শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৫৯, বুধবার, ২৩ জুন, ২০২১

জনগণের আওয়ামী লীগ, জনকল্যাণে শেখ হাসিনা

প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ
অনলাইন ভার্সন
জনগণের আওয়ামী লীগ, জনকল্যাণে শেখ হাসিনা

স্বাধীনতা অর্জনে জাতীয় সংহতি ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা অতিপ্রয়োজনীয়। জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে ভূমিকা পালন করে রাজনৈতিক দলগুলো। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী লর্ড ব্রাইসের উক্তিটি বেশ প্রনিধানযোগ্য। তার মতে, ‘সংগঠন প্রকৃতপক্ষে রাষ্ট্রনীতি প্রণয়নকারী ব্রোকার (broker) বৈ কিছু নয়।’

লর্ড ব্রাইসের এই উক্তির মিল পাওয়া যায়, উপমহাদেশের রাজনীতির দিকে তাকালে। বৃটিশদের মদদপুষ্ট হয়ে ১৮৮৫ সালে উপমহাদেশে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস। পরে এই দলের নেতৃত্বেই আসে ভারতের স্বাধীনতা।

পরবর্তীতে মুসলমানদের রাজনৈতিকভাবে সচেতন ও তাদের স্বার্থ রক্ষায় গড়ে ওঠে মুসলিম লীগ। ১৯০৬ সালে এই দলটি প্রতিষ্ঠার পর উপমহাদেশে ভারত ও পাকিস্তান নামে ‍দুটি দেশের জন্ম হয়। আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন, ঢাকার কে এম দাস লেনের ‘রোজ গার্ডেনে’।

ঐতিহ্যবাহী এই রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে একাত্তর সালে স্বশস্ত্র যুদ্ধে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে বিশ্বমানচিত্রে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘বাংলাদেশ’ নামের নতুন রাষ্ট্র। ২৩ জুন বাঙালির জীবনে একটি ঐতিহাসিক দিন।

১৭৫৭ সালের ২৩ শে জুন পলাশীর আম্রকাননে স্বাধীনতার যে সূর্যঅস্ত গিয়েছিল; ১৯২ বছর পর একই দিনে বাংলার স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় ঢাকায় জন্ম লাভ করে নতুন রাজনৈতিক দল- আওয়ামী লীগের। মূলত নিপীড়িত-নিষ্পেষিত বাঙালির অধিকার আদায় এবং তাদের সচেতন করে তুলতেই দলটির জন্ম। ‘আওয়াম’ মানে জনগণ- এই জনগণের দলই তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে, দেশ প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দিয়েছে-সর্বোপরি এদেশের ইতিহাস নিয়ন্ত্রণ করেছে। তাই বাংলাদেশের ইতিহাসে এই দলের ভূমিকা ঐতিহাসিক।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের হাত ধরে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে লাল-সবুজের এই দেশ এগিয়ে চলেছে অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার পথে। তার নেতৃত্বে পৃথিবীর বুকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের মর্যাদা অর্জন করেছে বাংলাদেশ।

দেশ ভাগের পর মওলানা আকরাম খাঁর অনুসৃত মুসলিম লীগের অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন মুসলিম লীগের পূর্ববঙ্গের নেতা-কর্মীরা। মূলত তারাই আওয়ামী লীগ তৈরির উদ্যোগ নেন। উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম লীগকে একটি গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। প্রথমে  ‘মুসলিম’ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে মত থাকলেও ওই সময় কৌশলগত কারণেই ‘মুসলিম’ শব্দটি রাখা হয়। তবে ১৯৫৫ সালে আওয়ামী লীগ অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দিয়ে।

প্রতিষ্ঠাকালে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি ও টাঙ্গাইলের তরুণ সংসদ সদস্য শামসুল হক আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হন। শেখ মুজিবকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

আওয়ামী লীগ গঠনের মুহূর্তেই দলটি ব্যাপক বিশ্বাসযোগ্যতা পায় জনগণের। দেশজুড়ে দলটির কর্মসূচি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এ বিষয়ে এম আর আখতার মুকুল লিখেছেন, ‘নানা রকমের বাধা-বিপত্তি আর শত অত্যাচার স্বত্ত্বেও মওলানা ভাসানী ও শেখ মুজিব অত্যন্ত অল্প সমযের মধ্যেই পূর্ববাংলার প্রতিটি জেলাতে বিরাট কর্মীবাহিনী গড়ে তুলেছিলেন। তাঁরা কর্মীদের বুঝালেন কিভাবে পূর্ববাংলায় অত্যন্ত দ্রুত পশ্চিম পাকিস্তানের উপনিবেশ হতে চলেছে। ... ভাসানী-মুজিব উল্কার মতো বাংলার পথে প্রান্তরে ঘুরে বেড়ালেন। তৎকালীন বাংলাদেশে নূতন যুগের সূচনা হলো।’ (সূত্র: এম আর আখতার মুকুল, পাকিস্তানের চব্বিশ বছর: ভাসানী মুজিবের রাজনীতি, পৃ: ১৭)

সাত-চল্লিশে ভারত-পাকিস্তান সৃষ্টির পর বঙ্গবন্ধু দেখলেন, শাসকগোষ্ঠী এদেশের মানুষ তথা বাঙালিকে দ্বিতীয় শ্রেণীর মানুষ হিসেবে বিবেচনা করে। মর্মে মর্মে এই উপলদ্ধি নিয়েই ছয় দফার মতো একটা কিছু দেওয়া যায় কিনা- তা আগেই ভাবতে শুরু করেন বঙ্গবন্ধু।

শেখ মুজিবের এই উপলব্দি বিশেষ করে তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ ও লক্ষ্য বাঙালি রাষ্ট্রসাধনাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি স্বপ্ন দেখতেন, ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের মধ্যে ভারতের পূর্বাঞ্চলে একটি স্বাধীন ও বাঙালি রাষ্ট্রের।

’৪৭ এর হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা শেখ মুজিবের মনে দাগ কাটে। তিনি ছিলেন প্রগতিশীল রাজনীতিতে বিশ্বাসী মানুষ। তাই পরবর্তীতে দেশে ফিরে সেভাবেই কর্মসূচি প্রণয়ন করেন তিনি।

‘নিরাপত্তা আইনে’ জেলে আটক থাকার পর ১৯৫২ সালে শেখ মুজিবুর রহমান দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হন। ১৯৫৩ সালে দলের দ্বিতীয় কাউন্সিল সভায় শেখ মুজিব সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

ভাসানী-মুজিবের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ দ্রুত দেশের আনাচে–কানাচে জনমত গড়ে তোলে এবং ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক আইনসভার নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগ তখন শেরেবাংলা ফজলুল হকের নেতৃত্বে ‘যুক্তফ্রন্ট’ করেছিল। ফজলুল হকের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এবং আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ক্ষমতার সম্মিলনে এই নির্বাচনে মুসলিম লীগ ধরাশায়ী হয়।

১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মৃত্যুবরণ করেন। তখন আওয়ামী লীগকে পুনরূজ্জীবিত করা রাজনীতিতে জরুরি হয়ে পড়ে। এর মাঝে আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে নতুন দল গড়েন মওলানা ভাসানী। তখন থেকেই আওয়ামী লীগে শেখ মুজিবের নিরঙ্কুশ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।

দলকে পুনরূজ্জীবিত করার লক্ষ্যে ১৯৬৪ সালের ৬ মার্চ ঢাকার গ্রিনরোডে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের স্বার্থকে বিশেষভাবে প্রাধান্য দিয়ে এবং এই অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, গণতান্ত্রিক এবং শিক্ষা-সাংস্কৃতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রধান সংগঠনে পরিণত হওয়ার কর্মসূচিগ্রহণ করে।

প্রকৃতপক্ষে ওই সম্মেলন-ই আওয়ামী লীগকে সংগঠন হিসেবে এবং নেতা হিসেবে শেখ মুজিবকে একটি স্বতন্ত্র মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করে। অন্যদিকে পাকিস্তান সরকারের নিপীড়ন থেমে নেই। দমন-পীড়ন নীতি বাড়তেই থাকে। সরকারি নিপীড়ন সত্ত্বেও শেখ মুজিবসহ নেতারা পুরো দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরেছেন, জনমত গড়ে তুলেছেন। এভাবে আওয়ামী লীগ শুরু থেকেই মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছে।

পরবর্তীতে বাঙালিকে অধিকার সচেতন করে মুক্তির জন্য কর্মসূচি প্রণয়ন করেন শেখ মুজিবুর রহমান। ২৩ জুন, আওয়ামী লীগ ৭২ বছরে পা দিয়েছে। বলা হয়ে থাকে, বয়স শুধুমাত্র একটি সংখ্যা। সেটা হোক ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠান। এই সংখ্যাটা তখনই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে যখন ওই ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠান ভালো কিছু করে থাকে, মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে। আওয়ামী লীগ জনগণের দল, জনগণ নিয়েই থেকেছে। বাংলাদেশের যা কিছু অর্জন তা এসেছে আওয়ামী লীগের হাত ধরে, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে।

বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগকে মানুষের দল হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেন। এমনকি দলের সাংগঠনিক কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি হতে পারে মনে করে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেন। বর্তমান আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাও সেভাবেই দলকে সাজিয়ে তুলেছেন, দলের অভ্যন্তরে নিশ্চিত করেছেন গণতন্ত্রের চর্চা।

বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যও বিরাট ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। পাকিস্তানি মার্শাল ল এবং বাংলাদেশি সামরিক শাসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ নির্বাচন করেছে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছে। ১৯৯১ সালে রাষ্ট্রপতি পদ্ধতি থেকে সংসদীয় পদ্ধতিতে যে প্রত্যাবর্তন, তার কৃতিত্ব শেখ হাসিনার। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর কঠিন সময় পার করা আওয়ামী লীগকে শক্ত সাংগঠনিক ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি।

উপমহাদেশে একটি বিষয় লক্ষ্যণীয় যে, এখানে রাজনীতি নেতানির্ভর। কংগ্রেসে যেমন মহাত্মা গান্ধী, মুসলিম লীগে তেমনই জিন্নাহ। আর পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগে প্রথমে ছিলেন ভাসানী। পরে অপরিহার্য ছিলেন শেখ মুজিব, বর্তমানে শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধুর পরে আওয়ামী লীগকে সুসংবদ্ধ রাখা শেখ হাসিনা ছাড়া আর কারও পক্ষে সম্ভব ছিল না। পিতার মতো সম্মোহনী শক্তির নেতৃত্বগুণসম্পন্ন দূরদর্শী নেতা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা তৃতীয়বারের মতো দেশ শাসন করছে আওয়ামী লীগ। এই দলের সময়ই শেখ হাসিনার ‘ভিশনারি’ চিন্তায় ৫০ বছর বয়সী বাংলাদেশের মানুষের গড় আয় ২ হাজার ২ ২৭ মার্কিন ডলার। গড় আয় বেড়ে হয়েছে ৭২ বছর। চল্লিশের দশকে এ দেশের মানুষের গড় আয়ু ছিল চল্লিশের নিচে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

মানুষের জীবনযাত্রার মানও বেড়েছে। বাংলাদেশে বাস্তবায়ন হচ্ছে পদ্মাসেতু, মেট্রোরেলসহ বেশ কয়েকটি মেগাপ্রকল্প। এসব প্রকল্প সম্পন্ন হলে বদলে যাবে দেশের অর্থনীতি। গড়ে উঠবে নতুন নতুন অর্থনীতির ক্ষেত্র। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য যোগ্য জনশক্তি গড়ে তুলতে বাস্তবায়ন  হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ।   

টানা তিনবারসহ মোট চারবার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতায় রয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এই সময়ে গড়ে উঠেছে নানা সুবিধাবাদী চক্র। দলে কলঙ্কলেপন যাতে না হয় সেজন্য কঠোর হস্তে সিদ্ধান্ত নেন দলীয় সভাপতি। এক্ষেত্রে দলের অন্যান্য নেতৃত্বকেও শাখা-প্রশাখা হয়ে ক্ষমতার বারান্দায় হাঁটাহাঁটি করা সুদিনের বন্ধুরা যেন আওয়ামী লীগের কোনো ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য নজর দিতে হবে।

এ দেশে সময়ে সময়ে অনেক রাজনৈতিক দল এসেছে, আবার কালের গহ্বরে হারিয়েও গেছে। তবে টিকে রয়েছে জনগণের দল আওয়ামী লীগ। শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ ছিল জনগণের দল, সাধারণ মানুষের দল। জনগণের দল হয়ে, আওয়ামী লীগ টিকে থাকবে, বেঁচে থাকবে মানুষের হৃদয়ে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে আওয়ামী লীগের বয়স হচ্ছে ৭২। আওয়ামী লীগ বেঁচে থাকুক জনগণের অন্তরে। আওয়ামী লীগের জন্মদিনে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা নির্মাণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। দলটির জন্মদিনে শুভ কামনা থাকলো।

লেখক: উপাচার্য, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; জামালপুর
ই-মেইল: [email protected]

বিডি প্রতিদিন/হিমেল

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়