শিরোনাম
প্রকাশ: ১৮:৪৪, বুধবার, ২৩ জুন, ২০২১

মাঠের পুলিশে নজর দেয়া জরুরি

আলম রায়হান
অনলাইন ভার্সন
মাঠের পুলিশে নজর দেয়া জরুরি

সময় পরিক্রমা এবং বিরাজমান বাস্তবতার আলোকে বাংলাদেশের পুলিশ প্রকৃত অর্থেই বাহিনী হিসেবে শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে গেছে। এর জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কাছে চিরকাল ঋণী হয়ে থাকবে এ বাহিনী। পুলিশ অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে এখন অনেক বেশি দক্ষ। তবে তবে প্রদীপের নিচে অন্ধকার থাকার মতো পুলিশ বিভাগের মিজান-বাবুল আক্তাররাও ছিলেন, এখনো আছেন হয়তো। তবে উচ্চ পর্যায়ে এদের সংখ্যা অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে কম, এমনটি বলছেন বিভিন্ন মহল। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, মাঠের পুলিশের কী অবস্থা?

মানুষের দোড়গোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার মূল দায়িত্ব মাঠের পুলিশের উপর ন্যস্ত। তাদের কাছে আসা মানুষের অভিজ্ঞতা কী? এ বিষয়ে খোঁজ নেয়া খুবই জরুরি হয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে। এমনটা মনে হচ্ছে, ধারাবাহিক দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং সম্প্রতি জানা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু ঘটনা প্রবাহে।

পেশাগত কারণে রাজনীতিক ও পুলিশের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ১৯৮১ সাল থেকে। শুরুতে ঘনিষ্ঠতা হয় সময়ের আবর্তে রাজনীতিতে বাতিল নেতাদের সঙ্গে। একই সময় ঘনিষ্ঠ পরিচয় হয় মাঠ পর্যায়ের পুলিশের সঙ্গে। ঢাকা মহানগরী পুলিশের একটি জোনের ডিসি মোহাম্মদ সালামের সঙ্গে ১৯৮৭ সালে প্রথম দিকে পরিচয় হবার আগে কনেস্টেবল থেকে সর্বোচ্চ ওসি পর্যন্ত চিনতাম এবং চিনতাম ভালো ভাবেই। ওসি থেকে সম্পর্ক পোল জাম্পের মতো উপরে গিয়ে সম্পর্ক হয় ''পুলিশ মন্ত্রী'' হিসেবে সাধারণের কাছে পরিচিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনারেল মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে। এর কারণ দৈনিক নব অভিযান। সে সময় আমার কর্মস্থল দৈনিক নবঅভিজানের নেপথ্য মালিক ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনারেল মাহমুদুর হাসান। প্রকাশক-সম্পাদক হিসেবে সামনে ছিলেন তার কুটুম এস এম রেজাউল হক। এ পত্রিকার চিফ রিপোর্টার হওয়ার আগে আমি ছিলাম অপরাধ ও রাজনীতি বিটের প্রতিবেদক।

সময় পরিক্রমায় মাঠের পুলিশের কেউ কেউ সুপারাভাইজারি দায়িত্বে গেছেন। তবে তাদের সংখ্যা খুবই কম। এদিকে পেশার পথচলায় আমিও মাঠ থেকে সাংবাদিকতার ভিন্ন ধারার গেছি, বসেছি ডেস্কে। তবে রিপোর্টারে অভ্যাস ত্যাগ করিনি অথবা যায়নি। সকলের সঙ্গে পুরনো সম্পর্ক বজায় রেখেছি। পুলিশের মধ্যে মোহাম্মদ সালামের সঙ্গে সম্পর্ক ছিলো খুবই ঘনিষ্ঠ। তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছিলেন চাকুরি জীবনে সর্বশেষ। এর আগে তিনি পুলিশের এডিশনাল আইজি হয়েছিলেন। ছিলেন আইজিপি হবার দোড়গোড়ায়। কিন্তু সরকার বাহাদুর তাঁকে হঠাৎ পত্রপাঠ বিদায় করে দিয়েছিলেন।
 
ল্যাং মারা এবং ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের কানভারি করার ধারা সর্বকালে সকল পেশায়ই ছিলো, আছে; থাকবেও। খুব ঘনিষ্ঠভাবে দেখেছি, এডিশনাল আইজিপি মোহাম্মদ সালামকে কতটা কদর্য পন্থায় ল্যাং মারা হয়েছে। তা না হলে তিনি আইজিপি হতেন। তার ব্যাপারে ক্লিন ইমেজের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর রফিকুল ইসলাম খুবই আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু মোহাম্মদ সালামের দক্ষতা পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে সুনাম এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগ্রহ কোনোই কাজে আসেনি। হয় তো এর পিছনে বড় কোন কারণ ছিলো। অথবা ল্যাং হচ্ছে একমাত্র কারণ। জানতে উচ্ছে করে, পুলিশে ল্যাং মারার প্রবণতা কমেছে না বেড়েছে?

আমাদের সময়কার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসীন হলের ভিপি নূর মোহাম্মদ আইজপি হবার পর পুলিশের সঙ্গে আমার সম্পর্ক আরও বাড়ে। সে সময় আমরা অনেকেই পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সকে বাড়ি-ঘরের মতো মনে করতাম। আইজপি নূর মোহাম্মদ অফিসে প্রায়ই যেতাম। সেখানেও বেশ কিছু পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে পরিচয় হয়েছে। যাদের মধ্যে দুই জন পরে আইজিপি হয়েছেন। যাদের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিলো এবং আছে। একই সময়ে মাঠের পুলিশের সঙ্গে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি হয়। কেবল দূর থেকে দেখতাম মাঠের পুলিশদের। আর ভাবতাম, সাধারণ পুলিশের জীবন নিদারুণ কষ্টের!

নূর মোহাম্মদ ডিএমপির ডিসি ট্রাফিক থাকাকালে তার কাছে শুনেছি, ট্রাফিক পুলিশের অর্ধেক সদস্যই ফুসফুসে ইনফেকশন ও পাইলসে আক্রান্ত হন। রাস্তার ধূলাবালি খেয়ে তাদের ফুসফুসের বারোটা বাজে। আর একটানা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকার কারণে আক্রান্ত হয় পাইলসে। এর আগে এক সময় ছিলো যখন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক বেশি সময়, ১৮/২০ ঘণ্টা, ডিউটি করার পরও লাইনে এসে ঘুমাবার জন্য ফাঁকা বিছানা খুঁজতে পুলিশ সদস্যদের অনেক সময় ছুটাছুটি করতে হতো। বারান্দায়, ফ্লোরে ঘুমানো তো ছিলো মামুরি ব্যাপার। অবশ্য এখন আর সেই অবস্থা নেই বলে শুনেছি।

পেশাগত জীবনের শুরুতে ঘনিষ্ঠতা এবং পুলিশের কষ্টের জীবন সম্পর্কে জানতে জানতে এক প্রকার মমতা সৃষ্টি হয়েছে। যদিও মাঠ পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিলো প্রায় ২৫ বছর। তবে ঘটনাচক্রে মাঠের পুলিশের সঙ্গে আবার পরিচয় হয় ২০১৭ সালে, ভূমিদস্যু চক্রের চক্করে পড়ে। এ চক্রের নেপথ্যে ছিলেন একজন ওসি। প্রতিকারের আশায় নিরুপায় হয়ে বেশ সংকোচের সঙ্গে বরিশাল মেট্রোপলিটান পুলিশের তৎকালীন কমিশনার এস এম রুহুল আমিনের সঙ্গে দেখা করেছিলাম। সেই প্রথম দেখা। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী এই ছাত্রকে চিনতাম না। তিনি নীরবে আমাদের কথা শুনলেন, আমার বিপন্ন পরিবার রক্ষা পেলো। সে সময় আমার অভিজ্ঞ, মাঠের পুলিশ আগের চেয়ে অনেক চৌকশ ও মানবিক এবং ‘ভেরি মাচ ইন কমান্ড’।

মাঠের পুলিশ সম্পর্কে দীর্ঘ সময়ের অর্জিত ধারনাই লালন করে আসছিলাম। এই ধারনায় অবগাহন করতে করতেই বরিশাল শহরে মামলাবাজ ও মাদক কারবারি চক্রের চক্করে পড়ে উপরে না গিয়ে এবার গেলাম মাঠের পুলিশের কাছে, মাসখানেক আগে। আইনগত সাহায্যের জন্য। কিন্তু এবার আর আমার বিস্ময়ের সীমা-পরিসীমা রইলো না। শেষতক বরিশাল মেট্রোপলিটান পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খানের কাছে গিয়ে কোন রকম রক্ষার আস্থা পাওয়া গেলো! ভাবছি, যদি পুলিশ কমিশনার সময় দিতে না পারতেন, যদি নগরবাসীর রক্ষাকবচ হিসেবে থানা ভিত্তিক ওপেন হাউজ ডে নির্দিষ্ট দিনে চলমান না রাখতেন, তা হলে নাগরিকদের অবস্থা কী দাঁড়াতো। বিনয়ের সঙ্গে বলি, বরিশাল নগরীতে আমি বেশ পরিচিত মানুষ। পুরো দেশেও একেবারে অপরিচিত নই। এরপরও মামলাবাজ ও মাদক চক্রের কবল থেকে রেহাই পাবার জন্য মহানগরীর শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তার কাছে যেতে হয়েছে, এর আগের পুলিশের কাছে বারবার ধর্না দিয়েও কোন লাভ হয়নি। বরং জুতার তলি খোয়াবার অবস্থা হয়েছিলো।

বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় মহল্লাভিত্তিক ভূমি দস্যু ও মাদক কারবারির চক্করে পড়ে মাঠ পুলিশের কাছে গিয়ে অতি সম্প্রতি আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে তা আগের অভিজ্ঞতার পাশে দাঁড় করানো কঠিন। আরও স্পষ্টভাবে বলা যায়, মাঠের পুলিশের গড় অবস্থা খুব সুখকর মনে হয়নি আমার। হতে পারে আমি যা দেখেছি তা সার্বিক চিত্র নয়। আবার এমনও হতে পারে, আমার অভিজ্ঞতাই বাস্তব চিত্র।

অনেকেই বলছেন, নানান ধরনের অপরাধীরা এখন আর বড় পুলিশের খবর রাখে না। এরা এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ‘ছোট পুলিশ ম্যানেজ’ করে চলে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই এদের অপকর্মের খবর উপরের পুলিশের নজরে খুব একটা যাবার উপায় থাকে না। যদিও ভুক্তভোগীকে থানায় স্বাগত জানানো ও সহায়তা প্রদানের জন্য ব্যবস্থা রয়েছে, মনোরম ডেক্সও বসানো হয়েছে। দেখলে মনে হবে প্রাইভেট ব্যাংকের হেল্প ডেক্স। কিন্তু ভুক্তভোগী থানায় যে যাবে, তাকে তো ফিরতে হবে এলাকায়!

যদিও মাঠ পর্যায়ে যে পুলিশ সদস্যরা নিয়োজিত থাকেন তাদের খবর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের একেবারে অজানা নয় বলে শুনেছি। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ বেশ সতর্কও রয়েছেন বলে সূত্র জানিয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে। সূত্র মতে, অভিযুক্ত পুলিশের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি আগের চেয়ে কঠোর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন অপরাধের জন্য পুলিশ সদস্যদের সাময়িক বরখাস্ত করার একটি ধারা প্রচলিত আছে। কিন্তু এ ব্যবস্থার সুফল তেমন পাওয়া যাচ্ছিলো না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে উল্টো ফল পাবার উদাহরণও আছে।  কারণ, প্রচলিত বিধান অনুসারে সাময়িক বরখাস্তকৃত ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট অফিসে হাজিরা দিতে হয়। কিন্তু অঘটন ঘটে হাজিরার পরে। হাজিরার পর অন্য কোন কাজ বা তেমন মনিটরিং থাকে না। এই সুযোগে সাময়িক বরখাস্তকৃতদের কেউ কেউ ধর্ষণসহ নানান অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার একাধিক ঘটনা ধরা পড়েছে বলে জানা গেছে। বিরাজমান বাস্তবতার আলোকে সাময়িক বরখাস্তের পরিবর্তে অপরাধ গুরুতর হলে অধিকতর কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে, মানে পত্রপাঠ বিদায়।

অভিজ্ঞ মহল বলছেন, সাময়িক বরখাস্তের বিধান পুলিশের বেলায়ই কেবল নয়, কোন ক্ষেত্রেই আগের মতো আর সুফল বয়ে আনছে না। এদিকে নানান অপরাধে জড়িত অনেকেই আবার মাদকাসক্ত। আর জানা কথা, মাদকাসক্ত মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন, প্রায় অসম্ভব। এরা যেকোনো ধরনের অপরাধ করতে পারে। তা হোন পুলিশ অথবা অন্য যেকোন পেশার মানুষ। আর মাদকের আগ্রাসন যেখানে পৌঁছেছে তাতে এর ভয়াল থাবার বাইরে কোনো শ্রেণি-পেশা আছে, তা কিন্তু জোর দিয়ে বলা যাবে না। আর কেবল মাদকাশক্তি নয়, আরো অনেক সমস্যা আছে অন্যান্য বিভাগের মতো পুলিশ বিভাগেও। তবে অন্য যেকোন চাকুরির চেয়ে এখনো পুলিশে অপরাধের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা কঠোর। কিন্তু এই কঠোরতা মাঠে প্রত্যাশিত ফল দিচ্ছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখা সময়ের দাবি।
 
নিজের অভিজ্ঞতা এবং পেশাগত খোঁজ-খবরের আলোকেই এ লেখার শুরুতে বলেছি,  মানুষের দৌরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেবার মূল দায়িত্ব যে মাঠের পুলিশের উপর ন্যস্ত তাদের বিষয়ে আরও নিবিড়ভাবে খোঁজ-খবর নেয়া জরুরি। কারণ, অকাশে যতই মেঘ থাকুক, তা বর্ষণ হিসেবে জমিনে না নামলে ধরনী সিক্ত হয় না, শস্যশ্যামলা হয় না ধরিত্রী। বরং বর্ষণহীন মেঘের ঘনঘটা রহমতের জল প্রত্যাশী মানুষেকে হতাশ করে, করে বিরক্তও। মনে রাখা প্রয়োজন, জনবিরক্তি খুবই ক্ষতিকর বিষয়। বিশেষ করে কোন গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ে।

অনেরেকই জানেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পিছনে ১৯৭১ সাল থেকে লেগে রয়েছে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র। এই চক্রই ১৯৭৫ সালে দেশের সর্বনাশ করেছে, তেমনই রাজনীতি ও নির্বাচন নিয়েও করেছে অনেক কারসাজি। যে কারণে আওয়ামী লীগকে একটানা ২১ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকতে হয়েছে। এর পর ’৯৬ সালে ক্ষমতায় এলেও পরের নির্বাচনেই আওয়ামী লীগ আবার রাষ্ট্র ক্ষমতার বাইরে চলে যায়, স্বাধীনতা বিরোধীদের পুরনো কারসাজির নতুন সংস্করণের খেলায়। তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসার পর ধীরে ধীরে শক্ত অবস্থানে পৌঁছেছে আওয়ামী লীগ ও স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি। এরপরও বিবেচনায় রাখতে হবে, আওয়ামী লীগের জন্য পুলসিরাত পারের মতো অবস্থা হতে পারে আগামী নির্বাচন। ফলে অধিকতর সাবধানতার জন্য অন্যান্য সকল সরকারি বিভাগের চেয়েও পুলিশ বিভাগের প্রতি বেশি নজর দেয়া প্রয়োজন। বিষয়টি ভেবে দেখবেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ- এই জনপ্রত্যাশা। এটিই দেয়ালের লিখন। তবে চিরকালের অঘটন হচ্ছে, ক্ষমতাসীনরা দেয়াল লিখন খুব একটা পড়েন না! 

লেখক : জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার
সাগরে ভেসে যাওয়া দুই শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়