শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৫৩, সোমবার, ২১ মার্চ, ২০১৬

রিজার্ভ থেকে ডলার চুরি ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তা

মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার পিএসসি (অব.)
Not defined
অনলাইন ভার্সন
রিজার্ভ থেকে ডলার চুরি ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যাংকে গচ্ছিত বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার খোয়া গেছে, অথবা বলা যায় চুরি হয়েছে। দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ৮০৮ কোটি টাকা। এটি একটি বড় ঘটনা এবং সঙ্গত কারণেই সর্বত্র হৈচৈ এবং তোলপাড় চলছে। বাংলাদেশ ব্যাংক রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এবং দেশের অর্থনীতির মূল স্তম্ভ। গভর্নর আতিউর রহমান পদত্যাগ করেছেন, দুজন ডেপুটি গভর্নর বরখাস্ত হয়েছেন এবং পদচ্যুত করা হয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং বিভাগের সচিব আসলামুল আলমকে। এগুলো সবই অস্বাভাবিক, অপ্রত্যাশিত ও আকস্মিক ঘটনা। তাই তোলপাড়ও অনেক বেশি এবং যার ফলে কয়েক দিন যাবৎ এ খবরটি হয়েছে আমাদের মিডিয়ার টপ চার্টের উপাদান। তবে উল্লিখিত অ্যামাউন্ট আমাদের অর্থনীতির ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করবে না এবং দেশকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকটেও ফেলবে না। কিন্তু কথা এখানে নয়। অল্পের মধ্য দিয়ে আমরা এ যাত্রায় বেঁচে গেছি। তাই ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এ ঘটনার সঠিক তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং নির্মোহ পর্যালোচনা হওয়া উচিত। দেশের বিরুদ্ধে একের পর এক যে ষড়যন্ত্র আমরা দেখছি তাতে এর পিছনে বড় কোনো ষড়যন্ত্র আছে কিনা তা যেমন খতিয়ে দেখা দরকার, তেমনি গভীর অন্তর্দৃষ্টি নিয়ে সার্বিক নিরাপত্তার দিকটাও পর্যালোচনায় আনা প্রয়োজন। আলোচিত ক্ষেত্রে নিরাপত্তার জিম্মাদারদের সততা, আনুগত্য, দক্ষতা, সতর্কতা ও দায়বদ্ধতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অতি সংবেদনশীল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যাদের ওপর অসীম বিশ্বাস স্থাপন করা হয় তারা এখন মানুষের মনে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত হচ্ছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো স্টাফ ও কর্মকর্তা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিনা সেটা তদন্ত সাপেক্ষ। তবে প্রকাশিত তথ্যাদি যদি সঠিক হয়ে থাকে তাহলে দায়িত্বপ্রাপ্তদের চরম অবহেলা, নির্বুদ্ধিতা, অজ্ঞতা, গাফিলতি, লাগামহীনতা পরিলক্ষিত হয় এবং চেইন অব কমান্ডে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মনিটরিং, সুপারভিশন ও নিয়ন্ত্রণের ভয়ানক অভাব দেখা যায়। এ বিষয়গুলো একনজরে দেখার জন্য লেখার এই পর্যায়ে প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের তালিকার ওপর একটু নজর বুলাই। এক. বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে (তৃতীয় পক্ষ হ্যাকিং পন্থায়) ৩৫টি অ্যাডভাইস বা অনুমতিপত্র ইস্যু করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক বরাবর। SWIFT পদ্ধতিতে এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হওয়া শুরু হয় এবং পাঁচটি অনুমতিপত্রে উল্লিখিত ১০ কোটি ১০ লাখ ডলারের ২ কোটি শ্রীলঙ্কায় এবং বাদবাকি ৮ কোটি ১০ লাখ ফিলিপাইনের গ্রহীতার অ্যাকাউন্টে চফলে যায়। তবে পাঁচটি অনুমতিপত্র কার্যকর হওয়ার পর আরও ৩০টি অনুমতিপত্র পরপর আসায় যুক্তরাষ্ট্রের রিজার্ভ ব্যাংকের মনিটরিং কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়, তত্ক্ষণাৎ সেগুলো বন্ধ করে দেয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংককে জানায়।

 

 

পেমেন্ট বন্ধ করে দেওয়া ৩০টি অনুমতিপত্রের মোট অ্যামাউন্ট এবং সেটি কোন কোন দেশে যেত তা প্রকাশিত তথ্যে পরিষ্কার নয়। দুই. অনুমতিপত্রগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে থেকে যায় ৪ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার সময়। নিউইয়র্কে তখন বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা। হয়তো দুর্বৃত্তদের পরিকল্পনায় ছিল যুক্তরাষ্ট্রের রিজার্ভ ব্যাংকের সুপারভাইজারদের চোখে কোনো রকম অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লেও বাংলাদেশে পরপর দুই দিন (শুক্র, শনি) সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় কোনো রেসপন্স পাবে না। এই ফাঁকে তাদের মিশন সম্পন্ন হয়ে যাবে। তিন. ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার মনিটরিং, সুপারভিশন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য সব ছুটির দিনে রাউন্ড দ্য ক্লোক পদ্ধতিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা থাকা আবশ্যক। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকে এ ব্যবস্থা নেই বলে জানা গেছে। চার. ১৩ মার্চ র‍্যাবের সূত্রে কালের কণ্ঠের প্রতিবেদন অনুযায়ী অ্যাকাউন্ট আইডি ও সুইফট কোড লোকাল সার্ভার থেকে হ্যাকড হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফায়ারওয়াল (নিরাপত্তা অ্যালার্ম ব্যবস্থা) নিষ্ক্রিয় ছিল। ১৭ মার্চ বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের অতি সংবেদনশীল ব্যাক অফিস (সুইফট সার্ভার কক্ষ)। নড়বড়ে ছিল অতি গুরুত্বপূর্ণ ওই কক্ষের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পাঁচ. পেমেন্ট বন্ধ করার নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ফিলিপাইনে যায় ৯ ফেব্রুয়ারি। হয়তো সময়ের ব্যবধানে ওই নির্দেশনা পৌঁছানোর আগেই ৯ ফেব্রুয়ারি ফিলিপাইনের ব্যাংক (আরসিবিসি) প্রায় সব ডলার গ্রহীতার নামে পেমেন্ট করে দেয়। জানা গেছে এ টাকা ফিলিপাইনের ক্যাসিনোতে (জুয়ার আসর) যায় এবং সেখান থেকে হংকংয়ে পাচার হয়ে গেছে। ছয়. বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাক অফিস অর্থাৎ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ যারা হ্যান্ডেল করেন, তারা ৫ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) অফিসে আসেন বলে পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে। সেদিন তাদের কাছে কম্পিউটার হ্যাক হওয়ার আলামত বা অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ে। তাহলে সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন ওঠে ৫ ফেব্রুয়ারিতে কেন বাংলাদেশ ব্যাংকের টপ টু বটম সবারই কানে অ্যালার্ম বেল বেজে উঠল না। সময়ের পার্থক্যের কারণে বাংলাদেশের ৫ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার দিবাগত সারা রাত নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক খোলা ছিল। তাহলে আমাদের শুক্রবার সারাদিন এবং তারপর সারা রাত সময়ের মধ্যে নিউইয়র্কের রিজার্ভ ব্যাংকের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ করলে সব জানা যেত। তাহলে ৫ ফেব্রুয়ারিতে পেমেন্ট বন্ধের নির্দেশ গেলে ফিলিপাইনের ব্যাংক থেকে ডলার গ্রহীতাকে পেমেন্ট দেওয়া হতো না। ফিলিপাইনের অফিস ওই সময়ে বন্ধ হলেও জোরাল প্রচেষ্টায় সেখানকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন অসম্ভব হতো না। প্রয়োজনবোধে ঢাকার ফিলিপাইনের দূতাবাসের সাহায্য নেওয়া যেত। ম্যানিলায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকেও কাজে লাগানো যেত। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পেমেন্ট বন্ধের বার্তা ফিলিপাইনে গেল ফেব্রুয়ারির ৯ তারিখে। তত সময়ে ডলার চলে গেছে জুয়াড়িদের হাতে। প্রযুক্তি যত উন্নত, আধুনিক বা শক্তিশালী হোক না কেন, যারা এগুলো হ্যান্ডেল করে, পাসওয়ার্ড, আইডি যাদের কাছে, তারাই সবকিছুর নিরাপত্তা বিধানের রক্ষাকবচ। তাছাড়া বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির অগ্রায়ণ ও পরিবর্তনের গতি এত বেশি যে, তার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত পদ্ধতির প্রতিনিয়ত একই মাত্রায় ক্রমউন্নতি বাস্তবতার নিরিখে সম্ভব নয়। ফলে প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিগত পদ্ধতি সব সময়ে নিরাপত্তার হুমকির মুখে থাকে। সুতরাং আধুনিক যুগে যন্ত্র ছাড়া চলবে না, তবে যন্ত্রের পিছনের মানুষটাই আসল। মানুষের ওপরই নির্ভর করতে হবে। রাষ্ট্রের অতি সংবেদনশীল জায়গায় যারা কাজ করেন তারা অবশ্যই বিশ্বাসী বলে ধরে নিতে হবে। কিন্তু নিরাপত্তার মৌলিক কথা হলো— ব্যক্তি যত বিশ্বাসীই হোক না কেন, কাউকেই সব সময় শতভাগ নিশ্চিত হিসেবে ধরা যাবে না। তাই সবারই ওপর নিবিড় ও নিয়মিত নিরাপত্তা নজরদারি আবশ্যক এবং তাদের নিরাপত্তার ছাড়পত্রের হালনাগাদ অনবরত একটা পদ্ধতির মধ্যে রাখা দরকার। কারণ, বিশ্বের বড় বড় নিরাপত্তা দুর্ঘটনার মূল্যায়নে দেখা যায় সবচেয়ে বিশ্বস্ত মানুষটিই এক সময়ে ঘরের শত্রু বিভীষণ কখন হয়ে যায় তা টের পাওয়া যায় না। তাছাড়া সংবেদনশীল জায়গায় কর্তব্যে থাকা মানুষ নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ট্র্যাপে পড়ে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে যায়। নিজের তখন আর কিছুই করার থাকে না। আরেকটি বিষয় হয়তো অনেকের নজর এড়িয়ে যাচ্ছে। ফিলিপাইনের সরকার অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে কঠোর অবস্থান থেকে বের করার চেষ্টা করছে এ টাকাগুলো কোথায় থেকে কোথায় গেল। তদন্তের জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিনেট কমিটিকে দায়িত্ব দিয়েছে এবং নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ফেডারেল তদন্ত সংস্থাকে। অনেককে বলতে শুনছি বাংলাদেশ থেকে ফিলিপাইন নাকি অনেক বেশি সিরিয়াস। এ টাকার বড় অংশ ফিলিপাইনের ক্যাসিনোতে (জুয়ার আসর) চলে গেছে। সেখান থেকে আবার তা হংকং এবং অন্যান্য জায়গায় চলে গেছে। ফিলিপাইনের দক্ষিণ-পূর্ব মিনদানাও প্রদেশে মুসলিম বিদ্রোহী মরো ইসলামিক লিবারেশন ফ্রন্টের (MILF) স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র বিদ্রোহ চলছে বহুদিন যাবৎ। ইতিপূর্বে ক্যাসিনোর টাকা ওই বিদ্রোহীদের হাতে চলে যাওয়ার ঘটনা আছে। আবার অন্য সমস্যা হলো—ক্যাসিনোর টাকা ফিলিপাইনের মানি লন্ডারিং (টাকা পাচার) আইনের আওতার বাইরে। সুতরাং মরো সশস্ত্র বিদ্রোহীদের হাতে টাকা চলে যাওয়ার আশঙ্কা ও ভয় দুটোই ফিলিপাইন সরকারের মধ্যে কাজ করছে বলে মনে হচ্ছে। এখন আমাদের নিরাপত্তার শঙ্কার কথা একটু বলি। ফিলিপাইনের মরো ইসলামিক লিবারেশন ফ্রন্টের ব্যাক অফিস খোলা হয় পাকিস্তানের করাচিতে ১৯৮৪ সালে জেনারেল জিয়াউল হকের সময়ে (সূত্র- পাকিস্তান বিটুইন মস্ক অ্যান্ড মিলিটারি, হোসেন হাক্কানী, পৃ. ১৯১)। সে অফিস এখনো পাকিস্তানে সক্রিয় আছে বলে জানা যায়। রোহিঙ্গাসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের মুসলিম বিদ্রোহীদের অফিসও ওই সময়ে পাকিস্তানে খোলা হয়। এদের সবাইকে পৃষ্ঠপোষকতা দেয় পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। বাংলাদেশে জামায়াতপ্রসূত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি, হরকাতুল জিহাদের সঙ্গে আইএসআইয়ের পৃষ্ঠপোষকতা ও সংযোগের প্রমাণ তো সাম্প্রতিক সময়ে হাতেনাতে পাওয়া গেছে। গত এক বছরে ঢাকার পাকিস্তানের দূতাবাসের দুজন কর্মকর্তা জঙ্গি তত্পরতায় জড়িত থাকার ঘটনায় হাতেনাতে ধরা পড়ার পর পাকিস্তানে ফেরত যেতে বাধ্য হয়েছে। সুতরাং কোথাকার জল কোথায় দিয়ে গড়িয়ে কোথায় গিয়ে পড়ে সেটা ভাবনায় থাকা প্রয়োজন। তাই টাকা পাচারের সঙ্গে যদি ফিলিপাইনের মরো মুসলিম বিদ্রোহীদের কোনো সংযোগ থেকে থাকে তাহলে সেটি আমাদের নিরাপত্তার জন্যও শঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

গত বছর জঙ্গিদের দ্বারা আশুলিয়ার ব্যাংক ডাকাতি প্রমাণ করে বাংলাদেশের জঙ্গিরা এখন কিছুটা আর্থিক সংকটে আছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে গোলাম আযমের রায়ের পর্যবেক্ষণে ট্রাইব্যুনাল থেকে বলা হয়েছিল— রাষ্ট্রের সব জায়গায় জামায়াতী আদর্শ মনোভাবাপন্ন ও জঙ্গিদের প্রতি সহানুভূতিশীল লোকজন রয়েছে। তাদের শনাক্ত করা দরকার এবং ব্যবস্থা নেওয়া উচিত যাতে ঘরের ভিতরের বিভীষণ সম্পর্কে সতর্ক ও নিরাপদ থাকা যায়। নিরাপত্তার বিশ্লেষণে কেউ এবং কোনো কিছুই সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয়। তাই নিরাপত্তার বিষয়ে সংকুচিত নয়, প্রসারিত দৃষ্টিতে সবকিছুকে দেখতে হবে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তার প্রশ্নে সামান্য অসতর্কতা বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।

লেখক : কলামিস্ট ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়