঙ্গে আগের লেখায় বলেছি, আজ আবারও বলি- সেদিন রেসকোর্সে যে লাখ লাখ জনতা উপস্থিত ছিল তারা প্রত্যেকেই বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের প্রতি সর্বোচ্চ আস্থা ও বিশ্বাস রেখে 'জয় বাংলা' বুকে ধারণ করে সেই জনসমুদ্রের অংশ হয়েছিল। সেদিন সারা জাতি যেখানে বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতা শোনার অপেক্ষায় উৎসুক ছিল এবং 'জয় বাংলা' স্লোগানে সমগ্র রেসকোর্স প্রকম্পিত হচ্ছিল সেখানে বঙ্গবন্ধু 'জয় পাকিস্তান' বলবেন- এটি কোনো পাগলেরও মাথায় আসার কথা না। আর যদি তা হতোই উপস্থিত জনতা তাৎক্ষণিক বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের প্রতি বিদ্রোহ করে বসত।

সমালোচনা, নিরপেক্ষ, নিষ্কলুষ ও তীক্ষ্ন পর্যালোচনা, বিশেষজ্ঞদের সুচিন্তিত অভিমত, আইন বিশেষজ্ঞদের তাত্তি্বক বিশ্লেষণ সবকিছুকে নিদারুণভাবে উপহাসই নয় বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে সর্বসম্মতভাবে বিচারপতিদের অভিশংসন আইনটি গৃহীত হয়েছে। চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে একদলীয় শাসন (বাকশাল) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল (এরও প্রতিবাদ হয়েছিল। সংসদ সদস্যদেরও পদত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছিল)। ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ব্যক্তিকেন্দ্রিকতার অর্থাৎ শেখ হাসিনার একক, অপ্রতিরোধ্য নেতৃত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। যার অনিবার্য পরিণতি হিসেবে, বিচারব্যবস্থা, প্রশাসন এবং সংসদের ভেতর ও বাইরে গণতন্ত্রের চর্চা ও অনুশীলন তো অনেক দূরের কথা, গণতন্ত্রের অস্তিত্ব সংকটে বাংলাদেশের ভাগ্যাহত বিপুলসংখ্যক মানুষকে নিষ্ঠুর ও নির্মমভাবে অধিকার বঞ্চিত, আশঙ্কিত ও আতঙ্কিত করেছে। এমনকি খোদ আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায় হতে মন্ত্রিপরিষদ পর্যন্ত সবাইকে শঙ্কিত করেছে। বাইরে থেকে যাদের জাতীয় নেতা বলে প্রতীয়মান হতো তারা আজ নিজ অবস্থানটুকু ধরে রাখার জন্য বিবেকবর্জিত স্তাবকতা ছাড়া কিছুই কল্পনা করতে পারছেন না। অভিশংসন আইনটি পাসে বিশ্ববাসী বিস্ময়াভিভূত ও আশ্চর্যান্বিত হয়ে লক্ষ্য করল, শেখ হাসিনার দাপট এতটাই প্রবল যে, দুয়েকজন মৃদুভাষ্যে, ক্ষীণকণ্ঠে, ম্রিয়মাণ হৃদয়ে এক-আধটু বিরোধিতা করার অভিব্যক্তি ব্যক্ত করলেও এর প্রতিবাদে কেউ সংসদ কক্ষ পরিত্যাগ বা পদত্যাগের দৃষ্টান্ত প্রতিস্থাপিত করতে পারেননি। আমি বিরোধী দলকে কখনো গৃহপালিত, কখনো রোবট, কখনো আজ্ঞাবহ, কখনো সরকারেরই উচ্ছিষ্ট অংশ বলে আখ্যায়িত করলেও আমার হৃদয়ের নিভৃত কন্দরে জোনাকির আলোর মতো একটুখানি আশাবাদ জীবিত ছিল যে, স্বতন্ত্র ও বিরোধী দলের পক্ষ থেকে একটা তীব্র প্রতিবাদ ধ্বনি উচ্চারিত হবে। বাকশাল প্রতিস্থাপনের সময় যেটি হয়েছিল। কিন্তু নিষ্ঠুর বাস্তবতা এটি প্রমাণ করল যে, শেখ হাসিনার নিয়ন্ত্রণ এতখানি নিরঙ্কুশ যে, চ্যালেঞ্জ তো দূরে থাক, তার চোখের ইশারাকে এড়িয়ে যাওয়ার মতো সংসদের অভ্যন্তরে কেউ নেই। এটি বিরল ও অভূতপূর্ব ঘটনা নয়, অবিশ্বাস্য রকমের ঘটনা। সত্যিকার অর্থে যেখানে রাজতন্ত্র আজও বিদ্যমান অথবা আফ্রিকার অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেশে উপজাতীয় শাসন যেখানে চলমান, সেখানেও এরূপ নিষ্কণ্টক দৃষ্টান্ত আর নেই। আফসোস আমার- এখানে এটি যে পর্যায়ে তাকে দাম্ভিক ও তার নির্দেশকে অলঙ্ঘনীয় করল তার চেয়েও গণতন্ত্রকে অস্থিতিশীল এবং দেশকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিল।

সম্প্রতি বিএনপির এক সাবেক নেতা, এককালীন জাঁদরেল মন্ত্রী (এখন এলডিপির চেয়ারম্যান) অনেকটা আক্ষেপের সুরে বলেছেন, 'বিএনপির হাতে এখন কোনো পেসক্রিপশন নেই।' এর কারণ বিশ্লেষণে তিনি বলতে চেয়েছেন আওয়ামী লীগ তাদের কোনো পরামর্শ, উপদেশ গ্রহণ না করে দেশের স্বার্থের চেয়ে দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিচ্ছে। বিএনপির বর্তমান হালহকিকত আমার চেয়ে কর্নেল অলির গভীরভাবে অবগত হওয়ার কথা। কর্নেল অলি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তিনি অবশ্যই আমার সঙ্গে একটি শাশ্বত সত্যে একমত হবেন- অধিকার ভিক্ষা করে পাওয়া যায় না, সংগঠিত জনমতের ওপর ভিত্তি করে আন্দোলনে গণমানুষের সম্পৃক্ততায় সেটিকে আদায় করে নিতে হয়। ক্ষমতাসীনদের দয়া-দাক্ষিণ্য ও উদাত্তচিত্তের অনুগ্রহের প্রত্যাশা থেকে কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা তো কোনোদিন পূরণ হয়ই না, বরং সরকারের স্বেচ্ছাচারিতা ও দাম্ভিকতাকে আরও উসকে দেয়। ৫ জানুয়ারির আগে পাঁচ-পাঁচটি সিটি করপোরেশনের পরাজয় আওয়ামী লীগের একটি বিরাট অংশের মনকে শঙ্কিত করে তুলেছিল। ক্ষমতায় থাকা না থাকা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ও একধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল। কিন্তু প্রতিবেশী একটি উঠতি পরাশক্তির শর্তহীন সমর্থন তাদের ভেঙে পড়তে দেয়নি এবং শেখ হাসিনাকে প্রত্যয়দৃঢ়চিত্তে নিশ্চিত করা সত্ত্বেও তাকে ১৫৩টি আসন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় কুক্ষিগত করতে হয়েছিল- পাছে কোনো অভাবনীয় অঘটন ঘটে যায়। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো বেগম খালেদা জিয়ার ২৯ ডিসেম্বর 'মার্চ ফর ডেমোক্রেসি'র ব্যর্থতার পর আমেরিকাসহ পশ্চিমা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর যে সহানুভূতির মানসিকতা বিএনপির প্রতি ছিল সেটি কর্পূরের মতো উবে গেল। ২৯ ডিসেম্বরের পর প্রমাণিত হলো বিএনপি একটি গণবিচ্ছিন্ন নেতাসর্বস্ব দল। আন্দোলন ও গণবিস্ফোরণ তৈরি করার মতো সাংগঠনিক শক্তি তো দূরে থাক, মননশীলতা ও কৌশল সম্পর্কেও তারা সম্পূর্ণ অনভিজ্ঞ এবং আওয়ামী লীগের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে প্রতিহত করার বিন্দুমাত্র সাংগঠনিক শক্তি বিএনপি-জামায়াত জোটের নেই। ওটি একটি 'মধুচক্র'। আন্দোলন একটু চাঙ্গা হলে ওরা পদ ও পদবির, প্রাপ্তি ও প্রত্যাশার ডালে ঝুলতে থাকে। আর আন্দোলনের মুখে সরকারি নির্যাতনের মুখোমুখি হওয়ার বিন্দুমাত্র সাহস তাদের নেই। বরং কেউ আত্মসমর্পণের ধান্দায় থাকেন, কেউ শিয়ালের গর্তে অন্তর্ধান করেন।

৬০ দশকে আমরা যারা স্বায়ত্তশাসন থেকে স্বাধিকার, স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা অর্জনের আন্দোলনে অগ্রযাত্রী ছিলাম- শুধু নির্যাতনই নয়, মৃত্যুও ছিল আমাদের সহযাত্রী। আমাদের হৃদয়ের ক্যানভাসটি পরিপূর্ণ ছিল স্বাধীনতার স্বপ্ন দ্বারা। সেখানে প্রাপ্তি-প্রত্যাশা কিংবা নির্যাতন-নিগ্রহের ভয় আমাদের হৃদয়কে প্রকম্পিত করেনি। আমরা আমাদের অবস্থান থেকে কোনো অবস্থায়ই বিন্দুমাত্র পিছু হটিনি। স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের চেতনার ধ্রুবতারা, স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রদীপ্ত সূর্য বঙ্গবন্ধুকে আন্দোলনের স্বার্থে বিভিন্ন কৌশল নিতে হয়েছে; অভিজ্ঞ প্রকৌশলীর মতো। কিন্তু মূল লক্ষ্য থেকে লোভ-লালসা, নির্যাতন-নিগ্রহ তাকে বিন্দুমাত্র পথবিচ্যুত করতে পারেনি। সেটিই ছিল আমাদের উজ্জীবিত চেতনার উপকরণ। আমরা নিশ্চিত ছিলাম, হয় জয়, না হয় ক্ষয়। পরাধীনতার বক্ষ বিদীর্ণ করে স্বাধীনতার সূর্যকে ছিনিয়ে আনতে আমরা জীবনকে বাজি ধরেছিলাম। ব্যক্তিগত প্রাপ্তি-প্রত্যাশা আমাদের হৃদয়কে স্পর্শ করেনি বলেই ভয়-ভীতি, নির্যাতন-নিগ্রহকে আমরা ভ্রুকুটি দেখাতে পেরেছিলাম। আমাদের শক্তির উৎস ছিল জনগণ এবং তাদের বুকনিঃসৃত সমর্থন। তাই নির্যাতন-নিগ্রহকে ভ্রুকুটি দেখিয়ে দুর্ধর্ষ পাকিস্তানি সামরিক শক্তিকে শুধু প্রতিহতই নয়, পরাজিতও করতে পেরেছি। আমি পুনরুল্লেখ করতে চাই, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের নিষ্কলুষতা সম্পর্কে মানুষের কোনো সন্দেহ ছিল না বলেই তাদের সমর্থন ছিল শতকরা ৯৮ ভাগ। সেই মানুষ নির্বিকার, নিশ্চুপ, নিস্তব্ধ। সব কিছু তাদের গা-সওয়া হয়ে গেল কেন? পথে-ঘাটে, বন্দরে-নগরে আজ একটিই কথা- যে যাবে লঙ্কায় সেই হবে রাবণ। শেখ হাসিনা প্রচণ্ড দাম্ভিকতা ও অনমনীয়তায় সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখার অজুহাতে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন করার পরই দাম্ভিক উচ্চারণ করলেন, ৫ বছরের আগে আর কোনো নির্বাচন নয়। বিরোধীরা ক্রমেই নরম হতে থাকল। বসার জন্য, সমঝোতার জন্য, আলোচনার জন্য, মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য প্রথমে দাবি, পরে অনুরোধ, এখন আকুতি-মিনতি করছেন (সাংগঠনিক দুর্বলতার জন্য বিএনপি বুঝেই গেছে)। তাদের বুঝতে হবে, কথায় যেমন চিঁড়ে ভিজে না, অনুরোধ করে, ভিক্ষা করে তেমনি অধিকার আদায় করা যায় না। সাম্প্রতিককালে হরতালের ব্যর্থতাও জনগণের উদাসীনতার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। কারণ মানুষ ধরেই নিয়েছে মহাজোট আর ২০ দলীয় জোট লড়াই, বাকবিতণ্ডা, সংঘাত-সংঘর্ষ, সবকিছু ক্ষমতা অাঁকড়ে রাখা এবং ক্ষমতায় আসার জন্য। আগে সমালোচনা হতো রাজনীতি ক্রমশ ব্যবসায়ীদের হাতে চলে যাচ্ছে। এখন রাজনীতিই সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা। সমালোচনা যতই করা হোক না কেন একটি বিশেষ সিন্ডিকেটের মধ্যে সমুদ্রচুরির (শেয়ারবাজার, হলমার্ক, ডেসটিনি, যুবক) একটি অংশ সরকারি ও বিরোধী দলে আনুপাতিক হারে বণ্টিত হচ্ছে।

ছোটবেলায় ঝড় হলে আম কুড়ানোর ধুম পড়ত, এখন দুর্নীতির ধুম পড়েছে। ফরমালিন শুধু শাক-সবজি, ফলমূল, মাছ-মাংসে নয়, সমাজের সর্বস্তরেই বিশেষ করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আরও মারাত্মকভাবে প্রতিভাত হচ্ছে। পাঠকের প্রশ্ন থাকতে পারে এর থেকে পরিত্রাণের উপায় কী। রাজনীতিসংশ্লিষ্ট অঙ্গনের বাইরে যে সীমিতসংখ্যক বিবেকাশ্রিত অংশ রয়েছে বিশেষ করে নতুন প্রজন্মকে জাগ্রত হতে হবে, সরব হতে হবে, প্রতিবাদী হতে হবে।

আল্লাহর কাছে সেটিই আমার প্রার্থনা এবং এই ঘোর সামাজিক অমানিশার মধ্যেও প্রদীপ্ত সূর্যকিরণের প্রত্যাশা ও স্বপ্ন নিয়ে আমি বেঁচে আছি।

লেখক : স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের অন্যতম শীর্ষ নেতা

 

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়