শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০১ অক্টোবর, ২০১৪

শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে ওরা

মাহ্‌মুদুর রহমান মান্না
অনলাইন ভার্সন
শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে ওরা

আমার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবন বেশ দীর্ঘ। চট্টগ্রামকে সঙ্গে ধরলে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন আরও পাঁচ বছর বেশি। ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলাম, বেরিয়েছি '৮১-র শেষে। নিয়মিত ছাত্র ছিলাম না, সেটা থাকা সম্ভবও ছিল না। মাঝে মাঝেই আমি এ কথা বলি। একটি নিয়মিত বড় ছাত্র সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক নিয়মিত ছাত্র থাকতে পারবে না। ৭০-৭২টি সাংগঠনিক জেলায় যদি একবার করেও যান তাহলেই বছরের ১৫০ দিন পার হয়ে যায়। এ ছাড়াও রাজধানী ঢাকাতে সংগঠনের কাজ প্রায় ২৪ ঘণ্টাই। একটা সময় ছিল পাকিস্তান আমলে, যখন ভালো ছাত্ররা রাজনীতি করতেন। তারা বিতার্কিক ছিলেন, অনর্গল ইংরেজিতে বক্তৃতা করতেন। ইংরেজিতে বক্তৃতা করতে পারা তখন একটি বিশেষ গুণ বলে বিবেচিত হতো। তালুকদার মনিরুজ্জামান, মিজানুর রহমান শেলীর মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা ছাত্ররাও রাজনীতি করতেন।

স্বাধীনতার পরও এ ধারাটি মোটামুটি ছিল। আফতাব উদ্দিন আহমেদ তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা ছাত্র বলে বিবেচিত হতো। অনার্সে ফার্স্ট হওয়া থেকে শুরু করে বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতা, আবৃত্তি, অভিনয় এমনকি গান গাওয়ায়ও সে পারদর্শী ছিল। পরবর্তী সময়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. আফতাব উদ্দিন আহমেদ জাসদ ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ছিলেন। '৭৩-এর ডাকসুর নির্বাচনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী ছাত্ররা ডাকসু নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল।

কিন্তু অতঃপর ধীরে ধীরে ছাত্র রাজনীতির এই মান নামতে থাকল। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা-যুদ্ধ পর্যন্ত এ দেশের ছাত্র সমাজ অনন্য ভূমিকা রাখে। তার মাধ্যমে সমগ্র ছাত্র আন্দোলনেরই এক ধরনের রাজনীতিকরণ হয়ে যায়। স্বাধীনতার পরে ছাত্র রাজনীতিতে ভালো ছাত্রের ডিমান্ড কমে যায়। বেশি করে বিবেচনায় আসে রাজনৈতিক সচেতনতার, সাংগঠনিক দক্ষতার। এ কারণেই ৭৯ সালের ডাকুস নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে মেধাবী ছাত্র সলিমুল্লাহ খানকে জিএস হিসেবে মনোনয়ন দিলেও জাসদ ছাত্রলীগের নেতারা তার বদলে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকতারুজ্জামানকে বেশি পছন্দ করে। এটা দিয়ে আমি এ কথা বোঝাতে চাইছি না যে, এভাবে ছাত্র রাজনীতির মান পড়ে গেছে। কিন্তু ১৯৭৩-এ ডাকসুর ব্যালট বাঙ্ হাইজ্যাক একটি সবিশেষ উল্লেখযোগ্য ঘটনা। যে ছাত্র সমাজ ৫২ থেকে ৭১ পর্যন্ত রক্ত দিয়ে, জীবন দিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করল সেই ছাত্র সমাজেরই একটি অংশ সেই সদ্য স্বাধীন দেশে গণতন্ত্রের কবর খুঁড়ল। সরকারি দল এটা অনুমোদন করেছিল। কাজেই তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন? তখন ভিসি ছিলেন বোস প্রফেসর ড. আবদুল মতিন চৌধুরী। তিনি ছিলেন সরকারি দলের লোক। অতএব, তিনি কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিলেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দলবাজির একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ এটি।

কিন্তু এভাবে বলাও বোধহয় ঠিক হচ্ছে না। আমার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে দুজন ভিসি পেয়েছিলাম যাদের কথা বলা উচিত। যাদের মধ্যে একজন অবশ্য ড. মতিন চৌধুরী। তার সঙ্গে আমার প্রথম দেখাটাই ছিল প্রীতিহীন।

তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রভর্তির ব্যাপারে দলবাজি ছিল। মতিন চৌধুরী সাধ্যমতো সরকারি ছাত্রলীগের তদবির রক্ষা করে চলছিলেন। আমিও সে রকম ৫০টি তদবির নিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেছিলাম। এ জন্য প্রথম সাক্ষাৎকারটিকে সৌজন্যমূলক বা প্রীতিকর বলতে পারছি না আমি। বিস্তারিত বলার অবকাশ এখানে নেই। এভাবে বলব ড. মতিন চৌধুরী আমাকে কোনো উষ্ণ সম্ভাষণ জানাননি। আমিও সরাসরি তাকে বলেছি, যেহেতু আপনি সরকারি দলের ভর্তির তদবির শুনছেন সেহেতু আমারটাও শুনতে হবে। আমি ফরমগুলো সেখানে রেখে এসেছিলাম। এখন ভাবলে খারাপ লাগে ড. মতিন অনেক জ্ঞানী মানুষ ছিলেন। এখন আর তিনি নেই। থাকলে গিয়ে তার কাছে সেদিনের সেই ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চাইতাম। কিন্তু আমার উপায় ছিল না।

এরপর ভিসি ছিলেন ড. ফজলুল হালিম চৌধুরী। তিনিও আওয়ামী লীগের লোক ছিলেন। তার কাছেও গিয়েছিলাম ভর্তির তদবির করতে। তখন আমি ছাত্রপ্রিয়তার তুঙ্গে। ডাকসুর প্রথমবারের নির্বাচিত ভিপি। হালিম চৌধুরী বললেন, মাহমুদুর রহমান মান্না ভালো ছেলে সবাই বলে। সে ভর্তির তদবির নিয়ে এসেছে। নিশ্চয়ই এদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই। তোমার দল করে তাই তুমি এসেছ।

আমি কিছুক্ষণ চুপ করেছিলাম। তারপর বললাম, স্যার এরকমই তো হচ্ছে। উনি বললেন, আমরা সবাই তোমার কাছে অন্যরকম আশা করি। কিন্তু তুমিও সেই পথেই হাঁটছ। হঠাৎ করেই যেন সম্বিৎ ফিরে পেলাম আমি। বললাম আপনি বন্ধ করে দেন এগুলো। উনি আবারও বললেন, আমি বন্ধ করতে চাই, যদি তোমরা বিশেষ করে তুমি সহযোগিতা কর। কিভাবে, আমার প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন, ভর্তির একটি সিস্টেম তৈরি করব। এর বাইরে কিছু হবে না। কোনো অনিয়ম হবে না। আমার সন্দেহ ও প্রশ্নের জবাবে তিনি আবারও বললেন, তোমরা দেখ কোনো অভিযোগ পেলে আমাকে বল।

ড. ফজলুল হালিম চৌধুরী তার কথা রেখেছিলেন। আমি নিজের চোখে দেখেছি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক ছাত্রের ভর্তির ব্যাপারে চিঠি লিখেছিলেন; কিন্তু ফজলুল হালিম চৌধুরী তাকে ভর্তি করেননি। আর এ জন্য রাষ্ট্রপতি জিয়াও তার ওপর কোনো শোধ নেওয়ার চেষ্টা করেননি।

আজকে এ কথাগুলো মনে পড়ছে। চোখের সামনে টেবিলের ওপর বেশ কয়েকটি দৈনিক। গত কয়েক দিন ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে পত্র-পত্রিকায় যা লেখা হচ্ছে তা দেখছি আর ভাবছি কিভাবে শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে ধ্বংস করে ফেলা হচ্ছে। গত কয়েক বছর ধরে এসএসসি ও এইচএসসি মানের পরীক্ষার ফলাফল আকাশচুম্বী হয়ে গেছে। দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদরা এ নিয়ে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, অযথাই শিক্ষার মান বাড়িয়ে দেখানোর জন্য এগুলো করা হচ্ছে। পত্র-পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে কর্তৃপক্ষীয় মহল থেকে এরকম করতে বলা হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি দু'একজন শিক্ষকের কথা জানি যারা খুব নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে খাতা দেখেছেন। তাদের কর্তাব্যক্তিরা ধমকিয়েছেন এই বলে যে, তারা সরকারের সাফল্যকে খাটো করে দেখাতে চাইছেন। তাহলে তাদের দেওয়া নম্বরে পাস এবং গ্রেডিংয়ের হার এত কম কেন? ওই শিক্ষকরা নেহাতই শিক্ষক। কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কর্মী নন। অতএব, তারা উপরের নির্দেশ মেনেছেন।

এই উপরটা কত উপর। তা বোঝা যায়, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের মন্তব্য থেকে। সজ্জন বলে পরিচিত এই মন্ত্রী কিছুদিন আগে টিআইবির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তৈরি গবেষণার ওপর এক হাতে নিয়েছিলেন। কিন্তু ১০ দিন যেতে না যেতেই বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. এ কে আজাদ চৌধুরী নিজেই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেন। এক এক করে নগ্ন হয়ে পড়ে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘুষ, দুর্নীতি, ভর্তিবাণিজ্য, সনদবাণিজ্যের চিত্রগুলো। তখন শিক্ষামন্ত্রী মুখ বন্ধ করেন।

চলতি বছরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি ইউনিটে পাসের গড় হার ১৪.২৬ শতাংশ। মোট তিন লাখ এক হাজার ১৩৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫৫ হাজার ২৭৮ জন, অথচ এবারের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭০ হাজার ৬০২ জন। তাদের অনেকেই ভর্তি পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি। তিনটি বিভাগে তিন লাখ পরীক্ষার্থীর শতকরা ৮০ ভাগ পাসই করতে পারেনি। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার তো প্রশ্নই আসে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করতে বাংলা ও ইংরেজিতে বাধ্যতামূলক ৮ নম্বর পেতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায় বেশির ভাগই ফেল করেছে বাংলা ও ইংরেজিতে। সবচেয়ে আশ্চর্য হলো গ ইউনিটের পরীক্ষার ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হওয়ার জন্য উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র দুইজন।

সারা দেশের বিবেক প্রকম্পিত হয়েছে। কোথায় যাচ্ছি আমরা। অথচ সৎ ও নিষ্ঠাবান মানুষ শিক্ষামন্ত্রী এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা পদ্ধতিকে দায়ী করেছেন। তিনি এ ভর্তি পরীক্ষাকে অপ্রয়োজনীয়ও বলেছেন।

সেই যে ফজলুল হালিম চৌধুরীর সময় থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা প্রক্রিয়া চালু হয়েছে তা নিয়ে কেউ কখনো প্রশ্ন তোলেনি। এ শিক্ষামন্ত্রী এবং তার সরকারও কখনো কোনো কথা বলেনি। প্রায় ছয় বছর ধরে শিক্ষাক্ষেত্রে কৃতিত্ব প্রদর্শনের জন্য অন্যায় ও মিথ্যাচার হয়ে আসছে তা যখন এমন নগ্নভাবে ধরা পড়েছে তখন খুবই শান্তশিষ্ট শিক্ষামন্ত্রীও শিষ্ট থাকতে পারেননি। তিনি এমনকি ভয় দেখিয়েছেন এই বলে যে, বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ ৭৩ পরিবর্তন করবেন তারা।

এরা সম্প্রচার আইন করেছে, বিচারপতিদের অপসারণের জন্য সংবিধান সংশোধন করেছে, অতঃপর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন হরণের জন্য হাত বাড়িয়েছে। কিন্তু এবারও প্রতিবাদ করেছেন আরেক ভিসি যিনি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বে আছেন। তিনিও একজন সরকারি দলের কর্মী আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। তিনি শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। পরীক্ষা পদ্ধতির কোথায় কোথায় ত্রুটি আছে সেটা শিক্ষামন্ত্রীকে দেখিয়ে দিতে বলেছেন। শিক্ষামন্ত্রী এ প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি। কী জবাব দেবেন তিনি? বিভিন্ন বিভাগে পরীক্ষার যারা কর্তা তারা তো অধিকাংশই নীল দলের লোক।

সাধারণ মানুষ কোনো দলাদলি চায় না। বিশেষ করে জ্ঞানের জগতে, শিক্ষার চর্চায়। দুঃখজনক হলেও এই সরকার জ্ঞানের জগতেও দলের বিস্তার করেছে। এর আগে যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারাও সেটা করেছেন। আমরা এর অবসান চাই।

নজরুলের সেই বিখ্যাত কবিতা, 'হিন্দু না ওরা মুসলিম ওই জিজ্ঞাসে কোন জন/কাণ্ডারি বলো ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মার।' শিক্ষাকে ডুবিয়ে দিচ্ছে ওরা। এই অপচেষ্টা রুখতে হবে। শিক্ষাকে বাঁচাতে হবে। দেশ বাঁচাতে হবে।

আমি একটি প্রস্তাব দিতে চাই। একটি পত্রিকায় পেলাম, গত সাত-আট বছর আগে ব্রিটেনে একটি সংস্থার জরিপে বেরিয়ে আসে প্রতি পাঁচজন শিক্ষার্থীর একজন ভালোভাবে শিখছে না। সরকার কিন্তু পরস্পরকে দোষারোপ না করে আরেকটি সংস্থাকে দিয়ে জরিপ করাল। দেখল তথ্য ঠিক আছে। তখন কেন ভালোভাবে শিখছে না সেই কারণ খুঁজে বের করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হলো। আমাদেরও সেভাবে এগোতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রীকে বলছি, যদি আপনি দলকানা না হন, যদি আপনি হুকুমের দাস না হন তবে এ উদাহরণটি অনুসরণ করুন। দোষারোপের সংস্কৃতি বাদ দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের ব্যবস্থা করুন এ ভয়াবহ ব্যর্থতার। দেশকে ভালোবাসলে দেশের কথা ভাবুন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থার কথা ভাবুন। শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে এটা আপনার বিশেষ দায়িত্ব। অন্ধ আনুগত্য আর হুকুম পালন কোনো সততার পরিচায়ক নয়।

লেখক : রাজনীতিক, আহ্বায়ক নাগরিক ঐক্য।

ই-মেইল :  [email protected]

 

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়