শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০১ অক্টোবর, ২০১৪

কলকাতার চিঠি

কোনো আইন মানতে চান না মমতা

সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত
অনলাইন ভার্সন
কোনো আইন মানতে চান না মমতা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন- 'বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে'। তিনি যখন লিখেছিলেন তখন তার মাথায় ব্রিটিশদের অত্যাচারের কথা ছিল। কবি সেদিন যা লিখে গেছেন তা আজও ধ্রুব সত্য। বেশ কয়েক বছর আগে দক্ষিণের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন। সম্প্রতি ব্যাঙ্গালুরু আদালত তাকে শুধু সাজাই দেয়নি, ভারতের প্রচলিত আইনে তার বিধায়ক পদও কেড়ে নিয়েছে। তামিল ও কানাড়া ফিল্মে এক সময়ের ডাকসাইটে অভিনেত্রী জয়ললিতা। তার হিরো ছিলেন এআইডিএমকে-র রামচন্দ্রণ। সিনেমার স্ক্রিপ্ট লিখতেন তার চিরশত্রু ডিএমকে-র করুণানিধি।

কেন এই প্রসঙ্গ? ভারতের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশে একই নিয়ম একই আইন একই সংবিধান সবার জন্য। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনো আইন মানতে চান না। গত সপ্তাহে কলকাতা হাইকোর্টে একে একে পাড়ুই-কাণ্ড, তাপস পাল, যাবদপুর বিশ্ববিদ্যালয় কাণ্ডে নাস্তানাবুদ হওয়ার পরও তিনি লম্ফঝম্ফ করছেন। যে কোনো ঘটনাই ছোট, সাধারণ এবং তুচ্ছ তার চোখে। তার একটাই বক্তব্য- সবাই মিলে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং কুৎসা করছেন। কিন্তু যাদের নিয়ে উনি তেজ দেখাচ্ছিলেন তারাই এখন প্রাণের ভয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছেন।

সারদা কাণ্ডের পর সামনে এসেছে রোজভ্যালি কাণ্ড। এরাও একটি বড় চিটফান্ড গোষ্ঠী। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা বলছেন, ২৫০০টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল। সেগুলো সব ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে যে এত বড় সাপ বেরিয়ে পড়বে, তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমে বোঝেননি বা বুঝলেও তাদের চাপের সামনে নতিস্বীকার করেছিলেন। ওই সময়, ২০১২ সালের মে মাসে দার্জিলিংয়ের ডেলোর সরকারি বাংলোয় গভীর রাতে সুদীপ্ত সেন এবং গৌতম কুণ্ডু (রোজভ্যালির মালিক)-দের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে আলোচ্য বিষয় ছিল এই দুই চিটফান্ড সংস্থা তাকে দেশের প্রধানমন্ত্রী বানিয়ে দেবে। এ জন্য ১৫-২০ কোটি টাকাও খরচ করতে প্রস্তুত ছিলেন তারা। বদলে তাদের লোক-ঠকানো ব্যবসা চালানোর সুবিধা করে দিতে হবে।

২০১২ সাল থেকেই তার এই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন গোটা দেশ জানত। তবে তার নেপথ্যের ঘটনা এবার চিটফান্ড মালিকরাই ফাঁস করে দিলেন। এই দুটি চিটফান্ড ছাড়াও মোট ৩৫৪টি চিটফান্ড সংস্থা এ রাজ্যে রয়েছে। এদের সঙ্গে জড়িত আছেন তৃণমূলের কোনো না কোনো নেতা, সাংসদ, বিধায়করা। ইতিমধ্যে মমতার দলের প্রায় ১০ জন গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে জেরা করেছেন তদন্তকারী অফিসাররা। তদন্ত এখনো চলছে। তদন্ত যে কবে শেষ হবে তা নিয়ে নানা মহলে সংশয় আছে। লাখ লাখ গরিব, মধ্যবিত্ত মানুষ চিটফান্ড কোম্পানিগুলোর হাতে প্রতারিত হয়েছেন। আর মমতা বলে যাচ্ছেন কিছুই হয়নি। কিন্তু রাজ্যের মানুষ প্রতিনিয়ত বুঝতে পারছেন কী ঘটে চলেছে। তিনি কী চান? কেন চান? আগামী পাঁচ বছর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই তার।

শুধু উপমহাদেশ নয়, গোটা বিশ্ব জেনে গেছে ২০১২ সালে দিল্লির নির্ভয়া কাণ্ড। একটি কলেজের ছাত্রীকে রাতের অন্ধকারে ধর্ষণ করে ফেলে দিয়ে গিয়েছিল ছয় দুষ্কৃতকারী। সাত-আট মাসের মধ্যে দোষীদের সাজা হয়েছে। ভারতের যে কোনো রাজ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে স্থানীয় প্রশাসন সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়। আর এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তার সাড়ে তিন বছরের রাজত্বে পার্ক স্ট্রিট কাণ্ড, কামদুনিসহ যতগুলো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে সবগুলোকেই সামান্য ঘটনা বলে এড়িয়ে গেছেন। প্রায় সব ক্ষেত্রে ধর্ষণকারী ও খুনিরা তৃণমূলের লোক হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। তারা ছাড়াও পেয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্ট দোষীদের চিহ্নিত করা মাত্রই প্রচুর টাকা খরচ করে সরকার সে মামলাগুলো উচ্চতর আদালতে নিয়ে যাচ্ছে। এসব দেখে রাজ্যের মানুষ তিতিবিরক্ত হয়ে উঠেছে। তারা দ্রুত একটা বিহিত চাইছেন। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা হলো, সিবিই তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট এলে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা রাস্তায় নেমে পড়ার যে হুমকি দিয়েছেন, তা পুজোর পর থেকে বোঝা যাবে।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্র, ঝাড়গ্রামের শিলাদিত্যদের অপরাধ ছিল 'ওরা মাওবাদী'। শিলাদিত্য প্রকাশ্য জনসভায় মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেছিলেন, সারের দাম বাড়ছে কেন? মঞ্চ থেকেই মমতা শিলাদিত্যকে গ্রেফতারের হুকুম দিয়েছিলেন। স্বভাবতই বিশিষ্টজনরা প্রশ্ন তুলেছেন, সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় তিনি কাদের সাহায্য নিয়েছিলেন? তারা কারা। তারা আরও প্রশ্ন তোলেন, তার অন্যতম সাহায্যকারী মাওবাদী নেতা কিষেণজিকে কে বা কারা হত্যা করেছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পারবেন এর জবাব দিতে? এই প্রশ্ন সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ এবং সুশীল সমাজের। তারা এক সময়ে মমতাকে দুই হাত তুলে সমর্থন করার পর এখন পিছিয়ে যাচ্ছেন। আরেকটা উদাহরণ দেব।

জ্যোতিবসুর মুখ্যমন্ত্রিত্বের শেষ দিকে মমতা একদিন একটি বোবা মেয়েকে রাইটার্সে নিয়ে এসে হৈ-চৈ বাঁধান, ওই মেয়েটিকে সিপিএম সমর্থকরা ধর্ষণ করেছে। সে অন্তঃসত্ত্বা। সরকারকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। কিন্তু কয়েকদিন পর উত্তর ২৪ পরগনায় ওই মেয়েটির বাড়িতে গিয়ে একটি টেলিভিশন চ্যানেল দেখিয়েছিল মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা তো হয়ইনি, ধর্ষণের গল্পটাও বানানো। মেয়েটির নাম ছিল চপলা সর্দার।

বুদ্ধিজীবী, সুশীল সমাজ এমনকি মমতাপন্থিরাও মনে করছেন, জয়ললিতার যদি এই শাস্তি হতে পারে, তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাজা হবে না কেন? প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেসের প্রধান নেতা আবদুল মান্নান। তিনি বলেন, কালীঘাট-ভবানীপুর অঞ্চলে মমতার আত্দীয়স্বজনরা প্রায় ৩০০ কোটি টাকার সম্পত্তি কিনেছেন। এই টাকা এলো কোথা থেকে? এই অভিযোগ শুধু মান্নানের নয়, বাকি বিরোধীরাও একই অভিযোগ তুলছেন।

রোজভ্যালির গৌতম কুণ্ডু হাটে হাঁড়ি ভেঙে দেওয়ার পর ঝুলি থেকে বেড়াল বেরিয়ে পড়েছে। এখন শুধু একটিই আলোচনা- দিদি কি সত্যিই সততার প্রতীক, নাকি দুর্নীতির আড়াল করতে যে তৎপরতা তিনি দেখাচ্ছেন তার তুলনা ভূ-ভারতে নেই। যে পুলিশ রাজ তিনি কায়েম করেছেন, কতদিন পুলিশ তাকে বাঁচাবে? রাজনীতিবিদরা ক্ষমতায় না থাকলে পুলিশ কি করতে পারে তার প্রমাণ জয়ললিতা কাণ্ড। রায় বের হওয়ার আধঘণ্টার মধ্যে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তিনি ১০ বছর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না।

বদলাই তার একমাত্র অস্ত্র। আর সঙ্গে পুলিশ। পাঁচের দশকে কলকাতায় এক পয়সা ট্রাম ভাড়া বাড়ার প্রতিবাদে বামপন্থিরা সেদিন মাঠে নেমেছিলেন। সে সময় কর্তব্যরত সাংবাদিকদেরও পেটায় পুলিশ। অনেক সাংবাদিককেই হাসপাতালে যেতে হয়েছিল। তারই প্রতিবাদে তৎকালীন আনন্দবাজারের সম্পাদক ময়মনসিংহের সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার লিখেছিলেন- পুলিশ জননীর গর্ভের লজ্জা। আর যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক ফরিদপুরের বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায় লেখেন- পুলিশ ব্রিটিশদের জারজ সন্তান। এই দুই সম্পাদকীয় নিয়ে আলোচনা এখনো চলে সাংবাদিক মহলে। এদিকে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে টেলিগ্রাফ পত্রিকায় একটি খবর চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী কোনো ঘটনা ঘটলেই জেলা পুলিশ সুপার নয়, কনস্টেবল বা অধস্তন কর্মীদের ফোন করেন। পুলিশকে দিয়ে বিধানসভা, লোকসভা, পুরসভাসহ ভোট করানো তৃণমূলের নতুন খেলা। উল্লেখযোগ্য হলো, এসব খবরের কোনো প্রতিবাদই আসে না দিদি বা তার দলের পক্ষ থেকে।

দেশের পাঁচ নম্বর বিশ্ববিদ্যালয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর দিকে তাকানো যাক। এক ছাত্রীকে নবীনবরণের দিন শ্লীলতাহানি করে বহিরাগত কিছু যুবক এবং তৃণমূলের কয়েকজন ছাত্র। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ এবং ধরনা শুরু করে যাদবপুরের ছাত্রছাত্রীরা। সিপিএম থেকে তৃণমূলে আসা উপাচার্য পুলিশ ডেকে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের সরিয়ে দিতে বলেন। তৃণমূলের পুলিশ বাহিনী রাতের বেলা আলো নিভিয়ে ওই ছাত্রছাত্রীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। বেধড়ক মারধর শুরু করে তারা। ছাত্রীদেরও রেহাই দেয়নি বর্বর পুলিশ বাহিনী। ছাত্রীদের পেটের ওপর দাঁড়িয়ে লাঠি চালায় তারা। পুলিশের সঙ্গে জুটেছিল যাদবপুর অঞ্চলের স্থানীয় তৃণমূল দুষ্কৃতিরাও। গেঞ্জি এবং হাওয়াই চটি পরেও এসেছিল পুলিশ। নিরস্ত্র ছাত্রছাত্রীদের ওপর এই বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে এর পরদিন থেকেই বিক্ষোভ শুরু হয় গোটা রাজ্যে। অধ্যাপক, প্রাক্তন অধ্যাপক, দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা যাদবপুরের প্রাক্তনীরা, এমনকি সাধারণ গৃহবধূরাও সোশ্যাল সাইটের মাধ্যমে তাদের ক্ষোভ উগড়ে দেন। প্রতিবাদীদের একটাই দাবি, পদত্যাগ করতে হবে উপাচার্যকে। কিন্তু ঘটনার চারদিন পরও পদত্যাগের কোনো লক্ষণ দেখাননি উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তী। ছাত্রছাত্রী, অধ্যাপক, অভিভাবকদের আন্দোলনও চলছে সমানতালে।

পশ্চিমবঙ্গে যে চরম উচ্ছৃঙ্খলতা চলছে তা ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছে। উপরের কয়েকটি ঘটনা হিমশৈলের চূড়া মাত্র। আসন্ন পুজো এবং ঈদের পর পরিস্থিতি কোন দিকে যায় সেদিকে নজর রাখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ কেন্দ্রীয় সরকার। তৃণমূলের অত্যাচার থেকে রেহাই পাচ্ছে না বিজেপিও। প্রধান প্রতিপক্ষ দল ধরে নিয়ে জেলায় জেলায় বিজেপির ওপর চলছে হামলা। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বিজেপির অফিসও। বিজেপি নেতারা এসব অভিযোগ নিয়ে দিল্লিতে রাজনাথ সিংয়ের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। যাদবপুরসহ রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে পঠনপাঠন বন্ধ হয়ে গেছে। ছাত্রদের উসকানির মূলে রয়েছেন সততার প্রতীক দিদি। ইতিমধ্যে সাত-আটজন অধ্যক্ষ রেজিস্ট্রার পদত্যাগ করেছেন। এখন বাংলার মানুষ চাইছেন বিচারের বাণী নিভৃতে না থেকে এবার প্রকাশ হোক।

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়