শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৩ অক্টোবর, ২০১৪

হোটেল কক্স টুডের সেই মেয়েটি!

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
হোটেল কক্স টুডের সেই মেয়েটি!

এলিজার সঙ্গে আমার পরিচয় না হলে জীবনের একটি অধ্যায়ের কিছু অংশ হয়তো অপূর্ণই থেকে যেত। এলিজা তার স্বামীকে নিয়ে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছে বেশ কয়েকদিন হলো। কলাতলীর সাধারণ মানের একটি হোটেলে থেকে তারা গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে পুরো কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন এবং বান্দরবান চষে বেড়াচ্ছে আর মনের আনন্দে বাংলাদেশের খাবার এবং রাজনীতি নিয়ে গবেষণা করছে। এরই মধ্যে একদিন বিকালে এলিজার সঙ্গে আমার দেখা হয়ে গেল হোটেল কক্স টুডের লবিতে। আমি দাঁড়িয়ে ২/৩ জন পরিচিতজনের সঙ্গে কথা বলছিলাম। এমন সময় এলিজা এগিয়ে এলেন এবং সালাম দিয়ে করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়ে দিলেন। দেশের বাইরে গিয়ে অনেক ভদ্র মহিলার সঙ্গে করমর্দন কিংবা অতিরিক্ত সৌজন্যতা দেখানোর জন্য আলতো করে আলিঙ্গন অথবা গালের সঙ্গে গাল মেলানো একটি সচরাচর ঘটনা। বাংলাদেশে এটি সচরাচর করা হয় না- বিশেষ করে বাংলাদেশি মেয়েদের সঙ্গে তো নয়ই। আমি ইতস্তত করছিলাম দুটি কারণে- প্রথমত, মেয়েটি বাংলাদেশি না বিদেশি বোঝা যাচ্ছিল না। দ্বিতীয়ত, পাবলিক প্লেসে একজন অপরিচিত সুন্দরী যুবতীর সঙ্গে করমর্দন করা ঠিক হবে কিনা বুঝতে পারছিলাম না।

এলিজার পরনে ছিল টাইট জিন্স এবং গায়ে দামি টি-শার্ট। হাতের ওমেগা ঘড়িটির চাকচিক্য দেখে বোঝাই যাচ্ছিল তিনি বেশ ধনাঢ্য। লম্বায় আমার কাছাকাছি অর্থাৎ ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি, গায়ের রং আরব দেশের মেয়েদের মতো গোলাপি আর মায়াবী মুখখানা বাংলাদেশি আদলে গড়া। তিনি বোধ হয় আমার সমস্যা আন্দাজ করতে পারলেন। তাই পরিশুদ্ধ ব্রিটিশ ধাঁচের ইংরেজি উচ্চারণে বললেন- জনাব, আপনার সঙ্গে একটু পরিচিত হয়ে ২/১টা বিষয় শেয়ার করতে চাই। আমার নাম এলিজা, লন্ডন থেকে এসেছি। দাদার বাড়ি ছিল চট্টগ্রামে। আমার বাবার জন্ম ইংল্যান্ডে। আর আমারও তদ্রূপ। বড় হওয়ার পর বাংলাদেশ সম্পর্কে প্রবল আগ্রহ অনুভব করি, তাই বিয়ের পর হানিমুন করতে বাংলাদেশে চলে এলাম। এলিজার কথায় আমার সব জড়তা দূর হয়ে গেল এবং আমি তার বাড়িয়ে দেওয়া হাতটির সঙ্গে করমর্দন করে জিজ্ঞাসা করলাম- আমার সঙ্গে কি এমন কথা, কারণ আমাকে তো আপনার চেনার কথা নয়। এলিজা মিষ্টি করে হাসল এবং অনতিদূরে দাঁড়িয়ে থাকা তার স্বামী জনকে ইশারায় আমাদের কাছে আসতে বলল এবং সব শেষে আমার সম্পর্কে অদ্ভুত এবং মজাদার একটি কথা বলল। এ বিষয়ে বিস্তারিত বলার আগে বলে নেই কেন আমি কক্সবাজারে গেলাম বা কক্স টুডে হোটেলে উঠলাম।

আমার চট্টগ্রামের বন্ধু কাইউম চৌধুরী বেশ কয়েক বছর আগে তার কয়েকজন আত্দীয়স্বজন নিয়ে কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল জোনে বিরাট এক পাঁচতারা মানের হোটেল নির্মাণ করেছে দি কক্স টুডে নাম দিয়ে। বন্ধুবরের নিমন্ত্রণ ছিল সস্ত্রীক তার হোটেলে কয়েক রাত বেড়িয়ে আসার জন্য। আমি ইন্টারনেটে হোটেলটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেখে ভারি আশ্চর্য হলাম। বাংলাদেশের কক্সবাজারে এত বড়, এত ভালো মানের আধুনিক হোটেল তৈরি হয়েছে তা আমার বিশ্বাসই হতে চাচ্ছিল না। প্রায় ৪০০ কামরাসংবলিত দশতলার হোটেলটিতে ঢাকার সোনারগাঁও, র‌্যাডিসন কিংবা ওয়েস্ট ইন হোটেলের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। অধিকন্তু হোটেলটির রুমগুলোর ফিটিংস এবং আয়তন ঢাকার হোটেলগুলোর চেয়ে বড়। বিশেষ করে প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুট এবং ডিলাক্স স্যুটের জাঁকজমকের কথা শুনে খুবই ইচ্ছা জাগল কক্সবাজারে বেড়িয়ে যাওয়ার জন্য। প্রায় বছরখানেক ধরে চেষ্টা করছি কিন্তু পরিবারের শিডিউল মেলাতে পারছিলাম না। তাই হুট করে টিকিট কেটে একাই চলে এলাম নীরবে-নিভৃতে দুদণ্ড কাটিয়ে যাওয়ার জন্য।

আমার বন্ধুকে আগেই বলা ছিল আমার আগমনী সংবাদ গোপন রাখার জন্য। সে চেষ্টার ত্রুটি করেনি। এয়ারপোর্ট থেকে কালো গ্লাসের ভিআইপি গাড়িতে করে মহা সতর্কতার সঙ্গে রুমে নিয়ে এসেছে। কিন্তু সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন সম্ভবত ঢাকা বিমানবন্দর থেকেই অনুসরণ শুরু করেছিল। কক্সবাজার এয়ারপোর্ট নামার পর বুঝলাম, অনেকগুলো চোখ অনুসরণ করছে। সম্ভবত তারাই স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীর কাছে আমার আগমনের কথা ফাঁস করে দেয়। ফলে কতিপয় লোক হোটেলে আসেন সাক্ষাৎ করার জন্য। আর এমনি এক সাক্ষাৎপর্বে এলিজার সঙ্গে আমার পরিচয় হয়ে যায়।

এলিজার স্বামী একজন ব্রিটিশ। সে এসে করমর্দন করল। আমরা বিস্তারিত কথা বলার জন্য বিশাল লবিতে মেহমানদের জন্য যেসব চেয়ার, টেবিল ও সোফা রয়েছে তার একটিতে গিয়ে বসলাম। আমার সঙ্গে আলাপরত লোকজনও কৌতূহলবশত আমাদের সঙ্গে গিয়ে বসল। কথা প্রসঙ্গে জানলাম, বিশ্বের নামকরা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এলিজা এবং তার স্বামী সরকার ও রাজনীতি বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। আমি কৌতূহলবশত জিজ্ঞাসা করলাম- এবার বলুন তো কেন আপনি আমার সঙ্গে উপযাচক হয়ে পরিচিত হলেন যা সাধারণত ব্রিটিশরা করে না। এলিজা বললেন, আমরা গত ১৫ দিন ধরে কঙ্বাজারের প্রত্যন্ত এলাকা ঘুরছি। নানাজনের সঙ্গে কথা বলছি। সাধারণ মানুষ দেশের বর্তমান রাজনীতি নিয়ে খুবই হতাশ। তারা কোনো রাজনীতিবিদ বা জনপ্রতিনিধিকে বিশ্বাস করে না। নিজের বা সমাজের কোনো বিষয় নিয়ে জনপ্রতিনিধির ওপর নির্ভর করা যায় এমন মনমানসিকতা সাধারণ মানুষের মধ্যে আমরা দেখিনি। তারা ক্ষমতাবান লোকদের চরিত্রহীন, লম্পট, দুর্নীতিবাজ এবং জনগণের অর্থ লোপাটকারী হিসেবেই ভাবে। তারা এ কথাও ভাবে, বাংলাদেশে কোনো লোক ব্যক্তিগত স্বার্থ, উচ্চাভিলাষ এবং পদ-পদবির লোভ ছাড়া কেবল জনকল্যাণের মনমানসিকতা নিয়ে রাজনীতিতে আসে না।

আমি নির্বাক হয়ে এলিজার কথা শুনছিলাম। অপমানে আমার শরীর দিয়ে মৃদু ঘাম বের হচ্ছিল। হোটেল লবিটি ছিল বিশাল, আর সেখানকার চাকচিক্য, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ সব কিছুই ছিল মনোরম। কিন্তু এলিজার কথা শোনার পর সব কিছু কেমন যেন ফ্যাকাসে হয়ে গেল। আমরা যেখানে বসেছিলাম তার পেছনে পিতলের তৈরি বিশাল এক ষাঁড়ের মূর্তি ছিল। এত সুন্দর এবং দামি মূর্তি আমি অন্য কোথাও দেখিনি। গত কয়েক দিনে আমি লবিতে ঘোরার সময় বার বার মূর্তিটির দিকে তাকাতাম এবং ভাবতাম ওটা যত সুন্দর তার তুলনায় এক কোটি টাকা মূল্য কোনো ব্যাপারই নয়। কিন্তু সেদিন ষাঁড়টিকে আমার ভীষণ ভয়ঙ্কর মনে হতে লাগল। মনে হলো এই বুঝি পিতলের মূর্তি প্রাণ ফিরে পেল এবং রাজনীতিবিদ মনে করে আমাকে গুঁতা মারতে এলো। আমি কি জবাব দেব তা ভেবে পেলাম না বা এ কথাও মনে এলো না যে, এলিজা তো আমাকে চেনার কথা নয়, ও হয়তো এমনি এমনি বলছে! চোরের মনে যেমন পুলিশ পুলিশ ভয় থাকে তেমনি এলিজার মুখে রাজনীতিবিদদের বদনাম শুনে আমিও ভয় পেয়ে গেলাম। ভয়ের চোটে আমি তার দিকে ভালোভাবে তাকাতে পারছিলাম না। তার মতো অসাধারণ কোনো সুন্দরী যুবতীর সামনে বসে যেকোনো পুরুষই বিমোহিত হবে। তার সারা শরীরের দিকে চুপিসারে চোখ বুলাবে। কিংবা সে যখন এক পায়ের ওপর থেকে অপর পা'টি সরিয়ে ক্ষণিকের জন্য দু'পা ঈষৎ ফাঁক করে দোলাতে থাকবে তখন পুরুষের চোখ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কিছু একটার দিকে নজর করবে। তা ছাড়া টি-শার্টের রং বা ব্রান্ডের নাম জিজ্ঞাসার ছলে আরও কিছু অংশের দিকে নজর বুলাবে। আমার সঙ্গী লোকগুলো এলিজার কথা শুনে খুব মজা পাচ্ছিল এবং মাথা নেড়ে তাকে এমনভাবে সমর্থন জোগাচ্ছিল যাতে সে আরও কিছু টাটকা কথা আমাকে শুনিয়ে দেয়।

এলিজা আরও বলল, এ দেশে এমপিরা খুন করে, মাদক চোরাকারবারীর সঙ্গে জড়িত থাকে। রাত-বিরাতে রংমহলে যায়, জোর করে ২ নম্বর বা ৩ নম্বর বউ হিসেবে কারও কন্যা বা স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে আসে। অবৈধ উপার্জনের টাকা দিয়ে নেশা করে এবং জুয়া খেলে, দেশ ও জাতির সর্বনাশ ঘটায়। সমাজের কুৎসিত চেহারার এবং কুৎসিত আকৃতির লোকেরা নেতা হয় অথচ দুনিয়ার সব জায়গার রাজনৈতিক নেতৃত্বের চেহারা, সুরত, আকার-আকৃতি শিক্ষা-দীক্ষা, বংশ মর্যাদা এবং অর্থনৈতিক সচ্ছলতা দেশের সাধারণ মানুষের গড়পড়তা অবস্থানের চেয়ে উঁচুমানের হয়। জন্মগত, পরিবেশগত এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবেই নেতারা সাধারণ মানুষের চেয়ে বহুগুণে শ্রেষ্ঠ হন। ফলে জনগণের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং আস্থা লাভ করতে তাদের কোনো কষ্টই হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে দেখলাম উল্টো। ইউনিয়ন পরিষদের একজন মেম্বর থেকে শুরু করে মন্ত্রী পর্যন্ত একজন লোকও খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ যার আশপাশের লোকজন, সহকর্মী, সুবিধাভোগী এবং অধীনস্ত অধস্তনরা গর্ব করে বলবে- 'আমাদের নেতা সব দিক থেকেই আমাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠতর।'

আমি আর পারছিলাম না, ধৈর্যহারা হয়ে পড়ছিলাম। আমার ভয় হচ্ছিল আমি হয়তো এলিজার বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে ব্রিটিশদের বহু নোংরা ইতিহাস তাকে স্মরণ করিয়ে দেব। অথবা তাকে স্মরণ করিয়ে দেব একজন সম্পূর্ণ অপরিচিত লোকের সঙ্গে প্রথম পরিচয়ে এত্তসব বিষোদগার করা কি ঠিক। আমার গলা শুকিয়ে গিয়েছিল। হোটেল কর্তৃপক্ষ ঢাকার পাঁচতারা হোটেলগুলোর মতো লবিতেই হালকা পানীয় এবং স্ন্যাকসের ব্যবস্থা রেখেছে। আমি ওয়েটারকে ডেকে যখন কফির অর্ডার দেব দেব ভাবছিলাম ঠিক তখনই এলিজা চিরায়ত মোহনীয় এবং কমনীয় রমণীর বেশ ধারণ করলেন। তিনি হেসে বললেন জনাব রনি! আপনি নিশ্চয়ই আমার প্রতি বিরক্ত হচ্ছেন। আপনার মুখ দেখেই স্পষ্ট বুঝতে পারছি আপনি আমায় ঘৃণা করতে শুরু করেছেন এবং এ স্থান থেকে সরে পড়তে চাচ্ছেন। আমি ঢোক গিললাম এবং বিরস বদনে জবাব দিলাম, না ঠিক তা নয়। এলিজা বললেন, চলুন আমরা সুইমিংপুলের পাশে বসে কফি পান করি। পড়ন্ত বিকালের নির্মল দখিনা বাতাসে আমার সঙ্গে কফি খেতে নিশ্চয়ই আপনার মন্দ লাগবে না। কারণ, এরপর আমি যা বলব তাতে আপনার খারাপ লাগার কোনো সম্ভাবনা নেই, বরং মনে হচ্ছে ভালোই লাগবে, এ কথা বলে সুন্দরী এলিজা অর্থপূর্ণ বাঁকা হাসি দিল। এই প্রথম আমি ভালো করে তার মুখের দিকে তাকালাম এবং লক্ষ্য করলাম হাসলে এলিজার গালে অসম্ভব সুন্দর টোল পড়ে।

এলিজাই প্রথম উঠে দাঁড়ালেন এবং আমার হাত ধরে টান দিয়ে উঠালেন। এক হাতে স্বামী আর অন্য হাতে আমি! তিনজন হাত ধরে সুইমিংপুলের পাশে গিয়ে বসলাম। আমার সঙ্গী-সাথী এবং হোটেলের লোকজন এ আজব দৃশ্য দেখে ভারি আশ্চর্য হয়ে গেল। বেশ প্রশস্ত এবং বড়সড় সুইমিংপুল। প্রতি সন্ধ্যায় পুল পাড়ে জাঁকজমকপূর্ণ বার বি কিউ পার্টি হয়, সঙ্গে গান বাজনা। পড়ন্ত বিকালে সুইমিংপুলের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টাফরা সন্ধ্যার পার্টির আয়োজনের জন্য ব্যস্ত ছিল। এ সময় সাধারণত কোনো অতিথিকে পুলপাড়ে আলাদা করে আপ্যায়ন তাদের জন্য একটু কষ্টকর। কিন্তু সম্ভবত এলিজার জন্যই ওয়েটাররা হাসিমুখে আমাদের বসতে দিলেন এবং চাহিদা মতো কফি সরবরাহ করলেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, প্রিয় এলিজা! এবার দয়া করে ঝটপট বলে ফেলুন তো কেন আপনি আমার সঙ্গে যেচে পরিচিত হতে গেলেন!

আমার কথা শুনে এলিজা এবার বেশ কৌতুক অনুভব করলেন। তারপর মুচকি হেসে বললেন, একটি প্রয়োজনে হোটেলটিতে এসেছি। বেশ কিছুক্ষণ ধরে লবিতে দাঁড়িয়েছিলাম। লক্ষ্য করলাম সবাই আপনার প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগ দিচ্ছে। অনেকে ছবি তুলছে। হোটেলের মেহমানরা আপনার সামনে দিয়ে যাতায়াতের সময় বিনয় সহকারে সালাম বিনিময় করছে এগিয়ে গিয়ে করমর্দন করছে। বিশেষ করে দম্পতিরা যেমন নিজেরা আপনার সঙ্গে ছবি তুলছেন তেমনি তাদের ছেলেমেয়েদের সঙ্গেও ছবি তুলে রাখছেন। আমি ধারণা করলাম, আপনি হয়তো দেশের নামকরা কোনো সম্মানিত সেলিব্রেটি। হোটেলের একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম, আচ্ছা উনি কে? সে উত্তর করল, গোলাম মাওলা রনি! আমি পাল্টা প্রশ্ন করলাম, তা উনি কি করেন আর লোকজন কেনইবা তাকে এত পাত্তা দিচ্ছে। হোটেলের কর্মকর্তাটি বলল, উনি সরকারদলীয় সাবেক সংসদ সদস্য, কলাম লেখক এবং টেলিভিশনের অতি পরিচিত রাজনৈতিক বিশ্লেষক। তিনি সরকারের কিছু অনিয়ম, দুর্নীতি নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য দিয়ে বেশ আলোচিত এবং সম্প্রতি সরকারের ঘনিষ্ঠ এক ঘৃণিত ব্যক্তির চক্রান্তে জেল খেটে আসার পর সাধারণ মানুষ তার প্রতি বেশ সহানুভূতিপ্রবণ হয়ে পড়েছে।

হোটেলের কর্মকর্তার কাছে আপনার বিষয়ে শোনার পর আমার ইচ্ছা হলো পরিচিত হওয়ার জন্য। তারপর মনে হলো, দেখি ভদ্র লোকের ধৈর্যশক্তি কেমন! তাই গত কয়েকদিনে এ দেশের রাজনীতিবিদদের সম্পর্কে শোনা বাজে মন্তব্যগুলো বলে আপনাকে রাগানোর চেষ্টা করলাম। ধরতে পারেন, এটা সুন্দরী নারীদের এক ধরনের রহস্যময় ছলচাতুরি! এ কথা বলেই এলিজা হো হো করে হাসতে লাগলেন। হাসি থামিয়ে এলিজা বললেন, জনাব রনি, আমি খুবই দুঃখিত। আমার মনে হচ্ছে, আপনার ধৈর্যশক্তির পরীক্ষা নিতে গিয়ে আমি বোধ হয় সীমা অতিক্রম করেছি। আমায় ক্ষমা করুন আর যদি আপনার দয়া হয় তবে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিবাচক কিছু বিষয় আমাকে বলুন।

এলিজার কথায় আমার মন ভালো হয়ে গেল। আমি সংক্ষেপে এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের রাজনীতি এবং রাজনীতিবিদদের ভালো ভালো দিকগুলো তথ্য-প্রমাণ সহকারে তাকে বললাম। গত একদশকে রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সফলতার দিকগুলো তুলে ধরলাম। এ ছাড়া এ দেশের মেহনতি সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, আমলা ও সামরিক কর্মকর্তাদের ভালো ভালো দিকগুলো একে একে উপস্থাপন করে এলিজাকে বোঝাতে সক্ষম হলাম, এ দেশ খুব তাড়াতাড়ি বিশ্ব রাজনীতির মনোযোগের কেন্দ্র হবে এবং একটি ধনী রাষ্ট্র ও সভ্য জাতি হিসেবে আত্দপ্রকাশ করবে। আলোচনার শেষ পর্যায়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, আচ্ছা আপনি এ হোটেলে এসেছেন কেন? কারণ আপনি তো এখানে থাকছেন না!

আমার কথা শুনে এলিজা হঠাৎ মুখ ভার করে ফেললেন। বিরস বদনে বললেন, আমরা যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি তার সদর দফতর ব্রাসেলসে। কক্সবাজারের কিছু ছবি আমার বসকে পাঠানোর পর তিনি সস্ত্রীক এখানে বেড়াতে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। আমাদের প্রতিষ্ঠানটি পুরো ইউরোপে খুবই নামকরা এবং বসও যথেষ্ট ধনাঢ্য ব্যক্তি। ব্যক্তিগত বিমানে সব জায়গায় চলাফেরা করেন। আমি খোঁজ নিয়ে জানলাম বাংলাদেশে ব্যক্তিগত বিমান নিয়ে আসা নানারকম ঝক্কি-ঝামেলার বিষয়। আর বসের বিমানটি কক্সবাজার বিমান বন্দরে ল্যান্ড করানো সম্ভব হবে না, কারণ এটির রানওয়ে আন্তর্জাতিক মানের নয়। বসকে এসব জানানোর পর তিনি কমার্শিয়াল প্লেনে আসতে রাজি হলেন। কিন্তু শর্ত দিলেন খুব ভালো মানের হোটেল এবং সেই হোটেলের একটি উপযুক্ত স্যুটরুম। রুমের সঙ্গে থাকতে হবে কমপক্ষে দুটি বেডরুম, লিভিংরুম, ২/৩টি বাথরুম। বাথরুমের সঙ্গে ব্যক্তিগত জ্যাকুজি, সাউনা, স্টিম ইত্যাদি। আরও থাকতে হবে রান্নাঘর, বার, ফয়ার, ফ্যামিলি স্পেস এবং খোলা প্রশস্ত বেলকনি যেখানে বসে সমুদ্র এবং আকাশের চাঁদ একসঙ্গে দেখা যায়। বসের চাহিদা শুনে আমার তো চোখ কপালে ওঠার মতো অবস্থা। আমি কক্সবাজারের শীর্ষ তিনটি হোটেলের প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুটের ছবি তুলে বসকে পাঠালাম। বস সেগুলো দেখার পর কক্স টুডের প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুটটি বুক করতে বললেন।

কিন্তু আজ বুকিং দিতে এসে নতুন সমস্যায় পড়লাম। দেখলাম এ হোটেলটির বার পরিচালনার লাইসেন্স নেই। অথচ অন্য দুটি হোটেলের রুম আমাদের বসের পছন্দ না হলেও সেখানে অনুমোদিত বার রয়েছে। এ অবস্থায় বস হয়তো এই হোটেলে বুক দিতে নাও করতে পারেন। অন্যদিকে অন্য হোটেলে বার থাকা সত্ত্বেও তাদের রুম কোয়ালিটি কাঙ্ক্ষিত না হওয়ায় বস হয়তো বাংলাদেশেই আসতে চাইবেন না। এলিজার কথা শুনে আমি বললাম, তুমি নিশ্চিন্তে বুকিং দিতে পার। কারণ যেকোনো বিদেশি নাগরিক বিদেশ থেকে আসার সময় তার পছন্দ মতো পানীয় যেমন নিয়ে আসতে পারেন তেমনি স্থানীয় বার বা ওয়্যার হাউস থেকে পাসপোর্ট দেখিয়ে কিনে নিতে পারেন। আর হোটেল রুমে বসে যেকোনো বিদেশি নাগরিকের মদ্যপানে কোনো আইনগত বাধা-নিষেধ নেই। আমার কথা শুনে এলিজা খুশি হয়ে গেলেন এবং বার বার ধন্যবাদ জানাতে লাগলেন।

লেখক : রাজনীতিক।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

এই মাত্র | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৪৫ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়