শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:১০, রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২০

হাসু আপার ছোট্ট রাসেল আসত যদি ফিরে

হাসিনা আক্তার নিগার
অনলাইন ভার্সন
হাসু আপার ছোট্ট রাসেল আসত যদি ফিরে

‘আমায় গেঁথে দাও না মাগো একটা পলাশ ফুলের মালা

আমি জনম জনম রাখবো ধরে ভাই হারানোর জ্বালা
আসি বলে আমায় ফেলে সেই যে গেলো ভাই
তিন ভুবনের কোথায় গেলে ভাইয়ের দেখা পাই।’ 

মানবীয় সম্পর্কগুলোর মধ্যে ভাই-বোনের যে মধুর সম্পর্ক তা কেবল আবেগ আর অনুভূতি দিয়েই অনুধাবন করা সম্ভব। কোনো বোনের অনেকগুলো ভাইয়ের মধ্য থেকে যদি একটি ভাইও তার কাছ থেকে হারিয়ে যায় তবে সেই ভাই হারানোর জ্বালা কোনো কিছুর বিনিময়ে পূরণ হয় না। 

আর বোনটির হৃদয়ে ভাইয়ের যে ছবি আঁকা থাকে সেই ছবিতে কখনোই কোনো ধূলা জমে না। চির সজীব থাকে ভাই-বোনের ভালোবাসা কিংবা খুনসুটির দিনগুলোর স্মৃতি।

ভাইয়ের প্রতি বোনের এই অনুভূতি নিয়েই বেশ ক’বছর আগে নির্মিত হয়েছিল একটি বিজ্ঞাপন চিত্র। যেখানে বোনটি ছোট্ট ভাইকে হারিয়ে ফেলে মুক্তিযুদ্ধের ঢামাঢোলে। দেশ স্বাধীন হবার দীর্ঘ সময় পরেও বোনটি ছোট্ট সেই ভাইয়ের ছবিই কল্পনায় এঁকে চলে প্রতিনিয়ত। 

তাই তার ভাবনা জুড়ে থাকে - ‘বাবুটা বেঁচে থাকলে আজ দেখতে কেমন হতো! .... ওর কি বিয়ে হতো! .... বাবুর বাবুটা দেখতে কেমন হতো! ....’ তবে এই প্রশ্নের কোনো উত্তর নেই। ভাবনাগুলো শুধুই মনের গহীনে গুমরে মরে, অশ্রু হয়ে ঝরে পড়ে।

ভাই-বোন। দুইটি মাত্র শব্দ। অথচ এর মাঝে মিশে আছে ভালোবাসার এমন এক বন্ধন, যা কোনো ভাষা দিয়েই প্রকাশ করা যায় না। আর এই চিরবন্ধন ছিন্ন করে কোনো ভাইকে যদি চলে যেতে হয় না ফেরার দেশে, তবে সে বিচ্ছেদ বোনের জন্য প্রতি মুহূর্তে মৃত্যুসম হয়ে দাঁড়ায়।

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অনেক বোন হারিয়েছে স্নেহময় ভাইদের। কিন্তু ভাইয়ের রক্তের বিনিময়ে দেশের স্বাধীনতা অর্জন এবং একটি লাল-সবুজের পতাকা প্রাপ্তি - সেই বোনদের শোককে শক্তিতে পরিণত করেছে। বোনেরা গর্বিত হয়েছে ভাইয়ের এমন মহান আত্মত্যাগে। 

কিন্তু যখন স্বাধীন ভূমিতেই কোনো বোন ক্ষমতা লিপ্সু বাহিনীর হাতে বিনা কারণে হারিয়ে ফেলে তার আদরের  ভাইকে, সেটি বড় অসহনীয়। তখন কোনো সান্ত্বনার বাণী বোনের হৃদয়ের রক্তক্ষরণকে থামাতে পারে না। দুর্ভাগা বাঙ্গালি জাতি দুই বোনের কাছে এমনই এক অমানবিক কর্মের জন্য লজ্জিত হয়েছে। রাজনীতির নোংরামির খেলাতে মানুষ নামের অমানুষরা বাংলার ইতিহাসে রচনা করেছে এক কালো অধ্যায়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র চার বছর অতিক্রান্ত না হতেই এদেশেরই কিছু দিকভ্রান্ত সামরিক সদস্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নৃশংসভাবে হত্যা করে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। এর পেছনে মদদ দিয়েছে এদেশেরই বিবেকহীন কিছু রাজনীতিবিদ। ক্ষমতার লোভে এই হত্যাকারীরা এতটাই মতিভ্রম হয়ে পড়েছিল যে, শেখ পরিবারের ছোট্ট শিশু রাসেলকেও তারা রেহাই দেয়নি। হয়তো শেখ পরিবারের রাজনীতিকে সমূলে শেষ করে দিতেই শেখ রাসেলকে হত্যা করেছিল তারা। 

কিন্তু এমন নির্মমতা দেখে প্রশ্ন জাগে, একটি বারের জন্যও কি তাদের চোখের সামনে ভেসে উঠেনি নিজেদের সন্তানদের মুখ! হত্যায় অংশ নেয়া এমন কেউ কি রাসেলের চোখে-মুখে তাদের সন্তানকে খুঁজে পায়নি! একটি বারও কি তারা চোখ তুলে তাকায়নি রাসেলের মায়াবী মুখটির প্রতি!

ক্ষমতার লোভ মানুষকে কতটা অন্ধ করে দেয় তার প্রমাণ এ হত্যাকাণ্ড। আর সে সাথে এটাও পরিষ্কার হয়ে যায় ক্ষমতার কাছে মানবীয় যেকোনো সম্পর্ক এভাবেই হেয় হয়ে যায়।

বঙ্গবন্ধুর মতো একজন বাবা, ফজিলাতুন্নেসার মতো মমতাময়ী মা, শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেলসহ বেশ কয়েকজন আত্মীয়-পরিজনকে হারানোর বিষাদ বেদনাকে বুকে পাথর চাপা দিয়ে রেখেছে বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহেনা। আর আজও তাঁরা যে শোক যন্ত্রণায় মুহ্যমান তা তাদের জীবনের কোনো প্রাপ্তিতেও মুছে যাবে না। 

উজ্জ্বল দীপ্তময় চোখ আর মায়াবী মুখের শেখ রাসেলের জন্ম ঢাকায়, ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর। বাবা ভক্ত রাসেল সুযোগ পেলেই বাবার পাশে পাশে থাকতো। রাজনীতির কারণে অন্যান্য সন্তানকে সময় দিতে পারেননি বঙ্গবন্ধু। সে কারণে তিনি সব সময় চেষ্টা করতেন রাসেলকে নিজের কাছাকাছি রাখতে। তাই স্বাধীন দেশের যে কোনো সরকারি সফরেই বঙ্গবন্ধুর পাশে থাকত রাসেল। রাসেলের আরেকটি সঙ্গী ছিলো তার প্রিয় সাইকেলটি। ১৯৭৫ সালে ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল, ঢাকার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল রাসেল।

ছোট্ট শেখ রাসেল বড় দুই বোনের অনেক আদরের ভাই ছিল। এ জন্যই জীবনের অন্তিম মুহূর্তে রাসেল হত্যাকারীদের হাত থেকে বাঁচার জন্য প্রিয় বোনের কাছেই যেতে চেয়েছিল বারবার। হয়তোবা ছোট শিশুটি তখন  ভাবছিলো, আজ হাসু আপা থাকলে তাকে যেমন করে হোক বাঁচানোর চেষ্টা করতো। 

ড. ওয়াজেদ মিয়া তাঁর ‘Some events involving Sheikh Mujib and Bangladesh’ বইতে শেখ রাসেল সম্পর্কে লিখেছেন, ‘.... রাসেল লোকজনের মধ্যে আশ্রয় নেয়ার জন্য দৌঁড়ে নিচে চলে যায়। হত্যাকারীরা রাসেলকে সেখানে দেখতে পেয়ে ওর দিকে রাইফেল তাক করে। আবদুর রহমান রোমা নামের যে লোকটি অনেক বছর ধরে রাসেলের দেখাশোনা করছিল, সে তা দেখতে পেয়ে ওর হাত ধরে। কিছুক্ষণ পর একজন লোক রাসেলকে রোমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে ঘরের বাইরে নিয়ে যায়। রাসেল জীবনের এমন নির্মমতাকে দেখে কান্না শুরু করে। বারবার ঘাতকদের বলতে থাকে, ‘আল্লাহর দোহাই লাগে, আমাকে মারবেন না। আমার হাসু আপা (শেখ হাসিনা) আর দুলাভাই জার্মানিতে থাকে। আপনারা দয়া করে হাসু আপার কাছে আমাকে পাঠিয়ে দিন।’ 

রাসেলের কান্নায় আবেগতাড়িত হয়ে ওই সৈনিকটি তাকে বাড়ির মূল ফটকের দারোয়ানদের ঘরে লুকিয়ে রাখে। প্রায় আধঘণ্টা পর একজন মেজর রাসেলকে সেখানে লুকিয়ে থাকতে দেখে তাকে উপরে মায়ের ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে রাসেলের মাথায় রিভলভার দিয়ে গুলি করে হত্যা করে।

চির বিদায়ের মুহূর্তে ভাইটি বোনের কাছে আসতে চেয়েছিল। বোনের নাম ধরে কাঁদছিল। কিন্তু বোনটি তখন সাত সমুদ্র তের নদীর ওপারে স্বামীর সংসারে আর এপারে বোনের অলক্ষ্যেই চক্রান্তকারীরা হত্যা করে ভাইটিকে। সেই ছোট্ট ভাইয়ের আকুল কান্না আর আকুতি ভরা মায়াবী চোখ যখন কোনো বোনের মনে পড়ে সে কোনোভাবে  আবেগকে সংবরণ করতে পারে।

রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে একটি বারও যদি বোনের স্থানে দাঁড়িয়ে শেখ হাসিনা আর শেখ রেহেনার ভাই হারানোর যন্ত্রণাকে উপলব্ধি করা যায়, তবে যুবক দুটি ভাই আর ছোট্ট রাসেলকে হারানোর কষ্টটা বোধ করি যেকোনো মানুষের বিবেককে নাড়া দিয়ে যায়।

হানাহানিতে মানুষ হয়ত ক্ষমতার আস্বাদ নিতে পারে। কিন্তু তাতে মনুষ্যত্ববোধ হারিয়ে যায়। আর মনুষ্যত্ববোধহীনদের জায়গা কোথাও হয় না। তাই তো ঘাতকরা দুই বোনের জীবন থেকে রাসেলকে ছিনিয়ে নিলেও এদেশের মানুষের কাছে সেই ঘাতকরা ও তাদের পরিবাররা ঘৃণিত থাকবে আজীবন। বাংলার মাটিতে আইন মোতাবেক ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে। রাসেলের হাসু আপা খুনিদের সাজা দিয়ে তার কথা রেখেছে। কিন্তু হারিয়ে যাওয়া ভাইকে আর ফিরে না পাওয়ার অবর্ণনীয় কষ্ট প্রতিনিয়ত বোনকে কুড়েকুড়ে খায়। কোনো সান্ত্বনাই বোনের অবুঝ হৃদয়ে প্রবোধ মানে না এটাই সত্য।

প্রতিবছরই বাংলাদেশের মানুষ ১৫ আগস্ট পালন করে ‘শোক দিবস’ হিসেবে। কিন্তু বোনদের ভাই হারানোর যন্ত্রণা প্রশমিত হয় না কখনোই; বরং তা আরও তীব্র আকার ধারণ করে হারিয়ে যাওয়া সেই ছোট্ট ভাইটির মতো অন্য কোনো ভাইকে দেখলে। আজ যদি ছোট্ট রাসেল বেঁচে থাকতো তবে এখন সে ৫৫ বছর বয়সের এক পরিপূর্ণ পুরুষ হতো।  

বেঁচে থাকলে রাসেল কার মতো হতো? বাবা জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের গাম্ভীর্য পেত? নাকি অন্য দুই ভাইয়ের মতো উচ্ছল-উচ্ছ্বাসে ভরপুর হতো? এখনও কি রাসেল প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে ছুটে আসতো হাসু আপার কাছে? আদর কেড়ে নিতে অথবা নানা আবদারে ব্যতিব্যস্ত করে তুলতো হাসু আপাকে? মনে প্রশ্ন আসে অসংখ্য কিন্তু কোনো উত্তর মেলে না।

রাসেল বড় হয়ে কেমন হবে সেটা দুই বোনের কাছে একসময় ছিল সুখময় কল্পনা; কিন্তু সেই কল্পনাই এক ভোরে দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। যে দুঃস্বপ্ন আজো দুই বোনকে তাড়া করে বেড়ায়। আর নিয়তির নির্মম পরিহাস হলো, আজীবন এই দুঃস্বপ্নকে বয়ে বেড়াতে হবে বোনদেরকে।

যে ভাইটি হাসু আপা বলতে ছিল অজ্ঞান সেই ভাই-ই যখন চিরতরে হারিয়ে যায়, তখন বোনের কাছে এ কষ্টের চেয়ে অসহনীয় আর কিছু নেই। তবুও কঠিন সেই বাস্তবতাকেই মেনে নিতে হচ্ছে দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। উনার জীবনের কঠিন বাস্তবতা হলো, মায়াবী চোখের পরিপূর্ণ এক পুরুষরূপে ছোট্ট ভাই রাসেলকে দেখার আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে না কোনদিনই।

এ নির্মম সত্যের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সেই ছোট্ট শিশুটি প্রতি শ্রদ্ধায় বাঙ্গালী জাতির মাথা নুয়ে আসে। চোখে ঝরে জল আর অন্তর থেকে ঘাতকদের প্রতি বর্ষিত হয় ধিক্কার। আর বোনটি ভাই হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করেছে।

বাবার আদর্শে বলীয়ান হয়ে, বাবার মতোই ভালোবেসে কাছে টেনে নিয়েছেন বাংলার মানুষকে। নিজের জীবনের মায়া ভুলে তিনি দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে চলেছেন প্রতিনিয়ত বঙ্গবন্ধুর যোগ্য কন্যা হিসাবে। আর এভাবেই ছোট্ট রাসেলকে হাসু আপা আগলে রেখেছেন তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলায়।      

লেখক: কলামিস্ট    

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

৫০ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়