শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:১৯, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২০

শেয়ারবাজারে ইতিহাসের ভয়াবহ তিন বিপর্যয়ের যতো কারণ

খুজিস্তা নুর-ই নাহারীন মুন্নী
অনলাইন ভার্সন
শেয়ারবাজারে ইতিহাসের ভয়াবহ তিন বিপর্যয়ের যতো কারণ

দেশের অর্থনীতির মূল দুটি ধারা মুদ্রা বাজার আর পুঁজি বাজার। একটি অপরটির সাথে সম্পর্কিত। একটিকে পিছনে ফেলে অপরটির উন্নয়ন সম্ভব নয়। পুঁজিবাজারের ইতিহাসে বিপর্যয়ের করুন রেকর্ড ৯৬ সালেরটা ছিলো ভয়াবাহ। তারপর সেটিকে ছাপিয়ে আরও বিপর্যয় হয় ২০১০ সালে, তারপর আর ঘিরে দাড়ানো দূরে থাক অতীতের চেয়েও করুন বিপর্যয়ে একেবারে শেষ এবার।

৯৬ সালে কেবলই কাগজের শেয়ার, নিয়ম-নীতির কোন বালাই নেই। সুযোগ সন্ধানী অনেকে তখন প্রেসে কাগজ ছাপিয়ে ভুয়া শেয়ার সেল করেছে। ৯৬ সালের আগে সাধারণ মানুষেরা পুঁজি বাজার সম্বন্ধে অতোটা জানতেন না ফলে তখনকার কারসাজি চক্র প্রতারিত করে মানুষের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একদম সহজ ভাবে।

৯৭ সনে প্রতিষ্ঠিত হল নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ও পুঁজি বাজারের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান ।

২০১০ সালে বিভিন্ন ব্যাংক এবং নন ব্যাংকিং ইন্সটিটিউশনে আমানতের ১০ শতাংশ পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ করা যেত। কিছু বিনিয়োগকারী অসৎ কর্মচারীর যোগসাজসে অনেক বেশী ঋণ নিয়ে মুনাফা অর্জন করে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক যখন পলিসি পরিবর্তন করে কোম্পানির পেইড আপ ক্যাপিটালের ২৫ শতাংশ এক্সপোজার লিমিট করে সমন্বয় করার জন্য ৬ মাস সময় বেঁধে দেয় এবং অনুসন্ধানী টিম গঠন করে বিভিন্ন তদন্ত বসায় তখন সমস্ত শেয়ার বিক্রি করে মার্কেট থেকে সটকে পড়ে। তা ছাড়া তখন ছিল পুঁজি প্রবাহের তুলনায় শেয়ারের অপ্রতুলতা।

সুযোগ সন্ধানী গোষ্ঠী সময়ের সৎ ব্যবহারে নিজেদের অর্থের পাহাড় গড়ে তুলে আর নিরীহ বিনিয়োগকারীরা হঠাৎ সঙ্কুচিত খারাপ মার্কেটে ঋণের চাপে পড়ে পুঁজি হারায়।

অতীতে এই দেশকে দেশের সহজ সরল মানুষদের বার বার লুণ্ঠন করেছে বর্গী, বেনিয়া, ইংরেজ শাসকেরা। কিন্তু স্বাধীন উত্তর দেশে দীর্ঘ ৪৮ বছর পরে পুঁজি বাজারে বর্তমানের শোষণ যেন ইতিহাসের সমস্ত রেকর্ড অতিক্রম করেছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে পুঁজি বাজারে ২০২০ সালের ধসের মূল কারণ হচ্ছে নানা অনিয়ম।

১) মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভুয়া অডিট রিপোর্টের মাধ্যমে দুর্বল কোম্পানির শেয়ার পাবলিক লিস্টিং এর মাধ্যমে বাজারে আনা।

২) পেইড আপ ক্যাপিটাল অর্থাৎ কোম্পানি মূলধনকে প্লেসমেন্ট শেয়ার এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে মাত্রাতিরিক্ত বড় করা।

৩) প্লেসমেন্ট শেয়ার বিতরণে অনিয়ম। নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্লেসমেন্ট শেয়ার বিতরণ। প্লেসমেন্টের মাধ্যমে যে টাকাগুলো বাজার থেকে বের হয়ে গেছে তা আর পুঁজিবাজারে ফিরে আসেনি।

৪) সেকেন্ডারি মার্কেটে বাণিজ্য শুরু হওয়ার পর পুনরায় মেনিপুলেট করে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করা।

৫) রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান আইসিবি যা পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা এবং দুঃসময়ে বাজারকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য সৃষ্টি, তা খারাপ শেয়ার মেনিপুলেট করার ক্ষেত্রে ডাম্পিং স্টেশন হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার চেয়ে ব্যক্তি স্বার্থ রক্ষায় বেশী মনোযোগী হয়ে লোকসানজনক অকার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়া।

বাজার মূলধন গত ১ বছরে এক লক্ষ কোটি টাকা কমে গেছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আজ অবধি কোন কোম্পানির স্পন্সর ডিরেক্টর, অডিটর, ইস্যু ম্যানেজার কাউকে আইনের আওতায় আনা হয়নি কিংবা দৃশ্যমান কোন তদন্ত হয়নি ফলে বিনিয়োগকারীদের মাঝে এক ধরনের আস্থাহীনতা এবং আতঙ্কগ্রস্থতা দেখা দিয়েছে।

উপরন্তু এই খারাপ বাজারে আরও দুর্বল কোম্পানি আনার সম্ভাবনার কথা শুনা যাচ্ছে।

দুর্বল মৌল ভিত্তির কোম্পানির মাধ্যমে যারা শেয়ার বাজারকে লুণ্ঠন করলো অসহায় বিনিয়োগকারীদের পথে বসাল তাদের বিচার না করে মার্কেট গতিশীল করা সম্ভব নয়।

এদেশে আইন আছে কিন্তু প্রয়োগ নেই। কোম্পানিগুলোতে সুশাসন নেই। ‘'জোর যার মুল্লুক তার’’ মতো করে একের পর এক দুর্বল কোম্পানির শেয়ার বাজারে এসে প্লেসমেন্ট শেয়ারের মাধ্যমে পেইড আপ ক্যাপিটাল বাড়িয়ে মেনিপুলেসনের মাধ্যমে বাজার থেকে ৬০/৭০ গুণ বেশি টাকা তুলে নিয়ে গেছে। যে টাকাগুলো আর বাজারে ফেরত আসেনি। অনেকগুলো কোম্পানির শেয়ার বর্তমানে অভিহিত মূল্যের নিচে নেমে এসেছে। এভাবে চলতে চলতে এক সময় সৃষ্টি হয়েছে প্রচণ্ড তারল্য এবং আস্থার সংকট। কোম্পানিগুলোতে সুশাসন নেই তাই জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতাও নেই, কোন নিয়ম-নীতির বালাই নেই। প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি নিয়ে বাজারে আসলেও নিজেদের সমস্ত শেয়ার বিক্রি করার পর কেবলই লোকসানের হিসাব। পুরনো ভালো কোম্পানিগুলো আবার এই সুযোগে সমস্ত আয় খরচ দেখিয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রাপ্য মুনাফা থেকে বঞ্চিত করছে।

কিছু নাম সর্বস্ব কোম্পানি আবার রাইট শেয়ার এবং ডিভিডেন্ড শেয়ারের মাধ্যমে মার্কেট থেকে আরও বেশি অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে।

ডিএসই এবং বিএসইসি-তে পর্যবেক্ষণ সফটওয়্যার আছে, সবকিছু তাদের নখ দর্পণে। কারসাজিকারকদের তথ্য প্রকাশ করুন। বিচারহীনতার সংস্কৃতি আর কতকাল?

বিনিয়োগকারীদের জিম্মি করে কারসাজির মাধ্যমে কারা এই বাজারকে লুটে নিল তাদের রিক্ত-নিঃস্ব,সর্বস্বান্ত করলো জাতি আজ জানতে চায়।

সমস্ত সরকারী নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশন, বিভিন্ন সংস্থা, সর্ব শেষ আশ্রয়স্থল মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের নিরন্তর চেষ্টা অব্যাহত রাখছে অসহায় মানুষ।

সর্বশেষ মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল, প্রত্যাশা এবং আস্থার জায়গা মানবতার বাতিঘর মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে, পুনরায় আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছে। এই মুহূর্তে রক্ত শূন্য পুঁজি বাজারে তারল্য ইঞ্জেক্টের বিকল্প নেই। এখন কেবলই অপেক্ষার পালা, দেখা যাক নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান সবাই মিলে পুঁজিবাজার আর তাঁর অসহায় বিনিয়োগকারীদের রক্ষার জন্য কি সুফল বয়ে আনতে পারে।

সুউচ্চ ভবনে আগুন লাগলে মানুষ যেমন দিগ্বিদিক শূন্য হয়ে ছোটছুটি করে, বাঁচার তাগিদে লাফিয়ে পড়ে আত্মহুতি দেয়, ঠিক একইভাবে পুঁজি বাজারের বিনিয়োগকারীরা অর্থনৈতিক নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে ৪০০০ ইনডেক্সে হাতে থাকা সমস্ত শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছিলেন ন্যূনতম মূলধনটুকু রক্ষার আশায়। আজ বিনিয়োগকারীরা কারসাজির সুষ্ঠু তদন্ত চায়, যারা তাঁদের সর্বস্বান্ত করে পথে বসিয়েছে সেই অসৎ মানুষদের বিচার চায়।

লেখক: সম্পাদক, পূর্ব পশ্চিম ডটকম

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৫৬ মিনিট আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৮ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৯ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়