শিরোনাম
প্রকাশ: ০২:০৩, সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০

উইলিয়াম এ এস ঔডারল্যান্ড (বীর প্রতীক), মহান মুক্তিযুদ্ধ ও আমার বাবা!

মতিউর রহমান লিটু
অনলাইন ভার্সন
উইলিয়াম এ এস ঔডারল্যান্ড (বীর প্রতীক), মহান মুক্তিযুদ্ধ ও আমার বাবা!

২রা সেপ্টেম্বর আমার বাবা জনাব আতাহার আলী মোল্লার মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৩ সালের এই দিনে হৃদপিণ্ডে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ জনিত কারণে বরিশাল শের এ বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭৭ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি হিসেবেই সকলের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে ইহজনম ত্যাগ করেছেন।

নম্রতা ও ভদ্রতা আমার বাবার অন্যতম বৈশিষ্ট ছিল। অতীব সাধারণ জীবন যাপন করতেন, জীবনের প্রথম বয়সে কষ্ট করলেও শেষ বয়সে টাকা পয়সার কোন কমতি ছিল না। আজ আমার বাবার বলে যাওয়া স্বাধীনতা যুদ্ধের কিছু স্মৃতি আপনাদের মাঝে তুলে ধরতে চাই যেটা কিনা ৯০ দশকে তিনি আমাকে জানিয়েছিলেন। অনেক রিসার্চ করে সেই দিনগুলির সত্যতা খুঁজে আজকে এই রিপোর্টটি আপনাদের মাঝে তুলে ধরতে চাই।

অতীব সাধারণ পরিবারে জন্ম নিয়েছিলেন আমার বাবা। তিনি পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ থানাধীন উত্তর সুবিদখালী গ্রামের মোল্লা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। জীবনে কোন আহামরি চাহিদা না থাকলেও নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে খুলনা শহরে চাকরি সন্ধানে বেরিয়ে পড়েছিলেন ১৯৬৫ সালে। জনৈক ভূঁইয়া সাহেব নামক এক “মহামানুষ” বাবাকে "বাটা" সু কোম্পানির সেলসম্যানের একটি চাকরির ব্যবস্থা করেছিলেন মাত্র ১৪০ টাকা বেতনে। কথাগুলি আমার বাবা ১৯৯১ সালের কোন এক সন্ধ্যায় অশ্রুসিক্ত নয়নে আমাকে জানিয়েছিলেন। তখন আমি পটুয়াখালী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। বাবার কথাগুলি আমার হুবহু মনে আছে। আমি প্রচন্ড মেধাবী না হলেও উল্লেখযোগ্য মেধাবী ছাত্র হিসেবে বেশ নাম ডাক ছিল এলাকায়। বাবার কথা গুলি হৃদয়ের মাঝে অনেকদিন অযত্নে পড়েছিল; গত কয়েকদিন তার বলে যাওয়া কথাগুলি নিয়ে রিসার্স শুরু করি এবং সকল ঘটনার সত্যতা খুঁজে পাই। তাই ভাবলাম সময় এসেছে স্বাধীনতা যুদ্ধে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আমার বাবার অবদানটুকু জাতির সামনে তুলে ধরি।

আমার প্রচেষ্টা বাবাকে সার্টিফিকেটধারী মুক্তিযোদ্ধা বানানো নয় কেবল তার আত্মত্যাগ টুকু সকলকে জানানো। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে পারেননি কেননা তিনি তখন নতুন যোগদান করা একজন ক্ষুদ্র চাকরিজীবী ছিলেন। এছাড়া বাবা অন্যকে গুলি করে মারার মতো তেমন সাহসি ব্যক্তিও ছিলেন না, নিতান্তই একজন সাধারণ মানুষ ছিলেন তিনি।

১৯৬৫ সালে চাকরিতে যোগদান করা মানুষটি যখন একটু স্বাবলম্বী হলেন তখন তিনি ১৯৬৯ সালে আমার মা মনোয়ারা বেগমকে বিয়ে করে খুলনায় নিয়ে আসেন। যদি আমার নামটি লিখতে ভুল না হয় খুলনায় দোলখোলা নামক কোন এক জায়গায় আমার মা'কে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। অতীব তরুণ টগবগে বাবা ১৯৭০ সালে বাটা সু কোম্পানির "বেস্ট সেলসম্যান" হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। সেই সুবাদে ঢাকা হেড অফিসে পুরস্কার আনতে গেলে পরিচয় হয় "উইলিয়াম এ এস ঔডারল্যান্ড" নামক অস্ট্রেলিয়ান অফিসারের, যিনি সেই সময়ে বাটা সু কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা  ছিলেন। পুরস্কার নিয়ে খুলনায় ফিরে আসতেই ১৯৭০ সনের নির্বাচনকে ঘিরে দেশ উত্তাল হয়ে ওঠে, তখন তিনি খুলনাতেই থাকার সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু ১৯৭১ সালে মায়ের পেটে বড় ভাই "মনির" আসলে বাবা বেশ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। ইতোমধ্যে শুরু হয়ে যায় যুদ্ধের দামামা। বাবা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মা'কে নানা বাড়ি পৌঁছে দেবেন, চারিদিকে বিভীষিকাময় অবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা বলতে তেমন কিছুই ছিল না। মা' ছিলেন বেশ সুন্দরী, নিজেদেরকে হায়েনাদের হাত থেকে রক্ষা করতে পায়ে হেটে ও রিকশা যোগে থেমে থেমে রওয়ানা দিলেন সেই খুলনার দোলখোলা থেকে পটুয়াখালীর উদ্দেশ্যে। কখনো পায়ে হেটে কখনো বা অধিক পারিশ্রমিকে বিনিময়ে রিকশায় চড়ে এগুতে থাকলেন। সাথে ছিল একটা মাত্র ট্রাংক (সেই আমলের ট্রাভেল ব্যাগ)।

রূপসা ফেরিঘাটে পৌঁছাতেই মা- বাবা দুজনেই ধরা পরে যান পাকিস্তানিদের হাতে। বাবাকে নিয়ে অনেক জিজ্ঞাসাবাদ করে, গর্ভবতী মাকে কোন ক্ষতি না করলেও বাবাকে রূপসা নদীর তীরে গুলি করতে নিয়ে যান পাকিস্তানী আর্মিরা। অভিযোগ আনা হয়েছিল বাবা নাকি লুটের মালামাল তার ট্রাংকে বহন করছিলেন। বাবা বার বার বলছিলেন বহন করা ট্রাংকটি আমার নিজের কিন্তু আর্মিরা মানছিলেন না। বাবাকে গুলি করার জন্য নদীর কিনারে নিয়ে গেলে মায়ের চিৎকার শুনে জনৈক আর্মি অফিসার বাবাকে প্রমাণ করতে বলেছিল যে ট্রাংকটি যে বাবার ছিল।

ভাগ্যের নির্মম পরিহাস আর্মিদের টানা হেচঁড়ায় কোমর থেকে ততক্ষণে চাবিটাও হারিয়ে গিয়েছিল। ট্রিগারে টান দেয়ার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে বাবার মনে পড়েছিল ট্রাংকের মধ্যে বিয়ের একটা ছবি রাখা আছে।  বাবা যখন চিৎকার করে জীবন ভিক্ষা চাইছিলেন তখন অন্য আরেক অফিসার এসে ট্রাংকটি ভেঙে ছবি বের করার সিদ্ধান্ত নিলেন। ট্রাংকটি ভাঙতেই বাবা মায়ের ছবিটি বের হয়ে আসলে সেদিন নির্ঘাত মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যান আমার বাবা।

আবার পথ চলা শুরু করেন, মা তখন বেশ অসুস্থ, এমনিতেই গর্ভবতী তার উপরে চারিদিকে গোলা বারুদের গন্ধ, বিষাক্ত চারিদিক। কোন রকমে সুবিদখালীতে এসে পৌঁছালে নানা বাড়িতে কান্নার রোল পড়ে যায়। মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরে ফুটফুটে বড় ভাই মনিরের জন্ম হয় কিন্তু সারা শরীর বিষাক্ত ছিল মাত্র ছয়মাস বয়সে ভাইটি আমার মারা গিয়েছিল। এরপরে কয়েক বছর পরে আমার জন্ম হয়। এ পর্যন্ত বলেই সেদিন বাবা আমার চিৎকার দিয়ে কান্না শুরু করেছিলেন।

কয়েক মুহূর্ত নির্বাক থেকে আবার শুরু করলেন। বলেছিলেন; মা'কে রেখে চাকরি বাঁচাতে তিনি কর্মস্থল খুলনার বাটা সু কোম্পানিতে আবার ফিরে আসেন। তখন যুদ্ধ শেষ হয়নি। দমকা হওয়ার মতোই কিছু কর্মস্থলে মানুষ যাতায়াত করতো। বাটাসহ বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মাঝে মাঝে খুলতো আর বন্ধ করতো। এমনই পরিস্থিতিতে আচমকাই শুনতে পেলেন বাটার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা "উইলিয়াম এ এস ঔডারল্যান্ড" বাংলাদেশের মুক্তি আন্দোলনে সরাসরি যুক্ত হয়েছেন। ঠিক তখনই সিদ্ধান্ত নিলেন বাটা সু কোম্পানি তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিলেও আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে দেশ স্বাধীন না হওয়া পর্যন্ত আর কর্মস্থলে যোগদান করবেন না। সেদিন থেকে বাটা সু দোকান না খুললেও বাবা আমার দোকানের চারপাশেই থাকতেন যাতে তার কর্মস্থলের কেউ কোন ক্ষতি করতে না পারেন।

১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসের কোন একদিন (তারিখটি আমার বাবা ঠিকভাবে বলতে পারেননি) খুলনা শহরে পাকিস্তানী আর্মিরা বন্ধ থাকা সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন ধরিয়ে দেয়। বাবা প্রাণপণ চেষ্টা করেছিলেন বাটার দোকান সহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলি বাঁচাতে কিন্তু পাকিস্তানী আর্মিরা তখন এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়া শুরু করলে প্রাণ বাঁচাতে বাবা আমার ড্রেনের মধ্যে আত্মগোপন করেন কিন্তু তাকে লক্ষ্য করে ছোড়া গ্রেনেটি যখন ঠিক তার মাথার উপরে থাকা ম্যানহোলের ঢাকনায় বিকট আওয়াজে ফুটেছিল তখনই অচেতন হয়ে পড়েছিলেন। আর্মিরা চলে গেলে স্থানীয় কয়েকজনের সহযোগিতায় জীবন রক্ষা পেলেও দুটি কানই স্তব্দ হয়ে গিয়েছিল চিরতরে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি ভালো করে শুনতে পেতেন না।  বাবা আমার সার্টিফিকেটধারী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না কিন্তু মহান মুক্তিযুদ্ধে এমন হাজারো দেশপ্রেমিক ছিলেন যারা কিনা বিনা স্বার্থে দেশকে ভাল বেসেছেন। চেতনা কি জিনিস জানতেন না, বুঝতেন না রাজনীতি কি জিনিস! শুধু জানতেন বাংলাদেশ আমাদের আর এ দেশকে ভালোবাসা আমাদের দায়ীত্ব! বাবার মুখে উইলিয়াম সাহেবের নাম শুনেছি, তিনি ছিলেন আমার বাবার মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ।

গত কয়েকদিন ধরে উইলিয়াম সাহেবকে নিয়ে গবেষণা করে জানতে পারলাম তিনি একজন "বীর প্রতীক" খেতাব প্রাপ্ত মহান মুক্তিযোদ্ধা। বাবা আমার উইলিয়াম সাহেবের নামটি ঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারতেন না কিন্তু তাকে ভালোবাসতেন। আজকের এই দিনে সালাম জানাই নাম না জানা সকল মুক্তিযোদ্ধাদের যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব।

নিম্নে আমার গবেষণায় উঠে আসা উইলিয়াম এ এস ঔডারল্যান্ড বীরপ্রতীক সাহেবের পরিচিতি তুলে ধরা হলো:

১৯৭০ সালে তিনি প্রথম ঢাকায় আসেন। বাটা স্যু কোম্পানির প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৭১ সালের প্রথম দিকে বাটা জুতার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে টঙ্গীর কারখানায় নিয়োগ পান।

২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের নামে গণহত্যা চালায়। সে সময় তিনি সেই রাতের ভয়াবহতার কিছু ছবি তুলে পাঠান আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে।

বাটা স্যু কোম্পানির মত বহুজাতিক একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হওয়াতে অবাধ চলাচল ছিল সর্বত্র। সেই সুযোগে তিনি সম্পর্ক গড়ে তোলেন টিক্কা খান, রাও ফারমান আলী, নিয়াজিদের সাথে। আর অন্য দিকে প্রধান সেনাপতি কর্নেল এমএজি ওসমানীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। তারপর সব তথ্য ফাঁস করে দিতেন।

তারপর নিজেই বাটার শ্রমিকদের সংঘবদ্ধ করে টঙ্গীসহ সেক্টর ১ এবং ২ নম্বরে গড়ে তোলা গেরিলা বাহিনীকে নিজ দায়িত্বে প্রশিক্ষণ দেন। তিনি নিজেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। তারপর নিজেই জীবন বিপন্ন করে বাংলাদেশের যুদ্ধে নেমে পড়েন। তিনি বাঙ্গালী যোদ্ধাদের নিয়ে টঙ্গী-ভৈরব রেললাইনের ব্রীজ, কালভার্ট ধ্বংস করে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত করতে থাকেন।

সে সময় তিনি ঢাকার অস্ট্রেলিয়ান ডেপুটি হাইকমিশনের গোপন সহযোগিতা পেতেন। রক্তক্ষয়ী নয় মাস মুক্তিযুদ্ধের শেষে টঙ্গীতে ফিরে আসেন বিজয়ীর বেশে।

১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশেই ছিলেন তারপর নিজ দেশ অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যান। তিনিই একমাত্র বিদেশী বাংলাদেশি যিনি মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য "বীর প্রতীক" খেতাব পান। তার নাম "উইলিয়াম এ এস ঔডারল্যান্ড" । যিনি একজন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক। ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ার পার্থের হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।


বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৯ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৯ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়