Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ১৩:৩২
আপডেট : ১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ১৭:৩৮

কী আছে ভারত-বাংলাদেশ চুক্তিতে?

হাসান ইবনে হামিদ

কী আছে ভারত-বাংলাদেশ চুক্তিতে?

বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গল্পটা বহু পুরোনো। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে ভারত। ভারত সরকারের পাশাপাশি ভারতীয় জনগণও বাংলাদেশের দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এক অদ্ভূত রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর দাঁড়িয়ে। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নীতির উপর ভিত্তি করে এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নানা সময়ে আমরা পরিবর্তন হতে দেখেছি। এরকম এক অদ্ভুত গোলকধাঁধাতেই কাটছে এ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, যাচ্ছে দিন। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক যখনই এক সুনির্দিষ্ট মাত্রা নিতে শুরু করে তখনই সর্বত্র ‘গেলো গেলো’ রব উঠে! দু’দেশের প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গের কোন সফর বা চুক্তি সম্পাদনের মুহূর্তে সোশাল মিডিয়া ও গণমাধ্যমে এক শ্রেণির মানুষের অপপ্রচার শুরু হয়ে যায়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক সফরও এর ব্যতিক্রম নয়। চার দিনের এই সফর শেষ না করার আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনা। চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের বিষয়বস্তু না জেনেই নানাজন নানামত নিজের মতো করে উপস্থাপন করে যাচ্ছেন। কিন্তু এবারের সফরে যে চুক্তি হয়েছে তা আদৌ কি এই সমালোচনাকে সমর্থন করে? আসুন দেখা যাক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের বিস্তারিত।

টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর এটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম দিল্লি সফর। এই সফরে সাতটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে দুই দেশের মধ্যে৷ এই চুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ ভারত যৌথ বিবৃতির দিকে দৃষ্টি দেয়া যাক।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশের ফেনী নদী থেকে পানি প্রত্যাহার করতে পারবে ভারত। যৌথ বিবৃতিতে দেখা যায়, ফেনী নদীর ১.৮২ কিউসেক পানি প্রত্যাহার করতে পারবে ভারত; প্রতি সেকেন্ডে ৭৯৪ কিউসেক পানি প্রবাহিত হয় ফেনী নদীতে, যার মাত্র ০.২৩% পানি ভারত পাবে। এই পানি ত্রিপুরার সাবরুম শহরে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পে ব্যবহার করা হবে।

এই চুক্তি নিয়ে অনেকের বিরোধীতা লক্ষ্য করলাম। অথচ কেনো বা কোন দৃষ্টিকোণ থেকে এই সাবরুম শহর আমাদের জন্য এক স্পর্শকাতর জায়গা, আবেগ অনুভূতির জায়গা তা আমরা জানিই না। এটি হচ্ছে সেই শহর যেখানে মহাকাব্যিক মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের শরণার্থীদের প্রথম আশ্রয় দেয়া হয়েছিলো। পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও এ দেশীয় দোসরদের নির্মম অত্যাচারে দলে দলে বাংলাদেশের নাগরিকরা ভারতে আশ্রয় নেয়। প্রায় ১ লক্ষ ৩৭ হাজার বাংলাদেশী শরণার্থীকে তখন আশ্রয় দেয় এই সাবরুম শহর। অথচ আমরা কিনা এখন সেই সাবরুম শহরে মাত্র ৬ হাজার লোকের জন্য দশমিক ২৩ শতাংশ পানি দিতে রাজি হচ্ছিনা? এতোটা অকৃতজ্ঞ বোধকরি আমাদের না হলেও চলে! এই শহরটির নাগরিকেরা অধিকাংশ আর্সেনিক রোগে আক্রান্ত, প্রকট খাবার পানির সমস্যায় তারা ভুগছে। তাই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে হলেও এই বিষয়টাতে আমাদের সবার হ্যাঁ বলা উচিত। এটা সত্যি তিস্তা নিয়ে অনেকের মধ্যে একটা ক্ষোভ জন্মেছে। এবারের সফরে প্রত্যাশিতভাবেই তিস্তা নিয়ে আলাদা কোনো সমঝোতা বা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। তবে তিস্তার পানিবণ্টন নিয়ে ২০১১ সালে দুই দেশের সরকার যে অন্তর্বর্তী চুক্তির কাঠামোয় একমত হয়েছিল এবং তার বাস্তবায়ন দেখতে বাংলাদেশের জনগণ যে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নরেন্দ্র মোদিকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। 

যৌথ বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর এই কথার জবাবে নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ‘তার সরকার তিস্তায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের (স্টেকহোল্ডার) সঙ্গে নিরন্তর কাজ করে চলেছে যাতে যত দ্রুত সম্ভব একটি তিস্তা চুক্তি সম্পাদন করা যায়’। ফেনী নদীর পানি প্রত্যাহারের বিষয়ের কারণে অন্য একটি বড় বিষয় ধামাচাপা পরে গিয়েছে। তিস্তা ছাড়াও সাতটি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের জন্য দুই দেশের একটি ফ্রেমওয়ার্ক প্রস্তুত জরুরি বলে বাংলাদেশ জানিয়ে আসলেও ভারতের পক্ষ থেকে তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছিলো না। কিন্তু এবার তাতে ভারত রাজি হয়েছে, এই বিষয়টা যথেষ্ঠ ইতিবাচক। সাত নদীর পানি কীভাবে ভাগাভাগি করা যায়, অবিলম্বে তার একটি খসড়া কাঠামো প্রস্তুত করতে দুই নেতা যৌথ নদী কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে সাতটি সমঝোতা স্মারক হয়েছে তার অন্যতম হলো যৌথভাবে একটি 'কোস্টাল সার্ভেল্যান্স' বা উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা। এই রাডার সম্পর্কিত তথ্য বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ইতোমধ্যে এসেছে। এই সমঝোতা অনুযায়ী বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ভারত একটি আধুনিক রাডার সিস্টেম বসাতে সাহায্য করবে। বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে 'মেরিটাইম সিকিওরিটি' বা সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এই রাডার ব্যবস্থা সমুদ্রপথে সন্ত্রাসবাদী হামলার চেষ্টা হলে আগাম সতর্ক বার্তা দেবে। সাম্প্রতিক সময়ে আকাশ বা স্থলপথে নয় বরং নৌ পথে সন্ত্রাসবাদের বিস্তার ঘটছে। সন্ত্রাসীদের উর্বর ভূমি যেহেতু এই অঞ্চল তাই সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। কেননা এই অঞ্চলের অতীত অভিজ্ঞতা বলে, ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাই তাজ হোটেলে হামলা হয়েছিল এই নৌ পথেই। সমুদ্র পথেই পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র নিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলো। তাই ভবিষ্যতে এ ধরণের সন্ত্রাসী হামলা থেকে বাঁচতে উপযুক্ত পদক্ষেপ হিসেবে এই সিস্টেম চালু করছে দু দেশ। 

তাছাড়া এই সমঝোতা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি 'হোয়াইট শিপিং এগ্রিমেন্ট' তৈরি করতে যাচ্ছে। এর সুবিধে হচ্ছে, নৌবাহিনী পরস্পরের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর চলাচল নিয়ে যাবতীয় তথ্য আগেভাগেই নিজেদের মধ্যে আদানপ্রদান করতে পারবে। তবে এখানে একটি বিষয় গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করা দরকার, এই রাডারগুলো কোস্টগার্ডের জন্য এবং সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। আর এই রাডার ক্রয় করা হচ্ছে ঋণ চুক্তির আওতায়। যেহেতু ঋণ ভারত দিচ্ছে তাই রাডারগুলোও তাদের দেশ থেকে আনা হচ্ছে। অথচ একদল অপপ্রচারে লিপ্ত এই রাডার ভারতের নিয়ন্ত্রণে থাকছে এবং আমরা এর নিয়ন্ত্রণ পাবো না। তারা হয়তো জানেই না মিয়ানমারের সাথেও এই চুক্তি করতে যাচ্ছে ভারত। মূলত এই উপমহাদেশ সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি থেকে বাঁচতে এই পদক্ষেপ উপমহাদেশীয় রাষ্ট্রগুলোর জন্য খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।

চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্র বন্দর দিয়ে ভারতীয় পণ্য পরিবহনের বিষয়ে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) সই হয়েছে। সেভেন সিস্টার্সের জন্য ভারতের এই বন্দর ব্যবহার দরকার তাই আমরা এই বন্দর দিয়েছি ব্যবহার করতে। আর এতে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে বাংলাদেশ। অথচ এই এসওপি’র বিষয়বস্তু না বুঝেই একটা বড় অংশ দেখলাম অপপ্রচারে লিপ্ত। এই সইয়ের মাধ্যমে নাকি শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ভারতকে দিয়ে এসেছেন! পার্শ্ববর্তী দেশ যখন বন্দর ব্যবহার করবে তখন নিশ্চয়ই ফ্রিতে সেটা দেয়া হবে না, এই নূন্যতম ধারণাটুকু একজন মানুষের থাকা উচিত। তাছাড়া শুধু ভারত নয়, ভুটান ও নেপালের সাথেও একই চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কেউ যেন আবার ভেবে না বসেন যে, একই বন্দর আবার ভুটানের কাছেও দিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশ! এমন যুগে এসেও কিভাবে একজন মানুষ ভাবতে পারে যে, বন্দর বিনা টাকায় আমি ভাড়া দেবো?

বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় এলপিজি আমদানি চুক্তি হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত একটি প্রকল্পও উদ্ভোধন করা হয়েছে। শুরুতেই বলে নেয়া দরকার, বাংলাদেশ ভারতে কোন প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি করছে না, বাংলাদেশ ভারতের কাছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি রপ্তানি করবে। বেশ কিছু প্রভাবশালী গণমাধ্যম মূলত এই অপপ্রচারটি করেছে, যদিও পরবর্তীতে তারা দুঃখ প্রকাশ করেছে। প্রাকৃতিক গ্যাস আমাদের নিজের জন্যই অপ্রতুল তাই রপ্তানির প্রশ্নই আসে না। এখন অনেকেই বলতে পারেন, তাহলে তরল গ্যাস যে আমরা রফতানি করবো এতে কি আমরা যথেষ্ট সমৃদ্ধ। উত্তরে বলতে হবে হ্যাঁ। কেননা এলএনজি বা তরল গ্যাস আমদানি করতে নৌ এবং স্থলপথের যে অবকাঠামোর দরকার হয় তা তৈরি করেছে বাংলাদেশ এবং এলএনজি আমদানিতে পর্যাপ্ত সুবিধা তার আছে। তাই এই গ্যাসকে এলপিজি আকারে রপ্তানি করে নিজে লাভবান হতে পারবে। আর এ কারণেই ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রদেশগুলোতে এলপিজি গ্যাস পাঠাতে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। কেননা ভারতের এই সাতটি রাজ্যের আশেপাশে কোনো নদীবন্দর না থাকায় এলপিজি সরবরাহ অত্যন্ত ব্যয়বহুল। আকাশপথ ছাড়া ভিন্ন কোন পন্থা নেই আর নৌপথে সহজ পথ হচ্ছে বাংলাদেশের রুট ব্যবহার করা। তাই সহজ পথ হিসেবে ভারত বাংলাদেশী কোম্পানির কাছ থেকে এলপিজি ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। অন্যদিকে সমুদ্রঘেঁষা হওয়ার কারণে বাংলাদেশের বন্দর এবং টার্মিনাল সুবিধার পূর্ণ ব্যবহার করে বাংলাদেশের চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত অংশ পুনঃরপ্তানি করে তারা মুনাফা নিবে। এতো বিস্তর সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কে না চাইবে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে! দেশের জন্য এই অর্থনৈতিক লাভ বাদ দিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকা নিশ্চয়ই বুদ্ধিমান কূটনীতিকের কাজ না!

এছাড়াও চুক্তি হয়েছে বাংলাদেশকে দেওয়া ভারতের ঋণের প্রকল্প বাস্তবায়নে। সহযোগিতা বিনিময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ইউনিভার্সিটি অব হায়দরাবাদের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। আর সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিনিময় নবায়ন এবং যুব উন্নয়নে সহযোগিতা নিয়ে দুটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনে ভারতের অর্থায়নে বিবেকানন্দ ভবন, খুলনায় ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে ‘বাংলাদেশ-ভারত প্রফেশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট’ গঠন ও বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় এলপিজি আমদানির তিনটি প্রকল্পও উদ্ভোধন করেন দুই দেশের সরকার প্রধান।

চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর বাংলাদেশের প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি নিয়ে যতো না আলাপ হচ্ছে তার চেয়ে বেশি চলছে অপপ্রচার। তিস্তা নিয়ে এই সফরের বিষয়বস্তু ছিলো না তা আগে থেকেই সবাই জানতো। তবে এনআরসি নিয়ে অনেকের উদ্বেগ ছিলো। কিন্তু ভারতের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে জাতিসংঘের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেই নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে দিয়েছিলেন, এনআরসি নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগের কিছু নেই। তাই আলাদাভাবে এটি এবারের সফরে আলোচনায় আসেনি। মনে রাখতে হবে, যে কোন দেশের সাথে দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ককে বন্ধুত্বপূর্ণ দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যালোচনা করতে হবে। অহেতুক বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে চুক্তির বিষয়গুলো সঠিকভাবে জেনে তা নিয়ে আলোচনা করুন। দু’দেশের জনগণের আকাঙ্খা পূরণে একসঙ্গে এগিয়ে চলার প্রচুর সুযোগ রয়েছে, সেই সুযোগকে কাজে লাগাতে হলে সরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিক সমাজের উদ্যোগ একান্ত প্রয়োজন। তাই অপপ্রচারের মাধ্যমে সমাজের মানুষকে বিভ্রান্ত না করে সত্য জানুন এবং সত্য মানুষকে জানান।

লেখক: হাসান ইবনে হামিদ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য