শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৫৪, মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই, ২০১৯ আপডেট:

ঢাকায় কি ডেঙ্গুর মহামারী চলছে?

অধ্যাপক ডা. আবুল হাসনাৎ মিল্টন
অনলাইন ভার্সন
ঢাকায় কি ডেঙ্গুর মহামারী চলছে?

দেশে একেকটা প্রতিকূল পরিস্থিতি আসে আর কারো কারো ব্যর্থতাকে আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে যায়। এবার যেমন ডেঙ্গু এসে সবার সামনে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকনের অক্ষমতাকে মেলে ধরেছে। ডেঙ্গু প্রসঙ্গে শুরু থেকেই মেয়র মহোদয় অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছেন। যখন ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, তখন তিনি বলছেন ঢাকা শহরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি স্বাভাবিক। যখন ঢাকা শহরের হাসপাতাল-ক্লিনিকগুলোতে ডেঙ্গু রোগী ধারণের ঠাঁই নাই, যখন মৃত্যু এসে ডেঙ্গু রোগীদের দ্বারে দ্বারে হানা দিতে শুরু করেছে, তখন তিনি বলছেন, ‘এসব গুজব’। নগরবাসী ইতিমধ্যে তার ডেঙ্গু সম্পর্কিত বচনে বিরক্ত, ক্ষুব্ধ। এইসব উদ্ভট কথা তিনি কোথায় পান? কে তাকে ডেঙ্গু বিষয়ক তথ্য-উপাত্ত প্রদান করেন? নগরালয়ে যে একজন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আছেন, তার কাছ থেকে কিংবা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরের কাছ থেকে কি নগরপিতা ডেঙ্গু পরিস্থিতির উপর নিয়মিত ব্রিফ নেন? 

আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরেক কাঠি সরেস। সম্প্রতি তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে এক সমাবশে ডেঙ্গু মশার বংশবৃদ্ধিকে রোহিঙ্গাদের বংশবিস্তারের সাথে তুলনা করেছেন। টুকটাক লেখালেখি করতে গিয়ে কবিতায় উপমার ব্যবহারে সতর্ক হতে হয় বলে শিখেছিলাম। রাজনীতিতে উপমার ব্যবহার অনেকটা 
শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন অনেক রাজনীতিবিদ। অথচ সেই উপমার ব্যবহারকে অত্যন্ত অমানবিকতার পর্যায়ে নামালেন আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। যে রোহিঙ্গারা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে মা বলে ডাকেন, তাদের সম্পর্কে এমন কটু কথা বলতে বাধলো না স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাহেবের। এই দু:খ দেশবাসী কোথায় রাখবে? 

মহামারী শব্দটা শুনলে অনেক প্রবীণের কাছেই মনে হয় ‘কোন একটা বিশেষ অসুখে গ্রামের পর গ্রাম আক্রান্ত হচ্ছে, মারা যাচ্ছে অসংখ্য মানুষ’। এক সময় প্লেগ, গুটি বসন্ত, কলেরা রোগের মহামারীর কথা আমরা শুনেছি। ‘মহামারী’ শব্দটার সাথে তাই আমাদের অনেকের মাঝেই এক ধরণের ভীতি জড়িয়ে আছে। কিন্তু বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞান, বিশেষ করে জনস্বাস্থ্য বিষয়টির এত উন্নতি হয়েছে যে ‘মহামারী’ মানেই সবসময় ভয়াবহ কিছু নয়। বর্তমানে ‘মহামারী’ ইংরেজিতে যাকে বলে ‘এপিডেমিক’, তার একটা আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সংজ্ঞানুযায়ী, জনপদে কোন অসুখ কখনো যদি সুস্পষ্টভাবে ওই সময়ের প্রেক্ষিতে প্রত্যাশার চাইতে বেশী হারে পরিলক্ষিত হয়, তবে তখন সেটাকে ‘মহামারী’ বলে। কোন লোকালয়ে যদি কখনো নতুন রোগের সন্ধান মেলে, তখন অল্প কয়েকজন মানুষ আক্রান্ত হলেই তাকে মহামারী বলা যায়। কারণ, ওই অসুখটি তখন প্রত্যাশিত হারের চেয়ে বেশী মানুষকে আক্রান্ত করেছে। অর্থাৎ, কোন রোগের মহামারী মানেই হাজার-লক্ষ মানুষের আক্রান্ত হতেই হবে এমন কোন কথা নাই। 

কোন জনপদে কোন অসুখের মহামারীর লক্ষণ দেখা যাচ্ছে কি না, তা বোঝার জন্য অনেকগুলো উপায় আছে। তার মধ্যে একটি হলো, নিয়মিত উপাত্ত সংগ্রহ ও তা বিশ্লেষণের মাধ্যমে। এছাড়াও 
মিডিয়ার কল্যাণেও অনেক দেশেই মহামারীর খোঁজ পাওয়া যায়, এটা আজকাল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। মিডিয়ায় কোন রোগের মহামারী সংক্রান্ত কোন সংবাদ প্রকাশিত হলে জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানগুলো গবেষণার স্বীকৃত পদ্ধতির মাধ্যমে আসলেই মহামারী চলছে কি না, তা যাচাই করে নিশ্চিত করেন। 

দেশে কোন রোগের মহামারী চলছে কি না, সরকারী পর্যায়ে তা নির্ধারণের অন্যতম দায়িত্ব রোগতত্ত্ব নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরের। এছাড়াও জনস্বাস্থ্য গবেষণা সম্পর্কিত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা থাকতে পারে। আইইডিসিআর বা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ডেঙ্গু রোগের আগের বছরের উপাত্তগুলো নিশ্চয়ই সংরক্ষিত আছে। আগের কয়েক বছরের ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তের সংখ্যাগুলোর সাথে এবছরে ইতিমধ্যে আক্রান্ত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তদের তুলনা করলেই আমরা জানতে পারবো, দেশে বর্তমানে ডেঙ্গু রোগের মহামারী চলছে কি না। মহামারী নির্ধারণের এটাই স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য এই পদ্ধতিকে পাশ কাটিয়ে কোন মেয়র প্রমাণ ছাড়া কেবল পদাধিকারবলে কিছু বললেই তা সত্য হয়ে যায় না, এমন কী তা অধিকাংশ মানুষের কাছেও গ্রহণযোগ্য হয় না। আমরা অবাক বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করছি, গত বছর আইডিসিআরের কয়েকজন গবেষক একটি আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক জার্নালে ২০১৩-২০১৬ সাল পর্যন্ত ডেঙ্গু ভাইরাসের প্রকারভেদ (সেরোটাইপ) বিশ্লেষণ করে আশংকা প্রকাশ করেছিলেন যে নিকট ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ডেন-ভি ৩ এবং ডেন-ভি ৪ এর প্রাদুর্ভাব দেখা যেতে পারে। তাদের সুনির্দিষ্ট আশংকা থাকা সত্বেও আমাদের দুই সিটি কর্পোরেশন মশক নিধন কর্মসূচি জোরদার করেননি। বরং মশার ওষুধ কেনার নামে তারা হরিলুট করেছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। 

ঢাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখন যে পর্যায়ে পৌছেছে, তাতে পূরবর্তী বছরসমূহের উপাত্তের জন্য অপেক্ষা না করেও বলা যায়, ঢাকায় এখন ডেঙ্গুর মহামারী চলছে। চিকিৎসকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী,  আগের বছরগুলোতে ডেঙ্গুর ডেন-ভি ১ ও ডেন-ভি ২ স্ট্রেইন পাওয়া গেলেও এ বছর রোগীরা ডেন-ভি ৩ দ্বারা বেশী আক্রান্ত হচ্ছেন। এই ডেন-ভি ৩ এর স্ট্রেইন ডেন-১ ও ২ এর চেয়ে অনেক বেশী ক্ষতিকর এবং এর লক্ষণগুলোও কিছুটা ভিন্ন। তাই সামান্য জ্বর হলেই এবার রোগীদের চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হবার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। মহামারী নিয়ন্ত্রণেরও স্বীকৃত পদ্ধতি রয়েছে। 

ঢাকার নগরপিতারা এবং মন্ত্রী মহোদয় কেন ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে খাটো করে দেখছেন, তা বোধগম্য হচ্ছে না। তারা এটা কার কাছ থেকে লুকোতে চাইছেন? দেশবাসী তো তাদের কথা বিশ্বাস করছেন না। এমন কী বিদেশীরাও তাদের মত করে বাস্তব পরিস্থিতি নিয়মিত জানছেন। উট পাখির মত মরুভূমির বালিতে মুখ লুকিয়ে রাখলে সত্য চাপা পড়ে যায় না। শুধু বাংলাদেশেই নয়, আমেরিকা, এশিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অনেক দেশেই ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। তারা তো কেউ বাস্তবতাকে অস্বীকার করছে না। আশির দশকের আগে মাত্র নয়টি দেশে ডেঙ্গু মহামারী আকারে থাকলেও এখন ১০০র বেশী দেশেই নিয়মিত ডেঙ্গু রোগ হচ্ছে। সেই হিসেবে, বর্তমান পৃথিবীর প্রায় আড়াইশ কোটি মানুষ ডেঙ্গু রোগের ঝুঁকির মধ্য বসবাস করছে। বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতিবছর সারা বিশ্বে পাঁচ থেকে দশ কোটি লোক ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ লোক মারাত্মক ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। এদের মধ্যে একটা উল্লেখযোগ্য অংশই হলো শিশু রোগী। আক্রান্তদের মধ্যে আড়াই শতাংশ মৃত্যুবরণ করে। এটাই বাস্তবতা।

সুতরাং, উল্টোপাল্টা না বকে যার কাজ তাকে করতে দিন। আইইডিসিআরের উচিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহায়তায় ডেঙ্গু পরিস্থিতির উপর প্রতিদিন বিশেষ বুলেটিন বের করা, প্রয়োজনে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং করা। এবং সিটি কর্পোরেশনের উচিত যত দ্রুত সম্ভব কার্যকর ওষুধ প্রয়োগ করে ডেঙ্গুর জন্য দায়ী মশাদের আবাসস্থল ধ্বংস করা। আমরা সবাই জানি, জনগণকে সচেতন করতে হবে ও তাদের বাসা-বাড়ি এবং আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। তবে নীতিনির্ধারকদের মনে রাখা উচিত, কয়েকদিনের মধ্যে মশার আবাসস্থল ধ্বংস করা সম্ভব হলেও মানুষের আচরণ কিন্তু রাতারাতি বদলানো যায় না। মানুষের আচরণ বদলানো হল অন্যতম কঠিন একটা কাজ। দেরিতে হলেও ডেঙ্গু রোগের জন্য প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষার ফি কমিয়ে সরকার একটি প্রশংসনীয় কাজ করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সম্মিলিতভাবে আমাদের গুরুত্বের সাথে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি চালিয়ে যেতে হবে। শুধু কথায় মহামারী নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, পরিস্থিতির অবনতি হয় শুধু।

লেখক: জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক; চেয়ারম্যান, ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেইফটি এন্ড রাইটস। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়